@champagn3mami37:

ovo radio™
ovo radio™
Open In TikTok:
Region: US
Thursday 02 July 2026 03:55:09 GMT
233
9
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @champagn3mami37, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

মেহেরুন খান সকাল সকাল মেয়েকে চকলেট খেতে দেখে ভিষণ রেগে যায়। মেহেরুন খান এগিয়ে যায় মাহির কাছে,, আর মাহি দিন দুনিয়া ভুলে চকলেট খেতে ব্যস্ত,,! অলরেডি এক বক্স চকলেট খেয়ে ফেলেছে। আরেকটা বক্সে হাত দিতে যাবে,, তখনি মেহেরুন খান মাহির হাত ধরে ফেলে।  মেহেরুন খান : একদম চকলেটে হাত দিবি নাহ, চকলেট পাগলি মেয়ে একটা। কয়টা বাজে খেয়াল আছে কোচিং কে যাবে আমি। মাহি মুচকি হেসে তার মাকে বলে,,,  মাহি:আম্মু আজ বরং আমার হয়ে তুমিই কোচিং এ যাও,, আমি একটু মনের সুখে চকলেট খাই। মেহেরুন খান মেয়ের কথা শুনে বেশ রেগে যায়,,!তিনি মেয়ের কান টেনে ধরে বলে বেশ দুষ্ট হচ্ছো দিনদিন।  মাহি : আম্মু ব্যাথা পাচ্ছি তো,, তখনি আহনাফ খান ওদিক দিয়েই যাচ্ছিলেন,,!মাহি ব্যাথা পাচ্ছে কথাটা কানে আসতেই মাহির রুমে যায়। গিয়ে দেখে মেহেরুন খান মাহির কান টেনে ধরে আছে,তা দেখে আহনাফ খান বেশ রেগে যায়,, সে মেহেরুন খানকে উদ্দেশ্যে করে বলে,,!  আহনাফ খান : কি করছো কি, মেজো বউ মা, আমার মামুনির কান টেনে ধরেছো কেনো,,? ছাড়ো বলছি আহনাফ খানের কথায় মেহেরুন খান মাহির কান ছেড়ে দেয়। আর মাহি দৌড়ে যায় তার বড় আব্বুর কাছে,,  মাহি : ও বড় আব্বু দেখো না আম্মু আমাকে মারছে, দেখো কানটা আমার লাল হয়ে গেছে। আহনাফ খান মেহেরুন খানকে বলে, আজ প্রথমবার তাই কিছু বলাম না,,! কিন্তু পরের বার যদি কেউ আমার মামুনির গায়ে হাত তুলো তাহলে তার খবর আছে, বলেই মাহিকে বলে। আহনাফ খান : বেশি ব্যাথা পেয়েছো মা,,?   মাহি : হুম অনেক, এখনো ব্যাথা করছে,,  আহনাফ খান মাহির কানে ফু দিতে থাকে। আর মেহেরুন খান চাচা ভাতিজির কান্ড দেখছে,,  মেহেরুন খান মাহির কান টেনে ধরেছে ঠিকই, কিন্তু অনেক আস্তে,,! মাহি চাইলেই সরে যেতে পারতো। মেহেরুন খান আহনাফ খানকে উদ্দেশ্যে করে বলে,, মেহেরুন খান:  ঠিক আছে আমি আর কিছুই বলবো না। আপনার ভাতিজি কে,, আপনি শাসন করেন। সকাল সকাল নাস্তা না করে খালি পেটে চকলেট খেতে বসেছে। আহনাফ খান মাহির দিকে তাকিয়ে বলে ভেরি ব্যাড মামুনি এটা কিন্তু ঠিক করোনি,,!   তখনি মেহেরুন খানের চোখ যায় টেবিলে থাকা ফোন আর ল্যাপটপের উপর। সে এগিয়ে গিয়ে মাহিকে জিজ্ঞেসা করে মাহি এগুলো কার,,? মাহি মায়ের কথা শুনে উওর দেয় জানি নাহ আম্মু ঘুম থেকে উঠে দেখলাম এগুলো আমার রুমে,,! আর এতো এতো চকলেট আর আইসক্রিম। মেহেরুন খান কিছু না বলে ফোন আর ল্যাপটপ নিয়ে চলে যায় মিহিরের রুমে,,  মাহি মন খারাপ করে কোচিং এ যাওয়ার জন্য রেডি হতে থাকে,,! আর মেহেরুন খান মিহিরের রুমে গিয়ে বলে,,,   মেহেরুন খান : মিহির মাহিকে ফোন আর ল্যাপটপ তুই দিয়েছিস,, মিহির ল্যাপটপে কাজ করছিলো মায়ের কথা শুনে মাথা তুলে তাকিয়ে দেখে। মেহেরুন খান ল্যাপটপ আর ফোন নিয়ে দাড়িয়ে আছে। মিহির এগিয়ে গিয়ে বলে এগুলো তো মাহির জন্য আবির ভাইয়া এনেছে,, মেহেরুন খান ছোট করে ওহ বলে,,!  তারপরে আবারও বলে মাহির  ল্যাপটপ ফোনের কি দরকার,,? মিহির মেহেরুন খানের কথায় উওর দেয়। মিহির: ওর তো সামনে Hsc এক্সাম অনেক কিছু বইতে পাওয়া যায় না,, ল্যাপটপ দেখে পড়তে সুবিধা হবে।  মেহেরুন খান আর কিছু বলেনা,, তাড়াতাড়ি নিচে আয় নাস্তা করবি, বলেই চলে যায় মাহির রুমে,,! মাহি আয়নায় সামনে দাড়িয়ে রেডি হচ্ছে, মেহেরুন খানকে আয়নায় দেখে মাহি সামনে ঘুরে দাড়ায়!!  মেহেরুন খান কিছু না বলে মাহির হাতে ল্যাপটপ আর ফোন দিয়ে বলে,, মেহেরুন খান:এগুলো তোর আবির ভাইয়া এনেছে তোর জন্য,,! আর তাড়াতাড়ি নিচে আয় নাস্তা করে কোচিং এ যাবি অলরেডি তুই লেট,, বলেই মেহেরুন খান চলে যায়।  আর মাহি খুশিতে নাচতে থাকে মাহি উৎফুল্লে কন্ঠে বলে। আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে এই ফোন আর ল্যাপটপ আমার,, তখনি মেহেরুন খানের কথা মনে পরে আবির এনেছে তোর জন্য,,! মাহি এই কথা মাথায় আসতেই চিরকুট টার কথা ও মাথায় আসে। তাহলে তো ওই চিরকুট টা আবির ভাইয়া রেখেছে,,  কিন্তু কেনো,,?(আমৃত্যু তুই শুধু আমা)   লেখিকা:জেনিফা মাহি,, পর্ব : ৩১ ৷                   ক্যাটাগরি(মাফিয়া*ডার্ক  রোমান্টিক*সাইকো). .        #foryou #viralvideo #foryoupage #উপন্যাসপ্রেমি #foryoupage ,,,,
মেহেরুন খান সকাল সকাল মেয়েকে চকলেট খেতে দেখে ভিষণ রেগে যায়। মেহেরুন খান এগিয়ে যায় মাহির কাছে,, আর মাহি দিন দুনিয়া ভুলে চকলেট খেতে ব্যস্ত,,! অলরেডি এক বক্স চকলেট খেয়ে ফেলেছে। আরেকটা বক্সে হাত দিতে যাবে,, তখনি মেহেরুন খান মাহির হাত ধরে ফেলে। মেহেরুন খান : একদম চকলেটে হাত দিবি নাহ, চকলেট পাগলি মেয়ে একটা। কয়টা বাজে খেয়াল আছে কোচিং কে যাবে আমি। মাহি মুচকি হেসে তার মাকে বলে,,, মাহি:আম্মু আজ বরং আমার হয়ে তুমিই কোচিং এ যাও,, আমি একটু মনের সুখে চকলেট খাই। মেহেরুন খান মেয়ের কথা শুনে বেশ রেগে যায়,,!তিনি মেয়ের কান টেনে ধরে বলে বেশ দুষ্ট হচ্ছো দিনদিন। মাহি : আম্মু ব্যাথা পাচ্ছি তো,, তখনি আহনাফ খান ওদিক দিয়েই যাচ্ছিলেন,,!মাহি ব্যাথা পাচ্ছে কথাটা কানে আসতেই মাহির রুমে যায়। গিয়ে দেখে মেহেরুন খান মাহির কান টেনে ধরে আছে,তা দেখে আহনাফ খান বেশ রেগে যায়,, সে মেহেরুন খানকে উদ্দেশ্যে করে বলে,,! আহনাফ খান : কি করছো কি, মেজো বউ মা, আমার মামুনির কান টেনে ধরেছো কেনো,,? ছাড়ো বলছি আহনাফ খানের কথায় মেহেরুন খান মাহির কান ছেড়ে দেয়। আর মাহি দৌড়ে যায় তার বড় আব্বুর কাছে,, মাহি : ও বড় আব্বু দেখো না আম্মু আমাকে মারছে, দেখো কানটা আমার লাল হয়ে গেছে। আহনাফ খান মেহেরুন খানকে বলে, আজ প্রথমবার তাই কিছু বলাম না,,! কিন্তু পরের বার যদি কেউ আমার মামুনির গায়ে হাত তুলো তাহলে তার খবর আছে, বলেই মাহিকে বলে। আহনাফ খান : বেশি ব্যাথা পেয়েছো মা,,? মাহি : হুম অনেক, এখনো ব্যাথা করছে,, আহনাফ খান মাহির কানে ফু দিতে থাকে। আর মেহেরুন খান চাচা ভাতিজির কান্ড দেখছে,, মেহেরুন খান মাহির কান টেনে ধরেছে ঠিকই, কিন্তু অনেক আস্তে,,! মাহি চাইলেই সরে যেতে পারতো। মেহেরুন খান আহনাফ খানকে উদ্দেশ্যে করে বলে,, মেহেরুন খান: ঠিক আছে আমি আর কিছুই বলবো না। আপনার ভাতিজি কে,, আপনি শাসন করেন। সকাল সকাল নাস্তা না করে খালি পেটে চকলেট খেতে বসেছে। আহনাফ খান মাহির দিকে তাকিয়ে বলে ভেরি ব্যাড মামুনি এটা কিন্তু ঠিক করোনি,,! তখনি মেহেরুন খানের চোখ যায় টেবিলে থাকা ফোন আর ল্যাপটপের উপর। সে এগিয়ে গিয়ে মাহিকে জিজ্ঞেসা করে মাহি এগুলো কার,,? মাহি মায়ের কথা শুনে উওর দেয় জানি নাহ আম্মু ঘুম থেকে উঠে দেখলাম এগুলো আমার রুমে,,! আর এতো এতো চকলেট আর আইসক্রিম। মেহেরুন খান কিছু না বলে ফোন আর ল্যাপটপ নিয়ে চলে যায় মিহিরের রুমে,, মাহি মন খারাপ করে কোচিং এ যাওয়ার জন্য রেডি হতে থাকে,,! আর মেহেরুন খান মিহিরের রুমে গিয়ে বলে,,, মেহেরুন খান : মিহির মাহিকে ফোন আর ল্যাপটপ তুই দিয়েছিস,, মিহির ল্যাপটপে কাজ করছিলো মায়ের কথা শুনে মাথা তুলে তাকিয়ে দেখে। মেহেরুন খান ল্যাপটপ আর ফোন নিয়ে দাড়িয়ে আছে। মিহির এগিয়ে গিয়ে বলে এগুলো তো মাহির জন্য আবির ভাইয়া এনেছে,, মেহেরুন খান ছোট করে ওহ বলে,,! তারপরে আবারও বলে মাহির ল্যাপটপ ফোনের কি দরকার,,? মিহির মেহেরুন খানের কথায় উওর দেয়। মিহির: ওর তো সামনে Hsc এক্সাম অনেক কিছু বইতে পাওয়া যায় না,, ল্যাপটপ দেখে পড়তে সুবিধা হবে। মেহেরুন খান আর কিছু বলেনা,, তাড়াতাড়ি নিচে আয় নাস্তা করবি, বলেই চলে যায় মাহির রুমে,,! মাহি আয়নায় সামনে দাড়িয়ে রেডি হচ্ছে, মেহেরুন খানকে আয়নায় দেখে মাহি সামনে ঘুরে দাড়ায়!! মেহেরুন খান কিছু না বলে মাহির হাতে ল্যাপটপ আর ফোন দিয়ে বলে,, মেহেরুন খান:এগুলো তোর আবির ভাইয়া এনেছে তোর জন্য,,! আর তাড়াতাড়ি নিচে আয় নাস্তা করে কোচিং এ যাবি অলরেডি তুই লেট,, বলেই মেহেরুন খান চলে যায়। আর মাহি খুশিতে নাচতে থাকে মাহি উৎফুল্লে কন্ঠে বলে। আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে এই ফোন আর ল্যাপটপ আমার,, তখনি মেহেরুন খানের কথা মনে পরে আবির এনেছে তোর জন্য,,! মাহি এই কথা মাথায় আসতেই চিরকুট টার কথা ও মাথায় আসে। তাহলে তো ওই চিরকুট টা আবির ভাইয়া রেখেছে,, কিন্তু কেনো,,?(আমৃত্যু তুই শুধু আমা) লেখিকা:জেনিফা মাহি,, পর্ব : ৩১ ৷ ক্যাটাগরি(মাফিয়া*ডার্ক রোমান্টিক*সাইকো). . #foryou #viralvideo #foryoupage #উপন্যাসপ্রেমি #foryoupage ,,,,

About