@userhprbltbnzc:

بقاسم الكابس
بقاسم الكابس
Open In TikTok:
Region: DZ
Tuesday 04 August 2026 19:12:08 GMT
4828
233
8
57

Music

Download

Comments

kader.kader4057
kader kader :
ثقة كبيرة للدبلوماسية الجزائرية تحيا الرجال 💪💪💪
2026-08-04 20:06:52
3
aminezenata
aminezenata :
اللهم ووفقنا
2026-08-04 21:19:31
1
djamel.amri
djamel amri :
كلام كلام يبقى كلام لا يسكمن و لا يغني
2026-08-04 21:06:19
1
khaledghlam32
khaledghlam32مشاءالله وتبارك ا :
لماذا رفح...ولا تتكلم عن غزة وعسقلان
2026-08-04 20:08:02
1
tejeddinemehmet
tejeddinemehmet :
🥰🥰🥰ربي يحفظ النزهاء الشرفاء الساهرين على القضابا العادلة
2026-08-04 19:55:23
1
yam_zahra04
yaminazahra770 :
🥰🥰🥰
2026-08-05 03:41:25
1
sassimaalem16g.c
sassi maalem :
🥰🥰🥰
2026-08-04 20:08:34
1
lazhar.cheriet3
Lazhar Cheriet :
🥰🥰🥰🥰🥰🥰🥰🥰
2026-08-05 18:07:13
0
To see more videos from user @userhprbltbnzc, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

Hide & seek | s2 | part-86 Y/n : huh, তুমি একটু বেশিই emotional Taehyung!  Tae : বাদ দাও, এখন বলো আমি তোমার হাসির কারণ হলাম কীভাবে? সবসময় তো আমার সাথে ঝগড়া করতে থাকো।   Y/n : যখন ব্রিটিশরা আমার ইংরেজির প্রশংসা করে তখন সর্বপ্রথম আমার তোমার কথাই মনে পড়ে, প্রশংসা শুনে অবশ্যই আমার মধ্যে ঝগড়া করার মনোভাব সৃষ্টি হবে না! আরেকটা কথা,আমাকে বন্ধুর থেকে বেশি কিছু ভেবে বোকার পরিচয় দিও না। প্রথমে তোমাকে সহ্য করতে পারতাম না, তবে সময়ের পরিবর্তনে আমার মনটাও পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। আশা করি আমরা সারাজীবন ভালো বন্ধু হয়ে থাকবো!  Tae : যাক, আমার সঙ্গে সারাজীবন থাকতে চেয়েছো এর থেকে বড় প্রাপ্তি আর কি হতে পারে। বন্ধু হয়ে থেকো কিন্তু সারাজীবন থেকো।  বুকে পাথর চেপে কথাগুলো বললো Taehyung, তবে y/n এর সামনে নিজেকে সর্বোচ্চ শান্ত রাখার চেষ্টা করছে সে?  পুরুষ ও নারীর বন্ধুত্ব ভালোবাসায় পরিনত হতে হয়তো খুব বেশি সময় লাগে না, কিন্তু ওই স্বল্প সময়টাই Taehyung এর ভাগ্যে লিখেনি সৃষ্টিকর্তা!  সেদিন  y/n আর y/n2 বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফিরে যখন নিজের বাবা মার নি* থর প্রাণহীন দেহের পাশে ছু* ড়ি হাতে Taehyung কে দাড়িয়ে থাকতে দেখলো তখন থেকেই y/nএর মনে ঘৃনার জন্ম হয়েছিলো!  যেখানে ভালোবাসা থাকে না সেখানে হয়তো ঘৃনা খুব সহজেই জন্ম নিয়ে নেয়!  ৯ নাম্বার পৃষ্ঠা শেষ হলো ! y/n ১০ নাম্বার পৃষ্ঠা পড়া শুরু করলো।  কিছুক্ষণ পড়ার পর সে অনুভব করতে পারলো লেখাগুলো তার খুব পরিচিত, যেন সে নিজেই লিখেছে!  কয়েক পৃষ্ঠা পড়ার পর y/n নিশ্চিত হয়ে গেলো তার ডায়েরির লেখাগুলো হুবহু অনুকরণ করে এখানে লেখা হয়েছে!  লেখাগুলো পড়ার প্রয়োজন মনে করলো  না সে। সে তো পাগলের মতো খুজে বেড়াচ্ছে সেই অজানা তথ্য, যে তথ্য Taeকে নির্দোষ প্রমাণিত করবে!  এক এক করে বইটার পাতা উল্টাতে থাকলো Y/n!  সেখানে y/n আর Jungkook এর মৃত্যুর পরবর্তী কাহিনী ও উল্লেখ করা আছে!  Y/n2 আর Jimin মিলে কীভাবে তদন্ত করে নর্তকীদের অতৃপ্ত আত্মা মুক্তি দিয়েছিলো, কীভাবে নর্তকী মহল পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছিলো এমনকি কীভাবে নর্তকীদের মুক্ত করে দেওয়া হয়েছিলো প্রত্যেকটা কাহিনী খুব সুন্দর করে গুছিয়ে লেখা!  এরমধ্যে একটা উক্তি y/nএর দৃষ্টি আকর্ষণ করলো! যেখানে Tae, y/n আর Jungkook এর কবরের সামনে বসে বলেছিলো,
Hide & seek | s2 | part-86 Y/n : huh, তুমি একটু বেশিই emotional Taehyung! Tae : বাদ দাও, এখন বলো আমি তোমার হাসির কারণ হলাম কীভাবে? সবসময় তো আমার সাথে ঝগড়া করতে থাকো। Y/n : যখন ব্রিটিশরা আমার ইংরেজির প্রশংসা করে তখন সর্বপ্রথম আমার তোমার কথাই মনে পড়ে, প্রশংসা শুনে অবশ্যই আমার মধ্যে ঝগড়া করার মনোভাব সৃষ্টি হবে না! আরেকটা কথা,আমাকে বন্ধুর থেকে বেশি কিছু ভেবে বোকার পরিচয় দিও না। প্রথমে তোমাকে সহ্য করতে পারতাম না, তবে সময়ের পরিবর্তনে আমার মনটাও পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। আশা করি আমরা সারাজীবন ভালো বন্ধু হয়ে থাকবো! Tae : যাক, আমার সঙ্গে সারাজীবন থাকতে চেয়েছো এর থেকে বড় প্রাপ্তি আর কি হতে পারে। বন্ধু হয়ে থেকো কিন্তু সারাজীবন থেকো। বুকে পাথর চেপে কথাগুলো বললো Taehyung, তবে y/n এর সামনে নিজেকে সর্বোচ্চ শান্ত রাখার চেষ্টা করছে সে? পুরুষ ও নারীর বন্ধুত্ব ভালোবাসায় পরিনত হতে হয়তো খুব বেশি সময় লাগে না, কিন্তু ওই স্বল্প সময়টাই Taehyung এর ভাগ্যে লিখেনি সৃষ্টিকর্তা! সেদিন y/n আর y/n2 বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফিরে যখন নিজের বাবা মার নি* থর প্রাণহীন দেহের পাশে ছু* ড়ি হাতে Taehyung কে দাড়িয়ে থাকতে দেখলো তখন থেকেই y/nএর মনে ঘৃনার জন্ম হয়েছিলো! যেখানে ভালোবাসা থাকে না সেখানে হয়তো ঘৃনা খুব সহজেই জন্ম নিয়ে নেয়! ৯ নাম্বার পৃষ্ঠা শেষ হলো ! y/n ১০ নাম্বার পৃষ্ঠা পড়া শুরু করলো। কিছুক্ষণ পড়ার পর সে অনুভব করতে পারলো লেখাগুলো তার খুব পরিচিত, যেন সে নিজেই লিখেছে! কয়েক পৃষ্ঠা পড়ার পর y/n নিশ্চিত হয়ে গেলো তার ডায়েরির লেখাগুলো হুবহু অনুকরণ করে এখানে লেখা হয়েছে! লেখাগুলো পড়ার প্রয়োজন মনে করলো না সে। সে তো পাগলের মতো খুজে বেড়াচ্ছে সেই অজানা তথ্য, যে তথ্য Taeকে নির্দোষ প্রমাণিত করবে! এক এক করে বইটার পাতা উল্টাতে থাকলো Y/n! সেখানে y/n আর Jungkook এর মৃত্যুর পরবর্তী কাহিনী ও উল্লেখ করা আছে! Y/n2 আর Jimin মিলে কীভাবে তদন্ত করে নর্তকীদের অতৃপ্ত আত্মা মুক্তি দিয়েছিলো, কীভাবে নর্তকী মহল পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছিলো এমনকি কীভাবে নর্তকীদের মুক্ত করে দেওয়া হয়েছিলো প্রত্যেকটা কাহিনী খুব সুন্দর করে গুছিয়ে লেখা! এরমধ্যে একটা উক্তি y/nএর দৃষ্টি আকর্ষণ করলো! যেখানে Tae, y/n আর Jungkook এর কবরের সামনে বসে বলেছিলো, " কোনো এক জন্মে নাহয় আমি Jungkook হয়ে জন্মাবো, তখন তো y/nকে আমার হতেই হবে। তখন y/n আমার হতে বাধ্য " লেখাটা পড়ে y/n এর বুকে কাপুনি উঠে গেলো। অন্য এক ভাবনার জগতে তলিয়ে গেলো। আসলেও তো। Taeএর বলা কথাটা, Taehyungএর জমিদার বংশে জন্মগ্রহণ ,পুনরায় তাদের দেখা, y/nকে রহস্যময়ী বলে ডাকা, আবার y/n ও অনুভূতির বশে Taeকে ছোট জমিদার সাহেব বলে ডেকেছে তাকে ভালোবেসেছে, পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে, প্রত্যেকটা ঘটনাই কি কাকতালীয়? এর মধ্যে কি বস্তবের ছিটে ফোটাও নেই? না না! কাকতালীয় হতে যাবে কেন? এসব তো y/n এর চোখের সামনেই ঘটছে। পুরোটাই তো বাস্তব সত্য! Y/n আর ভাবতে পারছে না, কষ্ট হচ্ছে তার। বুকের মধ্যে অস্থিরতা চেপে ধরে নির্দোষ Taeএর তালাশ করছে! এভাবে ১৬০ টা পৃষ্ঠা অতিক্রম করলো সে! পৃষ্ঠা নাম্বার - ১৬১ * এবার আমি তোমাকে বলবো বইটার নাম আমি Hide & seek রেখেছি কেন? Hide & seek মানে, লুকোচুরি। Tae নিজের ভালোবাসা কে hide & seek এর সাথে তুলনা করেছে, কেনানা Tae তোমার প্রেমে পড়ার পর থেকে শেষ পর্যন্ত তুমি মন দিয়ে তার সাথে লুকোচুরি টাই খেলেছো! আর Jungkook তোমার জন্য পুরো দুনিয়ার সাথে খেলেছে । এবার আমি খেললাম তোমার সাথে ! অস্থিরতা নিয়ে পুরো বইটা পড়েছো? নিশ্চয়ই কষ্ট হয়েছে? কষ্ট হয়েছে এটা জানার জন্য যে Tae কখন নির্দোষ প্রমাণিত হবে? এতো অস্থিরতা কেন? তোমার শ্বাস ভারি হয়ে আসছে কেন? এর নাম কি ভালোবাসা নয়? তুমি তো প্রেমে পড়ে গেছো ছোট জমিদার সাহেবের রহস্যময়ী! প্রেমে না পড়ে যাবে কোথায়? দুজনের ভালোবাসার পার্থক্য কি আদৌ খুঁজে পেয়েছো? পৃথিবীর অন্যতম ভাগ্যবতী নারী তুমি! Tae এবং Jungkook দুজনই তোমাকে নি স্বার্থ ভাবে ভালোবেসেছিলো! কিন্তু পুরো কাহিনীটা আরো একবার লেখার পর, দেখার পর, উপলব্ধি করার পর একটা পার্থক্য আমি অবশ্যই পেয়েছি। তা হলো শুন্যতা, অভাব থেকে ভালোবাসার উৎপত্তি! Taehyung একজন, যে কিনা তোমাকে তার শুন্যতা অনুভব করতে দেয়নি, তোমার জীবনে Taehyung এর অভাব উপলব্ধি করতে দেয়নি, যে কিনা তোমার ছায়ার থেকেও অধিক নিকটে থাকার প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতো! আর এক হলো Jungkook, যে কিনা তোমার ভালোবাসা পাওয়ার প্রচেষ্টায় এতোটাই গম্ভীর ছিলো যে তোমার থেকে দূরে যাওয়ার যন্ত্রনা সহ্য করেছে যাতে তুমি নিজে তাকে কাছে টেনে নাও! যাতে তুমি তার শূন্যতা অনুভব করতে পারো তবেই তো তোমার মনে ভালোবাসার জন্ম নেবে! Jungkookএর প্রচেষ্টা ছিলো নিখুঁত, সেখানে Tae ছিলো নিতান্তই বোকা প্রেমিক.. _

About