@user59011482126671: في كل دول العالم ترى الكلاب السائبة تخرج عندما تجوع الا في العراق تضهر عندما ترانا نحمل العلم الإيراني نحن وإيران مصيرنا واحد لن يفرقنا معهم سوى الموت 🇮🇷🇮🇷💪🇮🇶🇮🇶#الجمهورية_الاسلامية_الايرانية🇮🇷 #كربلاء_مدينة_العشق_والعاشقين #الحشد_الشعبي_المقدس #الحرس_الثوري_الإيراني #العراق🇮🇶 @لبنان 🇱🇧 @هيئة الحشد الشعبي @علياء الياسر

ابوفاطمه السلامي
ابوفاطمه السلامي
Open In TikTok:
Region: IQ
Monday 03 August 2026 11:15:15 GMT
1549
138
12
2

Music

Download

Comments

.765446
امي الغالية ،7654 :
❤️❤️❤️احسنتم النشر ❤️❤️❤️
2026-08-03 11:35:39
1
user25337846888044
سفيرة الاحزان :
كل انسان يعبر عن اخلاقه وتربيته..
2026-08-03 19:09:50
0
117asd
مولاتي فاطمه الزهراء :
✌️✌️✌️
2026-08-03 12:31:23
0
.....ss066
برير ($) :
ايران العشق والحب الابدي ..من واله ال محمد ولايته ومن عاده ال محمد عاديته
2026-08-03 15:53:24
2
user9612200374304
مدري البياتي :
اخي الكريم اكلك عن نفسك لا تتكلم باسم العراق عراق أكبر أن يكون تابع لاي دوله لا ايران ولا غيرها عراق العراقيين بس
2026-08-03 18:26:12
0
su.9b
su.9 :
بأي حق تعمم على كل العراق؟ يكفي أن العراقيين دفعوا ثمن قرارات غيرهم في السابق ، ولا نريد أن ندفع ثمن حرب لا علاقة لنا بها اليوم. العراق يحتاج إلى الاستقرار، لا إلى حروب جديدة
2026-08-03 12:23:40
1
user9523727882143
قادة النصر³¹³ :
2026-08-03 18:11:04
1
amm_wwa1
رۆض؟ :
🥰
2026-08-03 11:44:12
2
user13190490462281
يامال :
🥰🥰🥰
2026-08-03 14:15:09
0
To see more videos from user @user59011482126671, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

পথিককে জিজ্ঞাসা করিলাম, “পথের শেষ কোথায়?” পথিক কিঞ্চিৎ হাসিল। তাহার সেই হাসিতে ছিল বহু পথ চলার ক্লান্তি, বহু মানুষের মুখ দেখিবার অভিজ্ঞতা। সে বলিল, “পথের শেষ কোথায়, তাহা জানিবার আগে মানুষকে জিজ্ঞাসা কর—তোমার চাওয়ার শেষ কোথায়? কারণ পথ কখনো মানুষকে ক্লান্ত করে না; মানুষের অন্তহীন লোভই পথকে দীর্ঘ করিয়া তোলে।” আমি নীরব হইয়া রহিলাম। মনে হইল, কথাটি যেন বাতাসে ভাসিয়া আসিলেও তাহার শিকড় মানুষের ইতিহাসের গভীরে প্রোথিত। পথিক পুনরায় কহিল, “এই পৃথিবীতে যে শিশু জন্মগ্রহণ করে, তাহার মুষ্টি বন্ধ থাকে; যেন কিছু লইয়া আসিয়াছে। অথচ মৃত্যুর সময় তাহার দুই হাতই খোলা থাকে; যেন সমস্তই ফিরাইয়া দিয়া চলিয়া যাইতেছে। জীবন এই দুই হাতের মধ্যবর্তী এক ক্ষণস্থায়ী ভ্রমণ মাত্র। কিন্তু মানুষ সেই ভ্রমণকেই চিরস্থায়ী ভ্রম বলিয়া ভুল করিয়া বসে।” আমি বলিলাম, “তবে মানুষ এত সংগ্রাম করে কেন?” সে কহিল, “সংগ্রাম করিবার জন্য নয়, ভুলিয়া থাকার জন্য। মানুষ ভাবে—আরও ধন হইলে শান্তি পাইবে, আরও সম্মান হইলে সুখ আসিবে, আরও মানুষ তাহাকে চিনিলে তাহার জীবনের অর্থ পূর্ণ হইবে। কিন্তু সত্য ইহা যে, মানুষের অভাব কখনো তাহাকে এত কাঁদায় না, যতটা কাঁদায় তাহার লোভ।” সে পথের ধারে এক শুকাইয়া যাওয়া বৃক্ষের দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করিয়া বলিল, “দেখ, ইহার আর কোনো চাওয়া নাই; তাই ইহা নিশ্চুপ। নদী সাগরে গিয়া থামে, কারণ তাহার গন্তব্য আছে। কিন্তু মানুষের মনের কোনো সাগর নাই; তাই সে থামিতে জানে না।” আমি জিজ্ঞাসা করিলাম, “তবে সুখ কোথায় লুকাইয়া আছে?” সে বলিল, “সুখকে মানুষ ভুল স্থানে খোঁজে। সে বাজারে খোঁজে, প্রাসাদে খোঁজে, মানুষের প্রশংসায় খোঁজে। অথচ সুখ লুকাইয়া থাকে সন্তুষ্টির ক্ষুদ্র কুটিরে। যে মানুষ নিজের ভাগ্যের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধ করিতে পারে, সেই মানুষই পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী।” কিছুক্ষণ আমরা উভয়েই নীরব থাকিলাম। পথ দিয়া অগণিত মানুষ চলিয়া যাইতেছিল। কেহ দ্রুত, কেহ ধীরে, কেহ অন্যকে পিছনে ফেলিবার ব্যস্ততায়। কিন্তু সূর্যাস্ত সবার জন্য একই ছিল। তখন পথিক ধীরস্বরে বলিল, “বাস্তবতার সবচেয়ে নির্মম রূপ এই যে, মানুষ পৃথিবী জয় করিবার স্বপ্ন দেখে, অথচ নিজের মনকেই জয় করিতে পারে না। সে অপরের দোষ দেখিতে শিখে, কিন্তু নিজের অন্ধকার দেখিবার অবসর পায় না। তাই সভ্যতা যত অগ্রসর হয়, মানুষের অন্তর তত নিঃসঙ্গ হইয়া পড়ে।” আমি শেষবারের ন্যায় প্রশ্ন করিলাম, “তবে জীবনের প্রকৃত শিক্ষা কী?” পথিক আকাশের দিকে চাহিয়া বলিল, “যেদিন মানুষ বুঝিবে—যাহা প্রয়োজন তাহা অল্প, আর যাহা অপ্রয়োজন তাহাই অধিক; যেদিন সে বুঝিবে—মৃত্যুর কাছে রাজা ও ভিখারির পরিচয় এক; যেদিন সে জানিবে—লোভের চেয়ে শান্তি, প্রতিযোগিতার চেয়ে বিবেক, আর প্রাপ্তির চেয়ে ত্যাগ অধিক মূল্যবান—সেদিনই তাহার পথ শেষ হইবে। কারণ পথের শেষ কোনো নগরে নয়, কোনো পর্বতের চূড়ায় নয়; পথের শেষ মানুষের বিবেকে। যে নিজের অন্তরকে জয় করিল, সে আর কোথাও যাইবার প্রয়োজন অনুভব করে না। তাহার সকল পথ সেখানেই শেষ, আর সকল শান্তির সূচনা সেখানেই। লেখক আরফান সাদিক হিমু  #bangladesh #caption #stutas #foryou
পথিককে জিজ্ঞাসা করিলাম, “পথের শেষ কোথায়?” পথিক কিঞ্চিৎ হাসিল। তাহার সেই হাসিতে ছিল বহু পথ চলার ক্লান্তি, বহু মানুষের মুখ দেখিবার অভিজ্ঞতা। সে বলিল, “পথের শেষ কোথায়, তাহা জানিবার আগে মানুষকে জিজ্ঞাসা কর—তোমার চাওয়ার শেষ কোথায়? কারণ পথ কখনো মানুষকে ক্লান্ত করে না; মানুষের অন্তহীন লোভই পথকে দীর্ঘ করিয়া তোলে।” আমি নীরব হইয়া রহিলাম। মনে হইল, কথাটি যেন বাতাসে ভাসিয়া আসিলেও তাহার শিকড় মানুষের ইতিহাসের গভীরে প্রোথিত। পথিক পুনরায় কহিল, “এই পৃথিবীতে যে শিশু জন্মগ্রহণ করে, তাহার মুষ্টি বন্ধ থাকে; যেন কিছু লইয়া আসিয়াছে। অথচ মৃত্যুর সময় তাহার দুই হাতই খোলা থাকে; যেন সমস্তই ফিরাইয়া দিয়া চলিয়া যাইতেছে। জীবন এই দুই হাতের মধ্যবর্তী এক ক্ষণস্থায়ী ভ্রমণ মাত্র। কিন্তু মানুষ সেই ভ্রমণকেই চিরস্থায়ী ভ্রম বলিয়া ভুল করিয়া বসে।” আমি বলিলাম, “তবে মানুষ এত সংগ্রাম করে কেন?” সে কহিল, “সংগ্রাম করিবার জন্য নয়, ভুলিয়া থাকার জন্য। মানুষ ভাবে—আরও ধন হইলে শান্তি পাইবে, আরও সম্মান হইলে সুখ আসিবে, আরও মানুষ তাহাকে চিনিলে তাহার জীবনের অর্থ পূর্ণ হইবে। কিন্তু সত্য ইহা যে, মানুষের অভাব কখনো তাহাকে এত কাঁদায় না, যতটা কাঁদায় তাহার লোভ।” সে পথের ধারে এক শুকাইয়া যাওয়া বৃক্ষের দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করিয়া বলিল, “দেখ, ইহার আর কোনো চাওয়া নাই; তাই ইহা নিশ্চুপ। নদী সাগরে গিয়া থামে, কারণ তাহার গন্তব্য আছে। কিন্তু মানুষের মনের কোনো সাগর নাই; তাই সে থামিতে জানে না।” আমি জিজ্ঞাসা করিলাম, “তবে সুখ কোথায় লুকাইয়া আছে?” সে বলিল, “সুখকে মানুষ ভুল স্থানে খোঁজে। সে বাজারে খোঁজে, প্রাসাদে খোঁজে, মানুষের প্রশংসায় খোঁজে। অথচ সুখ লুকাইয়া থাকে সন্তুষ্টির ক্ষুদ্র কুটিরে। যে মানুষ নিজের ভাগ্যের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধ করিতে পারে, সেই মানুষই পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী।” কিছুক্ষণ আমরা উভয়েই নীরব থাকিলাম। পথ দিয়া অগণিত মানুষ চলিয়া যাইতেছিল। কেহ দ্রুত, কেহ ধীরে, কেহ অন্যকে পিছনে ফেলিবার ব্যস্ততায়। কিন্তু সূর্যাস্ত সবার জন্য একই ছিল। তখন পথিক ধীরস্বরে বলিল, “বাস্তবতার সবচেয়ে নির্মম রূপ এই যে, মানুষ পৃথিবী জয় করিবার স্বপ্ন দেখে, অথচ নিজের মনকেই জয় করিতে পারে না। সে অপরের দোষ দেখিতে শিখে, কিন্তু নিজের অন্ধকার দেখিবার অবসর পায় না। তাই সভ্যতা যত অগ্রসর হয়, মানুষের অন্তর তত নিঃসঙ্গ হইয়া পড়ে।” আমি শেষবারের ন্যায় প্রশ্ন করিলাম, “তবে জীবনের প্রকৃত শিক্ষা কী?” পথিক আকাশের দিকে চাহিয়া বলিল, “যেদিন মানুষ বুঝিবে—যাহা প্রয়োজন তাহা অল্প, আর যাহা অপ্রয়োজন তাহাই অধিক; যেদিন সে বুঝিবে—মৃত্যুর কাছে রাজা ও ভিখারির পরিচয় এক; যেদিন সে জানিবে—লোভের চেয়ে শান্তি, প্রতিযোগিতার চেয়ে বিবেক, আর প্রাপ্তির চেয়ে ত্যাগ অধিক মূল্যবান—সেদিনই তাহার পথ শেষ হইবে। কারণ পথের শেষ কোনো নগরে নয়, কোনো পর্বতের চূড়ায় নয়; পথের শেষ মানুষের বিবেকে। যে নিজের অন্তরকে জয় করিল, সে আর কোথাও যাইবার প্রয়োজন অনুভব করে না। তাহার সকল পথ সেখানেই শেষ, আর সকল শান্তির সূচনা সেখানেই। লেখক আরফান সাদিক হিমু #bangladesh #caption #stutas #foryou

About