@aroundyouxx: Quốc mẫu hồi cung #fyp #xh #lq #lienquanmobile

alex
alex
Open In TikTok:
Region: VN
Wednesday 05 August 2026 09:04:46 GMT
470
34
7
3

Music

Download

Comments

thng03214
sumi. :
tui ngầu quá
2026-08-05 09:10:36
1
justastalkacc1
alex :
hay quá
2026-08-05 10:40:56
0
thng03214
sumi. :
hi
2026-08-05 09:10:40
1
vernn00000
Vẻn :
Phông bạt dưz
2026-08-05 14:09:18
0
To see more videos from user @aroundyouxx, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

মদখোর যেমন পেয়ালায় শান্তি খোঁজে, মানুষ তেমনি পৃথিবীতে স্থায়িত্ব খোঁজে—দুজনেই ভুল দরজায় কড়া নাড়ে। মদখোর জানে না যে পেয়ালার নেশা তার দুঃখকে মুছে দেয় না, কেবল কিছুক্ষণের জন্য তার চোখ থেকে আড়াল করে। নেশা কেটে গেলে দুঃখ আবার ফিরে আসে—আরও স্পষ্ট, আরও ভারী হয়ে। মানুষও তেমন। সে ভাবে—আরও কিছু অর্থ হলে শান্তি আসবে, আরও বড় ঘর হলে নিরাপত্তা আসবে, আরও সম্পদ হলে ভবিষ্যৎ নিশ্চিত হবে, আরও মানুষের ভালোবাসা পেলে একাকিত্ব শেষ হবে। সে পৃথিবীর এক দরজা থেকে আরেক দরজায় ছুটে বেড়ায়, কিন্তু যে প্রশ্নটি তার ভেতরে জন্ম নিয়েছে, তার উত্তর পৃথিবীর কোনো দরজার ওপারে নেই। কারণ পৃথিবী নিজেই অস্থায়ী। যে ঘরকে তুমি চিরস্থায়ী ভেবেছিলে, একদিন সেখানে অন্য কেউ বাস করবে। যে সম্পদকে তুমি নিজের বলেছিলে, একদিন তার হিসাব অন্য কারও হাতে যাবে। যে শরীর নিয়ে তুমি এত অহংকার করো, একদিন সেই শরীরই মাটির কাছে ফিরে যাবে। তবু মানুষ স্থায়িত্ব খোঁজে এমন এক জায়গায়, যেখানে সবকিছুই পরিবর্তনের অধীন। এটাই তার অস্তিত্বের সবচেয়ে করুণ পরিহাস। মদখোর পেয়ালা শেষ করে আবার পেয়ালা ভরে। মানুষও এক আকাঙ্ক্ষা পূরণ করে আরেক আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি করে। একটি অভাব মুছে গেলে আরেকটি অভাব জন্ম নেয়। সে ভাবে—“আর একটু পেলেই আমি শান্ত হব।” কিন্তু সেই “আর একটু” কখনো শেষ হয় না। কারণ মানুষের সমস্যা সবসময় তার হাতে কী নেই, তা নয়; কখনো কখনো সমস্যা হলো—সে যা পেয়েছে, তার অস্থায়িত্ব মেনে নিতে পারে না। আমরা পৃথিবীকে ধরে রাখতে চাই, অথচ পৃথিবী আমাদের হাতের মুঠোয় থাকার জন্য সৃষ্টি হয়নি। এখানে মানুষকে একটি কঠিন সত্য মেনে নিতে হয়— যা পরিবর্তনশীল, তার কাছে স্থায়ী শান্তি চাওয়া মানে মরুভূমির কাছে সমুদ্র চাওয়া। তাই শান্তি হয়তো পৃথিবী ছেড়ে পালানোর নাম নয়; বরং পৃথিবীকে তার প্রকৃত অবস্থায় চিনে নেওয়ার নাম। সম্পদ থাকবে—কিন্তু চিরকাল নয়। ভালোবাসা থাকবে—কিন্তু তার রূপ বদলাতে পারে। যৌবন থাকবে—তারপর বার্ধক্য আসবে। জীবন থাকবে—তারপর মৃত্যু আসবে। এই সত্যগুলোকে যে মানুষ অস্বীকার করে, সে প্রতিদিন নিজের সঙ্গে একটি অসম্ভব চুক্তি করতে থাকে। আর যে মানুষ এই সত্যকে মেনে নেয়, সে ধীরে ধীরে মুক্ত হতে শুরু করে। হয়তো তাই প্রাচীন কোনো সাধক বলেছিলেন— “যে পৃথিবী নিজেই একদিন তোমার কাছ থেকে বিদায় নেবে, তার কাছে চিরস্থায়ী থাকার প্রতিশ্রুতি চেয়ো না।” মদখোরের পেয়ালা যেমন তার তৃষ্ণার প্রকৃত সমাধান নয়, পৃথিবীর ভোগও মানুষের আত্মার চূড়ান্ত আশ্রয় নয়। হুঁশ তখন ফিরবে, যখন মানুষ বুঝবে— সে শান্তির সন্ধানে ছিল না; সে ভুল দরজায় কড়া নাড়ছিল। লেখক আরফান সাদিক হিমু  #bangladesh #caption #stutas #foryou
মদখোর যেমন পেয়ালায় শান্তি খোঁজে, মানুষ তেমনি পৃথিবীতে স্থায়িত্ব খোঁজে—দুজনেই ভুল দরজায় কড়া নাড়ে। মদখোর জানে না যে পেয়ালার নেশা তার দুঃখকে মুছে দেয় না, কেবল কিছুক্ষণের জন্য তার চোখ থেকে আড়াল করে। নেশা কেটে গেলে দুঃখ আবার ফিরে আসে—আরও স্পষ্ট, আরও ভারী হয়ে। মানুষও তেমন। সে ভাবে—আরও কিছু অর্থ হলে শান্তি আসবে, আরও বড় ঘর হলে নিরাপত্তা আসবে, আরও সম্পদ হলে ভবিষ্যৎ নিশ্চিত হবে, আরও মানুষের ভালোবাসা পেলে একাকিত্ব শেষ হবে। সে পৃথিবীর এক দরজা থেকে আরেক দরজায় ছুটে বেড়ায়, কিন্তু যে প্রশ্নটি তার ভেতরে জন্ম নিয়েছে, তার উত্তর পৃথিবীর কোনো দরজার ওপারে নেই। কারণ পৃথিবী নিজেই অস্থায়ী। যে ঘরকে তুমি চিরস্থায়ী ভেবেছিলে, একদিন সেখানে অন্য কেউ বাস করবে। যে সম্পদকে তুমি নিজের বলেছিলে, একদিন তার হিসাব অন্য কারও হাতে যাবে। যে শরীর নিয়ে তুমি এত অহংকার করো, একদিন সেই শরীরই মাটির কাছে ফিরে যাবে। তবু মানুষ স্থায়িত্ব খোঁজে এমন এক জায়গায়, যেখানে সবকিছুই পরিবর্তনের অধীন। এটাই তার অস্তিত্বের সবচেয়ে করুণ পরিহাস। মদখোর পেয়ালা শেষ করে আবার পেয়ালা ভরে। মানুষও এক আকাঙ্ক্ষা পূরণ করে আরেক আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি করে। একটি অভাব মুছে গেলে আরেকটি অভাব জন্ম নেয়। সে ভাবে—“আর একটু পেলেই আমি শান্ত হব।” কিন্তু সেই “আর একটু” কখনো শেষ হয় না। কারণ মানুষের সমস্যা সবসময় তার হাতে কী নেই, তা নয়; কখনো কখনো সমস্যা হলো—সে যা পেয়েছে, তার অস্থায়িত্ব মেনে নিতে পারে না। আমরা পৃথিবীকে ধরে রাখতে চাই, অথচ পৃথিবী আমাদের হাতের মুঠোয় থাকার জন্য সৃষ্টি হয়নি। এখানে মানুষকে একটি কঠিন সত্য মেনে নিতে হয়— যা পরিবর্তনশীল, তার কাছে স্থায়ী শান্তি চাওয়া মানে মরুভূমির কাছে সমুদ্র চাওয়া। তাই শান্তি হয়তো পৃথিবী ছেড়ে পালানোর নাম নয়; বরং পৃথিবীকে তার প্রকৃত অবস্থায় চিনে নেওয়ার নাম। সম্পদ থাকবে—কিন্তু চিরকাল নয়। ভালোবাসা থাকবে—কিন্তু তার রূপ বদলাতে পারে। যৌবন থাকবে—তারপর বার্ধক্য আসবে। জীবন থাকবে—তারপর মৃত্যু আসবে। এই সত্যগুলোকে যে মানুষ অস্বীকার করে, সে প্রতিদিন নিজের সঙ্গে একটি অসম্ভব চুক্তি করতে থাকে। আর যে মানুষ এই সত্যকে মেনে নেয়, সে ধীরে ধীরে মুক্ত হতে শুরু করে। হয়তো তাই প্রাচীন কোনো সাধক বলেছিলেন— “যে পৃথিবী নিজেই একদিন তোমার কাছ থেকে বিদায় নেবে, তার কাছে চিরস্থায়ী থাকার প্রতিশ্রুতি চেয়ো না।” মদখোরের পেয়ালা যেমন তার তৃষ্ণার প্রকৃত সমাধান নয়, পৃথিবীর ভোগও মানুষের আত্মার চূড়ান্ত আশ্রয় নয়। হুঁশ তখন ফিরবে, যখন মানুষ বুঝবে— সে শান্তির সন্ধানে ছিল না; সে ভুল দরজায় কড়া নাড়ছিল। লেখক আরফান সাদিক হিমু #bangladesh #caption #stutas #foryou

About