@atik_faisal1:

(عتيق  )Atik faisal
(عتيق )Atik faisal
Open In TikTok:
Region: BD
Sunday 19 July 2026 14:20:42 GMT
13
7
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @atik_faisal1, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

আধার নিশীথে তুমি লেখনীতে:- মাশকুরা মায়িশা পর্ব:- ১৫ সাদা কাফনে মুড়ে খাটিয়ায় শুয়ে আছে সোহা। যেই মেয়েটা এক সময় সারাদিন হেসে খেলে চঞ্চলতায় বাড়ি মাতিয়ে রাখতো আজ সেই মেয়ে চুপচাপ ঘুমিয়ে আছে।  অথচ, যেই মেয়েকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য, অপমান করে ত্যাজ্য পর্যন্ত করে দেওয়া হয়েছিল সেই মেয়ের জন্য নিষ্ঠুর আর্তনাদ করে কাঁদছে তার বাবা মা। জিনিসগুলো তুচ্ছ নাটক ছাড়া ঈশানের কাছে আর কিছুই লাগল না। কারণ এই মানুষগুলোই ছিল যারা একসময় মেয়েটাকে বাড়িতে পর্যন্ত জায়গা দেয়নি। ডিভোর্সের পর ত্যাজ্য করে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিল। যেই পাড়ার মহিলারা আজকে সোহার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছে একসময় সেই মহিলা গুলোই তার নামে গুজব ছড়াতেও দ্বিতীয়বার ভাবেনি।   -
আধার নিশীথে তুমি লেখনীতে:- মাশকুরা মায়িশা পর্ব:- ১৫ সাদা কাফনে মুড়ে খাটিয়ায় শুয়ে আছে সোহা। যেই মেয়েটা এক সময় সারাদিন হেসে খেলে চঞ্চলতায় বাড়ি মাতিয়ে রাখতো আজ সেই মেয়ে চুপচাপ ঘুমিয়ে আছে। অথচ, যেই মেয়েকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য, অপমান করে ত্যাজ্য পর্যন্ত করে দেওয়া হয়েছিল সেই মেয়ের জন্য নিষ্ঠুর আর্তনাদ করে কাঁদছে তার বাবা মা। জিনিসগুলো তুচ্ছ নাটক ছাড়া ঈশানের কাছে আর কিছুই লাগল না। কারণ এই মানুষগুলোই ছিল যারা একসময় মেয়েটাকে বাড়িতে পর্যন্ত জায়গা দেয়নি। ডিভোর্সের পর ত্যাজ্য করে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিল। যেই পাড়ার মহিলারা আজকে সোহার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছে একসময় সেই মহিলা গুলোই তার নামে গুজব ছড়াতেও দ্বিতীয়বার ভাবেনি। -"আজ এত কান্না কোথা থেকে আসছে খালামণি?" কিছুটা বিদ্বেষ নিয়েই প্রশ্ন করে উঠলেই ঈশান। "সোহা আপুর আজকের এই অবস্থা যে তোমাদের জন্যই হয়েছে খালামনি! এই কথাটা কি অস্বীকার করতে পারবে তুমি? মেয়েটা কিন্তু সর্বদা একটু ভালোবাসা পাওয়ার জন্য ছটফটিয়েছে! ডিভোর্সের পরে তো পারতে মেয়েটাকে একটু বুকে আগলে বুঝিয়ে বলতে! তা না করে ত্যাজ্য করে বাড়ি থেকেই বের করে দিলে! তাহলে এখন এত কাঁদছো?!" কিছুটা চেঁচিয়েই বলে উঠলো ঈশান। ঈশানের খালামনির কান্নার গতি বাড়লো। সোহার লাশের অবস্থা অতটা ভালো ছিল না। ফলস্বরুপ তাকে বেশিক্ষণ রাখা হবে না। যত শীঘ্রই কবর দেওয়া হবে ততটাই ভালো। নীলা সবকিছু এড়িয়ে ধীর পায়ে সোহার খাটিয়ার দিকে এসে বসলো। মেয়েটার এমন নিস্তেজ চেহারাতেও যেন এক অন্যরকম মাধুর্যতা ছড়িয়ে আছে। মনে পড়ে সোহার মৃত্যুর পূর্বে হয়তো তার সাথেই মেয়েটার সর্বশেষ দেখা হয়েছিল! [ফ্ল্যাশব্যাক] সোহা স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিল। তখন বিকেল সাড়ে চারটারও বেশি বাজে। তখনই সে পাশের রিক্সার জন্য দাঁড়িয়ে থাকা নীলাকে দেখে। নীলাকে বাড়ির গাড়ি ব্যবহার করতে বলা হলেও নীলা রিক্সায় যাতায়াত করতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ বোধ করে। তখনই তার চোখ যায় সোহার দিকে। -"কেমন আছিস সোহা? কত শুকিয়ে গিয়েছিস তুই?" কিছুটা উদ্বিগ্ন গলাতেই নীলা প্রশ্ন করে। -"তুমি আমার সাথে কথা বলছো? কতদিন হয়ে গেল ঈশান ব্যাতিত কেউ আমার সাথে ভালো করে দুটো কথা বলেনি! তোমার তো আমাকে দেখে সবার থেকে বেশি ঘৃণা করার কথা নীলা আপু!" সোহার কথায় অবাক হয়ে তাকায় নীলা। মেয়েটা যে কোনদিন থেকে আপু বলে ডাকেইনি। প্রথমবার তার গলায় "আপু" ডাকটা কেমন যেন খাপছাড়া শোনালো নীলার কানে। -"কেন কথা বলবো না? তুইও তো বাকিদের মত আমারই বোন!" হেসে বলার চেষ্টা করল নীলা। -"তা ঠিকই বলেছ.. আমি বরঞ্চ আসি.. দেরি হয়ে যাচ্ছে!" নীলার বলা কথায় কোন উত্তর দিল না সোহা যেন কথাটা পুরো এড়িয়ে গেল। হঠাৎই থেমে গেল সোহা। পিছু ফিরে নীলার চোখে চোখ রেখে বলে উঠলো, "প্রিয় নীলাঞ্জনা, দোয়া করি তুমি তোমার ভালবাসার মানুষটিকে পেয়ে যাও!" অতঃপর মেয়েটা আর পিছু ফিরে তাকায়নি। ~~ অথচ, তখন যদি জানতো মেয়েটা আর তার সামনে জলজ্যান্ত হয়ে ফিরে আসবে না হয়তো তাকে যেতেই দিত না। দীর্ঘশ্বাস ফেলে মেয়েটার থেকে একটা বার তাকায় নিলা। গলায় কান্নারা দলা পাকাচ্ছে তার। কাঁপা কাঁপা গলায় বলে উঠলো, -"তুই তো দোয়া করেছিলি আমি যেন আমার ভালবাসার মানুষ টিকে পেয়ে যাই! তবে আমার পূর্ণতা দেখার আগেই কেন চলে গেলি? আমাকে না পাওয়ার এত জেদ তোর?! দেখ তোর নীলাঞ্জনা তোর জন্য কাঁদছে? তুই একদিন বলেছিলি না আমি তোর জন্য যেদিন কাঁদবো সেদিন তোর জন্য অনেক খুশির দিন হবে! আজকে আমি তোর জন্য কাঁদছি কিন্তু তুই নেই কেন?! দেখ আজকে আমি মোটেই খুশি নই! কেন?! উত্তর দিয়ে যা না!!" অতঃপর ফুপিয়ে কেদে উঠলো নীলা। কেন জানো মেয়েটার মৃত্যুতে সবচেয়ে বেশি দোষী নিজেকেই মনে হতে থাকলো তার। ~~ রাত সাড়ে নয়টা বাজে। ঈশান ছাদে দাঁড়িয়ে আছে। আজ যে কিছুই ভালো লাগছে না তার। তখনই অনুভব করতে পারে তার পিছনে আরিদ দাঁড়িয়ে আছে! আচ্ছা তার দিকে ফিরে তাকায় না বলেই তাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে এবং তার বুকে মুখ গুঁজে দেয়! যেন একদণ্ড শান্তি খুঁজতে চাইছে সে। -"সবকিছু এমন ওলট-পালট হয়ে যাচ্ছে কেন জান বাচ্চা.." ক্ষীন কন্ঠে আরিদ জিজ্ঞেস করল। তবে ঈশান কোন উত্তর দিল না উল্টো আরো শক্ত করে আরিদকে জড়িয়ে ধরল। চলবে,, #mxm_writer #fictional #mashu_apu #novel_writter #fiction @Sapphic witch🍰 @𝓐𝔂𝓵𝓲𝓷 @ꫀ𝘴ꪗᵏᶜᵃ @m ï k a s a 🦴 @🍒 জাতির লিচু আফা 🍒 @diya~~ @Sadia @ᴏɪꜱʜɪ🕊️ @Jerry 2.0 @✨bangtan girl✨

About