@htetaung4018: #ဟုတ်တယ်မလား #စာတို #fpyシ #foryoupage #htetaung4018

🅗︎🅣︎🅔︎🅣︎ 🅐︎🅤︎🅝︎🅖︎
🅗︎🅣︎🅔︎🅣︎ 🅐︎🅤︎🅝︎🅖︎
Open In TikTok:
Region: MY
Saturday 25 July 2026 13:28:37 GMT
1462
196
21
3

Music

Download

Comments

yinn.mar95
❤H❤ :
မန်တာေပါ့
2026-07-26 14:16:34
1
tin.win.myint0
မမေ့နှိုင်သူ :
2026-07-25 13:33:10
1
zinzi397
Account not fount :
အဲ့လိုလူတွေ့နေပြီးလား❓
2026-07-29 03:58:04
1
amk4956
AMK :
အမှန်ပဲနော်
2026-07-25 15:21:56
2
naychihtwe114
🇸🇬❤️Htwe❤️🇲🇲 :
သူချစ်ဘဲရွေးမယ်🥰🥰🥰
2026-07-25 13:33:51
1
user3514158812284
အေမိုင် :
👍👍👍
2026-07-28 10:47:43
1
amk4956
AMK :
😍😍😍
2026-07-25 15:21:31
1
moelay8076
🍀🌻❤️M❤️🌻🍀 :
🥰🥰🥰
2026-07-25 15:05:40
1
mii.chaww3
Yumi ko🥰🫶 :
🥰🥰🥰
2026-07-25 14:39:41
1
kokyawlinredminot
ချစ်ညီမလေးမေရဲအပိုင်ပါနော် :
❤️❤️❤️
2026-07-25 13:31:33
1
ai.khant960
🇲🇲.Wut.yee.🇹🇭မွန်ပြည်နယ်သူ :
❤️❤️❤️❤️
2026-07-26 02:54:35
1
To see more videos from user @htetaung4018, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

,,,ফেলে গেছেন মা!মায়ের ঘ্রাণ খুঁজে ফুপিয়ে কাঁদছে ছোট্ট শিশুটি,, মায়ের কথা জিজ্ঞেস করতেই শিশুটি হঠাৎ ফুপিয়ে কেঁদে ওঠে। সেই কান্না যেন কেবল শব্দ নয়—একটি অসহায় প্রাণের বুকভাঙা আর্তনাদ। দৃশ্যটি দেখলে বুকের ভেতরটা হু হু করে ওঠে, নিশ্বাস ভারী হয়ে আসে। মনে হয়, পৃথিবীর সব ভাষা মিলেও এমন কান্নার ব্যথা বোঝাতে পারবে না। বয়স মাত্র সাত-আট মাস। এই বয়সে একটি শিশুর পুরো পৃথিবী বলতে শুধু তার মায়ের কোল, বুকের উষ্ণতা আর পরিচিত সেই ঘ্রাণ। অথচ সেই নিষ্পাপ শিশুটিকেই একা ফেলে রেখে চলে গেছেন তার মা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি মাজারের পাশ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানকার নার্সরা নিজেদের সন্তানের মতো করেই তার যত্ন নিচ্ছেন। কিন্তু যত্ন কি আর মায়ের শূন্যতা পূরণ করতে পারে? শিশুটি হয়তো এখনো বুঝে উঠতে পারেনি কী ঘটেছে। তবু তার দুটি নিষ্পাপ চোখ যেন বারবার কাউকে খুঁজে বেড়ায়। হয়তো সেই পরিচিত মুখ, সেই বুকের উষ্ণতা, সেই মায়ের ঘ্রাণ। একটু পরপরই সে ডুকরে কেঁদে ওঠে। মনে হয়, তার ছোট্ট বুকের ভেতর জমে থাকা অজানা কষ্টগুলো কান্না হয়ে বেরিয়ে আসছে। আমরা জানি না, এই ঘটনার পেছনে কী নির্মম ইতিহাস লুকিয়ে আছে। হয়তো মায়ের অসহায়ত্ব, হয়তো বাবার দায়িত্বহীনতা, হয়তো এমন কোনো পরিস্থিতি—যা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। কিন্তু যে কারণই থাকুক না কেন, এই নিষ্পাপ শিশুটির কোনো অপরাধ ছিল না। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শাস্তিটাই যেন সে জন্মের পর থেকেই পেয়ে গেল। একজন স্বাভাবিক মানুষের পক্ষে নিজের সন্তানকে এভাবে ফেলে রেখে চলে যাওয়া কল্পনা করাও কঠিন। তাই এই ঘটনাটি শুধু একটি সংবাদ নয়; এটি আমাদের মানবিকতার সামনে রাখা এক নির্মম প্রশ্ন। এমন দৃশ্য দেখলে নিজেকে বড় অসহায় মনে হয়। বারবার ভেঙে পড়ি। মনে হয়, যদি সামর্থ্য থাকত, তবে কোনো শিশুকে যেন আর মায়ের জন্য এভাবে কাঁদতে না হতো; কোনো বৃদ্ধকে যেন অবহেলায় জীবন কাটাতে না হতো। হে আল্লাহ, আমাকে সেই তৌফিক দান করুন—যেন একদিন অসহায় শিশুদের আশ্রয় হতে পারি, অসহায় বৃদ্ধদের পাশে দাঁড়াতে পারি, আর আপনার সন্তুষ্টির জন্য তাদের বিনামূল্যে সেবা করার সামর্থ্য অর্জন করতে পারি। আমীন। **(এটি আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঘটে যাওয়া একটি সত্য ঘটনা।)**
,,,ফেলে গেছেন মা!মায়ের ঘ্রাণ খুঁজে ফুপিয়ে কাঁদছে ছোট্ট শিশুটি,, মায়ের কথা জিজ্ঞেস করতেই শিশুটি হঠাৎ ফুপিয়ে কেঁদে ওঠে। সেই কান্না যেন কেবল শব্দ নয়—একটি অসহায় প্রাণের বুকভাঙা আর্তনাদ। দৃশ্যটি দেখলে বুকের ভেতরটা হু হু করে ওঠে, নিশ্বাস ভারী হয়ে আসে। মনে হয়, পৃথিবীর সব ভাষা মিলেও এমন কান্নার ব্যথা বোঝাতে পারবে না। বয়স মাত্র সাত-আট মাস। এই বয়সে একটি শিশুর পুরো পৃথিবী বলতে শুধু তার মায়ের কোল, বুকের উষ্ণতা আর পরিচিত সেই ঘ্রাণ। অথচ সেই নিষ্পাপ শিশুটিকেই একা ফেলে রেখে চলে গেছেন তার মা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি মাজারের পাশ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানকার নার্সরা নিজেদের সন্তানের মতো করেই তার যত্ন নিচ্ছেন। কিন্তু যত্ন কি আর মায়ের শূন্যতা পূরণ করতে পারে? শিশুটি হয়তো এখনো বুঝে উঠতে পারেনি কী ঘটেছে। তবু তার দুটি নিষ্পাপ চোখ যেন বারবার কাউকে খুঁজে বেড়ায়। হয়তো সেই পরিচিত মুখ, সেই বুকের উষ্ণতা, সেই মায়ের ঘ্রাণ। একটু পরপরই সে ডুকরে কেঁদে ওঠে। মনে হয়, তার ছোট্ট বুকের ভেতর জমে থাকা অজানা কষ্টগুলো কান্না হয়ে বেরিয়ে আসছে। আমরা জানি না, এই ঘটনার পেছনে কী নির্মম ইতিহাস লুকিয়ে আছে। হয়তো মায়ের অসহায়ত্ব, হয়তো বাবার দায়িত্বহীনতা, হয়তো এমন কোনো পরিস্থিতি—যা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। কিন্তু যে কারণই থাকুক না কেন, এই নিষ্পাপ শিশুটির কোনো অপরাধ ছিল না। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শাস্তিটাই যেন সে জন্মের পর থেকেই পেয়ে গেল। একজন স্বাভাবিক মানুষের পক্ষে নিজের সন্তানকে এভাবে ফেলে রেখে চলে যাওয়া কল্পনা করাও কঠিন। তাই এই ঘটনাটি শুধু একটি সংবাদ নয়; এটি আমাদের মানবিকতার সামনে রাখা এক নির্মম প্রশ্ন। এমন দৃশ্য দেখলে নিজেকে বড় অসহায় মনে হয়। বারবার ভেঙে পড়ি। মনে হয়, যদি সামর্থ্য থাকত, তবে কোনো শিশুকে যেন আর মায়ের জন্য এভাবে কাঁদতে না হতো; কোনো বৃদ্ধকে যেন অবহেলায় জীবন কাটাতে না হতো। হে আল্লাহ, আমাকে সেই তৌফিক দান করুন—যেন একদিন অসহায় শিশুদের আশ্রয় হতে পারি, অসহায় বৃদ্ধদের পাশে দাঁড়াতে পারি, আর আপনার সন্তুষ্টির জন্য তাদের বিনামূল্যে সেবা করার সামর্থ্য অর্জন করতে পারি। আমীন। **(এটি আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঘটে যাওয়া একটি সত্য ঘটনা।)**

About