@bestrong.academic: #العلاقات_العاطفية #كيف_تتعاملين_معه #ذكاء_عاطفي #وعي_عاطفي #ذكاء_انثوي

Be strong academic
Be strong academic
Open In TikTok:
Region: DZ
Saturday 04 July 2026 12:35:00 GMT
39770
1375
2
221

Music

Download

Comments

11_flowers1
🌷 :
كلامك رائع كثري من هالمواضيع😍😍
2026-07-30 02:24:02
0
arwaaahmed0
Arwaa Ahmed :
🥰🥰🥰
2026-07-05 02:45:51
0
To see more videos from user @bestrong.academic, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

হযরত ওমর (রাঃ) এর খেলাফত কালে এক গায়ক ছিল। লোকটি গোপনে গোপনে গান গেয়ে নিজের মনোরঞ্জন করতো, পাশাপাশি অন্যদেরকেও গান শুনাতো।  তার গান শুনে মানুষ তাকে পয়সা দিতো। তার কন্ঠ ছিল তার পূঁজি। আর এ কারণে সে জীবনে অন্য কোন পেশায় নিজেকে যুক্তও করেনি। এভাবেই কাটছিলো তার জীবন।   কিন্তু সারা জীবন তো আর গলা থাকে না। এক সময় সে বৃদ্ধ হলো। সুরের আকর্ষণ শেষ হয়ে গেলো। এখন আর কেউ তার গান শোনে না, পয়সা দেয় না। মুদ্রার উলটো পিট দেখতে শুরু করলো সে। অনাহারে-অর্ধাহারে জীবন কাটতে লাগলো তার। একদিন লোকটি ক্ষুধার জ্বালা সহ্য করতে না পেরে জান্নাতুল বাকীর এক ঝোঁপের আড়ালে বসে বলতে লাগলো- ‘হে আল্লাহ! আমার সুরেলা কণ্ঠ ছিল। আমার গান শুনে মানুষ আমাকে পয়সা দিত। আমি তা দিয়ে আমার জীবিকা নির্বাহ করতাম। এখন বার্ধক্যের কারণে কণ্ঠ শেষ হয়ে গেছে। কেউ আমার গানও শোনে না, টাকাও দেয় না। তুমি তো সকলের কথাই শুনে থাকো, আমার ফরিয়াদও শোনো। আমি দুর্বল হয়ে পড়েছি, আমার শক্তি শেষ হয়ে গেছে। হে রাব্বুল আলামীন, হে রব্বে কাবা, একথা সত্য যে, আমি তোমার অবাধ্য। তবু তুমি আমার অভাব দূর করে দাও, আমার প্রয়োজন মিটিয়ে দাও’। হযরত ওমর (রাঃ) সেই সময় মসজিদে শুয়ে ছিলেন। হঠাৎ তার কানে আওয়াজ আসলো- ‘আমার বান্দা আমাকে ডাকছে, তুমি গিয়ে তাকে সাহায্য করো। জান্নাতুল বাকীতে এক ফরিয়াদি আছে, তুমি তার প্রয়োজন পূরণ করে দাও’।  এ কথা শুনে হযরত ওমর (রাঃ) খালি পায়েই ছুটে চললেন। সেখানে গিয়ে দেখলেন, এক বৃদ্ধ ঝোপের আড়ালে বসে আছে। বৃদ্ধ হযরত ওমরকে দেখে উঠে পালাতে উদ্যত হলো। কিন্তু হযরত ওমর (রাঃ) তাকে কাছে ডাকলেন। নিজের কাছে এনে বললেন- ‘আমাকে তোমার কাছে পাঠানো হয়েছে। আর বলা হয়েছে আমি যেনো তোমার প্রয়োজন পূরণ করে দেই’।  লোকটি থমকে গিয়ে বললো- ‘আপনাকে কে পাঠিয়েছেন’? হযরত ওমর (রাঃ) বললেন- ‘তুমি যার কাছে ফরিয়াদ করছো, তিনিই তো আমাকে তোমার কাছে পাঠিয়েছেন’। একথা শুনে লোকটি কান্নায় ভেঙে পড়লো। তার দু’চোখ বেয়ে নেমে এলো অশ্রুর ফোয়ারা। আকাশের দিকে তাকিয়ে বলতে লাগলো- ‘হে আল্লাহ! আমি সত্তরটি বছর তোমার নফরমানি করেছি। এই দীর্ঘ সময়ে একটিবারও তোমাকে স্মরণ করিনি। আর এখন যখন করলাম, নিজের পেটের খাতিরে করলাম। কিন্তু তার পরও তুমি আমার ডাকে সাড়া দিয়েছো। আমার প্রয়োজন মিটানোর জন্য আমিরুল মুমিনীনকে আমার কাছে পাঠিয়ে দিয়েছো!  হে আল্লাহ! আমি নফরমানকে তুমি ক্ষমা করে দাও, ক্ষমা করে দাও, ক্ষমা করে দাও’। একথা বলতে  বলতে লোকটি কান্নায় ভেঙ্গে পড়লো আর এ অবস্থাতেই সে পরলোক গমন করলো।  হযরত ওমর (রাঃ) তার দাফন কাফনের ব্যবস্থা করলেন এবং তার জানাযার নামাজের ইমামতি করেন। সুবহান আল্লাহ! তাই আমাদের সকলের উচিত আমাদের গোনাহকে ক্ষমার অযোগ্য না ভেবে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে নিজেদের সমর্পণ করা এবং নিজেদের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হয়ে তওবা ইস্তেগফার করা। কেনোনা,  তওবার দরজা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত খোলা থাকে, কিন্তু মৃত্যুর দরজা তওবার জন্য অপেক্ষা করে না।
হযরত ওমর (রাঃ) এর খেলাফত কালে এক গায়ক ছিল। লোকটি গোপনে গোপনে গান গেয়ে নিজের মনোরঞ্জন করতো, পাশাপাশি অন্যদেরকেও গান শুনাতো। তার গান শুনে মানুষ তাকে পয়সা দিতো। তার কন্ঠ ছিল তার পূঁজি। আর এ কারণে সে জীবনে অন্য কোন পেশায় নিজেকে যুক্তও করেনি। এভাবেই কাটছিলো তার জীবন। কিন্তু সারা জীবন তো আর গলা থাকে না। এক সময় সে বৃদ্ধ হলো। সুরের আকর্ষণ শেষ হয়ে গেলো। এখন আর কেউ তার গান শোনে না, পয়সা দেয় না। মুদ্রার উলটো পিট দেখতে শুরু করলো সে। অনাহারে-অর্ধাহারে জীবন কাটতে লাগলো তার। একদিন লোকটি ক্ষুধার জ্বালা সহ্য করতে না পেরে জান্নাতুল বাকীর এক ঝোঁপের আড়ালে বসে বলতে লাগলো- ‘হে আল্লাহ! আমার সুরেলা কণ্ঠ ছিল। আমার গান শুনে মানুষ আমাকে পয়সা দিত। আমি তা দিয়ে আমার জীবিকা নির্বাহ করতাম। এখন বার্ধক্যের কারণে কণ্ঠ শেষ হয়ে গেছে। কেউ আমার গানও শোনে না, টাকাও দেয় না। তুমি তো সকলের কথাই শুনে থাকো, আমার ফরিয়াদও শোনো। আমি দুর্বল হয়ে পড়েছি, আমার শক্তি শেষ হয়ে গেছে। হে রাব্বুল আলামীন, হে রব্বে কাবা, একথা সত্য যে, আমি তোমার অবাধ্য। তবু তুমি আমার অভাব দূর করে দাও, আমার প্রয়োজন মিটিয়ে দাও’। হযরত ওমর (রাঃ) সেই সময় মসজিদে শুয়ে ছিলেন। হঠাৎ তার কানে আওয়াজ আসলো- ‘আমার বান্দা আমাকে ডাকছে, তুমি গিয়ে তাকে সাহায্য করো। জান্নাতুল বাকীতে এক ফরিয়াদি আছে, তুমি তার প্রয়োজন পূরণ করে দাও’। এ কথা শুনে হযরত ওমর (রাঃ) খালি পায়েই ছুটে চললেন। সেখানে গিয়ে দেখলেন, এক বৃদ্ধ ঝোপের আড়ালে বসে আছে। বৃদ্ধ হযরত ওমরকে দেখে উঠে পালাতে উদ্যত হলো। কিন্তু হযরত ওমর (রাঃ) তাকে কাছে ডাকলেন। নিজের কাছে এনে বললেন- ‘আমাকে তোমার কাছে পাঠানো হয়েছে। আর বলা হয়েছে আমি যেনো তোমার প্রয়োজন পূরণ করে দেই’। লোকটি থমকে গিয়ে বললো- ‘আপনাকে কে পাঠিয়েছেন’? হযরত ওমর (রাঃ) বললেন- ‘তুমি যার কাছে ফরিয়াদ করছো, তিনিই তো আমাকে তোমার কাছে পাঠিয়েছেন’। একথা শুনে লোকটি কান্নায় ভেঙে পড়লো। তার দু’চোখ বেয়ে নেমে এলো অশ্রুর ফোয়ারা। আকাশের দিকে তাকিয়ে বলতে লাগলো- ‘হে আল্লাহ! আমি সত্তরটি বছর তোমার নফরমানি করেছি। এই দীর্ঘ সময়ে একটিবারও তোমাকে স্মরণ করিনি। আর এখন যখন করলাম, নিজের পেটের খাতিরে করলাম। কিন্তু তার পরও তুমি আমার ডাকে সাড়া দিয়েছো। আমার প্রয়োজন মিটানোর জন্য আমিরুল মুমিনীনকে আমার কাছে পাঠিয়ে দিয়েছো! হে আল্লাহ! আমি নফরমানকে তুমি ক্ষমা করে দাও, ক্ষমা করে দাও, ক্ষমা করে দাও’। একথা বলতে বলতে লোকটি কান্নায় ভেঙ্গে পড়লো আর এ অবস্থাতেই সে পরলোক গমন করলো। হযরত ওমর (রাঃ) তার দাফন কাফনের ব্যবস্থা করলেন এবং তার জানাযার নামাজের ইমামতি করেন। সুবহান আল্লাহ! তাই আমাদের সকলের উচিত আমাদের গোনাহকে ক্ষমার অযোগ্য না ভেবে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে নিজেদের সমর্পণ করা এবং নিজেদের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হয়ে তওবা ইস্তেগফার করা। কেনোনা, তওবার দরজা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত খোলা থাকে, কিন্তু মৃত্যুর দরজা তওবার জন্য অপেক্ষা করে না।

About