shafeeq :
একটা মেয়ে যখন অ'স'হা'য় হয়ে যায়, তখন সে শুধু নিজের জন্য নয়—তার পুরো পরিবারের জন্য লড়াই করে। মাত্র এসএসসি পাস করেছে। স্বপ্ন ছিল একটা চাকরি করবে। কারণ বাড়িতে অ'সুস্থ মা-বাবা, তাদের চি'কি'ৎ'সা ও ওষুধের খরচ, ছোট ভাইয়ের লেখাপড়া—সবকিছুর দায় যেন তার কাঁ'ধে এসে পড়েছে।
এই অবস্থায় সে চাকরির খোঁজে বের হয়। কিন্তু চাকরি খুঁজতে গিয়ে তাকে বলা হয়, ‘সুপারিশ লাগবে’, ‘ক্ষমতাবান কারও স্বাক্ষর লাগবে’। তখন বাধ্য হয়ে সে কোনো এমপি, মন্ত্রী বা প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছে যায়। আর সেখানেই শুরু হয় ভ'য়ং'ক'র বাস্তবতা।
অনেক ক্ষমতাবান ব্যক্তি ফাইল হাতে নিয়ে বলেন—‘সিগনেচার দেব, আগে আমাকে খুশি করতে হবে।’ এই ‘খুশি করা’র নামে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার মেয়ে নিজের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ—ই'জ্জ'ত—বি'লি'য়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে। এটা কি কোনো সভ্য দেশের চিত্র হতে পারে?
কখনো কি এসব নিয়ে সংসদে আলোচনা হয়? কখনো কি প্রশ্ন তোলা হয়—কেন একটা চাকরি পাওয়ার জন্য সুপারিশ লাগবে? একজনের যোগ্যতা, মেধা আর পরিশ্রম কি যথেষ্ট নয়? আর যদি সুপারিশের মাধ্যমেই চাকরি দিতে হয়, তাহলে কেন একজন মেয়েকে এমন নোং"রা প্র'লো'ভ'নে'র মুখোমুখি হতে হবে?
আমি মনে করি, যারা চাকরির আশ্বাস দিয়ে নারীদের শা'রী'রি'ক বা মানসিকভাবে শো'ষ'ণ করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শা//স্তি নিশ্চিত করা উচিত। এমন শা//স্তি হতে হবে যাতে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে আর কেউ এ ধরনের জ'ঘ'ন্য কাজ করার সাহস না পায়।
চাকরি হবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে—কোনো সুপারিশ, প্রভাব বা অ'নৈ'তি'ক শর্তের ভিত্তিতে নয়। একজন অ'স'হা'য় মেয়ের দুর্বলতাকে সুযোগ হিসেবে নেওয়া মানবতা ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।
জামায়াতের এমপি শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে চেয়েছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা পারেননি। সত্যকে চেপে রাখা যায় না। আজ সময় এসেছে এসব বিষয় নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করার এবং ভুক্তভোগী নারীদের পাশে দাঁড়ানোর।
2026-07-23 04:17:25