@barwaavo: I’m sure about that.😎

👸🏼
👸🏼
Open In TikTok:
Region: ET
Wednesday 05 August 2026 17:52:25 GMT
332
2
0
1

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @barwaavo, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

Hide and Seek | s2 | part-108 Mr. Jeon : সেদিন ওর শরীরে আগুন লেগেছিলো মনে আছে?  অগ্নিদগ্ধ Jihanকে নিয়ে আমি তখন স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাই, সেখানে থেকে কিছু প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পর ওকে নিয়ে আমি ঢাকায় চলে যাই।  মুখ সহ সারা শরীর পুড়ে গেছিলো, doctor বলেছিলেন প্লাস্টিক সার্জারি করতে হবে। প্লাস্টিক সার্জারির কথা শুনতেই Jihan অস্থির হয়ে উঠলো, সে বললো এখানে চিকিৎসা করাবে না। আমি ওকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠালাম। যাওয়ার আগে আমাদের পূর্ব পুরুষ Jeon Jungkookএর একটি তৈলচিত্র সঙ্গে নিয়ে গেছিলো সে। আমি সঙ্গে যাইনি। কারণ এদিকে তুমিও অসুস্থ ছিলে। কিন্তু আমি ওর খোজ নিয়েছি। খোজ নিয়ে জানতে পারি সে তার চেহারা একদম Jeon Jungkookএর মতো বানিয়ে ফেলেছে। ওর উদ্দেশ্যেটা কি আমি একটু একটু করে আন্দাজ করতে পারছিলাম।  Taehyung : বুঝলাম, কিন্তু Jeon Jungkook আর নর্তকী y/n সম্পর্কে এতো তথ্য Jihan পেলো কোথা থেকে?  ইরা তখন নেড়ে চেড়ে বসলো, কাপা কন্ঠে Tae এর কথার জবাব দিলো সে,  ইরা : আমি জানি Taehyung! তার আগে বলুন, আমি যদি বলি আমার শাস্তি কম করে দিবেন।  Tae : ঠিক আছে বলো। ( শান্ত ভঙ্গিতে)  ইরা : বেশ কিছুদিন আগে আমি নর্তকী y/n আর Jeon Jungkook এর সমাধির পাশে দুটো বই পাই। বইগুলো দেখে অনেক পুরনো মনে হচ্ছিলো। তাই আমি সেগুলো সঙ্গে নিয়ে  জমিদার বাড়ি গিয়েছিলাম। আর Jihan যখন দেখে ফেলে তখন সেগুলো আমার কাছ থেকে নিয়ে নেয়।  Jimin নখ কামড়াতে কামড়াতে Taeএর দিকে তাকিয়ে বলে,  Jimin: এবার সব বুঝলাম। দুইয়ে দুইয়ে চার হয়েই গেলো। এবার আমাদের ছক্কা মারার পালা।  Tae : আমি আমার ভাইকে নিজের হাতে কীভাবে খু~ ন করবো Jimin?  Jimin অবাক চোখে তাকালো Taeএর দিকে। Mr. Jeon একটা স্বস্তির নিশ্বাস ছাড়লো।  _ Y/nকে না পেয়ে পাগল প্রায় Jungkookরূপী Jihan! কেউ তাকে থামাতে পারছে না। উন্মাদের মতো বন্ধ দরজায় আঘাত করে যাচ্ছে সে।  পরিস্থিতি অস্বাভাবিক দেখে Jihanএর personal দুইজন গার্ড নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে একটা ফন্দি আটলো।   Jihanকে থামানোর উপায় তাদের কাছে অজানা নয়। পতি* তালয়ের একজন সুন্দরী মেয়েকে Jihanএর কাছে পাঠায় ওই দুইজন গার্ড।  মেয়েটি শা* রীরিক অঙ্গভঙ্গিতে Jihanএর দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করে। অবশেষে মেয়েটা সফল হয়।  বন্ধ ঘরে পাপের সাগরে ভাসছে Jihan! মহল জুড়ে বিরাজমান নিরবতা, স্তব্ধতা সকলের শরীরে কাটা দিতে বাধ্য করছে।  নিরবতা বুঝি এতো ভয়ঙ্কর! সেই রাতটা না কাটালে হয়তো নৃত্যশালার মেয়েরা বুঝতে পারতো না, নিরবতাও এতোটা ভয়ঙ্কর হতে পারে।  প্রতিটা মুহুর্ত গলায় শ্বাস আটকে রেখে ভয়ে ভয়ে পাড় করলো তারা। এভাবে রাতটা পাড় হলো ।  Y/n ,y/n2 এর কথা মতো গতকাল রাতেই পোশাকটা পরে নিয়েছিলো। y/n এবং y/n2 দুজন একই পোশাক পড়েছে।  যদি তারা তাদের একান্ত বৈশিষ্ট্য প্রকাশ না করে তাহলে কারোর বোঝার ক্ষমতা নেই কোনটা y/n আর কোনটা  y/n2!  Y/n2 নিজের ব* ন্দুকটা ষষ্ঠ বারের মতো y/nএর হাতে দিয়ে বললো,  Y/n2 : জেদ করো না আপু। এটা রাখো। অলরেডি আমি তোমাকে ব* ন্দুক চালানো শিখিয়ে দিয়েছি। আশা করি তোমার মনে থাকবে।  Y/n : হ্যাঁ, স্পষ্ট মনে আছে! কিন্তু কার উপর গুলি চালাবো আমি y/n2? নিজের ভালোবাসার উপর?  Y/n2 : আমাকে বাচানোর জন্য তোমাকে কঠোর হতে হবে আপু। কারণ যে মুহুর্তে Jungkook তোমাকে পেয়ে যাবে সেই মুহুর্তে আমাকে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করতে হবে। তোমাকে যেন ও চিনতে না পারে। চিনে গেলেই আমি শেষ। আমার উপর একটু দয়া করো!  দরজার ওপাশ থেকে বিকট আওয়াজ ভেসে আসছে। কয়েক জন মিলে হয়তো দরজা ভাঙার চেষ্টা করছে।  মেয়েগুলো দৌড়ে গিয়ে দরজা চেপে ধরলো। y/n2 চোখে ছলছল পানি নিয়ে তাদের উদ্দেশ্যে বললো,  Y/n2 : সরে যাও তোমরা। আমাদের জীবন ম* রন আজ y/n আপুর হাতে। দেখি সে আজ কি করে আমাদের জন্য।  মেয়েগুলো সরে গেলো। কিছুক্ষণ পর গার্ডরাও দরজা ভেঙে ফেলে। ভেতরে ঢুকে y/n আর y/n2 কে টেনে নিচে নিয়ে যায় দুজন গার্ড। বাকি গার্ড মেয়েগুলোকে টেনে হিছড়ে নিচে নিয়ে যেতে থাকে।   গার্ড Y/n2এর হাতটা বেশ জোরেই চাপ দিয়ে ধরেছে। ব্যাথায় চোখ মুখ কুচকে ফেললো y/n2! তবুও নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করছে সে।  কিন্তু যেই মুহুর্তে গার্ডটা y/n2কে স্বজোরে মেঝের উপর ফেলে দেয় সেই মুহুর্তে y/n2 আর নিজের ক্রোধকে আয়ত্তে রাখতে পারে না।  নিমিষেই পাঁচ আঙুলের ছাপ পড়ে যায় গার্ডটির গালে। y/n2 তার সম্মুখে রক্তিম চোখে দাড়িয়ে আছে।  y/n2 এর এমন কাজে পুরো মহল স্তব্ধ হয়ে যায়। সকলের স্থির দৃষ্টি y/n2 এর দিকে।  ঘন ঘন নিশ্বাস ফেলে তাকিয়েই আছে y/n2 । কিন্তু হুট করেই তার মনে পড়লো, সে যে কাজটা করছে সেটা তাদের পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলতে পারে।  মহলের নিরবতা ভেঙে হুট করেই Jihan অট্টহাসিতে মেতে উঠলো। ভয়ে বুক কেঁপে উঠলো মেয়েগুলোর।  Jihan এর হাসিই বলে দিচ্ছে তার আগাম পদক্ষেপ কতোটা ভয়ঙ্কর হতে চলেছে।  ___
Hide and Seek | s2 | part-108 Mr. Jeon : সেদিন ওর শরীরে আগুন লেগেছিলো মনে আছে? অগ্নিদগ্ধ Jihanকে নিয়ে আমি তখন স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাই, সেখানে থেকে কিছু প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পর ওকে নিয়ে আমি ঢাকায় চলে যাই। মুখ সহ সারা শরীর পুড়ে গেছিলো, doctor বলেছিলেন প্লাস্টিক সার্জারি করতে হবে। প্লাস্টিক সার্জারির কথা শুনতেই Jihan অস্থির হয়ে উঠলো, সে বললো এখানে চিকিৎসা করাবে না। আমি ওকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠালাম। যাওয়ার আগে আমাদের পূর্ব পুরুষ Jeon Jungkookএর একটি তৈলচিত্র সঙ্গে নিয়ে গেছিলো সে। আমি সঙ্গে যাইনি। কারণ এদিকে তুমিও অসুস্থ ছিলে। কিন্তু আমি ওর খোজ নিয়েছি। খোজ নিয়ে জানতে পারি সে তার চেহারা একদম Jeon Jungkookএর মতো বানিয়ে ফেলেছে। ওর উদ্দেশ্যেটা কি আমি একটু একটু করে আন্দাজ করতে পারছিলাম। Taehyung : বুঝলাম, কিন্তু Jeon Jungkook আর নর্তকী y/n সম্পর্কে এতো তথ্য Jihan পেলো কোথা থেকে? ইরা তখন নেড়ে চেড়ে বসলো, কাপা কন্ঠে Tae এর কথার জবাব দিলো সে, ইরা : আমি জানি Taehyung! তার আগে বলুন, আমি যদি বলি আমার শাস্তি কম করে দিবেন। Tae : ঠিক আছে বলো। ( শান্ত ভঙ্গিতে) ইরা : বেশ কিছুদিন আগে আমি নর্তকী y/n আর Jeon Jungkook এর সমাধির পাশে দুটো বই পাই। বইগুলো দেখে অনেক পুরনো মনে হচ্ছিলো। তাই আমি সেগুলো সঙ্গে নিয়ে জমিদার বাড়ি গিয়েছিলাম। আর Jihan যখন দেখে ফেলে তখন সেগুলো আমার কাছ থেকে নিয়ে নেয়। Jimin নখ কামড়াতে কামড়াতে Taeএর দিকে তাকিয়ে বলে, Jimin: এবার সব বুঝলাম। দুইয়ে দুইয়ে চার হয়েই গেলো। এবার আমাদের ছক্কা মারার পালা। Tae : আমি আমার ভাইকে নিজের হাতে কীভাবে খু~ ন করবো Jimin? Jimin অবাক চোখে তাকালো Taeএর দিকে। Mr. Jeon একটা স্বস্তির নিশ্বাস ছাড়লো। _ Y/nকে না পেয়ে পাগল প্রায় Jungkookরূপী Jihan! কেউ তাকে থামাতে পারছে না। উন্মাদের মতো বন্ধ দরজায় আঘাত করে যাচ্ছে সে। পরিস্থিতি অস্বাভাবিক দেখে Jihanএর personal দুইজন গার্ড নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে একটা ফন্দি আটলো। Jihanকে থামানোর উপায় তাদের কাছে অজানা নয়। পতি* তালয়ের একজন সুন্দরী মেয়েকে Jihanএর কাছে পাঠায় ওই দুইজন গার্ড। মেয়েটি শা* রীরিক অঙ্গভঙ্গিতে Jihanএর দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করে। অবশেষে মেয়েটা সফল হয়। বন্ধ ঘরে পাপের সাগরে ভাসছে Jihan! মহল জুড়ে বিরাজমান নিরবতা, স্তব্ধতা সকলের শরীরে কাটা দিতে বাধ্য করছে। নিরবতা বুঝি এতো ভয়ঙ্কর! সেই রাতটা না কাটালে হয়তো নৃত্যশালার মেয়েরা বুঝতে পারতো না, নিরবতাও এতোটা ভয়ঙ্কর হতে পারে। প্রতিটা মুহুর্ত গলায় শ্বাস আটকে রেখে ভয়ে ভয়ে পাড় করলো তারা। এভাবে রাতটা পাড় হলো । Y/n ,y/n2 এর কথা মতো গতকাল রাতেই পোশাকটা পরে নিয়েছিলো। y/n এবং y/n2 দুজন একই পোশাক পড়েছে। যদি তারা তাদের একান্ত বৈশিষ্ট্য প্রকাশ না করে তাহলে কারোর বোঝার ক্ষমতা নেই কোনটা y/n আর কোনটা y/n2! Y/n2 নিজের ব* ন্দুকটা ষষ্ঠ বারের মতো y/nএর হাতে দিয়ে বললো, Y/n2 : জেদ করো না আপু। এটা রাখো। অলরেডি আমি তোমাকে ব* ন্দুক চালানো শিখিয়ে দিয়েছি। আশা করি তোমার মনে থাকবে। Y/n : হ্যাঁ, স্পষ্ট মনে আছে! কিন্তু কার উপর গুলি চালাবো আমি y/n2? নিজের ভালোবাসার উপর? Y/n2 : আমাকে বাচানোর জন্য তোমাকে কঠোর হতে হবে আপু। কারণ যে মুহুর্তে Jungkook তোমাকে পেয়ে যাবে সেই মুহুর্তে আমাকে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করতে হবে। তোমাকে যেন ও চিনতে না পারে। চিনে গেলেই আমি শেষ। আমার উপর একটু দয়া করো! দরজার ওপাশ থেকে বিকট আওয়াজ ভেসে আসছে। কয়েক জন মিলে হয়তো দরজা ভাঙার চেষ্টা করছে। মেয়েগুলো দৌড়ে গিয়ে দরজা চেপে ধরলো। y/n2 চোখে ছলছল পানি নিয়ে তাদের উদ্দেশ্যে বললো, Y/n2 : সরে যাও তোমরা। আমাদের জীবন ম* রন আজ y/n আপুর হাতে। দেখি সে আজ কি করে আমাদের জন্য। মেয়েগুলো সরে গেলো। কিছুক্ষণ পর গার্ডরাও দরজা ভেঙে ফেলে। ভেতরে ঢুকে y/n আর y/n2 কে টেনে নিচে নিয়ে যায় দুজন গার্ড। বাকি গার্ড মেয়েগুলোকে টেনে হিছড়ে নিচে নিয়ে যেতে থাকে। গার্ড Y/n2এর হাতটা বেশ জোরেই চাপ দিয়ে ধরেছে। ব্যাথায় চোখ মুখ কুচকে ফেললো y/n2! তবুও নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করছে সে। কিন্তু যেই মুহুর্তে গার্ডটা y/n2কে স্বজোরে মেঝের উপর ফেলে দেয় সেই মুহুর্তে y/n2 আর নিজের ক্রোধকে আয়ত্তে রাখতে পারে না। নিমিষেই পাঁচ আঙুলের ছাপ পড়ে যায় গার্ডটির গালে। y/n2 তার সম্মুখে রক্তিম চোখে দাড়িয়ে আছে। y/n2 এর এমন কাজে পুরো মহল স্তব্ধ হয়ে যায়। সকলের স্থির দৃষ্টি y/n2 এর দিকে। ঘন ঘন নিশ্বাস ফেলে তাকিয়েই আছে y/n2 । কিন্তু হুট করেই তার মনে পড়লো, সে যে কাজটা করছে সেটা তাদের পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলতে পারে। মহলের নিরবতা ভেঙে হুট করেই Jihan অট্টহাসিতে মেতে উঠলো। ভয়ে বুক কেঁপে উঠলো মেয়েগুলোর। Jihan এর হাসিই বলে দিচ্ছে তার আগাম পদক্ষেপ কতোটা ভয়ঙ্কর হতে চলেছে। ___

About