@gomo507: Гриффит — один из центральных персонажей манги и аниме «Берсерк», созданный мангакой Кэнтаро Миурой. Изначально он предстаёт как харизматичный лидер, но позже превращается в главного антагониста истории Гриффит с детства мечтал о собственном королевстве. Для воплощения этой мечты он основал наёмническую группировку — «Отряд Сокола». Благодаря его военным талантам и доблести соратников (включая Гатса и Каску) отряд одержал множество побед. Под его руководством «Соколы» сыграли ключевую роль в прекращении Столетней войны и принесли мир в королевство Мидланд. За успехи Гриффит получил дворянский титул. Однако позже Гатс покидает отряд, победив Гриффита в дуэли. После этого обезумевший Гриффит, испытывая слабость, соблазняет принцессу Шарлотту, из-за чего попадает в темницу и подвергается пыткам. Осознав своё инвалидное состояние и отчаявшись, он активирует Алый Бехерит, полученный в детстве во время солнечного затмения #берсерк #грифит

𝔐𝔢𝔱𝔞𝔫𝔫
𝔐𝔢𝔱𝔞𝔫𝔫
Open In TikTok:
Region: NL
Friday 24 July 2026 11:08:07 GMT
21585
1293
0
35

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @gomo507, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

নারীর হৃদয়ের রহস্য জানিবার মতো অভিজ্ঞতা আমার হইল না। নিতান্তই উপর হইতে, বাহির হইতে, যেটুকু দেখিলাম তাহাতে আমার এই বিশ্বাস জন্মিয়াছে যে, যেখানে মেয়েরা দুঃখ পাইবে, সেইখানেই তারা হৃদয় দিতে প্রস্তুত....!! 💔🎋❤️ 🌹 অনেক সন্ধ্যা পেরিয়ে গেছে, শিউলির গন্ধে ভিজেছে পথ, তবু তোমার না ফেরা আজও, শুকনো পাতার মতো ঝরে আমার জানালায়। আমি তোমাকে নদীর মতো ডাকিনি, নদী তো একদিন সাগরে মিশে যায়, তাই আমি ডেকেছিলাম বট বৃক্ষের শেকড়ের মতো, যে মাটির গভীরে নীরবে আজীবন আঁকড়ে রাখে। তুমি এলে না, ঘন কুয়াশা কেবল এসে, আমার কাঁধে হাত রাখলো, চাঁদ তার ফ্যাকাশে মুখ লুকিয়ে, রাতকে আরও নিঃসঙ্গ করে তুললো। এখনও মাঝরাতে বাতাসের হাহাকারে তোমার নিঃশ্বাস খুঁজি। অচেনা পাখির ডাকে তোমারই অপ্রেরিত কোনো চিঠি খুঁজে পাই, যা সময়ের ডাকঘরে চিরকাল হারিয়ে গেছে। অথচ, সেদিনের কাঠফাটা রোদ্দুরে, ঝলমলে আলোকোজ্জ্বল ছিলে তুমি, তোমার স্বপ্নময় দুটো চোখ হৃদয়কে হরণ করেছিলো। সেদিন হয়তো তুমি বুঝে গিয়েছিলে এ বালিকা হৃদয়সর্বস্ব। হৃদয়ের মায়া আর মায়াময় চোখের ছায়া ছাড়া এর হৃদহরণ অসম্ভব প্রায়। কালো ফ্রেমের ভারী দুর্বোধ্য গ্লাস ভেদ করেই ঐ নজরের আড়ালে দেখেছিলাম, শিমুল, পলাশ, তমাল, কাঠগোলাপ আর সোনালুর স্বভাবজাত সৌন্দর্য।  উজ্জ্বল বিকশিত তুমি আর এদিকে আমি অসহায়, অজানা এক ঘাসফড়িং  রঙীন ঘাসফুলের মত আমি শুদ্ধ সৌন্দর্যের এক অপার বিস্ময়! ভালোবাসা শব্দটি বড় অদ্ভুত তাইনা? যা ধীরে ধীরে প্রিয়ার সব আলো অন্য হৃদয়ের অন্ধকারে রেখে আসে আলোকিত করার জন্য। আমিও তাই করেছিলাম,সমস্ত ঋতু, সমস্ত রোদ, সমস্ত বৃষ্টির গন্ধ, সকল কবিতা, না-বলা কান্না, কথা সব- সব তোমার নামের পাশে রেখে ফিরে এসেছিলাম, একাকী। এখনো আমি পথ চলি, কিন্তু আমার ছায়া তোমার দিকেই যায়। আমি কথা বলি, কিন্তু শব্দের আগে তোমার নীরবতাগুলো এসে দাঁড়ায়। আমি বেঁচে আছি, তবু আমার ভেতরের সবচেয়ে উজ্জ্বল তুমি নিঃশব্দে হয়তোবা একাকী মারা যাচ্ছো। যদি কোনোদিন শরতের শেষ বিকেলে, কাশফুলের সাদা ঢেউয়ের পাশেনামহীন বাতাস আমার চুল ছুঁয়ে যায়, সেদিন বুঝবে হয়তো কেউ একজন এখনও পৃথিবীর সমস্ত প্রাপ্তি হারিয়েওএকটি নামকেইপ্রার্থনার মতো বুকে আগলে রেখেছে । তার আর কোনো পরিচয় নেই, সে কোন প্রেমিকা নয়, সে কোন পথিক নয়, সে কোনো বিজয়ীনিও নয়, নয় কোন  বিরহীকাজরীও।  সে কেবল নিজের সমস্ত হৃদয় উৎসর্গ করে শূন্য হাতে ফিরে আসাশেষ এক নাম - হৃদয়সর্বস্ব! হৃদয়সর্বস্ব আমায় হৃদয় ছাড়া আর অন্য কোন বিনিময়ে পাওয়া সম্ভব নয়,  অমূল্য হৃদয়ের গহীন তলদেশে খুঁজে দেখো, অবশ্যই পাবে হৃদয়স্পর্শী এই হৃদয়সর্বস্বটাকে। ❤️❤️💔 💔 একটা গল্প শেয়ার করি আপনাদের সাথে.....  একবার এক বাঘের মনে হল তার শরীর থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে।  বাঘ তখন দূরে একটা বানরকে দেখতে পেয়ে তাকে কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল, দেখতো আমার শরীর থেকে কোন দুর্গন্ধ আসছে কিনা? বানরটি বললো,  কি বলেন মহারাজ?  আপনার শরীর থেকে এত সুন্দর গন্ধ বের হচ্ছে যে,  সারা জঙ্গল সুগন্ধে ভোরে উঠেছে।  বানরের এই ধরনের কথা শুনে বাঘ ভাবল,  এই বানর তো আমাকে নিয়ে মজা করছে। বাঘ রেগে বানরকে ওখানেই শেষ করে দিল।  দূর থেকে দাঁড়িয়ে এসব কিছু একটা হরিণ দেখছিল,  বাঘ কিছুক্ষণ পর সে হরিণের কাছে গিয়ে বলল,  দেখতো হরিণ আমার শরীর থেকে কোন দুর্গন্ধ বেরোচ্ছে কিনা?  হরিণ কিছুক্ষণ আগে বানরের সাথে ঘটে যাওয়া সব ঘটনা দেখেছিল।  তাই সে বলল,  মহারাজ, আমি এই কথাটাই আপনাকে বলতে যাচ্ছিলাম। আপনার শরীর থেকে এমন দুর্গন্ধ বেরোচ্ছে যে, আপনার ২০০ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা যাচ্ছে না। জঙ্গলের সবাই বলাবলি করছে, আপনার চারপাশে নাকি যাওয়াই যাচ্ছে না।  বাঘ হরিণের এই সত্যি কথাটা সহ্য করতে পারল না।  সাথে সাথে হরিণটিকে মেরে ফেলল। এবার দূরে দাঁড়িয়ে পুরো ঘটনাটা দেখছিল এক শিয়াল।  শিয়ালটি ভাবল,  এইবার আমার নাম্বার।  আর সত্যি সত্যি বাঘ এবার শিয়ালের কাছে গিয়ে সেই একই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করল। শিয়াল কতক্ষণ বাঘের শরীরে নাক দিয়ে কিছু শোকার চেষ্টা করল। তারপর বাঘকে বলল, কি বলবো মহারাজ?  আপনাকে আমি সত্যি কথাটাই বলতাম,  কিন্তু আজ তিন দিন ধরে আমার ভীষণ সর্দি।  আমি আমার খাবার-দাবারের সুগন্ধ পর্যন্ত পাচ্ছি না।  আপনার বিষয়ে আমি কি উত্তর দেবো?  এই কথা শুনে বাঘ শিয়ালটিকে ছেড়ে দিল।  তো এখানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে,  সব সত্যি কথা সব সময় বলতে হয় না।  অনেক সময় সত্যি কথা বলাটা আত্মঘাতী  হয়ে যায়। আবার সবসময় মিথ্যা কথা বা অতিরিক্ত তোষামদিও তোমাকে বাঁচাতে পারবে না। তাই কিছু কিছু পরিবেশে চুপ থাকাটাই,  সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হয়ে যেতে পারে।
নারীর হৃদয়ের রহস্য জানিবার মতো অভিজ্ঞতা আমার হইল না। নিতান্তই উপর হইতে, বাহির হইতে, যেটুকু দেখিলাম তাহাতে আমার এই বিশ্বাস জন্মিয়াছে যে, যেখানে মেয়েরা দুঃখ পাইবে, সেইখানেই তারা হৃদয় দিতে প্রস্তুত....!! 💔🎋❤️ 🌹 অনেক সন্ধ্যা পেরিয়ে গেছে, শিউলির গন্ধে ভিজেছে পথ, তবু তোমার না ফেরা আজও, শুকনো পাতার মতো ঝরে আমার জানালায়। আমি তোমাকে নদীর মতো ডাকিনি, নদী তো একদিন সাগরে মিশে যায়, তাই আমি ডেকেছিলাম বট বৃক্ষের শেকড়ের মতো, যে মাটির গভীরে নীরবে আজীবন আঁকড়ে রাখে। তুমি এলে না, ঘন কুয়াশা কেবল এসে, আমার কাঁধে হাত রাখলো, চাঁদ তার ফ্যাকাশে মুখ লুকিয়ে, রাতকে আরও নিঃসঙ্গ করে তুললো। এখনও মাঝরাতে বাতাসের হাহাকারে তোমার নিঃশ্বাস খুঁজি। অচেনা পাখির ডাকে তোমারই অপ্রেরিত কোনো চিঠি খুঁজে পাই, যা সময়ের ডাকঘরে চিরকাল হারিয়ে গেছে। অথচ, সেদিনের কাঠফাটা রোদ্দুরে, ঝলমলে আলোকোজ্জ্বল ছিলে তুমি, তোমার স্বপ্নময় দুটো চোখ হৃদয়কে হরণ করেছিলো। সেদিন হয়তো তুমি বুঝে গিয়েছিলে এ বালিকা হৃদয়সর্বস্ব। হৃদয়ের মায়া আর মায়াময় চোখের ছায়া ছাড়া এর হৃদহরণ অসম্ভব প্রায়। কালো ফ্রেমের ভারী দুর্বোধ্য গ্লাস ভেদ করেই ঐ নজরের আড়ালে দেখেছিলাম, শিমুল, পলাশ, তমাল, কাঠগোলাপ আর সোনালুর স্বভাবজাত সৌন্দর্য। উজ্জ্বল বিকশিত তুমি আর এদিকে আমি অসহায়, অজানা এক ঘাসফড়িং রঙীন ঘাসফুলের মত আমি শুদ্ধ সৌন্দর্যের এক অপার বিস্ময়! ভালোবাসা শব্দটি বড় অদ্ভুত তাইনা? যা ধীরে ধীরে প্রিয়ার সব আলো অন্য হৃদয়ের অন্ধকারে রেখে আসে আলোকিত করার জন্য। আমিও তাই করেছিলাম,সমস্ত ঋতু, সমস্ত রোদ, সমস্ত বৃষ্টির গন্ধ, সকল কবিতা, না-বলা কান্না, কথা সব- সব তোমার নামের পাশে রেখে ফিরে এসেছিলাম, একাকী। এখনো আমি পথ চলি, কিন্তু আমার ছায়া তোমার দিকেই যায়। আমি কথা বলি, কিন্তু শব্দের আগে তোমার নীরবতাগুলো এসে দাঁড়ায়। আমি বেঁচে আছি, তবু আমার ভেতরের সবচেয়ে উজ্জ্বল তুমি নিঃশব্দে হয়তোবা একাকী মারা যাচ্ছো। যদি কোনোদিন শরতের শেষ বিকেলে, কাশফুলের সাদা ঢেউয়ের পাশে নামহীন বাতাস আমার চুল ছুঁয়ে যায়, সেদিন বুঝবে হয়তো কেউ একজন এখনও পৃথিবীর সমস্ত প্রাপ্তি হারিয়েও একটি নামকেই প্রার্থনার মতো বুকে আগলে রেখেছে । তার আর কোনো পরিচয় নেই, সে কোন প্রেমিকা নয়, সে কোন পথিক নয়, সে কোনো বিজয়ীনিও নয়, নয় কোন বিরহীকাজরীও। সে কেবল নিজের সমস্ত হৃদয় উৎসর্গ করে শূন্য হাতে ফিরে আসা শেষ এক নাম - হৃদয়সর্বস্ব! হৃদয়সর্বস্ব আমায় হৃদয় ছাড়া আর অন্য কোন বিনিময়ে পাওয়া সম্ভব নয়, অমূল্য হৃদয়ের গহীন তলদেশে খুঁজে দেখো, অবশ্যই পাবে হৃদয়স্পর্শী এই হৃদয়সর্বস্বটাকে। ❤️❤️💔 💔 একটা গল্প শেয়ার করি আপনাদের সাথে..... একবার এক বাঘের মনে হল তার শরীর থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। বাঘ তখন দূরে একটা বানরকে দেখতে পেয়ে তাকে কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল, দেখতো আমার শরীর থেকে কোন দুর্গন্ধ আসছে কিনা? বানরটি বললো, কি বলেন মহারাজ? আপনার শরীর থেকে এত সুন্দর গন্ধ বের হচ্ছে যে, সারা জঙ্গল সুগন্ধে ভোরে উঠেছে। বানরের এই ধরনের কথা শুনে বাঘ ভাবল, এই বানর তো আমাকে নিয়ে মজা করছে। বাঘ রেগে বানরকে ওখানেই শেষ করে দিল। দূর থেকে দাঁড়িয়ে এসব কিছু একটা হরিণ দেখছিল, বাঘ কিছুক্ষণ পর সে হরিণের কাছে গিয়ে বলল, দেখতো হরিণ আমার শরীর থেকে কোন দুর্গন্ধ বেরোচ্ছে কিনা? হরিণ কিছুক্ষণ আগে বানরের সাথে ঘটে যাওয়া সব ঘটনা দেখেছিল। তাই সে বলল, মহারাজ, আমি এই কথাটাই আপনাকে বলতে যাচ্ছিলাম। আপনার শরীর থেকে এমন দুর্গন্ধ বেরোচ্ছে যে, আপনার ২০০ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা যাচ্ছে না। জঙ্গলের সবাই বলাবলি করছে, আপনার চারপাশে নাকি যাওয়াই যাচ্ছে না। বাঘ হরিণের এই সত্যি কথাটা সহ্য করতে পারল না। সাথে সাথে হরিণটিকে মেরে ফেলল। এবার দূরে দাঁড়িয়ে পুরো ঘটনাটা দেখছিল এক শিয়াল। শিয়ালটি ভাবল, এইবার আমার নাম্বার। আর সত্যি সত্যি বাঘ এবার শিয়ালের কাছে গিয়ে সেই একই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করল। শিয়াল কতক্ষণ বাঘের শরীরে নাক দিয়ে কিছু শোকার চেষ্টা করল। তারপর বাঘকে বলল, কি বলবো মহারাজ? আপনাকে আমি সত্যি কথাটাই বলতাম, কিন্তু আজ তিন দিন ধরে আমার ভীষণ সর্দি। আমি আমার খাবার-দাবারের সুগন্ধ পর্যন্ত পাচ্ছি না। আপনার বিষয়ে আমি কি উত্তর দেবো? এই কথা শুনে বাঘ শিয়ালটিকে ছেড়ে দিল। তো এখানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, সব সত্যি কথা সব সময় বলতে হয় না। অনেক সময় সত্যি কথা বলাটা আত্মঘাতী হয়ে যায়। আবার সবসময় মিথ্যা কথা বা অতিরিক্ত তোষামদিও তোমাকে বাঁচাতে পারবে না। তাই কিছু কিছু পরিবেশে চুপ থাকাটাই, সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হয়ে যেতে পারে।

About