@cozywithjazmin: Learning how to balance my side hustles and working full time has made it to where I don't burn out. Send me a DM for details. #mompreneur #makemoneyonline #sidehustle #digitalmartketingforbeginner

Jazmin's Cozy Corner
Jazmin's Cozy Corner
Open In TikTok:
Region: US
Monday 20 July 2026 15:42:11 GMT
255
26
0
2

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @cozywithjazmin, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

ম্যাচের আগে অবশ্যই কিছু একটা হয়েছে। আমার মন বলছে, এখানে ফিফা সরাসরি জড়িত। জন্মের পর থেকে, ফুটবল বুঝতে শেখার পর থেকেই আর্জেন্টিনার খেলা দেখে আসছি। কিন্তু আজ পর্যন্ত এমন অসহায়, এলোমেলো ও নিষ্প্রভ আর্জেন্টিনা কখনো দেখিনি। বুকের ওপর হাত রেখে বলতে পারি, খেলার আগে কিছু একটা অবশ্যই ঘটেছে। যে বিষয়গুলো আমাকে সবচেয়ে বেশি ভাবাচ্ছে: ১) মেসির পরিবার মাঠে উপস্থিত ছিল না। ২) আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট আসবেন বলেও শেষ পর্যন্ত আসেননি। ৩) পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে গ্যালারিতে সিমিওনেকে দেখা গেলেও ফাইনালে তাকে দেখা যায়নি। ৪) লাউতারো মার্তিনেজকে ১ মিনিটের জন্যও স্ক্রিনে দেখা যায়নি, মাঠে নামা তো দূরের কথা। ৫) হাফটাইমেই এঞ্জোর ডাবল ইয়েলো থেকে লাল কার্ড। ৬) লিসান্দ্রো মার্টিনেজের ইনজুরি। যে খেলোয়াড় রক্ত পড়লেও ব্যান্ডেজ বেঁধে খেলে যায়, সে ফাইনালের মতো ম্যাচে কারও স্পর্শ ছাড়াই ইনজুরিতে পড়ে যায়! ৭) ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোর ইনজুরি। ৮) স্কালোনির অদ্ভুত ও প্রশ্নবিদ্ধ বদলি। ৯) পুরো ৯০ মিনিটে একটি শটও অন টার্গেট নয়। এমনকি ১২০ মিনিট মিলিয়েও মাত্র ২টি অন টার্গেট শট! ১০) স্পেন যেখানে প্রায় ৮০০ পাস সম্পন্ন করেছে, সেখানে আর্জেন্টিনার পাস ছিল ৩০০-এরও কম। এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য। ১১) প্রায় প্রতিটি বলই সহজে হারানো, আর যেগুলো জিতছিল সেগুলোর দ্বিতীয় বলও যেন স্পেনের পায়েই তুলে দিচ্ছিল। ডিফেন্স থেকে বল এনে মাঝমাঠেই প্রতিপক্ষকে উপহার দেওয়ার মতো দৃশ্য বারবার দেখা গেছে। ১২) ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো ট্রাম্পের সঙ্গে হাত মেলাননি। ১৩) এখন পর্যন্ত মেসি, আলভারেজ, ডি পল, লাউতারো, এঞ্জো ও লিসান্দ্রো মার্টিনেজ কেউই আর্জেন্টিনায় ফেরেননি। ১৪) সবশেষে, মেসিকে গোল্ডেন বল না দিয়ে রদ্রিকে দেওয়া হলো। কোন পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেটা সত্যিই প্রশ্নের বিষয়। সবকিছু মিলিয়ে আমার কাছে মনে হচ্ছে, এখানে কিছু একটা ঘটেছে। ঠিক যেমন ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপ নিয়ে ম্যারাডোনা অভিযোগ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তৎকালীন ফিফা সভাপতি জোয়াও হ্যাভেলাঞ্জ তার কাছ থেকে বিশ্বকাপ কেড়ে নিয়েছেন। হয়তো আজও তেমন কিছু ঘটেছে। পুরো বিশ্বকাপজুড়ে
ম্যাচের আগে অবশ্যই কিছু একটা হয়েছে। আমার মন বলছে, এখানে ফিফা সরাসরি জড়িত। জন্মের পর থেকে, ফুটবল বুঝতে শেখার পর থেকেই আর্জেন্টিনার খেলা দেখে আসছি। কিন্তু আজ পর্যন্ত এমন অসহায়, এলোমেলো ও নিষ্প্রভ আর্জেন্টিনা কখনো দেখিনি। বুকের ওপর হাত রেখে বলতে পারি, খেলার আগে কিছু একটা অবশ্যই ঘটেছে। যে বিষয়গুলো আমাকে সবচেয়ে বেশি ভাবাচ্ছে: ১) মেসির পরিবার মাঠে উপস্থিত ছিল না। ২) আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট আসবেন বলেও শেষ পর্যন্ত আসেননি। ৩) পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে গ্যালারিতে সিমিওনেকে দেখা গেলেও ফাইনালে তাকে দেখা যায়নি। ৪) লাউতারো মার্তিনেজকে ১ মিনিটের জন্যও স্ক্রিনে দেখা যায়নি, মাঠে নামা তো দূরের কথা। ৫) হাফটাইমেই এঞ্জোর ডাবল ইয়েলো থেকে লাল কার্ড। ৬) লিসান্দ্রো মার্টিনেজের ইনজুরি। যে খেলোয়াড় রক্ত পড়লেও ব্যান্ডেজ বেঁধে খেলে যায়, সে ফাইনালের মতো ম্যাচে কারও স্পর্শ ছাড়াই ইনজুরিতে পড়ে যায়! ৭) ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোর ইনজুরি। ৮) স্কালোনির অদ্ভুত ও প্রশ্নবিদ্ধ বদলি। ৯) পুরো ৯০ মিনিটে একটি শটও অন টার্গেট নয়। এমনকি ১২০ মিনিট মিলিয়েও মাত্র ২টি অন টার্গেট শট! ১০) স্পেন যেখানে প্রায় ৮০০ পাস সম্পন্ন করেছে, সেখানে আর্জেন্টিনার পাস ছিল ৩০০-এরও কম। এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য। ১১) প্রায় প্রতিটি বলই সহজে হারানো, আর যেগুলো জিতছিল সেগুলোর দ্বিতীয় বলও যেন স্পেনের পায়েই তুলে দিচ্ছিল। ডিফেন্স থেকে বল এনে মাঝমাঠেই প্রতিপক্ষকে উপহার দেওয়ার মতো দৃশ্য বারবার দেখা গেছে। ১২) ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো ট্রাম্পের সঙ্গে হাত মেলাননি। ১৩) এখন পর্যন্ত মেসি, আলভারেজ, ডি পল, লাউতারো, এঞ্জো ও লিসান্দ্রো মার্টিনেজ কেউই আর্জেন্টিনায় ফেরেননি। ১৪) সবশেষে, মেসিকে গোল্ডেন বল না দিয়ে রদ্রিকে দেওয়া হলো। কোন পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেটা সত্যিই প্রশ্নের বিষয়। সবকিছু মিলিয়ে আমার কাছে মনে হচ্ছে, এখানে কিছু একটা ঘটেছে। ঠিক যেমন ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপ নিয়ে ম্যারাডোনা অভিযোগ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তৎকালীন ফিফা সভাপতি জোয়াও হ্যাভেলাঞ্জ তার কাছ থেকে বিশ্বকাপ কেড়ে নিয়েছেন। হয়তো আজও তেমন কিছু ঘটেছে। পুরো বিশ্বকাপজুড়ে "মেসি", "ফিফা বয়", "রিগড" ইত্যাদি নিয়ে যেভাবে আলোচনা চলছিল, হয়তো ফিফা নিজেদের ভাবমূর্তি ও ইউরোপের বিলিয়ন ডলারের ফুটবল ব্যবসা নিয়ে চিন্তা করেছে। সত্যটা কী, সেটা আজ না হোক কাল নিশ্চয়ই প্রকাশ পাবে। ততদিন অপেক্ষা ছাড়া উপায় নেই। আর একটি বিষয়... এখন আর হয়তো কেউ বলবে না, "ফিফা রিগড", "ম্যাচ ফিক্সড", "আগেই স্ক্রিপ্ট লেখা ছিল।" কারণ এই কথাগুলো যারা এতদিন বলেছে, #virl #virl #videoviral #আরজিনটিনার_সাপটাররা_কই_🇦🇷😍🇦🇷😍

About