@kwqnan_:

n
n
Open In TikTok:
Region: VN
Monday 06 July 2026 05:40:07 GMT
189
36
0
2

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @kwqnan_, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

ভালোবাসার জন্য মানুষ কতটা ত্যাগ করতে পারে? একটি সম্পর্কের জন্য মামলা, জেল, বিদেশ জীবন, পরিবার ও নিজের স্বপ্ন সবকিছু বিসর্জন দেওয়ার পরও যদি শেষ পরিণতি হয় বিশ্বাসঘাতকতা, তাহলে সেই কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। এটি শুধু একটি প্রেমের গল্প নয়, অন্ধ বিশ্বাস, ত্যাগ, প্রতারণা এবং ভেঙে যাওয়া স্বপ্নের এক বাস্তব কাহিনি। পড়ুন শেষ পর্যন্ত, হয়তো কারও জীবনের জন্য এটি একটি শিক্ষা হয়ে থাকবে। , তার নাম সুরভী। ২০১৭ সালে আমাদের পরিচয়। তখন আমি এসএসসি পরীক্ষার্থী। প্রথম পরিচয় থেকেই একটা ভালো লাগা জন্ম নেয়, আর সেই ভালো লাগা একসময় ভালোবাসায় পরিণত হয়। কিন্তু শুরু থেকেই একটা ভয় আমাকে তাড়া করত। সুরভীর পরিবার ছিল সমাজে প্রভাবশালী, অর্থশালী ও ক্ষমতাবান। আর আমি ছিলাম মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। মনে হতো, যদি কোনোদিন আমাদের সম্পর্কের কথা ওদের পরিবার জেনে যায়, তাহলে না জানি কী হবে!শেষ পর্যন্ত আমার সেই আশঙ্কাই সত্যি হলো।একটি মিথ্যা ডাকাতি মামলায় আমাকে জড়িয়ে ১৭ দিন জেল খাটতে হয়। জেল থেকে বের হওয়ার পর জানতে পারি, সুরভীর পরিবার আমাকে শেষ করে দেওয়ার জন্য লোক লাগিয়েছে। নিজের নিরাপত্তার জন্য আমি বিভিন্ন রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী মানুষের সঙ্গে চলাফেরা শুরু করি। ধীরে ধীরে আমার জীবন বদলে যেতে থাকে। মানুষ আমাকে চিনতে শুরু করে আমার নাম ডাক বাড়তে শুরু করে, পরিচিতি বাড়তে থাকে। কিন্তু আমার ভালোবাসা বদলায়নি। সুরভীর জন্য আমার হৃদয় ঠিক আগের মতোই ছিল।আমাদের প্রথম দেখা করার দিনটা আজও মনে আছে। সুরভী আধুনিক পোশাক পরে এসেছিল, ভেবেছিল আমি খুশি হব। কিন্তু আমি তাকে বলেছিলাম, “পরেরবার আমার সামনে পর্দা করে আসবে।” অবাক হয়ে দেখেছিলাম, সে কথাটা শুনে খুশিই হয়েছিল। আমি তাকে নামাজ পড়তে বলতাম, ইসলামের নিয়ম মেনে চলতে বলতাম।আমি বলতাম তুমি ভালো করে পর্দা করো প্রয়োজনে তুমি বাবার সামনেও পর্দা ছাড়া যেও না  আমার জানা মতে, সে সবই মেনে চলত। একসময় তার পরিবার তার ফোন থেকে ফেসবুক ব্যবহার বন্ধ করে দেয়। শুধু হোয়াটসঅ্যাপে আমাদের কথা হতো। তিন বছর সম্পর্কের পর সে আমাকে বলেছিল, “তুমি কিছু একটা করো, যাতে আমার পরিবার তোমাকে মেনে নেয়।” আমি সিদ্ধান্ত নেই বিদেশে যাব। মনে করেছিলাম, নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারলে হয়তো সব বাধা দূর হবে।২০২০ সালে আমি বিদেশ চলে যাই ।বিদেশে যাওয়ার পরও আমাদের যোগাযোগ চলতে থাকে। আমি ভয় পেতাম, দূরে থাকলে সে হয়তো আমাকে ভুলে যাবে। তখন সে  বলত— আমার  জীবন  থাকতে “আমি কখনো তোমাকে ছেড়ে যাব না দরকার হয় আমি মরে যাবো।”আমি তাকে অন্ধের মতো বিশ্বাস করতাম। কিন্তু একসময় জানতে পারলাম, সে আমার অগোচরে  কলেজে অন্য ছেলেদের সাথে চলাফেরা ঘুরাঘুরি করে। যাকে ভালোবাসার জন্য দেশ ছাড়লাম নিজের নাম ডাক থাকা সত্ত্বেও এতকিছু স্যাক্রিফাইস করলাম আর সে কিনা আমার সাথে প্রতারণা করলো? যার জন্য বিদেশ করতে আসলাম সেই যদি প্রতারণা করে ওই বিদেশের আমার দরকার নেই তাই আমি দেশে চলে  আসলাম যদিও আম্মু  আব্বুর অনেক  টাকা নষ্ট হয়ে  গেল তবুও ভালোবাসার কাছে এই সেক্রিফাইস আর  টাকা একেবারেই তুচ্ছ। দেশে আসলাম তার সঙ্গে দেখা করে বুঝলাম, সে নিজের ভুল বুঝতে পেরেছে। আমি সব ভুলে আবার নতুন করে শুরু করলাম।এরপর তার  ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন ছিল তার। আমি সবসময় তাকে সমর্থন করেছি। যখন পরীক্ষায় খারাপ ফল করে ভেঙে পড়েছিল, তখন স্বপ্ন ছিল আমি তাকে সাহস দিয়েছিলাম। বলেছিলাম,“ডাক্তার না হলে কী হয়েছে? বিসিএস দাও, বড় কিছু একটা হবেই।”তার হরমোনজনিত সমস্যা ছিল। সে প্রায়ই কাঁদত, বলত “আমার হয়তো কোনোদিন সন্তান হবে না তুমি কি তখনও আমাকে ভালোবাসবে?”আমি বলতাম আমি আজ যেমন ভালোবাসি, ভবিষ্যতেও ঠিক তেমনই ভালোবাসব।  ২০২২ সালে আমরা গোপনে কোর্ট ম্যারেজ করি। কারণ, যদি কোনোদিন তার পরিবার আমাদের সম্পর্ক মেনে না নেয়, তাহলে অন্তত আমাদের সম্পর্কের একটা আইনি ভিত্তি থাকবে।আমাদের সম্পর্ক নিয়ে প্রায় তার ফ্যামিলি সন্দেহ করত এই সন্দেহ দূর করার জন্য সুরভী আমাকে বলল তুমি ফেসবুকে মেয়েদের সঙ্গে ছবি ভিডিও তুলে ছাড়ো যাতে আমার ফ্যামিলি মনে করে তুমি আমাকে ভুলে গিয়ে অন্য মেয়েদের সাথে সম্পর্কে আছো আমার ফেসবুকে ওর ফ্যামিলির মোটামুটি সবাই অ্যাড  ছিল সবাই মনে করতে লাগলো আমি সুরভী কে ভুলে গেছি। আমাদের বিয়ের সম্পর্কে আমার পরিবার ও খুব কাছের বন্ধুবান্ধবরা জানতো। আমার পরিবার তাকে নিজের মেয়ের মতো ভালোবাসত। আমরা ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখতাম। ভেবেছিলাম, তার পড়াশোনা শেষ হলে সবকিছু পরিবারকে জানাব।কিন্তু জীবনের সব পরিকল্পনা বাস্তব হয় না।২০২৬ সালে তার পরিবারের পক্ষ থেকে বিয়ের চাপ বাড়তে থাকে। একদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দেখা করতে গিয়ে সে হঠাৎ বলল,চলো, আমরা পালিয়ে যাই আমি অনেক বুঝিয়েছিলাম। বলেছিলাম, এতে দুই পরিবারের সম্মান নষ্ট হবে। কিন্তু সে কোনো কথা শুনল না।
ভালোবাসার জন্য মানুষ কতটা ত্যাগ করতে পারে? একটি সম্পর্কের জন্য মামলা, জেল, বিদেশ জীবন, পরিবার ও নিজের স্বপ্ন সবকিছু বিসর্জন দেওয়ার পরও যদি শেষ পরিণতি হয় বিশ্বাসঘাতকতা, তাহলে সেই কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। এটি শুধু একটি প্রেমের গল্প নয়, অন্ধ বিশ্বাস, ত্যাগ, প্রতারণা এবং ভেঙে যাওয়া স্বপ্নের এক বাস্তব কাহিনি। পড়ুন শেষ পর্যন্ত, হয়তো কারও জীবনের জন্য এটি একটি শিক্ষা হয়ে থাকবে। , তার নাম সুরভী। ২০১৭ সালে আমাদের পরিচয়। তখন আমি এসএসসি পরীক্ষার্থী। প্রথম পরিচয় থেকেই একটা ভালো লাগা জন্ম নেয়, আর সেই ভালো লাগা একসময় ভালোবাসায় পরিণত হয়। কিন্তু শুরু থেকেই একটা ভয় আমাকে তাড়া করত। সুরভীর পরিবার ছিল সমাজে প্রভাবশালী, অর্থশালী ও ক্ষমতাবান। আর আমি ছিলাম মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। মনে হতো, যদি কোনোদিন আমাদের সম্পর্কের কথা ওদের পরিবার জেনে যায়, তাহলে না জানি কী হবে!শেষ পর্যন্ত আমার সেই আশঙ্কাই সত্যি হলো।একটি মিথ্যা ডাকাতি মামলায় আমাকে জড়িয়ে ১৭ দিন জেল খাটতে হয়। জেল থেকে বের হওয়ার পর জানতে পারি, সুরভীর পরিবার আমাকে শেষ করে দেওয়ার জন্য লোক লাগিয়েছে। নিজের নিরাপত্তার জন্য আমি বিভিন্ন রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী মানুষের সঙ্গে চলাফেরা শুরু করি। ধীরে ধীরে আমার জীবন বদলে যেতে থাকে। মানুষ আমাকে চিনতে শুরু করে আমার নাম ডাক বাড়তে শুরু করে, পরিচিতি বাড়তে থাকে। কিন্তু আমার ভালোবাসা বদলায়নি। সুরভীর জন্য আমার হৃদয় ঠিক আগের মতোই ছিল।আমাদের প্রথম দেখা করার দিনটা আজও মনে আছে। সুরভী আধুনিক পোশাক পরে এসেছিল, ভেবেছিল আমি খুশি হব। কিন্তু আমি তাকে বলেছিলাম, “পরেরবার আমার সামনে পর্দা করে আসবে।” অবাক হয়ে দেখেছিলাম, সে কথাটা শুনে খুশিই হয়েছিল। আমি তাকে নামাজ পড়তে বলতাম, ইসলামের নিয়ম মেনে চলতে বলতাম।আমি বলতাম তুমি ভালো করে পর্দা করো প্রয়োজনে তুমি বাবার সামনেও পর্দা ছাড়া যেও না আমার জানা মতে, সে সবই মেনে চলত। একসময় তার পরিবার তার ফোন থেকে ফেসবুক ব্যবহার বন্ধ করে দেয়। শুধু হোয়াটসঅ্যাপে আমাদের কথা হতো। তিন বছর সম্পর্কের পর সে আমাকে বলেছিল, “তুমি কিছু একটা করো, যাতে আমার পরিবার তোমাকে মেনে নেয়।” আমি সিদ্ধান্ত নেই বিদেশে যাব। মনে করেছিলাম, নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারলে হয়তো সব বাধা দূর হবে।২০২০ সালে আমি বিদেশ চলে যাই ।বিদেশে যাওয়ার পরও আমাদের যোগাযোগ চলতে থাকে। আমি ভয় পেতাম, দূরে থাকলে সে হয়তো আমাকে ভুলে যাবে। তখন সে বলত— আমার জীবন থাকতে “আমি কখনো তোমাকে ছেড়ে যাব না দরকার হয় আমি মরে যাবো।”আমি তাকে অন্ধের মতো বিশ্বাস করতাম। কিন্তু একসময় জানতে পারলাম, সে আমার অগোচরে কলেজে অন্য ছেলেদের সাথে চলাফেরা ঘুরাঘুরি করে। যাকে ভালোবাসার জন্য দেশ ছাড়লাম নিজের নাম ডাক থাকা সত্ত্বেও এতকিছু স্যাক্রিফাইস করলাম আর সে কিনা আমার সাথে প্রতারণা করলো? যার জন্য বিদেশ করতে আসলাম সেই যদি প্রতারণা করে ওই বিদেশের আমার দরকার নেই তাই আমি দেশে চলে আসলাম যদিও আম্মু আব্বুর অনেক টাকা নষ্ট হয়ে গেল তবুও ভালোবাসার কাছে এই সেক্রিফাইস আর টাকা একেবারেই তুচ্ছ। দেশে আসলাম তার সঙ্গে দেখা করে বুঝলাম, সে নিজের ভুল বুঝতে পেরেছে। আমি সব ভুলে আবার নতুন করে শুরু করলাম।এরপর তার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন ছিল তার। আমি সবসময় তাকে সমর্থন করেছি। যখন পরীক্ষায় খারাপ ফল করে ভেঙে পড়েছিল, তখন স্বপ্ন ছিল আমি তাকে সাহস দিয়েছিলাম। বলেছিলাম,“ডাক্তার না হলে কী হয়েছে? বিসিএস দাও, বড় কিছু একটা হবেই।”তার হরমোনজনিত সমস্যা ছিল। সে প্রায়ই কাঁদত, বলত “আমার হয়তো কোনোদিন সন্তান হবে না তুমি কি তখনও আমাকে ভালোবাসবে?”আমি বলতাম আমি আজ যেমন ভালোবাসি, ভবিষ্যতেও ঠিক তেমনই ভালোবাসব। ২০২২ সালে আমরা গোপনে কোর্ট ম্যারেজ করি। কারণ, যদি কোনোদিন তার পরিবার আমাদের সম্পর্ক মেনে না নেয়, তাহলে অন্তত আমাদের সম্পর্কের একটা আইনি ভিত্তি থাকবে।আমাদের সম্পর্ক নিয়ে প্রায় তার ফ্যামিলি সন্দেহ করত এই সন্দেহ দূর করার জন্য সুরভী আমাকে বলল তুমি ফেসবুকে মেয়েদের সঙ্গে ছবি ভিডিও তুলে ছাড়ো যাতে আমার ফ্যামিলি মনে করে তুমি আমাকে ভুলে গিয়ে অন্য মেয়েদের সাথে সম্পর্কে আছো আমার ফেসবুকে ওর ফ্যামিলির মোটামুটি সবাই অ্যাড ছিল সবাই মনে করতে লাগলো আমি সুরভী কে ভুলে গেছি। আমাদের বিয়ের সম্পর্কে আমার পরিবার ও খুব কাছের বন্ধুবান্ধবরা জানতো। আমার পরিবার তাকে নিজের মেয়ের মতো ভালোবাসত। আমরা ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখতাম। ভেবেছিলাম, তার পড়াশোনা শেষ হলে সবকিছু পরিবারকে জানাব।কিন্তু জীবনের সব পরিকল্পনা বাস্তব হয় না।২০২৬ সালে তার পরিবারের পক্ষ থেকে বিয়ের চাপ বাড়তে থাকে। একদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দেখা করতে গিয়ে সে হঠাৎ বলল,চলো, আমরা পালিয়ে যাই আমি অনেক বুঝিয়েছিলাম। বলেছিলাম, এতে দুই পরিবারের সম্মান নষ্ট হবে। কিন্তু সে কোনো কথা শুনল না।

About