@dinhvantunglive: #tunglivedongho #donghothongminh #smartwatch #donghonam #donghochinhhang

Tùng Chữ Tín
Tùng Chữ Tín
Open In TikTok:
Region: VN
Friday 03 July 2026 16:00:43 GMT
135232
363
6
26

Music

Download

Comments

_nqahoz_
🐝 :
đi bơi dc ko ạ
2026-07-06 07:15:35
0
tonhuu32
HTO9x :
có ốp lưng và kín cường lực k shop
2026-07-04 09:50:22
0
To see more videos from user @dinhvantunglive, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

আমার স্ত্রী চা খেত না। আমাদের বিয়ের আগে থেকেই জানতাম। প্রথম যেদিন ওকে দেখতে গিয়েছিলাম, সবাই চা খাচ্ছিল। ওর সামনে একটা কাপ ছিল, কিন্তু ছোঁয়নি। আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, “চা খাও না?” ও মাথা নেড়ে বলেছিল, “ভালো লাগে না।” আমি তখন হেসে বলেছিলাম, “তাহলে বিয়ের পর সমস্যা হবে। আমি দিনে চার কাপ চা খাই।” ও বলেছিল, “বানিয়ে দিতে সমস্যা নেই।” কথাটা সত্যি ছিল। আমাদের বিয়ের পর প্রায় সতেরো বছর প্রতিদিন সকালে আমার ঘুম ভাঙত চায়ের গন্ধে। আমি বিছানায় বসেই বলতাম, “চিনি কম দিয়েছ?” রান্নাঘর থেকে ও বলত, “আগে খেয়ে দেখো।” আমি এক চুমুক দিয়ে বলতাম, “আজ ভালো হয়েছে।” ও প্রায় প্রতিদিন একই উত্তর দিত, “কালকে কি খারাপ হয়েছিল?” আমি হাসতাম। তারপর অফিসে চলে যেতাম। আমার স্ত্রী তানিয়া খুব বেশি কিছু চাইত না। অন্তত আমি তাই ভাবতাম। বিয়ের প্রথম দিকে মাঝে মাঝে বলত, “আজ একটু তাড়াতাড়ি আসবে?” আমি বলতাম, “চেষ্টা করব।” কিছুদিন পর “চেষ্টা করব” কথাটার মানে ও বুঝে গিয়েছিল। তারপর আর বলত না। এক শুক্রবার সকালে তানিয়া বলল, “আজ বাইরে চা খেতে যাই?” আমি অবাক হয়ে বললাম, “তুমি তো চা খাও না।” ও হেসে বলল, “তোমার সঙ্গে বসে থাকব।” আমি ফোন দেখছিলাম। বললাম, “বিকেলে যাই।” বিকেলে আমার এক বন্ধুর ফোন এলো। জরুরি কাজ ছিল না। তবুও বের হয়ে গেলাম। ফেরার সময় রাত দশটা। তানিয়া তখন বারান্দায় বসে ছিল। আমি বললাম, “চলো, কাল যাব।” ও আমার দিকে তাকিয়ে একটু হাসল। “থাক।” আমি তখন কথাটাকে খুব সাধারণ একটা “থাক” ভেবেছিলাম। মানুষ জীবনে কতগুলো “থাক” শোনে, তার হিসাব রাখে না। কিন্তু কিছু “থাক” আসলে কোনো ইচ্ছার শেষ কথা। দুই বছর পর তানিয়ার অসুখ ধরা পড়ল। প্রথমে আমরা ভয় পাইনি। ডাক্তারও বলেছিলেন চিকিৎসা সম্ভব। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর আমি প্রায় প্রতিদিন ওর পাশে থাকতাম। মজার ব্যাপার হলো, তখন আমার আর অফিসে তেমন জরুরি কাজ থাকত না। ফোন বেজে যেত। আমি ধরতাম না। মিটিং থাকত। আমি অন্য কাউকে পাঠিয়ে দিতাম। একদিন তানিয়া বলল, “এখন তোমার সময় হয় কীভাবে?” আমি হেসে বললাম, “বুড়ো হচ্ছি।” ও কিছুক্ষণ আমার দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর বলল, “মানুষ সময় পায় না না, সময় দেয় না?” আমি উত্তর দিইনি। ওও আর কিছু বলেনি। তানিয়া মারা যাওয়ার আগের দিন বিকেলে হাসপাতালের ক্যান্টিনে গিয়েছিলাম। চা নিয়ে ফিরে দেখি ও জানালার দিকে তাকিয়ে আছে। “চা খাবা?” ও আমার দিকে তাকাল। তারপর খুব আস্তে বলল, “দাও।” আমি অবাক হয়েছিলাম। “তুমি চা খাবে?” ও মাথা নেড়ে বলল, “আজ ইচ্ছা করছে।” আমি কাপটা ওর হাতে দিলাম। ও এক চুমুক খেল। মুখ একটু কুঁচকে গেল। আমি হেসে বললাম, “বলেছিলাম, তুমি চা পছন্দ করো না।” ওও হাসল। তারপর কাপটা আমাকে ফেরত দিয়ে বলল, “চা ভালো লাগে না।” আমি বললাম, “তাহলে খেলে কেন?” ও জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল, “তোমার সঙ্গে একবার চা খেতে চেয়েছিলাম।” আমার হাতের কাপটা তখনও গরম ছিল। কিন্তু আঙুলগুলো হঠাৎ ঠান্ডা হয়ে গিয়েছিল। সেদিন প্রথম মনে পড়ল সেই শুক্রবারের কথা। বারান্দা। ওর অপেক্ষা। আমার বন্ধুর ফোন। আর একটা ছোট্ট কথা। “থাক।” আমি বললাম, “সুস্থ হয়ে উঠো। আমরা রোজ বাইরে চা খাব।” তানিয়া আমার দিকে তাকিয়ে হাসল। খুব শান্ত একটা হাসি। “রোজ লাগবে না।” তারপর একটু থেমে বলল, “একদিন হলেই হতো।” পরদিন ভোরে তানিয়া চলে গেল। এরপর প্রায় তিন বছর আমি চা খাইনি। অফিসে কেউ সামনে কাপ রাখলে সরিয়ে দিতাম। বাসায় চায়ের কৌটাটা রান্নাঘরের তাকেই পড়ে ছিল। একদিন আমার মেয়ে এসে বলল, “আব্বু, চা বানাব?” আমি বললাম, “তুই চা বানাতে পারিস?” সে বলল, “আম্মু শিখিয়েছিল।” আমি কিছু বললাম না। মেয়ে দুই কাপ চা বানিয়ে বারান্দায় নিয়ে এলো। আমি জিজ্ঞেস করলাম, “দুই কাপ কেন?” সে বলল, “একটা আমার।” আমি অবাক হয়ে বললাম, “তুই চা খাস?” সে হাসল। “আমারও ভালো লাগে না।” আমি কাপের দিকে তাকিয়ে রইলাম। তারপর বুঝলাম, মেয়েটা চায়ের জন্য আসেনি। আমার পাশে বসার জন্য এসেছে। আমি সেদিন ধীরে ধীরে পুরো কাপটা শেষ করেছিলাম। চায়ের স্বাদ কেমন ছিল, মনে নেই। শুধু মনে আছে, বারান্দার পাশের চেয়ারটা খালি ছিল। আর জীবনে প্রথমবার আমি বুঝেছিলাম, আমরা যাদের ভালোবাসি তারা সবসময় আমাদের কাছে বড় কিছু চায় না। কখনো কখনো তারা শুধু একটা বিকেল চায়। একটা চেয়ার চায়। এক কাপ চা চায়। আর আমরা খুব ব্যস্ত মানুষগুলো বুঝতে বুঝতে অনেক দেরি করে ফেলি যে, ভালোবাসার সবচেয়ে দামি জিনিসগুলোর কোনো দামই ছিল না। ©
আমার স্ত্রী চা খেত না। আমাদের বিয়ের আগে থেকেই জানতাম। প্রথম যেদিন ওকে দেখতে গিয়েছিলাম, সবাই চা খাচ্ছিল। ওর সামনে একটা কাপ ছিল, কিন্তু ছোঁয়নি। আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, “চা খাও না?” ও মাথা নেড়ে বলেছিল, “ভালো লাগে না।” আমি তখন হেসে বলেছিলাম, “তাহলে বিয়ের পর সমস্যা হবে। আমি দিনে চার কাপ চা খাই।” ও বলেছিল, “বানিয়ে দিতে সমস্যা নেই।” কথাটা সত্যি ছিল। আমাদের বিয়ের পর প্রায় সতেরো বছর প্রতিদিন সকালে আমার ঘুম ভাঙত চায়ের গন্ধে। আমি বিছানায় বসেই বলতাম, “চিনি কম দিয়েছ?” রান্নাঘর থেকে ও বলত, “আগে খেয়ে দেখো।” আমি এক চুমুক দিয়ে বলতাম, “আজ ভালো হয়েছে।” ও প্রায় প্রতিদিন একই উত্তর দিত, “কালকে কি খারাপ হয়েছিল?” আমি হাসতাম। তারপর অফিসে চলে যেতাম। আমার স্ত্রী তানিয়া খুব বেশি কিছু চাইত না। অন্তত আমি তাই ভাবতাম। বিয়ের প্রথম দিকে মাঝে মাঝে বলত, “আজ একটু তাড়াতাড়ি আসবে?” আমি বলতাম, “চেষ্টা করব।” কিছুদিন পর “চেষ্টা করব” কথাটার মানে ও বুঝে গিয়েছিল। তারপর আর বলত না। এক শুক্রবার সকালে তানিয়া বলল, “আজ বাইরে চা খেতে যাই?” আমি অবাক হয়ে বললাম, “তুমি তো চা খাও না।” ও হেসে বলল, “তোমার সঙ্গে বসে থাকব।” আমি ফোন দেখছিলাম। বললাম, “বিকেলে যাই।” বিকেলে আমার এক বন্ধুর ফোন এলো। জরুরি কাজ ছিল না। তবুও বের হয়ে গেলাম। ফেরার সময় রাত দশটা। তানিয়া তখন বারান্দায় বসে ছিল। আমি বললাম, “চলো, কাল যাব।” ও আমার দিকে তাকিয়ে একটু হাসল। “থাক।” আমি তখন কথাটাকে খুব সাধারণ একটা “থাক” ভেবেছিলাম। মানুষ জীবনে কতগুলো “থাক” শোনে, তার হিসাব রাখে না। কিন্তু কিছু “থাক” আসলে কোনো ইচ্ছার শেষ কথা। দুই বছর পর তানিয়ার অসুখ ধরা পড়ল। প্রথমে আমরা ভয় পাইনি। ডাক্তারও বলেছিলেন চিকিৎসা সম্ভব। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর আমি প্রায় প্রতিদিন ওর পাশে থাকতাম। মজার ব্যাপার হলো, তখন আমার আর অফিসে তেমন জরুরি কাজ থাকত না। ফোন বেজে যেত। আমি ধরতাম না। মিটিং থাকত। আমি অন্য কাউকে পাঠিয়ে দিতাম। একদিন তানিয়া বলল, “এখন তোমার সময় হয় কীভাবে?” আমি হেসে বললাম, “বুড়ো হচ্ছি।” ও কিছুক্ষণ আমার দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর বলল, “মানুষ সময় পায় না না, সময় দেয় না?” আমি উত্তর দিইনি। ওও আর কিছু বলেনি। তানিয়া মারা যাওয়ার আগের দিন বিকেলে হাসপাতালের ক্যান্টিনে গিয়েছিলাম। চা নিয়ে ফিরে দেখি ও জানালার দিকে তাকিয়ে আছে। “চা খাবা?” ও আমার দিকে তাকাল। তারপর খুব আস্তে বলল, “দাও।” আমি অবাক হয়েছিলাম। “তুমি চা খাবে?” ও মাথা নেড়ে বলল, “আজ ইচ্ছা করছে।” আমি কাপটা ওর হাতে দিলাম। ও এক চুমুক খেল। মুখ একটু কুঁচকে গেল। আমি হেসে বললাম, “বলেছিলাম, তুমি চা পছন্দ করো না।” ওও হাসল। তারপর কাপটা আমাকে ফেরত দিয়ে বলল, “চা ভালো লাগে না।” আমি বললাম, “তাহলে খেলে কেন?” ও জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল, “তোমার সঙ্গে একবার চা খেতে চেয়েছিলাম।” আমার হাতের কাপটা তখনও গরম ছিল। কিন্তু আঙুলগুলো হঠাৎ ঠান্ডা হয়ে গিয়েছিল। সেদিন প্রথম মনে পড়ল সেই শুক্রবারের কথা। বারান্দা। ওর অপেক্ষা। আমার বন্ধুর ফোন। আর একটা ছোট্ট কথা। “থাক।” আমি বললাম, “সুস্থ হয়ে উঠো। আমরা রোজ বাইরে চা খাব।” তানিয়া আমার দিকে তাকিয়ে হাসল। খুব শান্ত একটা হাসি। “রোজ লাগবে না।” তারপর একটু থেমে বলল, “একদিন হলেই হতো।” পরদিন ভোরে তানিয়া চলে গেল। এরপর প্রায় তিন বছর আমি চা খাইনি। অফিসে কেউ সামনে কাপ রাখলে সরিয়ে দিতাম। বাসায় চায়ের কৌটাটা রান্নাঘরের তাকেই পড়ে ছিল। একদিন আমার মেয়ে এসে বলল, “আব্বু, চা বানাব?” আমি বললাম, “তুই চা বানাতে পারিস?” সে বলল, “আম্মু শিখিয়েছিল।” আমি কিছু বললাম না। মেয়ে দুই কাপ চা বানিয়ে বারান্দায় নিয়ে এলো। আমি জিজ্ঞেস করলাম, “দুই কাপ কেন?” সে বলল, “একটা আমার।” আমি অবাক হয়ে বললাম, “তুই চা খাস?” সে হাসল। “আমারও ভালো লাগে না।” আমি কাপের দিকে তাকিয়ে রইলাম। তারপর বুঝলাম, মেয়েটা চায়ের জন্য আসেনি। আমার পাশে বসার জন্য এসেছে। আমি সেদিন ধীরে ধীরে পুরো কাপটা শেষ করেছিলাম। চায়ের স্বাদ কেমন ছিল, মনে নেই। শুধু মনে আছে, বারান্দার পাশের চেয়ারটা খালি ছিল। আর জীবনে প্রথমবার আমি বুঝেছিলাম, আমরা যাদের ভালোবাসি তারা সবসময় আমাদের কাছে বড় কিছু চায় না। কখনো কখনো তারা শুধু একটা বিকেল চায়। একটা চেয়ার চায়। এক কাপ চা চায়। আর আমরা খুব ব্যস্ত মানুষগুলো বুঝতে বুঝতে অনেক দেরি করে ফেলি যে, ভালোবাসার সবচেয়ে দামি জিনিসগুলোর কোনো দামই ছিল না। ©

About