@funny.content6989: wakha ma wakha ma merabra۔۔۔#creatorsearchinsight #foryoupage #bebofunnyvideo😆😂 #

FUNNY CONTENT
FUNNY CONTENT
Open In TikTok:
Region: PK
Tuesday 14 July 2026 01:00:25 GMT
143008
9720
506
1140

Music

Download

Comments

sidraa3000
𝐏ᵉˢʰᵒ𓃠𝐆ᵃᵐⁱⁿᵍ✌︎ :
toba khodaya haha 😹
2026-07-14 01:04:01
4
user873876734
Salmankhan :
🥰🥰🥰🥰
2026-07-14 11:23:34
3
dakhanlor099
😎𝑫𝒂 𝑲𝒉𝒂𝒏 𝑳𝒐𝑹💸 :
hhhhhhhhhhhhhhhhhhhhhhhhhhh 😂
2026-07-14 14:15:39
5
azizkhan3598
Aziz Khan :
2026-07-14 04:30:42
2
unarkhan173khan
HS king 804 ✌️♥️ :
beautiful 😂😂
2026-07-16 03:14:08
1
user4269475990008
Bilal khan :
2026-07-14 08:49:31
1
idress.khan649
Idress khan :
😂😂😂😂😂
2026-07-15 03:43:40
0
comingsoon68890
Coming soon :
☺️☺️☺️
2026-07-14 01:03:01
2
comingsoon68890
Coming soon :
😅😅😅😅
2026-07-14 01:02:57
2
user741212564
Ⓜⓐⓝⓢⓞⓞⓡ :
🥰🥰🥰
2026-07-19 03:04:45
0
.khan.asif
💀Janan 💀Janan💀 :
💔💔💔
2026-07-18 15:14:36
0
kashifyou83
✔️KASHIF🥵SAR🥀KAR🤫🇵🇰 :
😁😁😁
2026-07-18 14:49:05
0
maseed129
Adnan Maseed :
😂😂😂
2026-07-18 19:12:15
0
ubaidmalang244
B.S.A Logistics :
😂😂😂
2026-07-14 08:50:06
0
To see more videos from user @funny.content6989, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

অপ্রত্যাশিত বন্ধন পার্ট ২৮
অপ্রত্যাশিত বন্ধন পার্ট ২৮ "আমি জানি, শুধু 'দুঃখিত' বললেই সেই কষ্ট মুছে যাবে না।" "আমি এটাও জানি, আমি হয়তো তোমার বিশ্বাস ভেঙেছিলাম।" আয়রা চুপ করে শুনছিল। আরহাম গভীর শ্বাস নিল। "কিন্তু আমি সত্যিই বদলেছি, আয়রা।" "আমি আর সেই মানুষটা নেই, যে বিয়ের রাতে তোমাকে প্রত্যাখ্যান করেছিল।" "আজ আমি এমন একজন মানুষ, যে তোমার হাসি দেখার জন্য অপেক্ষা করে।" "যে তোমার অসুস্থ হলে ভয় পায়।" "যে তোমাকে ছাড়া নিজের ভবিষ্যৎ কল্পনা করতে পারে না।" তার কণ্ঠে আজ কোনো নাটকীয়তা ছিল না। ছিল শুধু সত্যি। "তাই আজ আমি তোমার কাছে একটা জিনিস চাই।" আয়রার হৃদস্পন্দন যেন থেমে গেল। আরহাম ধীরে বলল, "তুমি কি আমাকে আরেকটা সুযোগ দেবে?" "আমাদের সম্পর্কটাকে নতুন করে শুরু করার একটা সুযোগ?" চারপাশ হঠাৎ খুব নিঃশব্দ হয়ে গেল। শুধু বাতাস বইছে। আয়রা কিছুক্ষণ নিচের দিকে তাকিয়ে রইল। তার চোখের সামনে ভেসে উঠল বিয়ের রাতের কষ্ট। নীরব দিনগুলো। আর তারপর ধীরে ধীরে বদলে যাওয়া একজন মানুষ। আয়রা ধীরে মুখ তুলে আরহামের দিকে তাকাল। তার চোখ ভেজা। "জানেন, আমি অনেকদিন ধরে একটা প্রশ্নের উত্তর খুঁজছিলাম।" আরহাম চুপ করে রইল। "মানুষ কি সত্যিই বদলাতে পারে?" সে হালকা হাসল। "আজ আমার মনে হচ্ছে যে পারে।" আরহামের বুকের ভেতরটা কেঁপে উঠল। আয়রা আবার বলল, "আমি এখনও সব ভয় ভুলে যাইনি।" "আমি এখনও পুরোপুরি নির্ভার নই।" "কিন্তু..." সে কয়েক সেকেন্ড থামল। "আমি চেষ্টা করতে চাই।" "আমি আমাদের একটা সুযোগ দিতে চাই।" আরহামের চোখে অবিশ্বাস আর আনন্দ একসাথে ফুটে উঠল। "সত্যি?" আয়রা মৃদু হেসে মাথা নাড়ল। "তবে একটা শর্ত আছে।" "কী শর্ত?" "আর কখনো আমাকে একা ফেলে চলে যাওয়া যাবে না।" আরহাম খুব শান্ত গলায় বলল, "প্রতিশ্রুতি দিলাম।" "এবার আর কোথাও যাচ্ছি না।" হালকা বাতাস বইছিল। দূরে কোথাও রাতের প্রথম তারা জ্বলে উঠেছে। প্রথমবার তাদের মাঝে কোনো অস্বস্তি ছিল না। কোনো দূরত্ব ছিল না। ছিল শুধু নতুন শুরুর নরম আলো। নিজের ঘরে ফিরে আয়রা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মুচকি হাসল। হয়তো সত্যিই কিছু গল্প দ্বিতীয়বার সুযোগ পাওয়ার জন্য লেখা হয়। আর অন্যদিকে জানালার পাশে দাঁড়িয়ে আরহাম আকাশের দিকে তাকাল। আজ অনেকদিন পর তার মনে হলো— সে অবশেষে নিজের ঠিকানায় পৌঁছে গেছে। কারন ভালোবাসা সবসময় প্রথম দেখায় হয় না। কখনো কখনো ভালোবাসা জন্ম নেয়— অপেক্ষা থেকে। ক্ষমা থেকে। বিশ্বাস থেকে। আর সেই ভালোবাসাগুলোই হয়তো সবচেয়ে সুন্দর হয়। —————— নতুন করে শুরু হওয়া সম্পর্কগুলোর একটা আলাদা সৌন্দর্য থাকে। সেখানে প্রথমবার হাত ধরা যেমন বিশেষ, তেমনি প্রথমবার একসাথে কোথাও বের হওয়াটাও। আরহাম রহমান আর আয়রার জীবনেও আজ ঠিক তেমনই একটা দিন। সকালবেলা নাস্তার টেবিলে বসে ছিলেন সবাই। নাজিয়া রহমান হঠাৎ বললেন, — "আয়রা, আজ বিকেলে আমার আর তোমার আব্বুর একটা অনুষ্ঠানে যেতে হবে।" আয়রা মাথা নেড়ে বলল, — "ঠিক আছে আম্মু।" সাদমান রহমান খবরের কাগজ ভাঁজ করতে করতে বললেন, — "আরহাম, তুই আজ অফিস থেকে একটু তাড়াতাড়ি ফিরিস।" — "কেন?" — "কারণ এতদিন পরে তোর বউকে নিয়ে একটু বাইরে ঘুরে আয়।" আয়রা প্রায় কাশতে কাশতে পানি খেয়ে ফেলল। আরহামও অপ্রস্তুত হয়ে গেল। নাজিয়া রহমান হেসে বললেন, — "এভাবে তাকিয়ে আছো কেন? তোমরা স্বামী-স্ত্রী, অপরিচিত কেউ না।" বিকেল। অফিস থেকে আজ সত্যিই তাড়াতাড়ি ফিরল আরহাম। ড্রইংরুমে এসে দেখল— আয়রা প্রস্তুত হয়ে বসে আছে। হালকা গোলাপি রঙের শাড়ি তে তাকে আজ অদ্ভুত সুন্দর লাগছে। কয়েক সেকেন্ডের জন্য আরহাম চুপ করে তাকিয়ে রইল। "কী হয়েছে?" আয়রা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল। আরহাম দ্রুত চোখ সরিয়ে বলল, — "কিছু না। চলবে?" আয়রার ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে উঠল। গাড়ির ভেতরে দুজনেই অদ্ভুতভাবে চুপচাপ। অবশেষে আয়রাই নীরবতা ভাঙল। — "আমরা কোথায় যাচ্ছি?" — "সারপ্রাইজ।" — "আপনি আবার সারপ্রাইজও দিতে পারেন?" — "আমি অনেক কিছুই পারি।" আয়রা হেসে ফেলল। গাড়ি এসে থামল শহরের এক শান্ত লেকের পাশে। সূর্য তখন ধীরে ধীরে ডুবে যাচ্ছে। আকাশ জুড়ে কমলা আর সোনালি রঙের মিশেল। দুজন পাশাপাশি হাঁটছিল। হঠাৎ আয়রা বলল, "জায়গাটা খুব সুন্দর।" আরহাম তার দিকে তাকিয়ে বলল, — "হ্যাঁ, সুন্দর।" কিন্তু তার চোখ তখন লেকের দিকে নয়। আয়রার দিকেই ছিল। কিছুক্ষণ পরে তারা লেকের ধারে বসে পড়ল। বাতাসে হালকা ঠাণ্ডা। আয়রার চুলগুলো বারবার মুখের সামনে চলে আসছিল। "একটা প্রশ্ন করব?" আরহাম বলল। — "করুন।" — "তুমি এত কম কথা বলো কেন?" আয়রা অবাক হয়ে বলল, — "আমি কম কথা বলি?" — "হুম।" — "কারণ আপনি এত গম্ভীর থাকেন যে কথা বলতে ভয় লাগে।" আরহাম কয়েক সেকেন্ড চুপ করে থেকে বলল, — "তাহলে আজ থেকে আর ভয় পেও না। আয়রার বুকের ভেতর অদ্ভুতভাবে ধুকপুক করতে লাগল। ঠিক তখনই হালকা বাতাসে আয়রার চুল মুখের ওপর এসে পড়ল। অজান্তেই আরহাম হাত বাড়িয়ে চুলগুলো সরিয়ে দিল। মুহূর্তটা এত হঠাৎ ছিল যে দুজনেই থমকে গেল। আরহাম দ্রুত হাত সরিয়ে নিল। — "সরি..." আয়রা মাথা নাড়ল। — "সরি বলার কিছু নেই।" চলবে.. #capcut

About