@kaismi.cos:

ami
ami
Open In TikTok:
Region: GB
Wednesday 05 August 2026 09:57:09 GMT
297
50
0
1

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @kaismi.cos, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

Hide & seek || s2 || part-47 S guard : কে আপনি?  Jimin : আপনাদের ছোট জমিদার সাহেব Taehyung এর বন্ধু!  S guard : এখানে কি চাই?  Jimin : শুনলাম Taehyung অসুস্থ তাই দেখা করতে এসেছি!  S  guard : আপনি কি এই গ্ৰামে নতুন নাকি? জানেন না, জমিদার বাড়ির ভেতরে বাহিরের মানুষ প্রবেশ নিষিদ্ধ, সে যেই হোক না কেন, ভেতরে ঢোকা যাবেনা! Security guard এর কথা শুনে Jimin কিছুটা বিরক্ত প্রকাশ করে পকেট থেকে নিজের ID card বের মেজর করে security guard এর সামনে ধরে বলে উঠে,  Jimin : আমার আরো একটা পরিচয় আছে! নিজের চোখে দেখে নিন!  S guard টা Jimin এর ID card দেখে একটু ভয় পেয়ে বলে উঠে,  S guard : C.. I.. D...  Jimin : yes, কার জন্য আমার বন্ধুর এই অবস্থা আর আমার বন্ধুর স্ত্রীর নিখোঁজ হওয়ার পেছনে কার হাত আছে তারই তদন্ত করতে এসেছি! ভেতরে যেতে দিন!  Jimin security এর সঙ্গে কথা বলছিলো এমন সময় পেছন থেকে কেউ বলে উঠে,  ?? : এই বাড়িতে ঢুকতে গেলে আমার permission লাগবে, চাকর বাকরের সাথে না কথা বলে আমার সঙ্গে কথা বলুন!  কথাটা শুনে Jimin পেছন দিকে ঘুরে যায়, লোকটা Jimin এর হাত থেকে ID card টা নিয়ে দেখতে থাকে,  পেছন থেকে s guard বলে উঠে,  S guard : ইনিই জমিদার বাড়ির মালিক Jeon Dae,  Dae sir এর সাথে কথা বলুন!  এদিকে Mr. Jeon Dae Jimin এর ID card দেখে বলে উঠে,  Mr. Dae : park বংশের ছেলে তুমি?  Jimin : জ্বি..  Mr. Dae : কোন সাহসে এখানে এসেছো, তুমি কি জানোনা, park বংশ আর Jeon বংশ জাত শত্রু, তোমার ভাগ্য ভালো তোমাকে এখনো মেরে ফেলা হয়নি!  Jimin : আমি আমার duty করতে এসেছি sir..  Mr. Dae : এখানে কোনো duty চলবে না, আমার ছেলের safetyর জন্য কড়া সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে, এখান থেকে চলে যাও, নাহলে খুব খারাপ হয়ে যাবে!  Jimin : আমি Taehyung এর সঙ্গে দেখা না করে কোথাও যাবো না!  Mr. Jeon dae এবার চিৎকার করে বলে উঠলো,  Mr. Dae :আর এক মিনিট এখানে দাড়িয়ে থাকলে তোমাকে আমি জানে মে~ রে ফেলতে বাধ্য হবো, তুমি খুব ভালো করে জানো তোমাকে মারলে আমার তেমন কোনো ক্ষতি হবে না,বরং আমি শত্রু দমনের আনন্দে উল্লাস করবো!  Mr. Dae এর কথা Jimin খুব ভালোভাবেই বুঝতে পারলো জমিদার বাড়িতে সে ঢুকতে পারবে না তাই আর কথা না বাড়িয়ে সেখান থেকে চলে গেলো সে, যাওয়ার পথে Jimin কিছু একটা ভাবতে ভাবতে হাটছে,  Jimin : পরিস্থিতি দেখে মনে হলো Tae y/n কে মৃত ভেবে নিয়েছে যে কারনে ও এখন পর্যন্ত কোমায় আছে, এতো treatment সত্ত্বেও সুস্থ হচ্ছে না, এর মানে Tae কে ঠিক করতে y/n কে দরকার আর  y/n কে খুঁজতে হলে Tae কে দরকার! কোনোরকম clue ছাড়া আমি সামনে এগোতে পারবো না, কি করা যায়..  এসব ভাবতে ভাবতে Jimin তার ভাড়া বাসার দিকে রওনা হলো!  ..  রাত ১২ টা বেজে ৪৫ মিনিট, হটাৎ করেই বজ্রপাত হচ্ছে, কিন্তু আকাশে অসংখ্য তারাও দৃশ্যমান, আকাশের এক কোণে কালো মেঘ জমেছে!  কেমন যেন স্তব্ধ , শান্ত পরিবেশের সৃষ্টি হলো।   Taehyung নিজের ঘরে শুয়ে আছে, মুখে অক্সিজেন মাস্ক লাগানো, security guard, এমনকি নার্সরাও ঘুমিয়ে পড়েছে!  ঘরের বড় জানালাটা খোলা, হটাৎ এক দমকা হাওয়া এসে Tae এর শরীর ছুয়ে দিলো, Taehyung এর শরীর নিমিষেই কাটা দিয়ে উঠলো!  এমন সময় চারিদিক ঘুটঘুটে অন্ধকার হয়ে গেলো, আকাশের চাঁদ কালো মেঘে ঢেকে গেলো, হওয়া এখনো অশান্ত গতিতে বয়ে যাচ্ছে, Taehyung এর ঘর থেকে হটাৎ করেই ঘুঙুরের আওয়াজ ভেসে আসলো, এদিকে প্রত্যেকেই তো গভীর ঘুমে মগ্ন, কিন্তু Tae খুব ভালো ভাবেই কারো উপস্থিতি অনুভব করতে পারলো কিন্তু তার কথা বলা বা দাড়ানোর ক্ষমতা নেই!  Tae এর শ্বাস ভারী হয়ে আসছে, দ্রুত গতিতে নিশ্বাস নিচ্ছে সে, আর এক দৃষ্টিতে সামনের দিকে তাকিয়ে আছে, হটাৎ করেই একটা ছায়া Tae এর ঘরের জানালা অতিক্রম করে!  আর Tae এর কানে একটা আওয়াজ আসে।  — ছোট জমিদার সাহেব....!!  চিরচেনা সেই আওয়াজ Tae এর কান ভেদ করে মস্তিষ্কে চলে গেলো..  আস্তে আস্তে Tae এর হৃদস্পন্দন এর গতি ঝড়ের গতিতে বাড়তে শুরু করলো!  যে Taehyung তিন মাস যাবৎ জড়পদার্থের মতো বিছানায় পড়ে ছিলো সেই Taehyung এখন হাতের আঙুল নাড়াতে শুরু করলো!   সেই আওয়াজটা শোনার  সঙ্গে সঙ্গে    তার মস্তিষ্ক তাকে ইঙ্গিত দিচ্ছে উঠে দাড়াতে,  Tae উপলব্ধি করতে পারছে Tae এর ভেতর এমন এক শক্তি সৃষ্টি হচ্ছে যা দ্বারা সে চিৎকার করে কথা বলতে পারবে, উঠে দাড়াতে পারবে!  Tae এর শরীর থরথর করে কাপছে, এমন সময় আবারও তার কানে এলো ঘুঙুরের আওয়াজ..  কিন্তু এবারের আওয়াজটা তার থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, Tae আর স্থির থাকতে পারলো না!  ঝড়ের বেগে উঠে বসে, চিৎকার দিয়ে বলে উঠলো,  Tae : রহস্যময়ী..........!!!  Tae এর চিৎকার শুনে duty তে থাকা নার্স আর security guard সবাই দৌড়ে এসে ঘরের লাইট জ্বালিয়ে দিলো!  লাইট on করার পর সবাই দেখে Taehyung বসা অবস্থায় অস্থির হয়ে নিজের অক্সিজেন মাস্ক খুলে ফেলছে!  ...
Hide & seek || s2 || part-47 S guard : কে আপনি? Jimin : আপনাদের ছোট জমিদার সাহেব Taehyung এর বন্ধু! S guard : এখানে কি চাই? Jimin : শুনলাম Taehyung অসুস্থ তাই দেখা করতে এসেছি! S guard : আপনি কি এই গ্ৰামে নতুন নাকি? জানেন না, জমিদার বাড়ির ভেতরে বাহিরের মানুষ প্রবেশ নিষিদ্ধ, সে যেই হোক না কেন, ভেতরে ঢোকা যাবেনা! Security guard এর কথা শুনে Jimin কিছুটা বিরক্ত প্রকাশ করে পকেট থেকে নিজের ID card বের মেজর করে security guard এর সামনে ধরে বলে উঠে, Jimin : আমার আরো একটা পরিচয় আছে! নিজের চোখে দেখে নিন! S guard টা Jimin এর ID card দেখে একটু ভয় পেয়ে বলে উঠে, S guard : C.. I.. D... Jimin : yes, কার জন্য আমার বন্ধুর এই অবস্থা আর আমার বন্ধুর স্ত্রীর নিখোঁজ হওয়ার পেছনে কার হাত আছে তারই তদন্ত করতে এসেছি! ভেতরে যেতে দিন! Jimin security এর সঙ্গে কথা বলছিলো এমন সময় পেছন থেকে কেউ বলে উঠে, ?? : এই বাড়িতে ঢুকতে গেলে আমার permission লাগবে, চাকর বাকরের সাথে না কথা বলে আমার সঙ্গে কথা বলুন! কথাটা শুনে Jimin পেছন দিকে ঘুরে যায়, লোকটা Jimin এর হাত থেকে ID card টা নিয়ে দেখতে থাকে, পেছন থেকে s guard বলে উঠে, S guard : ইনিই জমিদার বাড়ির মালিক Jeon Dae, Dae sir এর সাথে কথা বলুন! এদিকে Mr. Jeon Dae Jimin এর ID card দেখে বলে উঠে, Mr. Dae : park বংশের ছেলে তুমি? Jimin : জ্বি.. Mr. Dae : কোন সাহসে এখানে এসেছো, তুমি কি জানোনা, park বংশ আর Jeon বংশ জাত শত্রু, তোমার ভাগ্য ভালো তোমাকে এখনো মেরে ফেলা হয়নি! Jimin : আমি আমার duty করতে এসেছি sir.. Mr. Dae : এখানে কোনো duty চলবে না, আমার ছেলের safetyর জন্য কড়া সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে, এখান থেকে চলে যাও, নাহলে খুব খারাপ হয়ে যাবে! Jimin : আমি Taehyung এর সঙ্গে দেখা না করে কোথাও যাবো না! Mr. Jeon dae এবার চিৎকার করে বলে উঠলো, Mr. Dae :আর এক মিনিট এখানে দাড়িয়ে থাকলে তোমাকে আমি জানে মে~ রে ফেলতে বাধ্য হবো, তুমি খুব ভালো করে জানো তোমাকে মারলে আমার তেমন কোনো ক্ষতি হবে না,বরং আমি শত্রু দমনের আনন্দে উল্লাস করবো! Mr. Dae এর কথা Jimin খুব ভালোভাবেই বুঝতে পারলো জমিদার বাড়িতে সে ঢুকতে পারবে না তাই আর কথা না বাড়িয়ে সেখান থেকে চলে গেলো সে, যাওয়ার পথে Jimin কিছু একটা ভাবতে ভাবতে হাটছে, Jimin : পরিস্থিতি দেখে মনে হলো Tae y/n কে মৃত ভেবে নিয়েছে যে কারনে ও এখন পর্যন্ত কোমায় আছে, এতো treatment সত্ত্বেও সুস্থ হচ্ছে না, এর মানে Tae কে ঠিক করতে y/n কে দরকার আর y/n কে খুঁজতে হলে Tae কে দরকার! কোনোরকম clue ছাড়া আমি সামনে এগোতে পারবো না, কি করা যায়.. এসব ভাবতে ভাবতে Jimin তার ভাড়া বাসার দিকে রওনা হলো! .. রাত ১২ টা বেজে ৪৫ মিনিট, হটাৎ করেই বজ্রপাত হচ্ছে, কিন্তু আকাশে অসংখ্য তারাও দৃশ্যমান, আকাশের এক কোণে কালো মেঘ জমেছে! কেমন যেন স্তব্ধ , শান্ত পরিবেশের সৃষ্টি হলো। Taehyung নিজের ঘরে শুয়ে আছে, মুখে অক্সিজেন মাস্ক লাগানো, security guard, এমনকি নার্সরাও ঘুমিয়ে পড়েছে! ঘরের বড় জানালাটা খোলা, হটাৎ এক দমকা হাওয়া এসে Tae এর শরীর ছুয়ে দিলো, Taehyung এর শরীর নিমিষেই কাটা দিয়ে উঠলো! এমন সময় চারিদিক ঘুটঘুটে অন্ধকার হয়ে গেলো, আকাশের চাঁদ কালো মেঘে ঢেকে গেলো, হওয়া এখনো অশান্ত গতিতে বয়ে যাচ্ছে, Taehyung এর ঘর থেকে হটাৎ করেই ঘুঙুরের আওয়াজ ভেসে আসলো, এদিকে প্রত্যেকেই তো গভীর ঘুমে মগ্ন, কিন্তু Tae খুব ভালো ভাবেই কারো উপস্থিতি অনুভব করতে পারলো কিন্তু তার কথা বলা বা দাড়ানোর ক্ষমতা নেই! Tae এর শ্বাস ভারী হয়ে আসছে, দ্রুত গতিতে নিশ্বাস নিচ্ছে সে, আর এক দৃষ্টিতে সামনের দিকে তাকিয়ে আছে, হটাৎ করেই একটা ছায়া Tae এর ঘরের জানালা অতিক্রম করে! আর Tae এর কানে একটা আওয়াজ আসে। — ছোট জমিদার সাহেব....!! চিরচেনা সেই আওয়াজ Tae এর কান ভেদ করে মস্তিষ্কে চলে গেলো.. আস্তে আস্তে Tae এর হৃদস্পন্দন এর গতি ঝড়ের গতিতে বাড়তে শুরু করলো! যে Taehyung তিন মাস যাবৎ জড়পদার্থের মতো বিছানায় পড়ে ছিলো সেই Taehyung এখন হাতের আঙুল নাড়াতে শুরু করলো! সেই আওয়াজটা শোনার সঙ্গে সঙ্গে তার মস্তিষ্ক তাকে ইঙ্গিত দিচ্ছে উঠে দাড়াতে, Tae উপলব্ধি করতে পারছে Tae এর ভেতর এমন এক শক্তি সৃষ্টি হচ্ছে যা দ্বারা সে চিৎকার করে কথা বলতে পারবে, উঠে দাড়াতে পারবে! Tae এর শরীর থরথর করে কাপছে, এমন সময় আবারও তার কানে এলো ঘুঙুরের আওয়াজ.. কিন্তু এবারের আওয়াজটা তার থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, Tae আর স্থির থাকতে পারলো না! ঝড়ের বেগে উঠে বসে, চিৎকার দিয়ে বলে উঠলো, Tae : রহস্যময়ী..........!!! Tae এর চিৎকার শুনে duty তে থাকা নার্স আর security guard সবাই দৌড়ে এসে ঘরের লাইট জ্বালিয়ে দিলো! লাইট on করার পর সবাই দেখে Taehyung বসা অবস্থায় অস্থির হয়ে নিজের অক্সিজেন মাস্ক খুলে ফেলছে! ...

About