@lethaomy22k2: . Có một sự thật là: mặc đúng outfit, tự nhiên thấy mình đẹp hơn hẳn. #thoitrangnucaocap #thoitrangnuhottrend #xuhuongtiktok

Lê Thảo My
Lê Thảo My
Open In TikTok:
Region: VN
Saturday 25 July 2026 02:45:00 GMT
163
13
0
3

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @lethaomy22k2, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

হুমায়ুন ফরিদীর প্রথম স্ত্রী মিনুর সাথে যখন বিচ্ছেদ হয়, তখন তাঁদের একমাত্র কন্যা দেবজানি একেবারেই ছোট। ফরিদী ও মিনুর বিচ্ছেদের পেছনে কোনো আইনি ল-ড়া-ই বা কাঁদা ছোড়াছুড়ি ছিলো না যা তখনকার সমাজে বেশ বি-র-ল ছিলো।🥰❤️ ফরিদী খুব খোলামেলাভাবেই স্বীকার করেছিলেন যে সুবর্ণার প্রতি তাঁর ভালোবাসা এতটাই তীব্র ছিলো যে, প্রথম সংসারে মন দেওয়া তাঁর পক্ষে অসম্ভব হয়ে উঠেছিল। মিনুও বিষয়টি বুঝতে পেরেছিলেন এবং শান্তভাবেই পথ আলাদা করে নেন। পরে ফরিদী তাঁর মেয়ে দেবজানির সব দায়িত্ব ও দায়িত্ববোধ সারা জীবন পালন করে গেছেন।❤️❤️ ​আশি-নব্বইয়ের দশকে 'ঢাকা থিয়েটার'-এ হুমায়ুন ফরিদী ও সুবর্ণা মুস্তফা ছিলেন অন্যতম জনপ্রিয় জুটি। 'কিত্তনখোলা', 'কেরামত মঙ্গল'-এর মতো কালজয়ী সব নাটকে তাঁরা একসাথে অভিনয় করেছেন। কাজ করতে করতেই সুবর্ণা মুস্তফার ব্যক্তিত্ব ও অভিনয়ে গভীরভাবে মুগ্ধ হয়ে পড়েন ফরিদী। কথিত আছে, সুবর্ণাকে ভালোবেসে ফরিদী এতটাই আবেগপ্রবণ ছিলেন যে, সম্পর্কের সূচনাপর্বে তিনি যেকোনো মূল্যে সুবর্ণার কাছাকাছি থাকতে চাইতেন। ফরিদী নিজের প্রথম সংসার ভে**ঙে যাওয়ার ঝুঁ*কি জেনেও সুবর্ণার প্রতি তাঁর অনুভূতি লুকিয়ে রাখেননি। 🙄🙄 ১৯৮৪ সালে বিয়ের পর থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত প্রায় দুই দশক ধরে তাঁরা ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অন্যতম প্রভাবশালী ও ভালোবাসার জুটি।নাটকের সেটেও তাঁদের পারস্পরিক বোঝাপড়া ছিল দারুণ।।সুবর্ণা মুস্তফাও ফরিদীর অভিনয়ের অন্ধ ভক্ত ছিলেন, আবার ফরিদী সুবর্ণাকে শুধু স্ত্রী হিসেবে নয়, একজন উঁচু মাপের শিল্পী হিসেবে সম্মান করতেন।🥰❤️ ​ ​দীর্ঘ ২২ বছর একসঙ্গে থাকার পর ২০০৮ সালে হঠাৎ করেই তাঁদের বি-চ্ছে-দের খবর আসে, যা শোবিজ অঙ্গনে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছিল। বি-চ্ছে-দের সুনির্দিষ্ট কারণ তাঁরা কখনোই প্রকাশ্যে স্পষ্ট করেননি। তবে ঘনিষ্ঠদের মতে, দুজনেই ছিলেন প্রচণ্ড ব্যক্তিত্বসম্পন্ন এবং স্বাধীনচেতা মানুষ।জীবনের শেষভাগে ফরিদীর জীবনযাপন ছিল কিছুটা উদাসীন ও নিজের মতো, যা হয়তো সংসারের স্বাভাবিক ছন্দে টা-না-পো-ড়েন তৈরি করেছিল।🥲🥲 ​বি-চ্ছে-দের পরও ফরিদী সুবর্ণাকে নিয়ে কখনো কোনো নে-তি-বাচক কথা বলেননি। এমনকি বলা হয়ে থাকে, সুবর্ণার সাথে বি-চ্ছে-দের পর ফরিদী মানসিকভাবে বেশ নিঃ*সঙ্গ হয়ে পড়েছিলেন এবং তাঁর বাকি জীবনটা একা একাই কাটিয়ে দেন। 🥲 অন্য কাউকে আর নিজের জীবনে জায়গা দেননি। ২০১২ সালে যখন ফরিদী মা**রা যান, তখনো সুবর্ণা মুস্তফা তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে ছুটে গিয়েছিলেন এবং শেষ বিদায়ে অশ্রুসিক্ত হয়েছিলেন।😭😭 #হুমায়ন_ফরিদী#foryour #status #tiktok?bangladesh🇧🇩🇧🇩🇧🇩 #fypシ
হুমায়ুন ফরিদীর প্রথম স্ত্রী মিনুর সাথে যখন বিচ্ছেদ হয়, তখন তাঁদের একমাত্র কন্যা দেবজানি একেবারেই ছোট। ফরিদী ও মিনুর বিচ্ছেদের পেছনে কোনো আইনি ল-ড়া-ই বা কাঁদা ছোড়াছুড়ি ছিলো না যা তখনকার সমাজে বেশ বি-র-ল ছিলো।🥰❤️ ফরিদী খুব খোলামেলাভাবেই স্বীকার করেছিলেন যে সুবর্ণার প্রতি তাঁর ভালোবাসা এতটাই তীব্র ছিলো যে, প্রথম সংসারে মন দেওয়া তাঁর পক্ষে অসম্ভব হয়ে উঠেছিল। মিনুও বিষয়টি বুঝতে পেরেছিলেন এবং শান্তভাবেই পথ আলাদা করে নেন। পরে ফরিদী তাঁর মেয়ে দেবজানির সব দায়িত্ব ও দায়িত্ববোধ সারা জীবন পালন করে গেছেন।❤️❤️ ​আশি-নব্বইয়ের দশকে 'ঢাকা থিয়েটার'-এ হুমায়ুন ফরিদী ও সুবর্ণা মুস্তফা ছিলেন অন্যতম জনপ্রিয় জুটি। 'কিত্তনখোলা', 'কেরামত মঙ্গল'-এর মতো কালজয়ী সব নাটকে তাঁরা একসাথে অভিনয় করেছেন। কাজ করতে করতেই সুবর্ণা মুস্তফার ব্যক্তিত্ব ও অভিনয়ে গভীরভাবে মুগ্ধ হয়ে পড়েন ফরিদী। কথিত আছে, সুবর্ণাকে ভালোবেসে ফরিদী এতটাই আবেগপ্রবণ ছিলেন যে, সম্পর্কের সূচনাপর্বে তিনি যেকোনো মূল্যে সুবর্ণার কাছাকাছি থাকতে চাইতেন। ফরিদী নিজের প্রথম সংসার ভে**ঙে যাওয়ার ঝুঁ*কি জেনেও সুবর্ণার প্রতি তাঁর অনুভূতি লুকিয়ে রাখেননি। 🙄🙄 ১৯৮৪ সালে বিয়ের পর থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত প্রায় দুই দশক ধরে তাঁরা ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অন্যতম প্রভাবশালী ও ভালোবাসার জুটি।নাটকের সেটেও তাঁদের পারস্পরিক বোঝাপড়া ছিল দারুণ।।সুবর্ণা মুস্তফাও ফরিদীর অভিনয়ের অন্ধ ভক্ত ছিলেন, আবার ফরিদী সুবর্ণাকে শুধু স্ত্রী হিসেবে নয়, একজন উঁচু মাপের শিল্পী হিসেবে সম্মান করতেন।🥰❤️ ​ ​দীর্ঘ ২২ বছর একসঙ্গে থাকার পর ২০০৮ সালে হঠাৎ করেই তাঁদের বি-চ্ছে-দের খবর আসে, যা শোবিজ অঙ্গনে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছিল। বি-চ্ছে-দের সুনির্দিষ্ট কারণ তাঁরা কখনোই প্রকাশ্যে স্পষ্ট করেননি। তবে ঘনিষ্ঠদের মতে, দুজনেই ছিলেন প্রচণ্ড ব্যক্তিত্বসম্পন্ন এবং স্বাধীনচেতা মানুষ।জীবনের শেষভাগে ফরিদীর জীবনযাপন ছিল কিছুটা উদাসীন ও নিজের মতো, যা হয়তো সংসারের স্বাভাবিক ছন্দে টা-না-পো-ড়েন তৈরি করেছিল।🥲🥲 ​বি-চ্ছে-দের পরও ফরিদী সুবর্ণাকে নিয়ে কখনো কোনো নে-তি-বাচক কথা বলেননি। এমনকি বলা হয়ে থাকে, সুবর্ণার সাথে বি-চ্ছে-দের পর ফরিদী মানসিকভাবে বেশ নিঃ*সঙ্গ হয়ে পড়েছিলেন এবং তাঁর বাকি জীবনটা একা একাই কাটিয়ে দেন। 🥲 অন্য কাউকে আর নিজের জীবনে জায়গা দেননি। ২০১২ সালে যখন ফরিদী মা**রা যান, তখনো সুবর্ণা মুস্তফা তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে ছুটে গিয়েছিলেন এবং শেষ বিদায়ে অশ্রুসিক্ত হয়েছিলেন।😭😭 #হুমায়ন_ফরিদী#foryour #status #tiktok?bangladesh🇧🇩🇧🇩🇧🇩 #fypシ

About