Language
English
عربي
Tiếng Việt
русский
français
español
日本語
한글
Deutsch
हिन्दी
简体中文
繁體中文
API
Home
How To Use
Language
English
عربي
Tiếng Việt
русский
français
español
日本語
한글
Deutsch
हिन्दी
简体中文
繁體中文
Home
Detail
@baesuzy_2401: đt #xuhuong #fyp #xhtiktok #viral #gaixinh
cuns.
Open In TikTok:
Region: VN
Wednesday 22 July 2026 11:27:48 GMT
1641
150
25
8
Music
Download
No Watermark .mp4 (
1.18MB
)
No Watermark(HD) .mp4 (
1.18MB
)
Watermark .mp4 (
0MB
)
Music .mp3
Comments
minh hieu :
mỹ nhân cũng biết quay tít tót à?
2026-07-23 04:53:47
0
mq. :
2026-07-22 11:29:37
0
bống :
bóc tem
2026-07-22 11:29:19
0
Hồ Phi Thắng. :
@dng khoi
2026-07-23 11:24:43
0
TVN1809 :
😁
2026-08-08 12:30:52
0
To see more videos from user @baesuzy_2401, please go to the Tikwm homepage.
Other Videos
Plz don’t under review my video #poetry #urdupoetry #sadpoetry #sadvideos #emotionalwords
OthaY AmLaaN De HoNaY ❤️💚💜 #nomi_sami #uktiktok #pakistan #onthisday
রামিসা বাচ্চাটাকে পায়ুপথে রেইপ করা হয়েছে৷ এত নির্যাতন করা হয়েছে যে সে জায়গা ফুলে লাল হয়ে গিয়েছিল। ধর্ষক একটু আগে জবানবন্দি দিল, ধর্ষকদম্পতির আবার সন্তানও আছে। . সোহেলকে জিজ্ঞাসাবাদকারী তদন্ত কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া রিপন বলেন, ‘মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না নিজ বাসার একটি কক্ষে ঘুমাচ্ছিলেন। . সোহেল বাইরে থেকে ওই কক্ষের সিটকিনি লাগিয়ে দেন। এরপর তিনি রামিসাকে ফ্ল্যাটের বাইরে থেকে জোর করে ধরে ভেতরে নিয়ে আসেন। তার সঙ্গে ছিলেন আরেক ব্যক্তি। রামিসা চিৎকার করলে তার মুখ ওড়না দিয়ে বেঁধে ফেলা হয়। এরপর তাকে বাথরুমের ভেতরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে শিশুটি অচেতন হয়ে গেলে তাকে হত্যা করা হয়।’ . রামিসাকে হত্যার পর দেহ টুকরো করে মরদেহ গুম করার চেষ্টা শুরু হয়। এ সময় রামিসার পরিবার ও স্থানীয়রা বাইরে থেকে বাসার দরজায় ধাক্কা দিতে শুরু করে। তারা দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকার আগেই সোহেল ও তার সঙ্গী জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। . বাসার বাইরে হৈ-হুল্লোরের শব্দে সোহেলের স্ত্রী ঘুম থেকে জেগে ওঠেন। স্বামী তখন সিটকিনি খুলে দেওয়ায় কক্ষের বাইরে এসে তিনি রামিসার গলা কাটা দেহ দেখতে পান। এ সময় স্থানীয়রা বাসার দরজায় বারবার আঘাত করলেও স্বপ্না তাদের ঢুকতে না দিয়ে স্বামী ও তার সঙ্গীকে পালাতে সাহায্য করেন। . একজন নারী, সন্তানের জননী হয়েও কিভাবে এমন ক্রিমিনালদের পালাতে দিলেন সেটাই অবাক করা বিষয়। . মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশুটির মাথা শরীর থেকে আলাদা করা হয়। তার যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয়। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখা হয়। পরে মাথা বালতির মধ্যে রাখা হয়। . এই ঘটনার নৃশংসতা এত ভয়াবহ যে ছেলে মেয়ে যেকোনো বাচ্চাকে নিয়েই এখন ভয়ে থাকতে হবে। সম্প্রতি সোহেল কোনো একটা মামলায় জেল খেটে ছাড়া পাওয়া ক্রিমিনাল। . পরিশেষে এটাই বলব নিজের বাচ্চাকে আগলে রাখুন, কাওকে ট্রাস্ট করবেন না। রামিসার মা বাবাও হয়তো প্রতিবেশীকে ট্রাস্ট করেছিল তারও বাচ্চা আছে দেখে। . আমরা এমন একটা জাহেলিয়াতের যুগে এসে পৌঁছেছি যে, পারস্পরিক সম্পর্কের পবিত্রতা, বিশ্বাস সব নষ্ট হয়ে গেছে। তাই প্রতিবেশী কেন, কাউকেই বিশ্বাস করবেন না, যত বড় আত্মীয়ই হোক না কেন.. কারো কাছেই সন্তানকে রেখে যাবেন না, হোক মেয়ে সন্তান কিংবা ছেলে। মেয়ে বাচ্চার মায়েরা আজকে ঘুমাতে পারবে বলে আমার মনে হয়না। . #JusticeForRamisa
#yar yarku maa fahmi karaan😂🔥#viva jareer Weyne 🇸🇾🫡🔥#foryoupage #viralvideo #fypシ
Încă puțin și o scotea prin perete😂 @brujan și riskate dacă poți
About
Robot
API
Legal
Privacy Policy