@huwai8994: Túi zdk treo đầu xe máy này có vẻ như được nhiều anh em xe ôm công nghệ đang dùng mùa đông này để điện thoại không bị nóng máy #tuizdk #tuitreodauxemay #tuidungdienthoai #fyp #fypシ #fypppppppppppppp #tiktok

huwai
huwai
Open In TikTok:
Region:
Wednesday 05 August 2026 13:33:56 GMT
6
0
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @huwai8994, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

৩৬ জুলাই ✍️ আবু রায়হান  জুলাই তখন শুধু একটি মাস ছিল না, জুলাই হয়ে উঠেছিল রক্তে লেখা এক ইতিহাস— রাজপথে ছিল তরুণের মিছিল, চোখে ছিল স্বপ্ন, বুকে ছিল সাহস, আর বাতাসে ভাসছিল একটাই প্রশ্ন— ন্যায় কি তবে চাওয়া অপরাধ? রংপুরের পথে একদিন আবু সাঈদ দাঁড়ালেন বুক পেতে, দুই হাত প্রসারিত— যেন বললেন, “ভয়কে আজ ভয় দেখাবো, সত্যের সামনে মাথা নত করব না।” গুলির সামনে সেই নির্ভীক দাঁড়ানো আজও বাংলার আকাশে লেখা। তারপর এলো মুগ্ধ— হাতে অস্ত্র নয়, হাতে ছিল পানি, অশান্ত রাজপথে তৃষ্ণার্ত মানুষের পাশে এক তরুণ ছুটে গেল মানবতার ডাকে। কে জানত, কিছুক্ষণ পরেই সেই হাত থেমে যাবে, কপাল ভেদ করে আসবে নির্মম গুলি, আর মুগ্ধ হয়ে যাবে একটি জাতির অশ্রুসিক্ত স্মৃতি। আবু সাঈদ শুধু একটি নাম নয়, মুগ্ধ শুধু একটি মুখ নয়— তারা একেকটি প্রশ্ন, একেকটি অসমাপ্ত স্বপ্ন, একেকটি রক্তাক্ত পৃষ্ঠা যা ইতিহাসের বুক থেকে কোনোদিন মুছে ফেলা যাবে না। তারপর এলো সেই দিন— জুলাইয়ের ক্যালেন্ডার যেন থেমে গেল, ৩১-এর পরে আর ১ নয়, ইতিহাস লিখল— ৩৬ জুলাই! ৫ আগস্ট— রাজপথে মানুষের ঢল, চোখে অশ্রু, কণ্ঠে বিজয়ের ধ্বনি, আর বাংলার ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের জন্ম। যে দিনটি ক্যালেন্ডারে নেই, কিন্তু মানুষের স্মৃতিতে চিরকাল বেঁচে থাকবে। হে আবু সাঈদ, তোমার প্রসারিত দুই হাত আজও যেন বলে— “ভয় পেয়ো না।” হে মুগ্ধ, তোমার হাতে ধরা পানির বোতল আজও যেন বলে— “মানুষের পাশে দাঁড়াও।” আর হে ৩৬ জুলাই, তুমি কোনো তারিখ নও— তুমি এক প্রজন্মের কান্না, এক প্রজন্মের সাহস, এক প্রজন্মের স্বপ্ন, আর রক্তে লেখা একটি অমর ইতিহাস। যতদিন বাংলার আকাশে লাল-সবুজ পতাকা উড়বে, ততদিন কেউ না কেউ বলবে— “জুলাই এসেছিল একত্রিশ দিনে, কিন্তু ইতিহাস তাকে থামতে দেয়নি; তাই জন্ম নিয়েছিল— একটি অসম্ভব তারিখ, একটি অমর দিন— ৩৬ জুলাই।”
৩৬ জুলাই ✍️ আবু রায়হান জুলাই তখন শুধু একটি মাস ছিল না, জুলাই হয়ে উঠেছিল রক্তে লেখা এক ইতিহাস— রাজপথে ছিল তরুণের মিছিল, চোখে ছিল স্বপ্ন, বুকে ছিল সাহস, আর বাতাসে ভাসছিল একটাই প্রশ্ন— ন্যায় কি তবে চাওয়া অপরাধ? রংপুরের পথে একদিন আবু সাঈদ দাঁড়ালেন বুক পেতে, দুই হাত প্রসারিত— যেন বললেন, “ভয়কে আজ ভয় দেখাবো, সত্যের সামনে মাথা নত করব না।” গুলির সামনে সেই নির্ভীক দাঁড়ানো আজও বাংলার আকাশে লেখা। তারপর এলো মুগ্ধ— হাতে অস্ত্র নয়, হাতে ছিল পানি, অশান্ত রাজপথে তৃষ্ণার্ত মানুষের পাশে এক তরুণ ছুটে গেল মানবতার ডাকে। কে জানত, কিছুক্ষণ পরেই সেই হাত থেমে যাবে, কপাল ভেদ করে আসবে নির্মম গুলি, আর মুগ্ধ হয়ে যাবে একটি জাতির অশ্রুসিক্ত স্মৃতি। আবু সাঈদ শুধু একটি নাম নয়, মুগ্ধ শুধু একটি মুখ নয়— তারা একেকটি প্রশ্ন, একেকটি অসমাপ্ত স্বপ্ন, একেকটি রক্তাক্ত পৃষ্ঠা যা ইতিহাসের বুক থেকে কোনোদিন মুছে ফেলা যাবে না। তারপর এলো সেই দিন— জুলাইয়ের ক্যালেন্ডার যেন থেমে গেল, ৩১-এর পরে আর ১ নয়, ইতিহাস লিখল— ৩৬ জুলাই! ৫ আগস্ট— রাজপথে মানুষের ঢল, চোখে অশ্রু, কণ্ঠে বিজয়ের ধ্বনি, আর বাংলার ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের জন্ম। যে দিনটি ক্যালেন্ডারে নেই, কিন্তু মানুষের স্মৃতিতে চিরকাল বেঁচে থাকবে। হে আবু সাঈদ, তোমার প্রসারিত দুই হাত আজও যেন বলে— “ভয় পেয়ো না।” হে মুগ্ধ, তোমার হাতে ধরা পানির বোতল আজও যেন বলে— “মানুষের পাশে দাঁড়াও।” আর হে ৩৬ জুলাই, তুমি কোনো তারিখ নও— তুমি এক প্রজন্মের কান্না, এক প্রজন্মের সাহস, এক প্রজন্মের স্বপ্ন, আর রক্তে লেখা একটি অমর ইতিহাস। যতদিন বাংলার আকাশে লাল-সবুজ পতাকা উড়বে, ততদিন কেউ না কেউ বলবে— “জুলাই এসেছিল একত্রিশ দিনে, কিন্তু ইতিহাস তাকে থামতে দেয়নি; তাই জন্ম নিয়েছিল— একটি অসম্ভব তারিখ, একটি অমর দিন— ৩৬ জুলাই।”

About