@allysahls:

allysa
allysa
Open In TikTok:
Region: ID
Tuesday 21 July 2026 02:45:40 GMT
13997
5543
18
20

Music

Download

Comments

kohtaxim354
kohtaxim :
love it
2026-07-21 12:24:41
1
agus.rohman138
kona_lovers 😘 :
mb lisa cute bangetttt 😳😳😳😳😳😳😳😳😳😳😳😳😳😳😳😳😳😳😳😳😳😳😳😳😳😳😳😳😳😳😳suka
2026-07-21 16:20:36
0
user54551225018745
夜太黑 :
2026-07-22 05:57:38
0
user8729560725967
Hunter :
mauuuuu
2026-07-21 10:28:43
0
user28659733463504
Dari Kontak Anda :
mulai mulai ☺️
2026-07-21 05:24:42
0
denikusnaidi463
denikusnaidi463 :
Intinya kaca mata🤣
2026-07-21 12:04:38
0
wong.lebak49
falzzzzzz onthel :
😭😭😭😭
2026-07-21 05:27:02
0
wong.lebak49
falzzzzzz onthel :
😁😁😁
2026-07-21 05:27:46
0
denikusnaidi463
denikusnaidi463 :
😎
2026-07-21 12:04:46
0
xstrumold
𝐀𝐑 :
😊
2026-07-22 05:41:41
0
iqball8118
mas lqbal@sivli1235328 :
😊😊😊😊😊😊😊😊😊😊😊😊😊😊😊
2026-07-21 05:01:39
0
a54r82
Rachmad 🇮🇩 :
Assalamualaikum... Bismillahirrahmanirrahim bolehkah aku ngajakin kamu untuk bertaaruf jika kamu bersedia💍? 😇🤲❤️🥰 💞🌷🥰
2026-07-21 05:43:21
0
To see more videos from user @allysahls, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

#১৯৮১ সালের ৩০ মে, সেনাবাহিনীর কতিপয় সদস্যের হাতে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান নিহত হন। বহুল আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কাহিনি তখন পর্যন্ত ছিল গোপনীয়তার আবরণে ঢাকা। বিভিন্ন সূত্র থেকে সংগৃহীত জানা-অজানা বহু তথ্যের সমাবেশে এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন সাউথ এশিয়ান মনিটরের সম্পাদক ও অধুনালুপ্ত প্রোব নিউজের প্রধান সম্পাদক ইরতিজা নাসিম আলী। ১৯৯৪ সালের ৩০ মে থেকে প্রতিবেদনটি আট পর্বে ধারাবাহিক ছাপা হয়েছিল মতিউর রহমান সম্পাদিত তৎকালীন দৈনিক ভোরের কাগজে। লেখকের অনুমতি নিয়ে আজকের পত্রিকার পাঠকদের জন্য প্রতিবেদনটি আবার প্রকাশ করা হলো। আজ তৃতীয় কিস্তি। ৩০ মে সকাল ১০টা। প্রেসিডেন্ট জিয়া নিহত হয়েছেন এ খবর জনসাধারণ সবেমাত্র জানতে শুরু করেছে। তবুও সার্কিট হাউসের আশপাশে কৌতূহলী জনতা দেখা গেল না। সকালের দিকে খবর পেয়ে জেলা কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, বিভাগীয় কমিশনার এবং নৌবাহিনী প্রধান ঘটনাস্থল এক ঝলক দেখে গিয়েছেন মাত্র। সারা রাত যেখানে যেভাবে ছিল সেভাবেই পড়ে আছে মৃত দেহগুলো। কর্নেল মতিউর মেজর মোজাফফরকে বললেন, রাঙামাটির দিকে কোনো এক পাহাড় থেকে জিয়ার মৃতদেহ নিচে ফেলে দেওয়ার জন্য। ইতস্তত করছিলেন মেজর মোজাফফর। কর্নেল মতি বললেন, ‘জিয়াকে কবর দিয়ে আমরা তাঁকে জাতীয় বীর তৈরি করতে চাই না। সুতরাং যেভাবে আপনাকে বলছি তাই করুন।’ কোনো কথা না বলে বেরিয়ে গেলেন মেজর মোজাফফর। সকাল ১০টার কিছু পর পরই একটা জিপ ও একটা পিকআপসহ সার্কিট হাউসে পৌঁছলেন মেজর মোজাফফর। সকালের আলোয় গুলিতে ঝাঁজরা হয়ে যাওয়া মৃতদেহগুলো দেখলেন। রক্তে ভেসে আছে দোতলায় ওঠার সিঁড়ির মুখটা। ৮/১০টা মৃতদেহ পড়ে আছে সেখানে। কয়েকজন সিপাইসহ মোজাফফর সোজা উঠে গেলেন দোতলায়। আধখোলা দরজার ভেতরে পড়ে আছে প্রেসিডেন্ট জিয়ার মৃতদেহ। একটা ম্যাগাজিনে থাকা সব গুলিই আঘাত করেছে জিয়ার দেহকে। উপুড় হয়ে পড়ে থাকা দেহের পাশে কার্পেট ভিজে কালচে রং ধারণ করেছে। বারান্দার দিকে তাকালেন মেজর মোজাফফর, সেখানে পড়ে আছে আরও দুটো মৃতদেহ। কাছে গিয়ে চিনতে পারলেন একজন লে. কর্নেল আহসান আর অন্যজন তাঁর অত্যন্ত কাছের মানুষ ক্যাপ্টেন হাফিজ। বুকের ভেতর কেমন জানি একটু মুচড়ে উঠল। মনের আবেগ ঝেড়ে ফেললেন তাড়াতাড়ি। সোজা হেঁটে চলে গেলেন প্রেসিডেন্টের ঘরের দিকে। হাতের কাছে মৃতদেহ জড়ানোর কিছু না পেয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন বিছানার চাদর দিয়েই আপাতত কাজ সারতে হবে। দরজার কাছে পড়ে থাকা জিয়ার মৃতদেহকে বাধ্য হয়ে টপকাতে হলো তাঁকে। ঘরে ঢুকে তাকালেন চারদিকে। খাটের ওপর মশারি ফেলা, ডান ধারে একটা সোফা। একটা নীল রঙের টেলিফোন এলোমেলো হয়ে পড়ে আছে মেঝেতে। বিছানার চাদরগুলো টেনে নিলেন মেজর। কয়েকজন সিপাইয়ের সহায়তায় লাশগুলো চাদর দিয়ে জড়িয়ে নিলেন। এরপর সেনাবাহিনীর গ্রাউন্ড সিট দিয়ে মুড়ে দিলেন। দোতলা থেকে ধরাধরি করে লাশগুলো নিয়ে নিচে নামল সিপাইরা। তোলা হলো পিকআপে। সার্কিট হাউসের গেট দিয়ে জিপ আর পিকআপটা বেরিয়ে গেল রাঙ্গুনিয়ার পথে। লাশ বহনকারী গাড়িগুলো এগিয়ে চলছে আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথ দিয়ে। গত রাতের বৃষ্টিতে ভেজা পাহাড়গুলোর ওপর পড়েছে সকালের রোদ। চলন্ত গাড়িতে বসে সেই দৃশ্যই দেখছিলেন মেজর মোজাফফর। হঠাৎ মনে পড়ে গেল অতীতের দুটো ঘটনার কথা। ১৯৭৫-এর ৩ নভেম্বর পাল্টা অভ্যুত্থানের পর দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া ফারুক-রশীদ দীর্ঘদিন পর্যন্ত ক্যু-এর আশঙ্কায় ব্যস্ত রেখেছিলেন জিয়াউর রহমানকে। ১৯৭৬-এর ২০ এপ্রিল ঢাকা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায় কর্নেল রশীদ। আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী ফারুকও সিঙ্গাপুর থেকে এসে চলে যায় সাভারে। সেখানে তাঁর সমর্থিত প্রায় দুই হাজার সৈন্য তাঁকে অভ্যর্থনা জানায়, কণ্ঠে ছিল তাঁদের ‘ফারুক জিন্দাবাদ’ ধ্বনি। ঢাকা আসার দুদিন পর ২৭ এপ্রিল বগুড়া সেনানিবাসে ফারুকের সমর্থক বেঙ্গল ল্যান্সারের সৈনিকেরা খবর পাঠায় যে ফারুককে বগুড়া না পাঠালে তাঁরা ট্যাংক বহর নিয়ে ঢাকার দিকে রওনা দেবে। এর ফলে অনেকটা বাধ্য হয়েই জিয়া ফারুককে বগুড়া যেতে অনুমতি দেন। এদিকে সাভার ক্যান্টনমেন্টের অবস্থারও অবনতি হতে থাকে। মেজর জেনারেল মঞ্জুর ডেকে পাঠালেন মেজর মোজাফফরকে। সাভার ও বগুড়ার পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে তাঁকে নিয়ে গেলেন প্রেসিডেন্ট জিয়ার কাছে। জিয়া মোজাফফরকে জিজ্ঞেস করলেন, এ অবস্থা কীভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা যায়। মোজাফফর তখন আর্মি হেড কোয়ার্টারে স্টাফ ক্যাপ্টেন। রক্ষীবাহিনীকে কিছুদিন আগেই সেনাবাহিনীতে মার্জ করা হয়েছে। রক্ষীবাহিনীর সিনিয়র অফিসার হিসেবে সেনাবাহিনীতে এসেছেন মোজাফফর। সাভারে সেনাবাহিনীতে অবস্থানরত রক্ষীবাহিনীর মনোভাব পর্যবেক্ষণের জন্য জিয়া সঙ্গে সঙ্গে মোজাফফরকে মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সে অ্যাটাচ করলেন। মোজাফফর সাভারে পৌঁছে অত্যন্ত সততার সঙ্গে রক্ষীবাহিনীর অবস্থান দৃঢ় করেন যাতে বিদ্রোহী গ্রুপকে প্রতিহত করা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পরবর্তীকালে রশীদ ও ডালিমকে গৃহবন্দী করে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া #
#১৯৮১ সালের ৩০ মে, সেনাবাহিনীর কতিপয় সদস্যের হাতে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান নিহত হন। বহুল আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কাহিনি তখন পর্যন্ত ছিল গোপনীয়তার আবরণে ঢাকা। বিভিন্ন সূত্র থেকে সংগৃহীত জানা-অজানা বহু তথ্যের সমাবেশে এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন সাউথ এশিয়ান মনিটরের সম্পাদক ও অধুনালুপ্ত প্রোব নিউজের প্রধান সম্পাদক ইরতিজা নাসিম আলী। ১৯৯৪ সালের ৩০ মে থেকে প্রতিবেদনটি আট পর্বে ধারাবাহিক ছাপা হয়েছিল মতিউর রহমান সম্পাদিত তৎকালীন দৈনিক ভোরের কাগজে। লেখকের অনুমতি নিয়ে আজকের পত্রিকার পাঠকদের জন্য প্রতিবেদনটি আবার প্রকাশ করা হলো। আজ তৃতীয় কিস্তি। ৩০ মে সকাল ১০টা। প্রেসিডেন্ট জিয়া নিহত হয়েছেন এ খবর জনসাধারণ সবেমাত্র জানতে শুরু করেছে। তবুও সার্কিট হাউসের আশপাশে কৌতূহলী জনতা দেখা গেল না। সকালের দিকে খবর পেয়ে জেলা কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, বিভাগীয় কমিশনার এবং নৌবাহিনী প্রধান ঘটনাস্থল এক ঝলক দেখে গিয়েছেন মাত্র। সারা রাত যেখানে যেভাবে ছিল সেভাবেই পড়ে আছে মৃত দেহগুলো। কর্নেল মতিউর মেজর মোজাফফরকে বললেন, রাঙামাটির দিকে কোনো এক পাহাড় থেকে জিয়ার মৃতদেহ নিচে ফেলে দেওয়ার জন্য। ইতস্তত করছিলেন মেজর মোজাফফর। কর্নেল মতি বললেন, ‘জিয়াকে কবর দিয়ে আমরা তাঁকে জাতীয় বীর তৈরি করতে চাই না। সুতরাং যেভাবে আপনাকে বলছি তাই করুন।’ কোনো কথা না বলে বেরিয়ে গেলেন মেজর মোজাফফর। সকাল ১০টার কিছু পর পরই একটা জিপ ও একটা পিকআপসহ সার্কিট হাউসে পৌঁছলেন মেজর মোজাফফর। সকালের আলোয় গুলিতে ঝাঁজরা হয়ে যাওয়া মৃতদেহগুলো দেখলেন। রক্তে ভেসে আছে দোতলায় ওঠার সিঁড়ির মুখটা। ৮/১০টা মৃতদেহ পড়ে আছে সেখানে। কয়েকজন সিপাইসহ মোজাফফর সোজা উঠে গেলেন দোতলায়। আধখোলা দরজার ভেতরে পড়ে আছে প্রেসিডেন্ট জিয়ার মৃতদেহ। একটা ম্যাগাজিনে থাকা সব গুলিই আঘাত করেছে জিয়ার দেহকে। উপুড় হয়ে পড়ে থাকা দেহের পাশে কার্পেট ভিজে কালচে রং ধারণ করেছে। বারান্দার দিকে তাকালেন মেজর মোজাফফর, সেখানে পড়ে আছে আরও দুটো মৃতদেহ। কাছে গিয়ে চিনতে পারলেন একজন লে. কর্নেল আহসান আর অন্যজন তাঁর অত্যন্ত কাছের মানুষ ক্যাপ্টেন হাফিজ। বুকের ভেতর কেমন জানি একটু মুচড়ে উঠল। মনের আবেগ ঝেড়ে ফেললেন তাড়াতাড়ি। সোজা হেঁটে চলে গেলেন প্রেসিডেন্টের ঘরের দিকে। হাতের কাছে মৃতদেহ জড়ানোর কিছু না পেয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন বিছানার চাদর দিয়েই আপাতত কাজ সারতে হবে। দরজার কাছে পড়ে থাকা জিয়ার মৃতদেহকে বাধ্য হয়ে টপকাতে হলো তাঁকে। ঘরে ঢুকে তাকালেন চারদিকে। খাটের ওপর মশারি ফেলা, ডান ধারে একটা সোফা। একটা নীল রঙের টেলিফোন এলোমেলো হয়ে পড়ে আছে মেঝেতে। বিছানার চাদরগুলো টেনে নিলেন মেজর। কয়েকজন সিপাইয়ের সহায়তায় লাশগুলো চাদর দিয়ে জড়িয়ে নিলেন। এরপর সেনাবাহিনীর গ্রাউন্ড সিট দিয়ে মুড়ে দিলেন। দোতলা থেকে ধরাধরি করে লাশগুলো নিয়ে নিচে নামল সিপাইরা। তোলা হলো পিকআপে। সার্কিট হাউসের গেট দিয়ে জিপ আর পিকআপটা বেরিয়ে গেল রাঙ্গুনিয়ার পথে। লাশ বহনকারী গাড়িগুলো এগিয়ে চলছে আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথ দিয়ে। গত রাতের বৃষ্টিতে ভেজা পাহাড়গুলোর ওপর পড়েছে সকালের রোদ। চলন্ত গাড়িতে বসে সেই দৃশ্যই দেখছিলেন মেজর মোজাফফর। হঠাৎ মনে পড়ে গেল অতীতের দুটো ঘটনার কথা। ১৯৭৫-এর ৩ নভেম্বর পাল্টা অভ্যুত্থানের পর দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া ফারুক-রশীদ দীর্ঘদিন পর্যন্ত ক্যু-এর আশঙ্কায় ব্যস্ত রেখেছিলেন জিয়াউর রহমানকে। ১৯৭৬-এর ২০ এপ্রিল ঢাকা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায় কর্নেল রশীদ। আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী ফারুকও সিঙ্গাপুর থেকে এসে চলে যায় সাভারে। সেখানে তাঁর সমর্থিত প্রায় দুই হাজার সৈন্য তাঁকে অভ্যর্থনা জানায়, কণ্ঠে ছিল তাঁদের ‘ফারুক জিন্দাবাদ’ ধ্বনি। ঢাকা আসার দুদিন পর ২৭ এপ্রিল বগুড়া সেনানিবাসে ফারুকের সমর্থক বেঙ্গল ল্যান্সারের সৈনিকেরা খবর পাঠায় যে ফারুককে বগুড়া না পাঠালে তাঁরা ট্যাংক বহর নিয়ে ঢাকার দিকে রওনা দেবে। এর ফলে অনেকটা বাধ্য হয়েই জিয়া ফারুককে বগুড়া যেতে অনুমতি দেন। এদিকে সাভার ক্যান্টনমেন্টের অবস্থারও অবনতি হতে থাকে। মেজর জেনারেল মঞ্জুর ডেকে পাঠালেন মেজর মোজাফফরকে। সাভার ও বগুড়ার পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে তাঁকে নিয়ে গেলেন প্রেসিডেন্ট জিয়ার কাছে। জিয়া মোজাফফরকে জিজ্ঞেস করলেন, এ অবস্থা কীভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা যায়। মোজাফফর তখন আর্মি হেড কোয়ার্টারে স্টাফ ক্যাপ্টেন। রক্ষীবাহিনীকে কিছুদিন আগেই সেনাবাহিনীতে মার্জ করা হয়েছে। রক্ষীবাহিনীর সিনিয়র অফিসার হিসেবে সেনাবাহিনীতে এসেছেন মোজাফফর। সাভারে সেনাবাহিনীতে অবস্থানরত রক্ষীবাহিনীর মনোভাব পর্যবেক্ষণের জন্য জিয়া সঙ্গে সঙ্গে মোজাফফরকে মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সে অ্যাটাচ করলেন। মোজাফফর সাভারে পৌঁছে অত্যন্ত সততার সঙ্গে রক্ষীবাহিনীর অবস্থান দৃঢ় করেন যাতে বিদ্রোহী গ্রুপকে প্রতিহত করা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পরবর্তীকালে রশীদ ও ডালিমকে গৃহবন্দী করে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া #

About