@ariful.islam.parv: গত ২৪ ঘণ্টায় এই তিনজন ভাইরাল হয়েছেন। না, কোনো টিকটক ভিডিওর জন্য নয়। আমাদের বড় পণ্ডিত, বুদ্ধিজীবীরা যা করতে পারেননি, এই তিনজন তা করে দেখিয়েছেন, এবং সারাদেশের মানুষের ভালোবাসা অর্জন করেছেন। বিউটি পাল : সিলেটের এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। ডিফরেন্ট টাচের মেজবার গাওয়া নব্বইয়ের দশকের ক্লাসিক গান 'শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে' ব্র্যাকগ্রাউন্ডে রেখে একটি ভিডিও করেন বৃষ্টিস্নাত লোকেশনে। সেই ভিডিও প্রবাসী এক কুলাঙ্গার নেতিবাচক শিরোনাম দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেয়। এতেই মৌ-লোভীরা বিউটিকে নিয়ে কুৎসা রটাতে থাকে। কিন্তু ওরা পরাজিত হয়েছে তখন, যখন একই গানের সঙ্গে হাজার হাজার ভিডিও ছেড়ে বিউটির পাশে দাঁড়িয়েছেন সচেতন নারী-পুরুষ। এমন প্রতিরোধ সত্যিই বিস্ময়কর! কণিকা দাস : কুড়িগ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তিনি তাঁর ছাত্রীদের নিয়ে টিফিনের ফাঁকে নাচ করেন। তাঁর ভিডিও দেখে অবশ্য কেউ নেতিবাচক কিছু বলেনি। তিনি এত চমৎকার নৃত্যের জন্য বরং প্রশংসায় ভাসছেন! সাহসী এক কিশোর : সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নয়া লালসালুর বিরুদ্ধে এক কিশোর দুর্দান্ত সব কথা বলেছেন। তার নাম আমি জানি না। তবে এক মৌ-লোভী যখন তাকে জিজ্ঞেস করল : তুমি কে? তখন সে একটি চমৎকার উত্তর দিয়েছে, সে বলেছে : আমি মানুষ! এটাই আমার প্রথম পরিচয়! এই অন্ধকার সময়ে এই তিনজন যা করলেন তার জন্য সারাদেশের মানুষের নমিত হয়ে কৃতজ্ঞতা জানানো উচিৎ। কারণ, এদের জন্যই আমরা একটু স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে পারছি! অভিবাদন হে ত্রয়ী!