@iziaaspam:

izia
izia
Open In TikTok:
Region: FR
Thursday 02 July 2026 15:12:49 GMT
4458
876
0
27

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @iziaaspam, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

এই গল্পটি শুরু হয় একটি স্বপ্ন দিয়ে। একদিন রাসূল (সা.) স্বপ্নে দেখলেন যে জিবরাঈল (আ.) একটি রেশমি রুমাল নিয়ে এসেছেন। সেই রুমালের ভেতরে একটি ছোট মেয়ের ছবি ছিল। রাসূল (সা.) চিনতে পারলেন যে এটি তাঁর প্রিয় বন্ধু হযরত আবু বকর (রা.)-এর মেয়ে আয়েশা। জিবরাঈল (আ.) জানালেন যে, এই মেয়েটিই দুনিয়া ও আখিরাতে তাঁর স্ত্রী হবেন। প্রধান ঘটনাগুলো নিচে দেওয়া হলো: বিয়ের প্রস্তাব: হযরত খাদিজা (রা.)-এর ইন্তেকালের পর, রাসূল (সা.) একাকী বোধ করছিলেন। আল্লাহর নির্দেশে এবং বারবার একই স্বপ্ন দেখার পর, তিনি খওলা বিনতে হাকিমকে হযরত আবু বকর (রা.)-এর বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে পাঠান। আবু বকর (রা.)-এর আনন্দ: এই প্রস্তাব শুনে হযরত আবু বকর (রা.) অত্যন্ত খুশি হন, কারণ তিনি সবসময়ই রাসূল (সা.)-এর সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক তৈরি করতে চেয়েছিলেন। নিকাহ বা বিয়ে: মক্কায় অত্যন্ত সাদামাটাভাবে এই বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। তখন হযরত আয়েশা (রা.)-এর বয়স ছিল মাত্র ৬ বছর। বিয়ের মোহরানা ধার্য করা হয়েছিল ৫০০ দিরহাম। মদিনায় হিজরত ও সংসার শুরু: মক্কায় কাফেরদের অত্যাচারের কারণে রাসূল (সা.) এবং আবু বকর (রা.) মদিনায় হিজরত করেন। এর প্রায় ৩ বছর পর, ৯ বছর বয়সে হযরত আয়েশা (রা.) রাসূল (সা.)-এর ঘরে আসেন এবং তাঁদের দাম্পত্য জীবন শুরু হয়। সরল জীবনযাপন: তাঁদের জীবন ছিল অত্যন্ত সাধারণ। হযরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেছেন যে, অনেক সময় তাঁদের ঘরে প্রদীপ জ্বালানোর মতো তেলও থাকত না এবং মাসের পর মাস উনুনে আগুন জ্বলত না (রান্না হতো না)। তাঁরা শুধু খেজুর ও পানি খেয়ে দিন কাটাতেন। ভালোবাসার নিদর্শন: এত অভাব থাকা সত্ত্বেও তাঁদের মধ্যে ছিল অগাধ ভালোবাসা। তাঁরা একই পাত্রে খাবার খেতেন। হযরত আয়েশা (রা.) যেখান দিয়ে পানি পান করতেন, রাসূল (সা.) ঠিক সেই জায়গায় ঠোঁট লাগিয়ে পানি পান করতেন। উপসংহার: হযরত আয়েশা (রা.) ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী। তাঁর প্রখর স্মৃতির কারণে তিনি রাসূল (সা.)-এর থেকে অনেক হাদিস বর্ণনা করেছেন, যা উম্মতের জন্য এক বিশাল নিয়ামত। এই কাহিনী আমাদের শেখায় যে, প্রকৃত সুখ সম্পদে নয় বরং হৃদয়ের প্রশান্তি ও পারস্পরিক ভালোবাসার মধ্যে নিহিত।
এই গল্পটি শুরু হয় একটি স্বপ্ন দিয়ে। একদিন রাসূল (সা.) স্বপ্নে দেখলেন যে জিবরাঈল (আ.) একটি রেশমি রুমাল নিয়ে এসেছেন। সেই রুমালের ভেতরে একটি ছোট মেয়ের ছবি ছিল। রাসূল (সা.) চিনতে পারলেন যে এটি তাঁর প্রিয় বন্ধু হযরত আবু বকর (রা.)-এর মেয়ে আয়েশা। জিবরাঈল (আ.) জানালেন যে, এই মেয়েটিই দুনিয়া ও আখিরাতে তাঁর স্ত্রী হবেন। প্রধান ঘটনাগুলো নিচে দেওয়া হলো: বিয়ের প্রস্তাব: হযরত খাদিজা (রা.)-এর ইন্তেকালের পর, রাসূল (সা.) একাকী বোধ করছিলেন। আল্লাহর নির্দেশে এবং বারবার একই স্বপ্ন দেখার পর, তিনি খওলা বিনতে হাকিমকে হযরত আবু বকর (রা.)-এর বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে পাঠান। আবু বকর (রা.)-এর আনন্দ: এই প্রস্তাব শুনে হযরত আবু বকর (রা.) অত্যন্ত খুশি হন, কারণ তিনি সবসময়ই রাসূল (সা.)-এর সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক তৈরি করতে চেয়েছিলেন। নিকাহ বা বিয়ে: মক্কায় অত্যন্ত সাদামাটাভাবে এই বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। তখন হযরত আয়েশা (রা.)-এর বয়স ছিল মাত্র ৬ বছর। বিয়ের মোহরানা ধার্য করা হয়েছিল ৫০০ দিরহাম। মদিনায় হিজরত ও সংসার শুরু: মক্কায় কাফেরদের অত্যাচারের কারণে রাসূল (সা.) এবং আবু বকর (রা.) মদিনায় হিজরত করেন। এর প্রায় ৩ বছর পর, ৯ বছর বয়সে হযরত আয়েশা (রা.) রাসূল (সা.)-এর ঘরে আসেন এবং তাঁদের দাম্পত্য জীবন শুরু হয়। সরল জীবনযাপন: তাঁদের জীবন ছিল অত্যন্ত সাধারণ। হযরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেছেন যে, অনেক সময় তাঁদের ঘরে প্রদীপ জ্বালানোর মতো তেলও থাকত না এবং মাসের পর মাস উনুনে আগুন জ্বলত না (রান্না হতো না)। তাঁরা শুধু খেজুর ও পানি খেয়ে দিন কাটাতেন। ভালোবাসার নিদর্শন: এত অভাব থাকা সত্ত্বেও তাঁদের মধ্যে ছিল অগাধ ভালোবাসা। তাঁরা একই পাত্রে খাবার খেতেন। হযরত আয়েশা (রা.) যেখান দিয়ে পানি পান করতেন, রাসূল (সা.) ঠিক সেই জায়গায় ঠোঁট লাগিয়ে পানি পান করতেন। উপসংহার: হযরত আয়েশা (রা.) ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী। তাঁর প্রখর স্মৃতির কারণে তিনি রাসূল (সা.)-এর থেকে অনেক হাদিস বর্ণনা করেছেন, যা উম্মতের জন্য এক বিশাল নিয়ামত। এই কাহিনী আমাদের শেখায় যে, প্রকৃত সুখ সম্পদে নয় বরং হৃদয়ের প্রশান্তি ও পারস্পরিক ভালোবাসার মধ্যে নিহিত। "রাসূল (সা.) এবং হযরত আয়েশা (রা.)-এর এই পবিত্র ভালোবাসার গল্পটি আপনার কেমন লেগেছে? কমেন্টে 'সুবহানআল্লাহ' লিখে জানান।" এরকম আরও হৃদয়স্পর্শী ইসলামিক জীবনকাহিনী পেতে আমাদের পেজটি ফলো করে সাথেই থাকুন। 👉ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে হেদায়াতের দোয়ার কে ফলো দিয়ে রাখুন।। 💌অনেকে ইনবক্সে ক্যাপশন চেয়ে থাকেন সবার রিপ্লাই দেওয়া সম্ভব হয় না। তাই চাইলে আমাদের Facebook থেকেই কপি করে নিতে পারেন। 📌ফেইসবুক লিংক TikTok প্রোফাইল bio-তে দেওয়া। #আমল #আল্লাহর_রহমত। #ইসলামিক_ভিডিও_🤲🕋🤲 #হেদায়াতের #দোয়ার💝💞

About