@aseanutdfcvn: Đình bắc đã sẵn sàng🔥🔥 còn các fan thì sao??? #ASEANChampionship2026 #ASEANHyundaiCup #ASEANChampionship #aseanutdfc

ASEAN United FC
ASEAN United FC
Open In TikTok:
Region: VN
Wednesday 22 July 2026 15:02:17 GMT
231
20
1
10

Music

Download

Comments

grannylegacylo
Mới tập chơi granny :
Tôi nghĩ bị treo giò 1 trận nữa cơ mà tại trận u23 2 trận lận ạ
2026-07-22 17:03:41
0
To see more videos from user @aseanutdfcvn, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

যিনি স্বেচ্ছায় নিঃস্ব হতে চেয়েছিলেন: সুলাইমান আল রাজি-র গল্প। সৌদি আরবের ব্যাংকিং জগতের সম্রাট সুলাইমান বিন আব্দুল আজিজ আল রাজি নিজ ইচ্ছায় তার সমস্ত সম্পদ ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন। ইতিহাসের অন্যতম বড় ব্যক্তিগত দান হিসেবে আল রাজি তার প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলারের (বাংলাদেশি টাকায় যা প্রায় ১ লক্ষ ৮০ হাজার কোটি টাকা) বিশাল সম্পত্তি জীবিত থাকা অবস্থাতেই দান করে দেন। এর ফলে আন্তর্জাতিক বিলিয়নিয়ার বা ধনকুবেরদের তালিকা থেকে তার নাম চিরতরে বাদ পড়ে যায়। টাকার সাথে আল রাজির সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল চরম দারিদ্র্যের মধ্য দিয়ে। ছোটবেলায় তিনি দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন। পরে তিনি 'আল রাজি ব্যাংক' প্রতিষ্ঠা করেন, যা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ইসলামী ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। অঢেল সম্পদের ভারে অস্বস্তি বোধ করায় তিনি এক বৈপ্লবিক পরিকল্পনা করেন। তিনি তার পরিবারের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পদ রেখে বাকি সবটুকু—যেমন কোম্পানির শেয়ার, কৃষি প্রকল্প এবং জমিজমা—একটি চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশনে দান করে দেন। এই টাকা এখন শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং দারিদ্র্য বিমোচনে ব্যয় হয়। সব সম্পদ দান করার পর আল রাজি নিজের কাছে শুধু পরিধানের কাপড় আর সামান্য কিছু ব্যক্তিগত জিনিস রাখেন। তিনি গর্ব করে বলতেন যে, তার মোট সম্পদ এখন শূন্যে ফিরে এসেছে—ঠিক যেভাবে তিনি এই পৃথিবীতে এসেছিলেন। আরব বিশ্বের ইতিহাসে এটিই এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তির করা সবচেয়ে বড় একক অনুদান
যিনি স্বেচ্ছায় নিঃস্ব হতে চেয়েছিলেন: সুলাইমান আল রাজি-র গল্প। সৌদি আরবের ব্যাংকিং জগতের সম্রাট সুলাইমান বিন আব্দুল আজিজ আল রাজি নিজ ইচ্ছায় তার সমস্ত সম্পদ ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন। ইতিহাসের অন্যতম বড় ব্যক্তিগত দান হিসেবে আল রাজি তার প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলারের (বাংলাদেশি টাকায় যা প্রায় ১ লক্ষ ৮০ হাজার কোটি টাকা) বিশাল সম্পত্তি জীবিত থাকা অবস্থাতেই দান করে দেন। এর ফলে আন্তর্জাতিক বিলিয়নিয়ার বা ধনকুবেরদের তালিকা থেকে তার নাম চিরতরে বাদ পড়ে যায়। টাকার সাথে আল রাজির সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল চরম দারিদ্র্যের মধ্য দিয়ে। ছোটবেলায় তিনি দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন। পরে তিনি 'আল রাজি ব্যাংক' প্রতিষ্ঠা করেন, যা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ইসলামী ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। অঢেল সম্পদের ভারে অস্বস্তি বোধ করায় তিনি এক বৈপ্লবিক পরিকল্পনা করেন। তিনি তার পরিবারের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পদ রেখে বাকি সবটুকু—যেমন কোম্পানির শেয়ার, কৃষি প্রকল্প এবং জমিজমা—একটি চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশনে দান করে দেন। এই টাকা এখন শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং দারিদ্র্য বিমোচনে ব্যয় হয়। সব সম্পদ দান করার পর আল রাজি নিজের কাছে শুধু পরিধানের কাপড় আর সামান্য কিছু ব্যক্তিগত জিনিস রাখেন। তিনি গর্ব করে বলতেন যে, তার মোট সম্পদ এখন শূন্যে ফিরে এসেছে—ঠিক যেভাবে তিনি এই পৃথিবীতে এসেছিলেন। আরব বিশ্বের ইতিহাসে এটিই এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তির করা সবচেয়ে বড় একক অনুদান

About