@kzrnrub:

ТГК:RUBEEEN
ТГК:RUBEEEN
Open In TikTok:
Region: DE
Thursday 02 July 2026 09:17:42 GMT
32802
4357
21
293

Music

Download

Comments

_elif_811
Elif🇹🇷🏹 :
Это сколько в слезах ?
2026-07-02 18:00:01
46
mwmlw
Mari :
Это сколько в «спишь»?
2026-07-02 17:38:48
23
sysmena
🇦🇲☦️ :
не заметно липсинг снял 😂🔥
2026-07-02 19:14:02
7
bethjat_04
Xuba :
Чувствует
2026-07-02 16:08:17
2
dfghjkl_111
bhhb :
меня манит
2026-07-02 20:33:56
0
rozalinaharisova
ROZALINA✨ :
восток 😍
2026-07-02 16:08:53
1
_bad_79
ТГК My Talking Angela2 :
Можно арт на чехол, пожалуйста
2026-07-02 15:34:02
0
angelinka_07
🇦🇲A N G E L I N A 🇦🇲 :
Просто вау😍
2026-07-02 16:50:54
0
kar_ina.4
K🤍 :
2026-07-02 15:09:46
0
user1632685811999
Наталья Владимировна :
Песня бомба 👍👍👍
2026-07-02 15:15:57
1
anaitanahit
Anahit :
Аккуратный мужчинский липсинк
2026-07-02 18:32:55
0
dashajan
Dasha Джан 💋 :
❤️❤️❤️
2026-07-02 09:49:26
0
artyommm222
euphoria✨ :
🌷🌷🌷
2026-07-02 09:55:13
0
angeltnvyf5
ं8K》Hreshtak ं :
❤️❤️❤️
2026-07-02 18:34:37
0
meriika5
meriika5 :
🔥🔥🔥
2026-07-02 09:49:13
0
To see more videos from user @kzrnrub, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

#বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। ১৯৭১ সাল। বাঙালির মহান মুক্তিযুদ্ধের উত্তাল ও সংকটময় সময়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখন পশ্চিম পাকিস্তানের অন্ধকার কারাগারে বন্দি, প্রতি মুহূর্তে মৃত্যুর মুখোমুখি। ঠিক সেই চরম দুঃসময়ে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে হেনরি কিসিঞ্জারের কুখ্যাত কূটনৈতিক তৎপরতায় একটি প্রস্তাব আসে। প্রস্তাবটি ছিল লোভনীয়, বঙ্গবন্ধুর মুক্তি এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা বা স্বায়ত্তশাসনের পথে মার্কিন সহযোগিতা মিলবে, কিন্তু বিনিময়ে বঙ্গোপসাগরে মার্কিন নৌঘাঁটি স্থাপনের অনুমতি দিতে হবে! অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বন্দি থেকেও বঙ্গবন্ধুর উত্তর ছিল বজ্রকণ্ঠের মতো স্পষ্ট ও আপসহীন। তিনি দ্ব্যর্থহীনভাবে জানিয়ে দেন,
#বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। ১৯৭১ সাল। বাঙালির মহান মুক্তিযুদ্ধের উত্তাল ও সংকটময় সময়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখন পশ্চিম পাকিস্তানের অন্ধকার কারাগারে বন্দি, প্রতি মুহূর্তে মৃত্যুর মুখোমুখি। ঠিক সেই চরম দুঃসময়ে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে হেনরি কিসিঞ্জারের কুখ্যাত কূটনৈতিক তৎপরতায় একটি প্রস্তাব আসে। প্রস্তাবটি ছিল লোভনীয়, বঙ্গবন্ধুর মুক্তি এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা বা স্বায়ত্তশাসনের পথে মার্কিন সহযোগিতা মিলবে, কিন্তু বিনিময়ে বঙ্গোপসাগরে মার্কিন নৌঘাঁটি স্থাপনের অনুমতি দিতে হবে! অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বন্দি থেকেও বঙ্গবন্ধুর উত্তর ছিল বজ্রকণ্ঠের মতো স্পষ্ট ও আপসহীন। তিনি দ্ব্যর্থহীনভাবে জানিয়ে দেন, "বাংলাদেশে কারো সামরিক ঘাঁটি হবে না।" যারা বাঙালির রক্তে হাত রাঙিয়েছে এবং পাকিস্তানকে সহযোগিতা করেছে, তাদের সঙ্গে কোনো আপস নয়। কারাগারের শিকল তাঁর আদর্শকে বাঁধতে পারেনি, এমনকি নিশ্চিত মৃত্যুভয়ও তাঁর সিদ্ধান্তকে এক চুল টলাতে পারেনি। বঙ্গবন্ধু দেখিয়ে দিয়েছেন- স্বাধীনতা মানে কারো কাছে মাথা নত করা নয়, স্বাধীনতা মানে সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আজীবন আপসহীন থাকা। বঙ্গবন্ধুর এই ঐতিহাসিক প্রত্যাখ্যান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ইতিহাসের পাতায় একটি "Shameless and Despicable" (নির্লজ্জ ও ঘৃণ্য) প্রচেষ্টা হিসেবেই লেখা আছে। পিতার সেই মহান আদর্শ ধারণ করেই তাঁর সুযোগ্য কন্যা, জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতার শীর্ষে থেকেও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে একইভাবে আপসহীন থেকেছেন। সেন্ট মার্টিন দ্বীপে মার্কিন ঘাঁটি স্থাপনের প্রস্তাব তিনি জনসমক্ষে ও দৃঢ়তার সাথে প্রত্যাখ্যান করেছেন। এমনকি ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট, যখন সরকার পতন অনিবার্য জেনেছেন, তখনও পিতার আদর্শের মতো কোনো ভিনদেশী শক্তির সাথে আপোষ করে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার পথ বেছে নেন নি। তিনি প্রমাণ করেছেন, ক্ষমতার চেয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব তাঁর কাছে অনেক বড়। দুর্ভাগ্যবশত, ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। মেজর জিয়াউর রহমান প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর মার্কিন ঘাঁটি স্থাপনে সম্মতি দিয়ে পত্রিকার শিরোনাম হয়েছিলেন। তাঁর কাছে দেশের সার্বভৌমত্বের চেয়ে সাম্রাজ্যবাদীদের সাথে আপোষ করে নিজের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করাই ছিল মুখ্য। আর আজ, তারই রক্তের উত্তরসূরি তারেক রহমান নিজে ক্ষমতায় আসার মোহে দেশের জন্য চরম বিপজ্জনক মার্কিন গোলামী চুক্তিতে সম্মত হতেও দ্বিধা করেননি! ভাবতেই অবাক লাগে এবং ঘৃণা জাগে, যখন জনসভার মঞ্চে দাঁড়িয়ে এরাই দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার মিথ্যা গালগল্প শোনায়! দেশের মানুষ এদের আসল রূপ চেনে এবং সঠিক সময়ে সঠিক জবাব দেবে। ©️Rahatil Ashekin

About