@duocsithucuc: ✅Viên uống bổ não Ginkgo Doppelher #ginkgobiloba #doppelherz

duocsithucuc
duocsithucuc
Open In TikTok:
Region: VN
Monday 20 July 2026 05:04:29 GMT
116
3
1
2

Music

Download

Comments

duocsithucuc
duocsithucuc :
🥰🥰🥰
2026-07-20 05:04:35
0
To see more videos from user @duocsithucuc, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

১১ হাজার কোটি...!!!ভাইরে ভাই, বিনোদনের জন্য আর থ্রিলার সিনেমা দেখার দরকার নাই! আমাদের মিডিয়ার স্ক্রিপ্ট রাইটাররা ইদানীং যে লেভেলের গল্প বানাচ্ছেন, অস্কার তো এদেরই পাওয়া উচিত। 😁 নতুন গল্প এসেছে, সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ নাকি মাত্র কয়েক মাসে বিদেশে ১১,০০০ কোটি টাকা পা- চার করে দিয়েছেন!  নাসা যেখানে মঙ্গলে যাওয়ার রকেট বানাতে হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে আসিফ মাহমুদ নাকি চোখের পলকে দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া আর সুইজারল্যান্ডে হাজার হাজার কোটি টাকার ক্যাশ ট্রান্সফার করে ফেলেছেন!!    এইতো কয়েকদিন  আগেও যখন উনার বিরুদ্ধে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ আনা হয়েছিল, দুদক নাকি তখনো 'প্রাথমিক সত্যতা' পেয়েছিল!  কিন্তু পরে নথিপত্র ঘেঁটে দেখা গেলো, যে ঘটনার কথা বলা হচ্ছে, তার ৩ মাস আগেই আসিফ মাহমুদ পদত্যাগ করেছিলেন।  মানে, ঘটনা ঘটার ৩ মাস আগেই তিনি অতীতে গিয়ে দুর্নীতি করে এসেছেন! কী চমৎকার টাইম ট্রাভেল, তাই না? 😂 একজন মানুষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে কতদিনই বা ছিলেন? একজন মানুষের পক্ষে কীভাবে চার চারটি দেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচার করা সম্ভব ? টাকা কি বাতাসে উড়ে উড়ে সুইজারল্যান্ড আর অস্ট্রেলিয়ায় চলে গেছে??  আর আসিফ মাহমুদ নাকি বাংলাদেশ ব্যাংকের সব সিসিটিভি ক্যামেরা ফাঁকি দিয়ে, চারটা দেশের ইমিগ্রেশন পার করে ১১,০০০ কোটি টাকা পাচার করে দিলেন! এটা কি হাস্যকর লাগে না আপনাদের কাছে?? আরেকটি কথা,  স্বয়ং দুদকই স্বীকার করেছে, তাদের কাছে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নেই, অভিযোগ কেবল অনুসন্ধান পর্যায়ে আছে । অর্থাৎ, প্রমাণ পাওয়ার আগেই মিডিয়াতে এমনভাবে হেডলাইন করা হচ্ছে যেন লকার খুলে টাকা অলরেডি গোনা শেষ ! একেই বলে, কাজী মারল গরু, খাতায় রইল শোরু!🤷🏽‍♀️ অভিযোগ শোনার পর আসিফ মাহমুদ নিজেই ফেসবুকে ওপেন চ্যালেঞ্জ দিয়ে লিখেছিলেন, অনুসন্ধানে বিদেশে কিছু পেলে আমাকে শুধু ১০% দিয়েন, চলতে কষ্ট হচ্ছে। যার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ১১ হাজার কোটিতে উপচে পড়ে, সে এভাবে ওপেনলি দুদকের সামনে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয় না।  এর আগের একটা অভিযোগেরও যখন আজ পর্যন্ত কোনো প্রমাণ মেলেনি, তখন এই নতুন রূপকথা বিশ্বাস করার জন্য মগজে একটু বেশিই গোবর থাকা লাগবে ।গল্প বানান ভালো কথা, কিন্তু স্ক্রিপ্টটা অন্তত একটু লজিক্যাল বানাতে পারতেন!  তবে সুষ্ঠ তদন্ত হোক, আর তা যেন কোনো রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ার না হয়। #diaryofshe #viralnews
১১ হাজার কোটি...!!!ভাইরে ভাই, বিনোদনের জন্য আর থ্রিলার সিনেমা দেখার দরকার নাই! আমাদের মিডিয়ার স্ক্রিপ্ট রাইটাররা ইদানীং যে লেভেলের গল্প বানাচ্ছেন, অস্কার তো এদেরই পাওয়া উচিত। 😁 নতুন গল্প এসেছে, সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ নাকি মাত্র কয়েক মাসে বিদেশে ১১,০০০ কোটি টাকা পা- চার করে দিয়েছেন! নাসা যেখানে মঙ্গলে যাওয়ার রকেট বানাতে হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে আসিফ মাহমুদ নাকি চোখের পলকে দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া আর সুইজারল্যান্ডে হাজার হাজার কোটি টাকার ক্যাশ ট্রান্সফার করে ফেলেছেন!! এইতো কয়েকদিন আগেও যখন উনার বিরুদ্ধে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ আনা হয়েছিল, দুদক নাকি তখনো 'প্রাথমিক সত্যতা' পেয়েছিল! কিন্তু পরে নথিপত্র ঘেঁটে দেখা গেলো, যে ঘটনার কথা বলা হচ্ছে, তার ৩ মাস আগেই আসিফ মাহমুদ পদত্যাগ করেছিলেন। মানে, ঘটনা ঘটার ৩ মাস আগেই তিনি অতীতে গিয়ে দুর্নীতি করে এসেছেন! কী চমৎকার টাইম ট্রাভেল, তাই না? 😂 একজন মানুষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে কতদিনই বা ছিলেন? একজন মানুষের পক্ষে কীভাবে চার চারটি দেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচার করা সম্ভব ? টাকা কি বাতাসে উড়ে উড়ে সুইজারল্যান্ড আর অস্ট্রেলিয়ায় চলে গেছে?? আর আসিফ মাহমুদ নাকি বাংলাদেশ ব্যাংকের সব সিসিটিভি ক্যামেরা ফাঁকি দিয়ে, চারটা দেশের ইমিগ্রেশন পার করে ১১,০০০ কোটি টাকা পাচার করে দিলেন! এটা কি হাস্যকর লাগে না আপনাদের কাছে?? আরেকটি কথা, স্বয়ং দুদকই স্বীকার করেছে, তাদের কাছে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নেই, অভিযোগ কেবল অনুসন্ধান পর্যায়ে আছে । অর্থাৎ, প্রমাণ পাওয়ার আগেই মিডিয়াতে এমনভাবে হেডলাইন করা হচ্ছে যেন লকার খুলে টাকা অলরেডি গোনা শেষ ! একেই বলে, কাজী মারল গরু, খাতায় রইল শোরু!🤷🏽‍♀️ অভিযোগ শোনার পর আসিফ মাহমুদ নিজেই ফেসবুকে ওপেন চ্যালেঞ্জ দিয়ে লিখেছিলেন, অনুসন্ধানে বিদেশে কিছু পেলে আমাকে শুধু ১০% দিয়েন, চলতে কষ্ট হচ্ছে। যার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ১১ হাজার কোটিতে উপচে পড়ে, সে এভাবে ওপেনলি দুদকের সামনে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয় না। এর আগের একটা অভিযোগেরও যখন আজ পর্যন্ত কোনো প্রমাণ মেলেনি, তখন এই নতুন রূপকথা বিশ্বাস করার জন্য মগজে একটু বেশিই গোবর থাকা লাগবে ।গল্প বানান ভালো কথা, কিন্তু স্ক্রিপ্টটা অন্তত একটু লজিক্যাল বানাতে পারতেন! তবে সুষ্ঠ তদন্ত হোক, আর তা যেন কোনো রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ার না হয়। #diaryofshe #viralnews

About