@8a.ob: @قهوة سعه #fffffffffffyyyyyyyyyyypppppppppppp #foryou #tiktok #fyp #إسبريسو

عبدالمهيمن❣️
عبدالمهيمن❣️
Open In TikTok:
Region: SA
Monday 06 July 2026 21:11:33 GMT
500
33
1
31

Music

Download

Comments

vqrx_1
Nawaf :
ماشاءالله يا التصوير🤩🤩🤩👌👌👌
2026-07-06 21:27:13
1
To see more videos from user @8a.ob, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

◦•●◉✿ 𝒉𝒊𝒅𝒆 & 𝒔𝒆𝒆𝒌 ✿◉●•◦                   𝒑𝒂𝒓𝒕- 7 Jimin : y/n2, listen... আমাদের এখানে থাকাটা খুব risky হয়ে যাবে, এটা বিদেশ না, এখানে কোনো ছেলে মেয়েকে একসাথে দেখলে জোর করে বিয়ে দিয়ে দেয়... ( আড়চোখে y/n2 এর দিকে তাকিয়ে)  Y/n2 : তাহলে কোথায় যাবো? আমার আর যাওয়ার জায়গা নেই🙂 Jimin : আমার সাথে চলো...  Time skip_ Jimin y/n2 কে তার গোপন আস্তানায় নিয়ে যায়, y/n2 পুরো ঘরটার একটার চোখ বুলিয়ে নিলো,  হটাৎ তার চোখে পড়ে টেবিলে রাখা ডায়েরিটার দিকে, ডায়েরিটা দেখে y/n2 দৌড়ে টেবিলের কাছে গিয়ে ডায়েরিটা হাতে নিয়ে অস্থির হয়ে বলে উঠলো,  Y/n2 : sir..... আপনি এই ডায়েরিটা কোথায় পেলেন? এটা তো আমার আপুর ডায়েরি... আমার বাবা দিয়েছিলো,  Jimin : পুরোনো মহলে পেয়েছি, আরও একটা বই পেয়েছি, বইটার  উপরে লেখা hide and seek, হয়তো এই ডায়েরি আর বইটা আমাদের রহস্য সমাধান করতে help করবে!  Jimin এর কথা শুনে Y/n2 hide and seek লেখা বইটা খুললো, কিন্তু বইটার ভেতর কিছু অদ্ভুত ধাধা আর নকশা।  Y/n2 : sir, বইটায় তেমন কিছু নেই,  শুধু কিছু নকশা, মনে হচ্ছে কোনো প্রকৌশলী ( engineering) বই...  Jimin ও বইটা ভালো করে দেখলো আসলেও বইটা থেকে তেমন কিছু বোঝা যাবে না...  Jimin কিছুক্ষণ গভীর চিন্তায় মগ্ন হয়ে  y/n2 কে জিজ্ঞাসা করে,  Jimin : আচ্ছা? তোমার বোন কি কাউকে ভালোবাসতো?   Y/n2 : আসলে sir, আপনি তো জানেন আমি প্রায় দেড় বছর যাবৎ বিলেতে ছিলাম, আপুর সাথে এই দেড় বছর আমার কোনো যোগাযোগ হয়নি কিন্তু এখানে আসার পর নর্তকী দের প্রধান আম্মিজান এর মুখে শুনলাম , জমিদারের ছেলে Jungkook এর সাথে নাকি আপুর   প্রেমের সম্পর্ক ছিলো..!!  Jimin :  huhh Jungkook....I know him.....সত্যি তোমার বোনকে অনেক ভালোবাসে সে, by the way তুমি কি কাউকে সন্দেহ করো?  y/n2 : হ্যাঁ sir... আমি ওই জমিদার jeon কে সন্দেহ করতাম,কিন্তু sir, জমিদার jeon জানতো না y/n আপুর জমজ বোন আছে, উনি যদি আমার আপুর ক্ষতি করেই থাকতো তাহলে এক বছর পর আবার আমাকে দেখে উনার চোখে মুখে একটু হলেও ভয় কাজ করতো, কিন্তু আমি উনার মুখে তেমন কিছুই দেখতে পায় নি...... Jimin : ওহ্.... বেশ জটিল রহস্য কিন্তু Jimin এর কাছে কোনোকিছুই জটিল নয় আমাদের কাছে এই মুহূর্তে অনেকগুলো clues আছে , y/n2.....তোমার আপুর ডায়েরিটা পড়লে হয়তো অনেক কিছু clear হয়ে যাবে, আমি কি এটা পড়তে পারি?  Y/n2 : অবশ্যই sir.....  তারপর Jimin আর y/n2 ডায়েরিটা পড়া শুরু করলো....  [ ডায়েরির লেখা কাহিনী ] : প্রায় দেড় বছর আগে,  নর্তকী মহলটা খুব সুন্দর করে সাজানো হচ্ছে, মনে হচ্ছে কোনো বিলেতি অথিতি আসবে ,  কিন্তু বারান্দায় মনমরা হয়ে বসে আছে  y/n.. এমন সময় আম্মিজান (নর্তকী প্রধান) এসে y/n কে জিজ্ঞাসা করে,  আম্মিজান : কী হয়েছে রে y/n, সাজগোজ ফেলে এভাবে দাড়িয়ে আছিস কেন, জানিস না আজ উৎসব আছে!  Y/n : বোনটাকে বিলেতে পাঠিয়ে একদম ভালো লাগছে না গো আম্মিজান, সেখানে ও কি করছে না করছে কিছুই তো জানিনা!  আম্মিজান : চিন্তা করিস না..! ওই মেয়ে সাংঘাতিক চালাক, ওর কিছু হবে না..!!  Y/n :  তাই যেন হয় গো, লুকিয়ে লুকিয়ে বিলেতে পাঠিয়েছি ওকে, বলেছি সবসময় মুখ ঢেকে রাখবি, বলা তো যায় না, কোনো ইংরেজ সাহেব যদি ওর চেহারা দেখে  মনে করে ওইটা আমি! তাহলে তো বিপদ হয়ে যাবে....  আমাকে কাছে পাওয়ার জন্য তো ওরা হিংস্র পশুর মতো ওত পেতে আছে!  আম্মি জান : চিন্তা করিস না y/n, নে এবার সেজে গুজে বৈঠক খানায় আয় তো...  Time skip...  Y/n সেজে গুজে বৈঠকখানায় যাবে এমন সময় মহলের পেছনের দরজার সামনে থেকে কেউ একজন চিৎকার করছে,  ??? : excuse me..... কেউ আছেন? Help me...  Y/n এর কানে চিৎকারটা পৌছালো, বাকিরা তো সাজগোজে ব্যস্ত তাই y/n মহলের পেছনের দরজা খুলে দিয়ে দেখে একটা ২৬-২৭ বছরের যুবক ছেলে পড়নে বিদেশী পোশাক, সারা শরীরে কাদা লেগে আছে ! কাদা মাখা শরীর নিয়ে মুখ খিচে দাড়িয়ে আছে ছেলেটা...  ছেলেটাকে দেখে বেশ হাস্যকর লাগছিলো, y/n আর নিজেকে সামলাতে না পেরে হেসে বলে উঠে,  Y/n : কে আপনি ভাই? দেখে তো মনে হচ্ছে বিলেতি ভেজা বেড়াল... ( হাসতে হাসতে)   Y/n এর হাসিটা এতোই মনমুগ্ধকর যে ছেলেটা এক দৃষ্টিতে y/n এর মুখের দিকে তাকিয়ে আছে, তার যেন পলকই পড়ছে না..!  Y/n আবার বলে উঠলো,  Y/n : কি হলো বিলেতি ভেজা বেড়াল, কথা বলছেন না কেন?  ছেলেটার এবার হুশ ফিরে এলো, আর রাগে মুখ খিচে বলে উঠলো,  ?? : আশ্চর্য। এই দেশের মানুষরা কি অন্যের বিপদে এভাবে হাসে নাকি? তুমি জানো আমি কে? লন্ডনের বিখ্যাত প্রকৌশলী ( engineer) Jeon Jungkook....  Y/n Jungkook এর কথার কোনো পাত্তা না দিয়ে হেসেই যাচ্ছে আর Jungkook শুধু রাগে ফুলছে কিন্তু Jungkook এর রাগ যেন বেশিক্ষণ টিকছে না, y/n এর মায়াভরা মুখ আর গভীর চোখ তাকে বেশ আকর্ষণ করছে...   To be continued..... #ff_x_taerat #jungkook #fyp
◦•●◉✿ 𝒉𝒊𝒅𝒆 & 𝒔𝒆𝒆𝒌 ✿◉●•◦ 𝒑𝒂𝒓𝒕- 7 Jimin : y/n2, listen... আমাদের এখানে থাকাটা খুব risky হয়ে যাবে, এটা বিদেশ না, এখানে কোনো ছেলে মেয়েকে একসাথে দেখলে জোর করে বিয়ে দিয়ে দেয়... ( আড়চোখে y/n2 এর দিকে তাকিয়ে) Y/n2 : তাহলে কোথায় যাবো? আমার আর যাওয়ার জায়গা নেই🙂 Jimin : আমার সাথে চলো... Time skip_ Jimin y/n2 কে তার গোপন আস্তানায় নিয়ে যায়, y/n2 পুরো ঘরটার একটার চোখ বুলিয়ে নিলো, হটাৎ তার চোখে পড়ে টেবিলে রাখা ডায়েরিটার দিকে, ডায়েরিটা দেখে y/n2 দৌড়ে টেবিলের কাছে গিয়ে ডায়েরিটা হাতে নিয়ে অস্থির হয়ে বলে উঠলো, Y/n2 : sir..... আপনি এই ডায়েরিটা কোথায় পেলেন? এটা তো আমার আপুর ডায়েরি... আমার বাবা দিয়েছিলো, Jimin : পুরোনো মহলে পেয়েছি, আরও একটা বই পেয়েছি, বইটার উপরে লেখা hide and seek, হয়তো এই ডায়েরি আর বইটা আমাদের রহস্য সমাধান করতে help করবে! Jimin এর কথা শুনে Y/n2 hide and seek লেখা বইটা খুললো, কিন্তু বইটার ভেতর কিছু অদ্ভুত ধাধা আর নকশা। Y/n2 : sir, বইটায় তেমন কিছু নেই, শুধু কিছু নকশা, মনে হচ্ছে কোনো প্রকৌশলী ( engineering) বই... Jimin ও বইটা ভালো করে দেখলো আসলেও বইটা থেকে তেমন কিছু বোঝা যাবে না... Jimin কিছুক্ষণ গভীর চিন্তায় মগ্ন হয়ে y/n2 কে জিজ্ঞাসা করে, Jimin : আচ্ছা? তোমার বোন কি কাউকে ভালোবাসতো? Y/n2 : আসলে sir, আপনি তো জানেন আমি প্রায় দেড় বছর যাবৎ বিলেতে ছিলাম, আপুর সাথে এই দেড় বছর আমার কোনো যোগাযোগ হয়নি কিন্তু এখানে আসার পর নর্তকী দের প্রধান আম্মিজান এর মুখে শুনলাম , জমিদারের ছেলে Jungkook এর সাথে নাকি আপুর প্রেমের সম্পর্ক ছিলো..!! Jimin : huhh Jungkook....I know him.....সত্যি তোমার বোনকে অনেক ভালোবাসে সে, by the way তুমি কি কাউকে সন্দেহ করো? y/n2 : হ্যাঁ sir... আমি ওই জমিদার jeon কে সন্দেহ করতাম,কিন্তু sir, জমিদার jeon জানতো না y/n আপুর জমজ বোন আছে, উনি যদি আমার আপুর ক্ষতি করেই থাকতো তাহলে এক বছর পর আবার আমাকে দেখে উনার চোখে মুখে একটু হলেও ভয় কাজ করতো, কিন্তু আমি উনার মুখে তেমন কিছুই দেখতে পায় নি...... Jimin : ওহ্.... বেশ জটিল রহস্য কিন্তু Jimin এর কাছে কোনোকিছুই জটিল নয় আমাদের কাছে এই মুহূর্তে অনেকগুলো clues আছে , y/n2.....তোমার আপুর ডায়েরিটা পড়লে হয়তো অনেক কিছু clear হয়ে যাবে, আমি কি এটা পড়তে পারি? Y/n2 : অবশ্যই sir..... তারপর Jimin আর y/n2 ডায়েরিটা পড়া শুরু করলো.... [ ডায়েরির লেখা কাহিনী ] : প্রায় দেড় বছর আগে, নর্তকী মহলটা খুব সুন্দর করে সাজানো হচ্ছে, মনে হচ্ছে কোনো বিলেতি অথিতি আসবে , কিন্তু বারান্দায় মনমরা হয়ে বসে আছে y/n.. এমন সময় আম্মিজান (নর্তকী প্রধান) এসে y/n কে জিজ্ঞাসা করে, আম্মিজান : কী হয়েছে রে y/n, সাজগোজ ফেলে এভাবে দাড়িয়ে আছিস কেন, জানিস না আজ উৎসব আছে! Y/n : বোনটাকে বিলেতে পাঠিয়ে একদম ভালো লাগছে না গো আম্মিজান, সেখানে ও কি করছে না করছে কিছুই তো জানিনা! আম্মিজান : চিন্তা করিস না..! ওই মেয়ে সাংঘাতিক চালাক, ওর কিছু হবে না..!! Y/n : তাই যেন হয় গো, লুকিয়ে লুকিয়ে বিলেতে পাঠিয়েছি ওকে, বলেছি সবসময় মুখ ঢেকে রাখবি, বলা তো যায় না, কোনো ইংরেজ সাহেব যদি ওর চেহারা দেখে মনে করে ওইটা আমি! তাহলে তো বিপদ হয়ে যাবে.... আমাকে কাছে পাওয়ার জন্য তো ওরা হিংস্র পশুর মতো ওত পেতে আছে! আম্মি জান : চিন্তা করিস না y/n, নে এবার সেজে গুজে বৈঠক খানায় আয় তো... Time skip... Y/n সেজে গুজে বৈঠকখানায় যাবে এমন সময় মহলের পেছনের দরজার সামনে থেকে কেউ একজন চিৎকার করছে, ??? : excuse me..... কেউ আছেন? Help me... Y/n এর কানে চিৎকারটা পৌছালো, বাকিরা তো সাজগোজে ব্যস্ত তাই y/n মহলের পেছনের দরজা খুলে দিয়ে দেখে একটা ২৬-২৭ বছরের যুবক ছেলে পড়নে বিদেশী পোশাক, সারা শরীরে কাদা লেগে আছে ! কাদা মাখা শরীর নিয়ে মুখ খিচে দাড়িয়ে আছে ছেলেটা... ছেলেটাকে দেখে বেশ হাস্যকর লাগছিলো, y/n আর নিজেকে সামলাতে না পেরে হেসে বলে উঠে, Y/n : কে আপনি ভাই? দেখে তো মনে হচ্ছে বিলেতি ভেজা বেড়াল... ( হাসতে হাসতে) Y/n এর হাসিটা এতোই মনমুগ্ধকর যে ছেলেটা এক দৃষ্টিতে y/n এর মুখের দিকে তাকিয়ে আছে, তার যেন পলকই পড়ছে না..! Y/n আবার বলে উঠলো, Y/n : কি হলো বিলেতি ভেজা বেড়াল, কথা বলছেন না কেন? ছেলেটার এবার হুশ ফিরে এলো, আর রাগে মুখ খিচে বলে উঠলো, ?? : আশ্চর্য। এই দেশের মানুষরা কি অন্যের বিপদে এভাবে হাসে নাকি? তুমি জানো আমি কে? লন্ডনের বিখ্যাত প্রকৌশলী ( engineer) Jeon Jungkook.... Y/n Jungkook এর কথার কোনো পাত্তা না দিয়ে হেসেই যাচ্ছে আর Jungkook শুধু রাগে ফুলছে কিন্তু Jungkook এর রাগ যেন বেশিক্ষণ টিকছে না, y/n এর মায়াভরা মুখ আর গভীর চোখ তাকে বেশ আকর্ষণ করছে... To be continued..... #ff_x_taerat #jungkook #fyp
Tidak semua kemenangan datang dengan cepat, ada yang dibangun dari ribuan usaha yang tidak terlihat. Di balik setiap keberhasilan yang dikagumi, hampir selalu ada perjuangan yang tidak pernah disaksikan siapa pun. Ada pagi yang dimulai lebih awal. Ada malam yang dihabiskan untuk terus belajar. Ada kegagalan yang berulang. Dan ada rasa lelah yang dipendam agar langkah tidak berhenti. Orang lain mungkin hanya melihat hasil akhirnya. Mereka melihat pencapaian, penghargaan, dan keberhasilan yang akhirnya diraih. Namun mereka tidak melihat berapa kali seseorang memilih bangkit setelah jatuh. Tidak melihat berapa banyak pengorbanan yang dilakukan saat belum ada yang percaya. Dan tidak melihat ribuan keputusan kecil untuk tetap melangkah ketika menyerah terasa jauh lebih mudah. Begitulah cara kemenangan dibangun. Bukan dengan satu langkah besar, melainkan dengan konsistensi yang terus dijaga, bahkan ketika tidak ada tepuk tangan. Karena keberhasilan sejati bukan lahir dari keberuntungan semata, tetapi dari proses panjang yang dijalani dengan kesabaran dan ketekunan. Jangan berkecil hati jika perjuanganmu belum terlihat hasilnya. Tetap lakukan hal-hal kecil dengan sungguh-sungguh setiap hari. Sebab apa yang hari ini terasa biasa, suatu saat akan menjadi fondasi bagi keberhasilan yang selama ini kamu impikan. Tidak semua kemenangan datang dengan cepat, ada yang dibangun dari ribuan usaha yang tidak terlihat. Dan sering kali, proses yang sunyi itulah yang melahirkan kemenangan yang paling bermakna.
Tidak semua kemenangan datang dengan cepat, ada yang dibangun dari ribuan usaha yang tidak terlihat. Di balik setiap keberhasilan yang dikagumi, hampir selalu ada perjuangan yang tidak pernah disaksikan siapa pun. Ada pagi yang dimulai lebih awal. Ada malam yang dihabiskan untuk terus belajar. Ada kegagalan yang berulang. Dan ada rasa lelah yang dipendam agar langkah tidak berhenti. Orang lain mungkin hanya melihat hasil akhirnya. Mereka melihat pencapaian, penghargaan, dan keberhasilan yang akhirnya diraih. Namun mereka tidak melihat berapa kali seseorang memilih bangkit setelah jatuh. Tidak melihat berapa banyak pengorbanan yang dilakukan saat belum ada yang percaya. Dan tidak melihat ribuan keputusan kecil untuk tetap melangkah ketika menyerah terasa jauh lebih mudah. Begitulah cara kemenangan dibangun. Bukan dengan satu langkah besar, melainkan dengan konsistensi yang terus dijaga, bahkan ketika tidak ada tepuk tangan. Karena keberhasilan sejati bukan lahir dari keberuntungan semata, tetapi dari proses panjang yang dijalani dengan kesabaran dan ketekunan. Jangan berkecil hati jika perjuanganmu belum terlihat hasilnya. Tetap lakukan hal-hal kecil dengan sungguh-sungguh setiap hari. Sebab apa yang hari ini terasa biasa, suatu saat akan menjadi fondasi bagi keberhasilan yang selama ini kamu impikan. Tidak semua kemenangan datang dengan cepat, ada yang dibangun dari ribuan usaha yang tidak terlihat. Dan sering kali, proses yang sunyi itulah yang melahirkan kemenangan yang paling bermakna.

About