Language
English
عربي
Tiếng Việt
русский
français
español
日本語
한글
Deutsch
हिन्दी
简体中文
繁體中文
API
Home
How To Use
Language
English
عربي
Tiếng Việt
русский
français
español
日本語
한글
Deutsch
हिन्दी
简体中文
繁體中文
Home
Detail
@dsa1396:
ابو ثـــانــي
Open In TikTok:
Region: SA
Saturday 11 July 2026 23:01:16 GMT
31319
255
11
23
Music
Download
No Watermark .mp4 (
2.8MB
)
No Watermark(HD) .mp4 (
2.8MB
)
Watermark .mp4 (
6.1MB
)
Music .mp3
Comments
حمدان السعدي :
والف نعم 🌷
2026-07-13 14:22:36
0
A :
اشهد انه يعزاااام من قلب
2026-07-13 15:40:14
0
🤍M :
ودي اعرف السالفه تكفى ماهو فضول بس اتعلم من علمه الطيب
2026-07-13 12:06:16
0
غلا :
ما شاء الله تبارك الله على حسن الضيافة
2026-07-13 04:57:41
0
🇰🇼Badar🇰🇼 :
الله يرحم جدي
2026-07-12 19:25:38
0
freah1001 :
😳😳😳
2026-07-12 03:11:03
0
To see more videos from user @dsa1396, please go to the Tikwm homepage.
Other Videos
xassida borom Touba yi dafa nex #ahmadou #xassida #Touba @Mélodie Khassida 🎼🎤 @minute_xassida
نغمات مميزة لموبايلك 🎶🔥 #fypシ #foryoupage❤️❤️ #foryou
Путь воина
الافضل سيلعب اليوم 🩵🐐 ! #fpy #messi #football
নাটোরের রেখা খাতুন: নদীতে মাছ ধরে, ধান কেটে আর সংগ্রাম করে গড়ছেন নিজের ভবিষ্যৎ, নাটোরের সিংড়া উপজেলার রাখালগাছা গ্রামের ২৭ বছর বয়সী রেখা খাতুনের জীবন যেন সংগ্রামের এক জীবন্ত উদাহরণ। ছোটবেলা থেকেই চরম দারিদ্র্য, বাবার অবহেলা ও পরে বাবাকে হারানোর পর মায়ের সঙ্গে মানুষের বাড়িতে কাজ করে বড় হয়েছেন তিনি। সংসারের খরচ চালানোর পাশাপাশি নিজের পড়াশোনার ব্যয় মেটাতে মাঠে ধান কাটা, আগাছা পরিষ্কার, নদী ও খাল-বিলে মাছ ধরা পর্যন্ত করেছেন। রেখার ভাষ্য অনুযায়ী, ক্লাস ফোরে পড়ার সময় থেকেই তিনি কাজ শুরু করেন। স্কুল শেষে নদীতে নেমে হাত দিয়ে মাছ ধরে বাজারে বিক্রি করতেন। সেই টাকাতেই চলত স্কুলে যাতায়াত, বই-খাতা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচ। পরবর্তীতে আর্থিক সংকটের কারণে প্রাইভেট শিক্ষকের বেতনও পরিশোধ করতেন মাঠের কাজ করে। দারিদ্র্যের মাঝেও ফুটবলের প্রতি ছিল তার প্রবল ভালোবাসা। স্কুল ও জেলা পর্যায়ে ভালো খেললেও অর্থের অভাবে বিকেএসপিতে ভর্তি হতে পারেননি। পরে বিভিন্ন পর্যায়ে খেলার সুযোগ পেলেও প্রত্যাশিত সহযোগিতা ও প্রাপ্য সম্মান না পাওয়ায় একসময় ফুটবল থেকে সরে দাঁড়ান। শুধু পড়াশোনা বা খেলাধুলাই নয়, জীবিকার তাগিদে আজও তিনি কৃষিকাজ করেন। নিজের জমিতে চাষাবাদের পাশাপাশি অন্যের জমিতেও ধান কাটার কাজ করেন। একই কাজ করেও নারী হওয়ায় পুরুষ শ্রমিকদের তুলনায় কম মজুরি পান বলে অভিযোগ করেন তিনি। রেখা জানান, সমাজে গায়ের রঙ ও দারিদ্র্যের কারণেও তাকে নানা ধরনের অবহেলা সহ্য করতে হয়েছে। তার দাবি, অনেকেই তাকে বিয়ে করতে আগ্রহ দেখায়নি, কারণ তিনি মাঠে কাজ করেন, নদীতে মাছ ধরেন এবং ছেলেদের সঙ্গে সমানভাবে শ্রম দেন। বর্তমানে তিনি একটি ছোট অনলাইন উদ্যোগ পরিচালনা করছেন। মৌসুমি আম, খেজুরের গুড়, শুঁটকিসহ বিভিন্ন দেশীয় পণ্য বিক্রি করেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে। তার ভাষ্য, এই ব্যবসা থেকে আয় করে তিনি নিজের সংসারের পাশাপাশি অসহায় শিশুদেরও সহায়তা করার চেষ্টা করেন। রেখার স্বপ্ন, একদিন নিজের পরিশ্রমে প্রতিষ্ঠিত হয়ে মায়ের মুখে হাসি ফোটাবেন এবং তার সংগ্রামের গল্প সমাজের হতাশ মানুষদের নতুন করে বাঁচার সাহস দেবে। তিনি বিশ্বাস করেন, কঠোর পরিশ্রম, ধৈর্য এবং আত্মবিশ্বাস থাকলে প্রতিকূল পরিস্থিতিও জয় করা সম্ভব।🥹🥹🥹
About
Robot
API
Legal
Privacy Policy