@busteroidzone: Twitch: evelone2004 #evelone

БАТЯ БУСТЕРОЙД
БАТЯ БУСТЕРОЙД
Open In TikTok:
Region: TH
Sunday 02 August 2026 04:31:21 GMT
20324
909
16
14

Music

Download

Comments

khcvbgb
? :
обесценивать команду
2026-08-02 13:28:22
6
okkyatta
d :
фпсса взять
2026-08-02 20:38:51
1
wwwilegenda
🫅 :
ушел
2026-09-17 12:29:46
0
mrkazpick
НЕ Я :
pro tried fact
2026-08-03 04:44:17
0
khcvbgb
? :
смешной эвелон
2026-08-02 13:28:08
0
ksirol
xyesos228 :
а нахуя ему уходить если он говорил если он будет тренироваться он сразу уйдет
2026-08-02 09:36:51
4
in_quest
Ťóm ♡ :
та нихуя не развалится, трайд норм бахает. После развала первого состава так же говорили. Потом нашли мевсика.
2026-08-02 15:30:21
1
feel_better333
76naysorteP :
Строго с мевсу кикаем
2026-08-02 13:42:33
0
igorkislov2411
Игорь :
😂😂😂
2026-08-02 07:18:57
1
lonnely_
lonnely :
💀
2026-08-02 12:32:02
0
To see more videos from user @busteroidzone, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

অপ্রত্যাশিত বন্ধন পার্ট–৩২ মানুষ সাধারণত তখনই বুঝতে পারে একজন মানুষ তার কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, যখন হঠাৎ করে তাকে হারানোর ভয় জন্মায়। আরহাম রহমানও আজ ঠিক সেই অনুভূতির মুখোমুখি হতে চলেছে। সকাল থেকেই আকাশটা একটু মেঘলা। হালকা বাতাস বইছে। রহমান ভিলার বাগানে দাঁড়িয়ে গাছে পানি দিচ্ছিল আয়রা। কিন্তু আজ তাকে একটু ক্লান্ত লাগছিল। নাজিয়া রহমান চিন্তিত গলায় বললেন, —
অপ্রত্যাশিত বন্ধন পার্ট–৩২ মানুষ সাধারণত তখনই বুঝতে পারে একজন মানুষ তার কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, যখন হঠাৎ করে তাকে হারানোর ভয় জন্মায়। আরহাম রহমানও আজ ঠিক সেই অনুভূতির মুখোমুখি হতে চলেছে। সকাল থেকেই আকাশটা একটু মেঘলা। হালকা বাতাস বইছে। রহমান ভিলার বাগানে দাঁড়িয়ে গাছে পানি দিচ্ছিল আয়রা। কিন্তু আজ তাকে একটু ক্লান্ত লাগছিল। নাজিয়া রহমান চিন্তিত গলায় বললেন, — "মা, তোমাকে কেমন যেন লাগছে। শরীর খারাপ নাকি?" আয়রা মৃদু হেসে বলল, — "না আম্মু, একটু মাথা ব্যথা করছে শুধু।" ঠিক তখনই অফিসে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছিল আরহাম। সে আয়রার মুখের দিকে তাকিয়ে থেমে গেল। স্বাভাবিকের চেয়ে মুখটা একটু ফ্যাকাশে লাগছে। — "তুমি ঠিক আছো?" — "হুম, আমি ভালো আছি।" — "নিশ্চিত?" — "জি।" আরহাম কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে বলল, — "প্রয়োজনে আমাকে ফোন করবে।" আয়রা মুচকি হেসে মাথা নেড়ে সম্মতি দিল। দুপুরের দিকে নাজিয়া রহমানের ফোন পেয়ে অফিসে বসেই চমকে উঠল আরহাম। — "আরহাম, তাড়াতাড়ি বাসায় আয়।" — "কী হয়েছে?" — "আয়রার জ্বর এসেছে।" এর বেশি কিছু শোনার অপেক্ষা করেনি সে। মিটিং মাঝপথে রেখেই দ্রুত বেরিয়ে গেল। বাড়িতে ঢুকেই সে সোজা আয়রার ঘরের দিকে ছুটল। আয়রা বিছানায় শুয়ে আছে। মুখটা লাল হয়ে আছে জ্বরে। আরহামের বুকটা হঠাৎ কেঁপে উঠল। সকালের সেই হাসিখুশি মেয়েটাকে এখন এত দুর্বল দেখাচ্ছে কেন? সে ধীরে এগিয়ে গিয়ে কপালে হাত রাখল। গরম। খুব গরম। — "ডাক্তার দেখানো হয়েছে?" নাজিয়া রহমান বললেন, — "হ্যাঁ। ভাইরাল জ্বর। চিন্তার কিছু নেই।"- কিন্তু আরহামের চিন্তা কমল না। একটুও না। কিছুক্ষণ পরে আয়রা চোখ খুলল। আরহামকে পাশে বসে থাকতে দেখে অবাক হয়ে বলল, — "আপনি অফিসে যাননি?" — "গিয়েছিলাম।" — "তাহলে?" — "ফিরে এসেছি।" — "কেন?" আরহাম কয়েক সেকেন্ড চুপ করে রইল। তারপর ধীরে বলল, — "কারণ তোমার অসুস্থতার খবর শুনে অফিসে বসে থাকা সম্ভব হচ্ছিল না।"আয়রা চুপ করে তার দিকে তাকিয়ে রইল। সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত হলো। তবুও আরহাম ঘর থেকে বের হলো না। সময়ে ওষুধ খাইয়ে দিল। পানি দিল। ডাক্তারের নির্দেশগুলো আবার পড়ে দেখল। নাজিয়া রহমান মুচকি হেসে বললেন, — "আমার মনে হচ্ছে রোগীর চেয়ে ডাক্তার বেশি চিন্তিত।" সাদমান রহমান হেসে উঠলেন। আরহাম কিছু বলল না। কারণ কথাটা সত্যি। রাতে আয়রার জ্বর আবার একটু বেড়ে গেল। ঘুমের ঘোরে সে ধীরে বলল, — "আম্মু..." আরহাম তার হাতটা আলতো করে ধরে বলল, — "আমি আছি।" আয়রা আধো ঘুমের মধ্যেই শান্ত হয়ে গেল। সেই মুহূর্তে আরহাম বুঝতে পারল— ভালোবাসা শুধু সুখের দিনে পাশে থাকা না। ভালোবাসা মানে অসুস্থ রাতেও পাশে বসে থাকা। কাউকে সুস্থ না দেখা পর্যন্ত নিজের শান্তি হারিয়ে ফেলা। রাত প্রায় দুইটা। আয়রার জ্বর কিছুটা কমেছে। আরহাম অবশেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল-- আয়রা ধীরে চোখ খুলল। দেখল— আরহাম এখনও পাশে বসে আছে। — "আপনি এখনও ঘুমাননি?" — "ঘুম আসেনি।" — "কেন?" আরহাম মৃদু হেসে বলল, — "কারণ তুমি অসুস্থ হলে আমার ঘুম আসে না।" আয়রার ঠোঁটের কোণে ছোট্ট হাসি ফুটে উঠল। — "আমি ঠিক আছি।" — "জানি।" — "তাহলে এত চিন্তা করছেন কেন?" আরহাম তার দিকে তাকিয়ে ধীরে বলল, — "হয়তো কারণ তুমি এখন শুধু আমার জীবনের অংশ নও।" "তুমি আমার শান্তি।" "আর তোমাকে কষ্টে দেখলে আমারও কষ্ট হয়।" আয়রার চোখ ভিজে উঠল। সে ধীরে বলল, — "তাহলে একটা কথা মনে রাখবেন।" — "কী?" — "আপনিও অসুস্থ হলে আমিও ঠিক এমনটাই করব।" আরহাম হেসে ফেলল। — "তাহলে আমরা সমান সমান।" জানালার বাইরে তখন হালকা বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আর রহমান ভিলার সেই ঘরে, একজন মানুষ আরেকজন মানুষের পাশে বসে বুঝতে পারছিল— ভালোবাসা কখনো বড় বড় কথায় প্রকাশ পায় না। কখনো কখনো সেটা প্রকাশ পায় এক গ্লাস পানি এগিয়ে দেওয়ায়। একটা ওষুধ মনে করিয়ে দেওয়ায়। আর একটা নির্ঘুম রাতে পাশে বসে থাকার। —— কিছু ভয় মানুষের অজান্তেই জন্ম নেয়। কেউ শেখায় না। কেউ বুঝিয়েও দেয় না। তবুও একদিন হঠাৎ মানুষ আবিষ্কার করে— একজন মানুষকে হারানোর চিন্তাটুকুও তার পক্ষে সহ্য করা সম্ভব না। আরহাম রহমানের জন্য আজকের দিনটা ঠিক তেমনই একটি দিন। সকালের আলো ধীরে ধীরে রহমান ভিলার জানালায় এসে পড়ছে। আয়রার জ্বর অনেকটাই কমেছে। তবুও নাজিয়া রহমান তাকে বিশ্রাম নিতে বললেন। — "কোনো কাজ না। আজ শুধু বিশ্রাম।" আয়রা হেসে বলল, — "আম্মু, আমি একদম ঠিক আছি।" — "তুমি ঠিক আছো কি না সেটা আমি ঠিক করব।" সাদমান রহমান হেসে বললেন, — "এই বাড়িতে রোগীদের কোনো স্বাধীনতা নেই।" ঠিক তখনই নিচে নামল আরহাম। তার প্রথম প্রশ্ন— — "জ্বর কেমন?" আয়রা মুচকি হেসে বলল, — "কমে গেছে।" — "ওষুধ খেয়েছো?" — "জি।" — "খাবার খেয়েছো?" আয়রা ভ্রু কুঁচকে বলল, — "আপনি কি সবসময় এত প্রশ্ন করেন?" নাজিয়া রহমান হেসে ফেললেন। — "মা, ওকে কিছু বলিস না। কাল রাত থেকে ছেলেটা তোর জন্য যতটা চিন্তা করেছে, সেটা দেখে আমরাও অবাক।" আয়রা চুপ করে আরহামের দিকে তাকিয়ে রইল। আরহাম অপ্রস্তুত হয়ে অন্যদিকে তাকাল। বিকেলে বারান্দায় বসে বই পড়ছিল আয়রা। হালকা বাতাস বইছিল। চলবে..

About