@patrickakpele: Un livre, une leçon de vie Épisode 06 et Fin : " Le Destin de Wangrin" D'Amadou Hampaté Bâ #LeconDeVie #LeDestinDeWabgrin #AmadouHampateBa #Evolution #Storytime

Serge Patrick AKPELE
Serge Patrick AKPELE
Open In TikTok:
Region: CI
Wednesday 22 July 2026 21:00:00 GMT
206
44
1
0

Music

Download

Comments

francky_konan
francky_konan :
🥰🥰🥰
2026-07-25 14:44:51
1
To see more videos from user @patrickakpele, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

Hide & seek |s2| part-89 -আর সবশেষে kim Taehyung ছোট জমিদার Jeon Taehyung হয়ে জন্ম নিলো, আর তার রহস্যময়ীকে নিজের করে পেলো।   আরো একবার প্রমাণিত হয়ে গেলো,নিয়তি যতোই নিষ্ঠুর হোক না কেন, অপেক্ষার ফল মিষ্টি।  তাদের বিবাহের মধ্যে দিয়ে ভালোবাসা পূর্নতা পেলো।         -২০ শে মার্চ, ২০২৪ তারিখটা y/n এর Taeএর বিয়ের তারিখ ছিলো!  Y/n বুঝতে পারলো শেষের কথাগুলো তার Jimin ভাই লিখেছে!  Y/n ভাবতে থাকলো, আদৌও কি Taeএর ভালোবাসা পূর্নতা পেয়েছে?! আজও Taeকে বিরহের যন্ত্রনায় পুড়ছে হচ্ছে, পূর্নতার পরেও কেন এতো বিরহ। পরক্ষণেই y/n নিজেকে দোষারোপ করা শুরু করলো।  Y/n : হ্যাঁ, সব আমার দোষ। আর পাচঁটা স্বামী-স্ত্রীর মতো আমাদের দাম্পত্য জীবনটাও সুখের হতে পারতো। কতো সহজ জীবন জটিল করে দিলাম আমি! আপনার মুখোমুখি হবো কি করে ছোট জমিদার সাহেব!  Y/nএর চোখ দিয়ে অঝোরে পানি পড়ছে! আজ সে অনুতপ্ত, তার ভুলের কি কোনো ক্ষমা হয়না? Tae কি তাকে ক্ষমা করে আবারও নিজের বুকে টেনে নিবে না?  এসব ভাবতে ভাবতেই হুট করে খাট থেকে উঠে দাড়ালো সে! জানালার দিকে চোখ রেখে বুঝতে পারলো রাত পেরিয়ে ভোর হয়ে গেছে।  _ সারা বাড়ি তন্নতন্ন করে খুঁজেও Taeকে পাওয়া গেলো না। একটা ঘরের এক কোনায় ইরা পরে আছে।  ইরার দিকে কিছুক্ষণ কপাল কুচকে তাকিয়ে রইলো y/n এরপর ধপাশ করে দরজাটা বন্ধ করে দিয়ে বাইরে চলে আসো সে।  বাড়ির ভেতর তো নেই Tae! তাহলে নিশ্চয়ই বাইরে কোথাও আছে। তাকে খোজার অভিযানে বেরিয়ে পড়লে খুব বেশি ক্ষতি হবে না হয়তো। পুরো গ্ৰামে চক্কর দেওয়ার যথেষ্ট অভিজ্ঞতা আছে y/nএর!  মেইন গেইট খুলতে গিয়ে ব্যর্থ হলো y/n! গেইট তো বাইরে থেকে তালা দেওয়া।  গতকাল রাতেই Tae বাড়ি থেকে বের হয়েছিলো। সে এখন অনেকটা সুস্থ। এতো ঝামেলার মধ্যে দাদি আর mrs park এর খোঁজ নেওয়া হয়নি!  তাদের কি অবস্থা কে জানে। রাতে y/n যে তার কাছে ঘেঁষতে দিবে না এটা Tae ভালো করেই জানতো।  তাই সময় নষ্ট না করে park ভিলায় চলে গেছিলো সে! Mrs. Park এর অবস্থা খুব খারাপ! সে তো ধরেই নিয়েছে y/n বেঁচে নেই!  কিন্তু Tae গিয়ে তাদের আশ্বাস দেয়! Y/nএর বেঁচে থাকার খবর পেয়ে ওইবাড়ির পরিস্থিতি এখন কিছুটা স্বাভাবিক!  কিন্তু জমিদার বাড়ির কি খবর! Tae সেখানে যেতে চাইলো না!  কিন্তু ওই ভাড়া বাসায় ফিরতে গিয়েও ফিরলো না! সেখানে y/n নিরাপদ। বাইরে থেকে তালা দিয়ে এসেছে সে,আর তার শত্রুরা সব জমিদার বাড়িতেই আছে।  Tae জমিদার বাড়ির দিকে চলতে চলতে বাকা হেসে বলে উঠলো,  Tae : তোমার এতো কাছে থেকে তোমাকে এড়িয়ে চলা আমার পক্ষে সম্ভব না রহস্যময়ী। তোমার সাথে না থেকে শত্রুর সাথে থেকে তোমাকে রক্ষা করতে যাচ্ছি। পরিকল্পনাটি হয়তো মন্দ হবে না।  এতো রাতে জমিদার বাড়িতে Taeএর প্রবেশ সবাইকে অবাক করে ফেলে। Mr. Jeon এর প্রতিক্রিয়া কিছুটা রাগ এবং অবাকের মিশ্রণ।  Taeআপাততঃ তার মুখোমুখি হতে চাচ্ছে না! কিন্তু Mr. Jeon Taeএর মুখোমুখি হয়ে ধারালো কন্ঠে বলা শুরু করলো,  Mr. Jeon : এই তিনটে মাস আমি তোমার পেছনে গাধার মতো খেটেছি। কি আজব, হুট করে কোথায় উধাও হয়ে গেছিলে?  Tae : আপনার যদি অধিকার থাকতো তাহলে আপনাকে সবটা বলতাম Mr. Jeon! আমি আমার রুমে যাচ্ছি, কেউ বিরক্ত করবেন না।  Tae রুমের দিকে যেতেই Mr. Lee হাউ মাউ করে কাদতে কাদতে এসে Tae এর সামনে দাড়ায়!  Me. Lee : বাবা, তুমি কি জানো ইরা কোথায় আছে? তুমি যেদিন গায়েব হয়ে গেছিলে সেদিন থেকে ওকেও খুঁজে পাচ্ছি না!  Tae : তাই নাকি Mr. Lee? সরি আমি বলতে পারলাম না। y/nএর ভুত নিয়ে গেছে হয়তো।  শেষের কথাটা আস্তে করে বলে Tae! Taeএর কথা শুনে Mr Lee এর কলিজা কেপে উঠলো, কেননা ইরা গায়েব হওয়ার আগ মুহূর্তে জমিদার বাড়িতে ভয়ঙ্কর কিছু ঘটেছিলো!  Tae কথা না বাড়িতে নিজের রুমে চলে গেলো।  _ সারারাত দুচোখের পাতা এক করতে পারেনি Tae!  Y/n এর কড়া ব্যবহার প্রতিনিয়ত তাকে পোড়াচ্ছে! একটুও পাল্লায়নি সে। এখনও আগের মতো অবুঝই রয়ে গেলো মেয়েটা!  Tae তার রহস্যময়ীর চিন্তায় বিভোর হয়ে খাট থেকে নেমে জানালার দিকে এগিয়ে গেলো।  এই সেই জানালা, যে জানালা দিয়ে জমিদার বাড়ির পাশে থাকা পুকুরটা দেখা যায়! একদিন এরকম একটা সকালে y/n জলপরীর মতো পুকুর থেকে উদয় হয়েছিলো!  শুধু প্রথম দেখাই নয়, বিয়ের পরের দিনও এই পুকুরপাড়ে সুন্দর মুহুর্ত কাটিয়েছে তারা।  Taeএর মুখে মুচকি হাসি ফুটে উঠলো। সাদা কাচের জানালার কপাট খুলে দিয়ে চোখ বন্ধ করে একটা দীর্ঘ নিশ্বাস নিলো Tae!  জানালা দিয়ে আসা হাওয়ায় আজও যেন সেই স্মৃতি মিশে আছে। সে হাওয়া গায়ে মেখে আরও একবার সেই মুহূর্তের স্মৃতিচারণ করে নিলো সে!  Tae : আহা স্মৃতি। তোকে ধরতে পারলে নিমিষেই বাক্স বন্দী করে দিতাম। দুংখের সময় এলে একবার বাক্স খুলে দেখে নিতাম। মাঝে মাঝে সেই স্মৃতির বাক্সে নিজেই ঢুকে পড়তে চাইতাম।  অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে কথাগুলো বলছিলো Tae!  .....
Hide & seek |s2| part-89 -আর সবশেষে kim Taehyung ছোট জমিদার Jeon Taehyung হয়ে জন্ম নিলো, আর তার রহস্যময়ীকে নিজের করে পেলো। আরো একবার প্রমাণিত হয়ে গেলো,নিয়তি যতোই নিষ্ঠুর হোক না কেন, অপেক্ষার ফল মিষ্টি। তাদের বিবাহের মধ্যে দিয়ে ভালোবাসা পূর্নতা পেলো। -২০ শে মার্চ, ২০২৪ তারিখটা y/n এর Taeএর বিয়ের তারিখ ছিলো! Y/n বুঝতে পারলো শেষের কথাগুলো তার Jimin ভাই লিখেছে! Y/n ভাবতে থাকলো, আদৌও কি Taeএর ভালোবাসা পূর্নতা পেয়েছে?! আজও Taeকে বিরহের যন্ত্রনায় পুড়ছে হচ্ছে, পূর্নতার পরেও কেন এতো বিরহ। পরক্ষণেই y/n নিজেকে দোষারোপ করা শুরু করলো। Y/n : হ্যাঁ, সব আমার দোষ। আর পাচঁটা স্বামী-স্ত্রীর মতো আমাদের দাম্পত্য জীবনটাও সুখের হতে পারতো। কতো সহজ জীবন জটিল করে দিলাম আমি! আপনার মুখোমুখি হবো কি করে ছোট জমিদার সাহেব! Y/nএর চোখ দিয়ে অঝোরে পানি পড়ছে! আজ সে অনুতপ্ত, তার ভুলের কি কোনো ক্ষমা হয়না? Tae কি তাকে ক্ষমা করে আবারও নিজের বুকে টেনে নিবে না? এসব ভাবতে ভাবতেই হুট করে খাট থেকে উঠে দাড়ালো সে! জানালার দিকে চোখ রেখে বুঝতে পারলো রাত পেরিয়ে ভোর হয়ে গেছে। _ সারা বাড়ি তন্নতন্ন করে খুঁজেও Taeকে পাওয়া গেলো না। একটা ঘরের এক কোনায় ইরা পরে আছে। ইরার দিকে কিছুক্ষণ কপাল কুচকে তাকিয়ে রইলো y/n এরপর ধপাশ করে দরজাটা বন্ধ করে দিয়ে বাইরে চলে আসো সে। বাড়ির ভেতর তো নেই Tae! তাহলে নিশ্চয়ই বাইরে কোথাও আছে। তাকে খোজার অভিযানে বেরিয়ে পড়লে খুব বেশি ক্ষতি হবে না হয়তো। পুরো গ্ৰামে চক্কর দেওয়ার যথেষ্ট অভিজ্ঞতা আছে y/nএর! মেইন গেইট খুলতে গিয়ে ব্যর্থ হলো y/n! গেইট তো বাইরে থেকে তালা দেওয়া। গতকাল রাতেই Tae বাড়ি থেকে বের হয়েছিলো। সে এখন অনেকটা সুস্থ। এতো ঝামেলার মধ্যে দাদি আর mrs park এর খোঁজ নেওয়া হয়নি! তাদের কি অবস্থা কে জানে। রাতে y/n যে তার কাছে ঘেঁষতে দিবে না এটা Tae ভালো করেই জানতো। তাই সময় নষ্ট না করে park ভিলায় চলে গেছিলো সে! Mrs. Park এর অবস্থা খুব খারাপ! সে তো ধরেই নিয়েছে y/n বেঁচে নেই! কিন্তু Tae গিয়ে তাদের আশ্বাস দেয়! Y/nএর বেঁচে থাকার খবর পেয়ে ওইবাড়ির পরিস্থিতি এখন কিছুটা স্বাভাবিক! কিন্তু জমিদার বাড়ির কি খবর! Tae সেখানে যেতে চাইলো না! কিন্তু ওই ভাড়া বাসায় ফিরতে গিয়েও ফিরলো না! সেখানে y/n নিরাপদ। বাইরে থেকে তালা দিয়ে এসেছে সে,আর তার শত্রুরা সব জমিদার বাড়িতেই আছে। Tae জমিদার বাড়ির দিকে চলতে চলতে বাকা হেসে বলে উঠলো, Tae : তোমার এতো কাছে থেকে তোমাকে এড়িয়ে চলা আমার পক্ষে সম্ভব না রহস্যময়ী। তোমার সাথে না থেকে শত্রুর সাথে থেকে তোমাকে রক্ষা করতে যাচ্ছি। পরিকল্পনাটি হয়তো মন্দ হবে না। এতো রাতে জমিদার বাড়িতে Taeএর প্রবেশ সবাইকে অবাক করে ফেলে। Mr. Jeon এর প্রতিক্রিয়া কিছুটা রাগ এবং অবাকের মিশ্রণ। Taeআপাততঃ তার মুখোমুখি হতে চাচ্ছে না! কিন্তু Mr. Jeon Taeএর মুখোমুখি হয়ে ধারালো কন্ঠে বলা শুরু করলো, Mr. Jeon : এই তিনটে মাস আমি তোমার পেছনে গাধার মতো খেটেছি। কি আজব, হুট করে কোথায় উধাও হয়ে গেছিলে? Tae : আপনার যদি অধিকার থাকতো তাহলে আপনাকে সবটা বলতাম Mr. Jeon! আমি আমার রুমে যাচ্ছি, কেউ বিরক্ত করবেন না। Tae রুমের দিকে যেতেই Mr. Lee হাউ মাউ করে কাদতে কাদতে এসে Tae এর সামনে দাড়ায়! Me. Lee : বাবা, তুমি কি জানো ইরা কোথায় আছে? তুমি যেদিন গায়েব হয়ে গেছিলে সেদিন থেকে ওকেও খুঁজে পাচ্ছি না! Tae : তাই নাকি Mr. Lee? সরি আমি বলতে পারলাম না। y/nএর ভুত নিয়ে গেছে হয়তো। শেষের কথাটা আস্তে করে বলে Tae! Taeএর কথা শুনে Mr Lee এর কলিজা কেপে উঠলো, কেননা ইরা গায়েব হওয়ার আগ মুহূর্তে জমিদার বাড়িতে ভয়ঙ্কর কিছু ঘটেছিলো! Tae কথা না বাড়িতে নিজের রুমে চলে গেলো। _ সারারাত দুচোখের পাতা এক করতে পারেনি Tae! Y/n এর কড়া ব্যবহার প্রতিনিয়ত তাকে পোড়াচ্ছে! একটুও পাল্লায়নি সে। এখনও আগের মতো অবুঝই রয়ে গেলো মেয়েটা! Tae তার রহস্যময়ীর চিন্তায় বিভোর হয়ে খাট থেকে নেমে জানালার দিকে এগিয়ে গেলো। এই সেই জানালা, যে জানালা দিয়ে জমিদার বাড়ির পাশে থাকা পুকুরটা দেখা যায়! একদিন এরকম একটা সকালে y/n জলপরীর মতো পুকুর থেকে উদয় হয়েছিলো! শুধু প্রথম দেখাই নয়, বিয়ের পরের দিনও এই পুকুরপাড়ে সুন্দর মুহুর্ত কাটিয়েছে তারা। Taeএর মুখে মুচকি হাসি ফুটে উঠলো। সাদা কাচের জানালার কপাট খুলে দিয়ে চোখ বন্ধ করে একটা দীর্ঘ নিশ্বাস নিলো Tae! জানালা দিয়ে আসা হাওয়ায় আজও যেন সেই স্মৃতি মিশে আছে। সে হাওয়া গায়ে মেখে আরও একবার সেই মুহূর্তের স্মৃতিচারণ করে নিলো সে! Tae : আহা স্মৃতি। তোকে ধরতে পারলে নিমিষেই বাক্স বন্দী করে দিতাম। দুংখের সময় এলে একবার বাক্স খুলে দেখে নিতাম। মাঝে মাঝে সেই স্মৃতির বাক্সে নিজেই ঢুকে পড়তে চাইতাম। অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে কথাগুলো বলছিলো Tae! .....

About