@arq.gabrielaribeiro: esse é maraaa! @arq.gabrielaribeiro

@arq.gabrielaribeiro
@arq.gabrielaribeiro
Open In TikTok:
Region: BR
Tuesday 04 August 2026 16:42:38 GMT
8000
649
7
66

Music

Download

Comments

faarq.design
Arquiteta Fatima Abreu :
Ameiii!!! ❤️
2026-08-12 02:08:26
0
karolinygommes
Karol Gomes :
Gratidãoooo
2026-08-05 13:38:42
0
raphaaj
Raphael Jovelino :
Adorei a dica!!
2026-08-19 20:53:47
0
biancasrodriguess
bianca :
Ameii!
2026-08-07 02:40:03
0
theligiagabriela
Lígia Gabriela ⚡️ :
Ameiii
2026-08-06 16:37:18
0
acht_arquitetos
Acht Arquitetos :
🥰
2026-08-08 14:57:42
0
maritonetto
Mariana Tonetto | Arquitetura :
👏👏👏👏👏
2026-08-10 18:38:09
0
To see more videos from user @arq.gabrielaribeiro, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় পরীক্ষায় ফেল করেছিলেন আল ইমরান। ফলাফল শুধু খারাপই হয়নি, সেই ব্যর্থতার কারণে স্কুল থেকেও বের করে দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। একের পর এক ব্যর্থতা যেন তখন তাঁর শিক্ষাজীবনের পরিচিত বাস্তবতা। কিন্তু সেই ছেলেটিই আজ যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান নাসার জেট প্রোপালশন ল্যাবরেটরির গবেষক। মঙ্গলগ্রহে প্রাণের সম্ভাব্য বসবাসযোগ্য পরিবেশ অনুসন্ধানের মতো গুরুত্বপূর্ণ গবেষণায় কাজ করছেন নরসিংদীর মনোহরদীর এই সন্তান ড. আল ইমরান। ইমরানের গল্প তাই কেবল নাসায় পৌঁছানোর গল্প নয়। এটি বারবার ব্যর্থ হওয়ার পরও হাল না ছাড়ার গল্প। স্কুলজীবনে পড়াশোনায় খুব ভালো ফল করা শিক্ষার্থী ছিলেন না ইমরান। নবম শ্রেণিতে ফেল করার পর স্কুল থেকে বের হয়ে যেতে হয় তাঁকে। পরবর্তী সময়ে এসএসসি ও এইচএসসিতেও তাঁর ফলাফল ছিল না অসাধারণ। এসএসসিতে বিজ্ঞান বিভাগে চতুর্থ বিষয় ছাড়া তাঁর জিপিএ ছিল ৩.৫৭ এবং এইচএসসিতে ৪.৪। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সময়ও ব্যর্থতার ধারাবাহিকতা থামেনি। বুয়েট, মেডিকেল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের ভর্তি পরীক্ষায় কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাননি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় সুযোগ এলেও তাঁর অবস্থান ছিল বেশ দূরে। শেষ পর্যন্ত ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগে। অনেকে হয়তো এখানেই তাঁর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে ফেলতে পারতেন। কিন্তু ইমরানের গল্প তখনও শুরুই হয়নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে যেন নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করেন তিনি। যে শিক্ষার্থী স্কুল-কলেজে বারবার ব্যর্থ হয়েছেন, তিনিই অনার্স ও মাস্টার্স—দুই পর্যায়েই বিভাগে প্রথম হন। অনার্সে তাঁর সিজিপিএ ৩.৬৯ এবং মাস্টার্সে ৩.৯৭। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার পাশাপাশি অন্য একটি স্বপ্নও ছিল তাঁর—দেশের সশস্ত্র বাহিনীতে যোগ দেওয়া। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীতে যোগ দেওয়ার জন্য দশবারের বেশি চেষ্টা করেন। আইএসএসবি পরীক্ষায় অংশ নেন দুইবার। দুইবারই পান ‘রেড কার্ড’। একটির পর একটি দরজা বন্ধ হচ্ছিল। কিন্তু ইমরান থামেননি। এরপর তাঁর স্বপ্নের দিক বদলে যায়। মহাকাশ ও গ্রহবিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ তাঁকে নিয়ে যায় প্লানেটারি সায়েন্সের দিকে। উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সেখানেও অপেক্ষা করছিল নতুন পরীক্ষা। IELTS, GRE ও TOEFL—ভাষা ও উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাগুলোতেও প্রথম চেষ্টায় সফল হতে পারেননি। একবার নয়, দুইবার করে ব্যর্থতার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাঁকে। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করেন। টানা ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসে প্রত্যাখ্যানের খবর। এতগুলো ‘না’ পাওয়ার পরও তাঁর স্বপ্নের প্রতি বিশ্বাস নষ্ট হয়নি। শেষ পর্যন্ত অবার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্লানেটারি জিওসায়েন্সে স্কলারশিপ নিয়ে মাস্টার্স করার সুযোগ পান ইমরান। যে শিক্ষার্থী স্কুলে ফেল করেছিলেন, তিনিই সেখানে অর্জন করেন পূর্ণ ৪.০০ সিজিপিএ। এ যেন তাঁর জীবনের গল্পে একের পর এক অধ্যায়ের বদলে যাওয়া। বাংলাদেশে যে ফলাফল তাঁকে বারবার পিছিয়ে দিয়েছিল, সেটিই যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে আর তাঁর পরিচয় হয়ে থাকেনি। বরং অধ্যবসায়, কঠোর পরিশ্রম ও নিজের প্রতি বিশ্বাস তাঁকে এগিয়ে নিয়ে যায় ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানোর পর অবার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্লানেটারি জিওসায়েন্সে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন তিনি। এরপর ইউনিভার্সিটি অব আরকানসাস থেকে ২০২২ সালে স্পেস অ্যান্ড প্লানেটারি সায়েন্সে পিএইচডি অর্জন করেন। পিএইচডির উৎসর্গ অংশে বাংলাদেশের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে লিখেছিলেন—‘মাতৃভূমি বাংলাদেশের সম্মানে।’ পিএইচডির শেষ দিকে নাসার জেট প্রোপালশন ল্যাবরেটরিতে পোস্টডক্টরাল ফেলোর সুযোগের কথা জানতে পারেন ইমরান। আবেদন করেন। এরপর কয়েক ধাপের যাচাই-বাছাই, পরীক্ষা ও সাক্ষাৎকার পেরিয়ে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত সুযোগ। ২০২৩ সালের ৩ জানুয়ারি ক্যালিফোর্নিয়ার পাসাডেনায় অবস্থিত নাসার জেট প্রোপালশন ল্যাবরেটরিতে পোস্টডক্টরাল ফেলো হিসেবে যোগ দেন তিনি শৈশবে জোছনাভরা রাতে আকাশের দিকে তাকিয়ে যে ছেলেটি ভাবতেন—চাঁদে মানুষ গেল কীভাবে, সেখানে কী আছে, মানুষ কি সেখানে থাকতে পারবে—আজ তাঁর গবেষণার বিষয় পৃথিবীর বাইরের সেই জগতই জেপিএলে তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র মঙ্গলগ্রহ। সেখানে প্রাণের সম্ভাব্য বসবাসযোগ্য পরিবেশ অনুসন্ধান নিয়ে কাজ করছেন তিনি। তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন জেপিএলের গবেষণা বিজ্ঞানী ক্যাথরিন স্ট্যাক মরগান নাসায় পৌঁছানোর এই পথটি কোনোভাবেই সহজ ছিল না। স্কুল থেকে বহিষ্কার, একের পর এক পরীক্ষায় ব্যর্থতা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় প্রত্যাখ্যান, সশস্ত্র বাহিনীতে যোগ দেওয়ার প্রচেষ্টায় বারবার ব্যর্থতা, আন্তর্জাতিক মানের পরীক্ষায় ব্যর্থতা এবং একের পর এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রিজেকশন—প্রতিটি ধাপেই থেমে যাওয়ার যথেষ্ট কারণ ছিল
নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় পরীক্ষায় ফেল করেছিলেন আল ইমরান। ফলাফল শুধু খারাপই হয়নি, সেই ব্যর্থতার কারণে স্কুল থেকেও বের করে দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। একের পর এক ব্যর্থতা যেন তখন তাঁর শিক্ষাজীবনের পরিচিত বাস্তবতা। কিন্তু সেই ছেলেটিই আজ যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান নাসার জেট প্রোপালশন ল্যাবরেটরির গবেষক। মঙ্গলগ্রহে প্রাণের সম্ভাব্য বসবাসযোগ্য পরিবেশ অনুসন্ধানের মতো গুরুত্বপূর্ণ গবেষণায় কাজ করছেন নরসিংদীর মনোহরদীর এই সন্তান ড. আল ইমরান। ইমরানের গল্প তাই কেবল নাসায় পৌঁছানোর গল্প নয়। এটি বারবার ব্যর্থ হওয়ার পরও হাল না ছাড়ার গল্প। স্কুলজীবনে পড়াশোনায় খুব ভালো ফল করা শিক্ষার্থী ছিলেন না ইমরান। নবম শ্রেণিতে ফেল করার পর স্কুল থেকে বের হয়ে যেতে হয় তাঁকে। পরবর্তী সময়ে এসএসসি ও এইচএসসিতেও তাঁর ফলাফল ছিল না অসাধারণ। এসএসসিতে বিজ্ঞান বিভাগে চতুর্থ বিষয় ছাড়া তাঁর জিপিএ ছিল ৩.৫৭ এবং এইচএসসিতে ৪.৪। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সময়ও ব্যর্থতার ধারাবাহিকতা থামেনি। বুয়েট, মেডিকেল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের ভর্তি পরীক্ষায় কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাননি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় সুযোগ এলেও তাঁর অবস্থান ছিল বেশ দূরে। শেষ পর্যন্ত ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগে। অনেকে হয়তো এখানেই তাঁর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে ফেলতে পারতেন। কিন্তু ইমরানের গল্প তখনও শুরুই হয়নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে যেন নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করেন তিনি। যে শিক্ষার্থী স্কুল-কলেজে বারবার ব্যর্থ হয়েছেন, তিনিই অনার্স ও মাস্টার্স—দুই পর্যায়েই বিভাগে প্রথম হন। অনার্সে তাঁর সিজিপিএ ৩.৬৯ এবং মাস্টার্সে ৩.৯৭। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার পাশাপাশি অন্য একটি স্বপ্নও ছিল তাঁর—দেশের সশস্ত্র বাহিনীতে যোগ দেওয়া। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীতে যোগ দেওয়ার জন্য দশবারের বেশি চেষ্টা করেন। আইএসএসবি পরীক্ষায় অংশ নেন দুইবার। দুইবারই পান ‘রেড কার্ড’। একটির পর একটি দরজা বন্ধ হচ্ছিল। কিন্তু ইমরান থামেননি। এরপর তাঁর স্বপ্নের দিক বদলে যায়। মহাকাশ ও গ্রহবিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ তাঁকে নিয়ে যায় প্লানেটারি সায়েন্সের দিকে। উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সেখানেও অপেক্ষা করছিল নতুন পরীক্ষা। IELTS, GRE ও TOEFL—ভাষা ও উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাগুলোতেও প্রথম চেষ্টায় সফল হতে পারেননি। একবার নয়, দুইবার করে ব্যর্থতার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাঁকে। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করেন। টানা ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসে প্রত্যাখ্যানের খবর। এতগুলো ‘না’ পাওয়ার পরও তাঁর স্বপ্নের প্রতি বিশ্বাস নষ্ট হয়নি। শেষ পর্যন্ত অবার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্লানেটারি জিওসায়েন্সে স্কলারশিপ নিয়ে মাস্টার্স করার সুযোগ পান ইমরান। যে শিক্ষার্থী স্কুলে ফেল করেছিলেন, তিনিই সেখানে অর্জন করেন পূর্ণ ৪.০০ সিজিপিএ। এ যেন তাঁর জীবনের গল্পে একের পর এক অধ্যায়ের বদলে যাওয়া। বাংলাদেশে যে ফলাফল তাঁকে বারবার পিছিয়ে দিয়েছিল, সেটিই যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে আর তাঁর পরিচয় হয়ে থাকেনি। বরং অধ্যবসায়, কঠোর পরিশ্রম ও নিজের প্রতি বিশ্বাস তাঁকে এগিয়ে নিয়ে যায় ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানোর পর অবার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্লানেটারি জিওসায়েন্সে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন তিনি। এরপর ইউনিভার্সিটি অব আরকানসাস থেকে ২০২২ সালে স্পেস অ্যান্ড প্লানেটারি সায়েন্সে পিএইচডি অর্জন করেন। পিএইচডির উৎসর্গ অংশে বাংলাদেশের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে লিখেছিলেন—‘মাতৃভূমি বাংলাদেশের সম্মানে।’ পিএইচডির শেষ দিকে নাসার জেট প্রোপালশন ল্যাবরেটরিতে পোস্টডক্টরাল ফেলোর সুযোগের কথা জানতে পারেন ইমরান। আবেদন করেন। এরপর কয়েক ধাপের যাচাই-বাছাই, পরীক্ষা ও সাক্ষাৎকার পেরিয়ে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত সুযোগ। ২০২৩ সালের ৩ জানুয়ারি ক্যালিফোর্নিয়ার পাসাডেনায় অবস্থিত নাসার জেট প্রোপালশন ল্যাবরেটরিতে পোস্টডক্টরাল ফেলো হিসেবে যোগ দেন তিনি শৈশবে জোছনাভরা রাতে আকাশের দিকে তাকিয়ে যে ছেলেটি ভাবতেন—চাঁদে মানুষ গেল কীভাবে, সেখানে কী আছে, মানুষ কি সেখানে থাকতে পারবে—আজ তাঁর গবেষণার বিষয় পৃথিবীর বাইরের সেই জগতই জেপিএলে তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র মঙ্গলগ্রহ। সেখানে প্রাণের সম্ভাব্য বসবাসযোগ্য পরিবেশ অনুসন্ধান নিয়ে কাজ করছেন তিনি। তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন জেপিএলের গবেষণা বিজ্ঞানী ক্যাথরিন স্ট্যাক মরগান নাসায় পৌঁছানোর এই পথটি কোনোভাবেই সহজ ছিল না। স্কুল থেকে বহিষ্কার, একের পর এক পরীক্ষায় ব্যর্থতা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় প্রত্যাখ্যান, সশস্ত্র বাহিনীতে যোগ দেওয়ার প্রচেষ্টায় বারবার ব্যর্থতা, আন্তর্জাতিক মানের পরীক্ষায় ব্যর্থতা এবং একের পর এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রিজেকশন—প্রতিটি ধাপেই থেমে যাওয়ার যথেষ্ট কারণ ছিল

About