~R>🎭 :
~কথায় আছে "সহজে পাওয়া জিনিসের কোনো কদর কিংবা মূল্য থাকে না!"
মূলত মানুষ সেই জিনিসটার অভাব বোধ করে, যা তার নাগালের বাহিরে থাকে কিংবা সে পায় না।কিন্তু হাতের নাগালে যা পায়,তার মূল্য মানুষ সচারাচর কেউ দেয় না!
যাদের জীবনসঙ্গী খুব কেয়ারিং, সঙ্গিকে সম্মান দেয়,সঙ্গীর মন বোঝার চেষ্টা করে, তারাও কী তাদের সঙ্গীর প্রতি কেয়ারিং হয়?না.. তারা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সঙ্গীর প্রতি কেয়ারিং হয় না। না চাইতে যা পায়,তার প্রতি মানুষের আগ্রহ খুব কম থাকে! আবার একই ভাবে কেউ তার জীবন সঙ্গীর কাছ থেকে তেমন গুরুত্ব পায় না,সম্মান পায় না,যত্ন কিংবা সময় পায় না,ঠিক তারাই একজন কেয়ারিং জীবন সঙ্গীর গুরুত্ব বুঝতে পারে। কেননা তারা এসব পায় না বলেই অভাববোধ করে এবং এর যন্ত্রণা ভালো ভাবেই উপলব্ধি করতে পারে।
দুটো ভিন্ন স্বভাবের মানুষ নিয়েই জগৎ সংসার।
যেখানে একজন কেয়ারিং হলে অন্য জন হয় উদাসীন! পরস্পরের এই কেয়ারিং মনোভাব সহজেই সম্পর্ককে কুব সহজ এবন উপভোগ্য করতে পারে। অথচ কেউ কাউকে বুঝতে চায় না আজকাল! যারা কেয়ারিং এবং ভালো জীবনসঙ্গী হাতের কাছে পেয়েও তাকে অবহেলা করে, তারা সত্যিকার অর্থ নির্বোধ! যাদের কপালে উদাসীন এবং গম্ভীর স্বভাবের জীবন সঙ্গী জুটে,একমাএ তারাই বুঝতে পারে কেয়ারিং মানুষের গুরুত্ব।
ব্যাপারটা ঠিক এমন;
যার আছে সে কখনো মূল্য বোঝে না বা গুরুত্ব দেয় না। তবে যার নেই,সেই যন্ত্রণা ভোগ করে যায়!সৃষ্টিকর্তার এক আজব নিয়মে মানু সব সময় তার বীপরিত মনোভাব স্বভাবের জীবন সঙ্গী পায়। আর সে ক্ষেত্রে উনিশ- বিশ হলেও খুব একটা সমস্যা হয় না মানিয়ে নিতে। তবে যেখানে পরস্পরের পনেরো- বিশের ব্যবধান,সেকানে মানিয়ে নেওয়া তো দূরের কথা, টিকে থাকাটাই বড্ড যন্ত্রণার এবং অসহ্য বলে মনে হয়! নিজেকে এক প্রকার দুখী বা অসহায় মনে হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায়ই থাকে না আসলে!!😄❤️🩹
2026-07-21 18:54:47