Language
English
عربي
Tiếng Việt
русский
français
español
日本語
한글
Deutsch
हिन्दी
简体中文
繁體中文
API
Home
How To Use
Language
English
عربي
Tiếng Việt
русский
français
español
日本語
한글
Deutsch
हिन्दी
简体中文
繁體中文
Home
Detail
@ramazon_264:
Ramazon_264
Open In TikTok:
Region: UZ
Wednesday 05 August 2026 08:02:40 GMT
71
5
0
1
Music
Download
No Watermark .mp4 (
1.06MB
)
No Watermark(HD) .mp4 (
1.06MB
)
Watermark .mp4 (
1.84MB
)
Music .mp3
Comments
There are no more comments for this video.
To see more videos from user @ramazon_264, please go to the Tikwm homepage.
Other Videos
Neymar Transitions 😍🔥 || ib : @full ae || Hashtag: #neymar #footballtiktok #brazil #edit
#CapCut #creatorsearchinsights #العراق🇮🇶 سيراميك
😹😹
Hide and seek | s2 | part -119 Jimin দুষ্ট হাসি দিয়ে তৎক্ষণাৎ ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়ে । Jimin এর পেছনেই দাঁড়িয়ে ছিলো y/n2 । Jimin সরে যাওয়ায় y/n2এর মুখটা দেখতে পায় mrs park । Y/n2এর মুখ দেখে চমকে ওঠেন তিনি । সামনের মেয়েটা কে হতে পারে, তার মুখে কেন অবিকল y/nএর মুখের প্রতিচ্ছবি? হাজারো প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে mrs parkএর মাথায় । নাহ্! তিনি আর ভাবতে পারছেন না । দ্রুত গিয়ে y/n2এর দুবাহু চেপে ধরেন । mrs park: কে তুমি? আমার y/nএর মতো অবিকল দেখতে, যেন ওরই যমজ বোন! কি পরিচয় তোমার? y/n2এর চোখে পানি ছলছল করছে! মাত্রাধিক পানির কারণে চোখে ঝাপসা দেখছে সে! খুব কষ্টে কাপা কাপা কন্ঠে বলে উঠলো, y/n2 : মা..! মা ডাকটা শুনে mrs park এর বুকটা মোচড় দিয়ে উঠলো । সে নিজেকে সামলাতে পারছেন না। শরীরের ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছেন। তবুও নিজেকে শক্ত রেখে y/n2 কে আকড়ে ধরে কঠোর কণ্ঠে বলে উঠলো, mrs park: কে তোমার মা? আমি তো তোমার মা নই । তোমার আসল পরিচয় কী, বলো আমাকে । দূর থেকে সবটা দেখছে জিমিন! Tae আর y/n jimin কে প্রশ্ন করে, তাদের মধ্যে কি এতো কথা হচ্ছে! জিমিন তাদের প্রশ্ন উপেক্ষা করে মুচকি হেসে দরজার দিকে যেতে থাকে। jimin পকেট থেকে একটা খাম বের করে mrs park এর হাতে দিয়ে বলে, jimin : চিঠিটা পড়লে সব বুঝতে পারবেন আন্টি । এখানে দাড়িয়ে না থেকে আমরা কি বসে শান্তিপূর্ণ ভাবে এই বিষয়টা নিয়ে কথা বলতে পারি না? mrs park সম্মতি জানায়। বসার ঘরে সোফায় বসে চিঠিটা পড়ছে mrs park । jimin আর y/n2 বাদে প্রত্যেকেই কৌতুহলী নজরে তাকিয়ে আছে তার দিকে । জিমিন আর y/n2এর মুখ দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে তারা এই চিঠি সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত । বেশ কিছুক্ষণ সময় নিয়ে mrs park চিঠিটা পড়ে শেষ করলো! চোখে তার পানি টলমল করছে! এক সেকেন্ড ও স্থির হয়ে বসলো না সে । দ্রুত গিয়ে y/n2এর মাথা নিজের বুকে রেখে তাঁকে আষ্টে পিষ্টে জড়িয়ে ধরলো! পুরো বাড়ি স্তব্ধ! শুধু শোনা যাচ্ছে y/n2 আর mrs park এর গোঙানির শব্দ! দুজন দুজনকে জড়িয়ে ধরে ফুপিয়ে কান্না করছে! y/n কিছু বুঝতে পারছে না । তবুও সে কাঁদছে । মাঝে মাঝে কান্নার পেছনে কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যায়না! মস্তিষ্ক শুধু একটা কথাই বলে, “ তুমি কাঁদো, এ কান্নার কোনো উৎপত্তিস্থল নেই “! —— পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে এসেছে! mrs park এতদিন যে কথা গুলো হৃদয়ের অন্তঃস্থলে লুকিয়ে রেখেছিলেন তা আজ সবার সামনে প্রকাশ করবেন তিনি! চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন তিনি! এখানে উপস্থিত প্রত্যেকের জানার অধিকার আছে! mrs park বলতে শুরু করেন, mrs park: আজ থেকে প্রায় ২০-২১ বছর আগে আমি আর mr park ভালোবেসে একে অপরেকে বিয়ে করি! আমাদের বিয়েটা স্বাভাবিক কোনো বিয়ে ছিলো না । আমি ছিলাম জমিদার বাড়ির মেয়ে আর mr park ছিলেন সামান্য একজন গৃহ শিক্ষক! মা বাদে কেউই আমাদের বিয়েতে রাজি ছিলো না । তাই বাধ্য হয়ে পালিয়ে বিয়ে করি আমরা । আমি কি করে জানবো সেটাই ছিলো আমার জীবনের মস্ত বড় ভুল । বিয়ে করে আমরা অন্য এক গ্রামে চলে গেছিলাম । আমার বাবা আর ভাই আমাদের খুঁজতে খুঁজতে সেই ঠিকানাটাও পেয়ে গেল! তখন আমাদের বিয়ের দেড় বছর পূর্ণ হয়েছে! আমি তখন ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা! আমার চোখের সামনে আমার বাবা আর ভাই আমার স্বামী কে খু *ন করে! শুধু আমার স্বামীকে খু *ন করেই ওরা ক্ষান্ত হয়নি। ওরা আমার বাচ্চাকেও নষ্ট করে দিতে চেয়েছিলো । আমি অনেক আকুতি মিনতি করে ওদের কাছে আমার বাচ্চার প্রাণ ভিক্ষা চাই । তখন ওরা আমাকে ছেড়ে দেয় ঠিকই, কিন্তু আমার বাচ্চা পৃথিবীতে আশার পর তাঁকে শেষ করে দেওয়ার পরিকল্পনা করে । ভাগ্যবশত ওদের নোংরা পরিকল্পনার কথা আমার কান অব্দি পৌঁছে যায় । আমি তখন ওদের নজরবন্দি ছিলাম, কোনরকম ওদের চোখ ফাঁকি দিয়ে থানায় চলে আসি পুলিশের সাহায্যের জন্যে । পুলিশ স্টেশনে যাওয়ার পর আমার শরীরটা খারাপ হতে থাকে । থানায় কর্মরত অফিসাররা আমাকে সাহায্য করেন । উনারা থানাতেই আমার ডেলিভারির ব্যবস্থা করে দেন । জ্ঞান ফেরার পর আমার পাশে আমি আমার y/n কে দেখতে পাই । ওকে বুকের মধ্যে আকড়ে ধরে অতীতের কষ্ট ভোলার চেষ্টা করি । মন ভরে কাঁদতেও পারলাম না । যে মহিলা আমার ডেলিভারি করিয়েছিলো উনি আমার কাছে এসে হাউ মাউ করে কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগলেন, “ এখান থেকে চলে যাও মা, তোমার বাচ্চা কে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে । ওদিকে কিছু লোকের সাথে ওসি সাহেব কে কথা বলতে দেখলাম । পুলিশ তোমাকে সাহায্য করবে না মা, তোমার বাচ্চা কে মেরে ফেলবে “। মহিলাটির কথা শুনে পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গেল! কিন্তু কিছু করার নেই, উনার সাহায্য নিয়েই রুপুপুর থেকে পালালাম আমি আমার সদ্যোজাত মেয়েকে নিয়ে । এর পর কয়েক বছর কেটে যায়! ওরা আমাকে খুঁজে পায় না আর । চট্টগ্রামে চলে গিয়েছিলাম আমি । সেখানে একটা সরকারি কলেজে চাকরি নেই ।.. ... .....
About
Robot
API
Legal
Privacy Policy