@ass.ynn: #роз #fyp #fyp #щитпост

assyn’
assyn’
Open In TikTok:
Region: KZ
Sunday 02 August 2026 07:30:24 GMT
1782
258
3
15

Music

Download

Comments

To see more videos from user @ass.ynn, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

বহু যুগ আগে, যখন মানুষের ঘর ছিল পাথরের গুহা আর রাতের শিক্ষক ছিল আগুন, তখন এক বৃদ্ধ ঋষির কাছে এক যুবক এসে বলল— “হে প্রাজ্ঞ, কেন মানুষ সুখের দিনে আমার পাশে থাকে, অথচ দুঃখের দিনে আমাকে চিনতেও চায় না?” ঋষি তাকে সঙ্গে নিয়ে একটি বিশাল বটগাছের নিচে বসলেন। সারাদিন সেখানে মানুষ এলো। কেউ ফল দিল, কেউ পানি দিল, কেউ সম্মানের ভাষায় মাথা নত করল। যুবক আনন্দে ভাবল—পৃথিবীতে তার অনেক আপনজন আছে। সন্ধ্যা নামতেই ঋষি বললেন, “এবার সব আগুন নিভিয়ে দাও।” চারদিকে অন্ধকার ছড়িয়ে পড়ল। একে একে সবাই চলে গেল। কেউ বলল, “পথ দেখা যায় না।” কেউ বলল, “কাল আবার আসব।” কেউ আর ফিরে তাকাল না। ভোরে যুবক দেখল—বটগাছটি একই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে, মাটিও একই আছে, কিন্তু মানুষের প্রতিশ্রুতিগুলো বাতাসের ধুলোর মতো উড়ে গেছে। তখন ঋষি বললেন— “শোনো, মানুষের মুখের শপথকে কখনো হৃদয়ের সত্য ভেবো না। যে মানুষ সুবিধার আলোয় তোমার পাশে দাঁড়ায়, সে তোমার নয়; সে নিজের প্রয়োজনের দাস। সত্যিকারের মানুষ সেই, যে তোমার প্রদীপ নিভে যাওয়ার পরও তোমার পাশে বসে থাকে।” যুবক জিজ্ঞেস করল, “তাহলে অন্ধকারের কাজ কী?” ঋষি দীর্ঘক্ষণ নীরব থেকে বললেন— “অন্ধকার শাস্তি নয়, বিচার। আলো সবাইকে একরকম দেখায়; অন্ধকার প্রত্যেককে তার প্রকৃত রূপে প্রকাশ করে। সোনা যেমন আগুনে খাঁটি হয়, তেমনি মানুষ বিপদে খাঁটি হয়।” তারপর তিনি মাটিতে একটি শুকনো পাতা তুলে হাতে চূর্ণ করে বললেন— “মনে রেখো, যে গাছ শুধু বসন্তে ছায়া দেয়, তাকে মহৎ বলা যায় না। মহৎ সেই বৃক্ষ, যে ঝড়ের রাতেও দাঁড়িয়ে থাকে। তেমনি যে মানুষ শুধু সুখে তোমার নাম উচ্চারণ করে, তাকে বন্ধু বলো না; যে দুঃসময়ে নীরবে তোমার পাশে থাকে, তার মূল্য রক্তের সম্পর্কের চেয়েও বড়।” সেদিন ঋষির শেষ বাণী ছিল— “মানুষকে দিনের আলোয় বিচার কোরো না; তার চরিত্রকে বিচার করো সেই রাতে, যেদিন তার কোনো স্বার্থ থাকে না। কারণ অন্ধকার কখনো মিথ্যার পক্ষ নেয় না।” লেখক আরফান সাদিক হিমু  #bangladesh #caption #stutas #foryou
বহু যুগ আগে, যখন মানুষের ঘর ছিল পাথরের গুহা আর রাতের শিক্ষক ছিল আগুন, তখন এক বৃদ্ধ ঋষির কাছে এক যুবক এসে বলল— “হে প্রাজ্ঞ, কেন মানুষ সুখের দিনে আমার পাশে থাকে, অথচ দুঃখের দিনে আমাকে চিনতেও চায় না?” ঋষি তাকে সঙ্গে নিয়ে একটি বিশাল বটগাছের নিচে বসলেন। সারাদিন সেখানে মানুষ এলো। কেউ ফল দিল, কেউ পানি দিল, কেউ সম্মানের ভাষায় মাথা নত করল। যুবক আনন্দে ভাবল—পৃথিবীতে তার অনেক আপনজন আছে। সন্ধ্যা নামতেই ঋষি বললেন, “এবার সব আগুন নিভিয়ে দাও।” চারদিকে অন্ধকার ছড়িয়ে পড়ল। একে একে সবাই চলে গেল। কেউ বলল, “পথ দেখা যায় না।” কেউ বলল, “কাল আবার আসব।” কেউ আর ফিরে তাকাল না। ভোরে যুবক দেখল—বটগাছটি একই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে, মাটিও একই আছে, কিন্তু মানুষের প্রতিশ্রুতিগুলো বাতাসের ধুলোর মতো উড়ে গেছে। তখন ঋষি বললেন— “শোনো, মানুষের মুখের শপথকে কখনো হৃদয়ের সত্য ভেবো না। যে মানুষ সুবিধার আলোয় তোমার পাশে দাঁড়ায়, সে তোমার নয়; সে নিজের প্রয়োজনের দাস। সত্যিকারের মানুষ সেই, যে তোমার প্রদীপ নিভে যাওয়ার পরও তোমার পাশে বসে থাকে।” যুবক জিজ্ঞেস করল, “তাহলে অন্ধকারের কাজ কী?” ঋষি দীর্ঘক্ষণ নীরব থেকে বললেন— “অন্ধকার শাস্তি নয়, বিচার। আলো সবাইকে একরকম দেখায়; অন্ধকার প্রত্যেককে তার প্রকৃত রূপে প্রকাশ করে। সোনা যেমন আগুনে খাঁটি হয়, তেমনি মানুষ বিপদে খাঁটি হয়।” তারপর তিনি মাটিতে একটি শুকনো পাতা তুলে হাতে চূর্ণ করে বললেন— “মনে রেখো, যে গাছ শুধু বসন্তে ছায়া দেয়, তাকে মহৎ বলা যায় না। মহৎ সেই বৃক্ষ, যে ঝড়ের রাতেও দাঁড়িয়ে থাকে। তেমনি যে মানুষ শুধু সুখে তোমার নাম উচ্চারণ করে, তাকে বন্ধু বলো না; যে দুঃসময়ে নীরবে তোমার পাশে থাকে, তার মূল্য রক্তের সম্পর্কের চেয়েও বড়।” সেদিন ঋষির শেষ বাণী ছিল— “মানুষকে দিনের আলোয় বিচার কোরো না; তার চরিত্রকে বিচার করো সেই রাতে, যেদিন তার কোনো স্বার্থ থাকে না। কারণ অন্ধকার কখনো মিথ্যার পক্ষ নেয় না।” লেখক আরফান সাদিক হিমু #bangladesh #caption #stutas #foryou

About