@president.shilawalid.icj: বাংলাদেশের প্রচলিত আইন এবং ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী, প্রথম স্বামীর সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ (ডিভোর্স) না হওয়া পর্যন্ত কোনো নারীর পক্ষে দ্বিতীয় বিয়ে করা সম্পূর্ণ অবৈধ, নিষিদ্ধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কোনো স্ত্রী যদি বর্তমান স্বামী থাকা অবস্থায় আইনগত প্রক্রিয়া না মেনে দ্বিতীয় বিয়ে করেন, তবে সেই বিয়েটি আইনের চোখে বাতিল ও অবৈধ গণ্য হবে। যদি কোনো বিবাহিত নারী অন্য কাউকে বিয়ে করতে চান, তবে তার একমাত্র বৈধ ও আইনি করণীয় হলো নিম্নরূপ: ১. স্ত্রীর প্রধান করণীয়: বৈধ উপায়ে বিবাহ বিচ্ছেদ (Divorce) দ্বিতীয় বিয়ের কথা চিন্তা করার আগে প্রথম স্বামীর সাথে বর্তমান বৈবাহিক সম্পর্কটি সম্পূর্ণভাবে অবসান করতে হবে। এর জন্য দুটি উপায় রয়েছে। 1.তালাক প্রদান (কাবিননামার ১৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী): যদি বিয়ের মুসলিম নিকাহনামার (কাবিননামা) ১৮ নম্বর ঘরে স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার অধিকার (তালাক-এ-তাফউইজ) দেওয়া থাকে, তবে স্ত্রী নিজেই স্বামীকে নিয়ম মেনে তালাক দিতে পারবেন। 2.আদালতের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ: যদি কাবিননামায় অধিকার দেওয়া না থাকে, তবে ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন (Dissolution of Muslim Marriages Act) অনুযায়ী স্ত্রীকে পারিবারিক আদালতে মামলা করে বিবাহ বিচ্ছেদের ডিক্রি বা রায় নিতে হবে। 3.আইনি নোটিশ ও ইদ্দত পালন: তালাক দেওয়ার পর স্থানীয় সিটি কর্পোরেশন/ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে নোটিশ পাঠাতে হবে এবং আইনগতভাবে ৯০ দিন (ইদ্দত কাল) অপেক্ষা করতে হবে। নোটিশ জারির ৯০ দিন পর বিবাহ বিচ্ছেদ চূড়ান্তভাবে কার্যকর হলে নারীটি আইনিভাবে মুক্ত হবেন এবং তখন তিনি যেকোনো জায়গায় দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারবেন। ২. ডিভোর্স না করে দ্বিতীয় বিয়ে করলে কী শাস্তি হতে পারে. প্রথম স্বামীকে ডিভোর্স না দিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করলে প্রথম স্বামী ওই স্ত্রীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি আদালতে মামলা করতে পারেন। দণ্ডবিধি ১৮৬০ (Penal Code) অনুযায়ী স্ত্রীর বিরুদ্ধে যে শাস্তিগুলো হতে পারে: 1.দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারা (স্বামী জীবিত থাকা অবস্থায় পুনরায় বিয়ে): এই ধারা অনুযায়ী অপরাধ প্রমাণিত হলে স্ত্রীর সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড হতে পারে। 2.দণ্ডবিধির ৪৯৫ ধারা (পূর্ববর্তী বিয়ে গোপন করা): যদি স্ত্রী তার প্রথম বিয়ের কথা গোপন করে কোনো নতুন পুরুষের সাথে দ্বিতীয় বিয়েতে আবদ্ধ হন, তবে অপরাধের মাত্রা আরও গুরুতর। এই ধারায় স্ত্রীর সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড হতে পারে। 3.দ্বিতীয় বিয়ের আইনি বৈধতা: আইনগতভাবে এই দ্বিতীয় বিয়েটি 'শুরু থেকেই বাতিল' (Void ab initio) বা অবৈধ বলে গণ্য হবে। ফলে দ্বিতীয় স্বামী বা তার সম্পত্তির ওপর ওই নারীর কোনো আইনগত অধিকার থাকবে না। সংক্ষিপ্ত কথা: কোনো বিবাহিত নারী যদি দ্বিতীয় বিয়ে করতে চান, তবে তাকে অবশ্যই আগে প্রথম স্বামীকে আইনসম্মতভাবে ডিভোর্স দিতে হবে এবং তালাক কার্যকর হওয়ার নির্দিষ্ট সময় (৯০ দিন) পার হওয়ার পরই কেবল নতুন বিয়ের নিবন্ধন করতে পারবেন।
প্রেসিডেন্ট.শিলাওয়ালিদ.ICJ.Ct
Region: BD
Thursday 16 July 2026 06:40:01 GMT
Music
Download
Comments
💔ABDUR RAHIM💔 :
2026-07-16 17:10:15
1
🦋Love @ Birds🦋 :
🫶🫶🫶
2026-07-16 11:15:42
3
Fozlu :
আপু
2026-07-16 06:46:34
0
Saiful Islam Saiful Islam :
বিউটিফুল আপু
2026-07-16 14:19:57
0
👮👮S N NayoN👮👮 :
অসাধারণ
2026-07-16 06:45:14
1
Only Allah can help us🤲🤲🤲 :
🥰🥰🥰🥰🥰❤️❤️❤️
2026-07-17 07:04:14
0
ওয়ালিদ মোল্লা থাইল্যান্ড :
💋💋
2026-07-16 08:15:14
1
স্বপ্নের পৃথিবী ❤️❤️ :
💋💋💋🥰🥰🥰
2026-07-16 12:48:57
1
অভিমানি মেয়ে শিল্পী :
❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️
2026-07-18 10:46:20
0
To see more videos from user @president.shilawalid.icj, please go to the Tikwm
homepage.