@user4421685732000: #اخون اخون🫂🫂🫂🫂🫂🫂💔

ابرا💉🥷656
ابرا💉🥷656
Open In TikTok:
Region: SD
Wednesday 05 August 2026 19:48:46 GMT
66
8
5
2

Music

Download

Comments

headmaster405
ཧᜰ꙰ꦿ➢ﻣدﻳرﻳة༒ :
❤️❤️❤️
2026-08-05 20:17:42
0
user6228178006373
♕عٌشُقُ 🇸🇩آلَسِلَآمً 💔 :
🥰🥰🥰
2026-08-05 20:06:14
0
user692949201124
إبر🥷656🫡 :
🥰🥰🥰
2026-08-05 20:01:27
0
user6828869019411
🔑🪪حـــــــ🔐فيــد 👑سـنــاري :
🥰🥰🥰
2026-08-05 19:50:33
0
user6566024435160
💊أنس ود الحاج 🔥 :
🥰🥰🥰
2026-08-05 21:23:54
0
To see more videos from user @user4421685732000, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

Hide & seek || s2 || part-52 Jimin : অনেক কাজ করেছেন, আপনার রুমে গিয়ে এখন rest করুন!  Y/n2 : আপনার সাথে কথা বলারও কোনো ইচ্ছা নেই আমার, কথাটা বলে y/n2 চলে যায়, Jimin একটা নিশ্বাস ছেড়ে জানালার কাছে গিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে বলে উঠে,  Jimin : জীবনের গল্পের শেষ পরিনতিটা তো আমাদের জন্মের আগেই লেখা হয়ে গেছে, সৃষ্টিকর্তার লেখা এই ভাগ্য পরিবর্তন করা সম্ভব না!  এদিকে Taehyung বাড়ির বারান্দায় দাড়িয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে উজ্জ্বল চাঁদটাকে দেখছে, এরপর  Tae আনমনে বলে উঠলো,  Tae : আজকাল ওই চাঁদের দিকে খুব তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছা করে, তারমানে কি তুমিও এখন এই চাঁদটাকে দেখছো? এই চাঁদ কি আমাদের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে?  কথাগুলো বলে Tae ওই চাঁদের দিকেই  এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো! এভাবে কখন যে তার চোখ লেগে গেছিলো সে নিজেও জানে না..  পরের দিন সকালবেলা- Jimin ফ্রেশ হয়ে বাড়ির বারান্দায় এসে দেখে Tae সেখানেই পড়ে ঘুমাচ্ছে, Jimin Tae এর কাছে গিয়ে কয়েকবার Taeকে ডাক দেয়!  Jimin এর ডাক শুনে Tae ঘুম জরানো কন্ঠে বলে উঠে,  Tae : হুম..!!  Jimin : আপনি বারান্দায় ঘুমাচ্ছেন কেন? Y/n এর পেতনীটা কি ঘরে ঘুমাতে দেয়নি?  Tae আস্তে আস্তে উঠে দাড়ালো এরপর ঘুম ঘুম কন্ঠে বলে উঠলো,  Tae :  y/n এর পেতনী নয়, y/n এর স্মৃতি ঘরে ঘুমাতে দেয়নি,মনে হচ্ছে  আমাকে একা করে সে চাঁদের সঙ্গে মিশে গেছে! তাই ঘরে মন টেকে না!  Jimin : চাঁদের সাথেই মিশুক কিংবা নক্ষত্রের সাথে, park Jimin তাকে ঠিকই টেনে  Taehyung এর পৃথিবীতে নামাবে!    Taehyung হাসলো অতঃপর আবারো বলে উঠলো,  Taehyung : তার সাথে সাক্ষাতের পর আমি একটা কথা বলেছিলাম,
Hide & seek || s2 || part-52 Jimin : অনেক কাজ করেছেন, আপনার রুমে গিয়ে এখন rest করুন! Y/n2 : আপনার সাথে কথা বলারও কোনো ইচ্ছা নেই আমার, কথাটা বলে y/n2 চলে যায়, Jimin একটা নিশ্বাস ছেড়ে জানালার কাছে গিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে বলে উঠে, Jimin : জীবনের গল্পের শেষ পরিনতিটা তো আমাদের জন্মের আগেই লেখা হয়ে গেছে, সৃষ্টিকর্তার লেখা এই ভাগ্য পরিবর্তন করা সম্ভব না! এদিকে Taehyung বাড়ির বারান্দায় দাড়িয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে উজ্জ্বল চাঁদটাকে দেখছে, এরপর Tae আনমনে বলে উঠলো, Tae : আজকাল ওই চাঁদের দিকে খুব তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছা করে, তারমানে কি তুমিও এখন এই চাঁদটাকে দেখছো? এই চাঁদ কি আমাদের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে? কথাগুলো বলে Tae ওই চাঁদের দিকেই এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো! এভাবে কখন যে তার চোখ লেগে গেছিলো সে নিজেও জানে না.. পরের দিন সকালবেলা- Jimin ফ্রেশ হয়ে বাড়ির বারান্দায় এসে দেখে Tae সেখানেই পড়ে ঘুমাচ্ছে, Jimin Tae এর কাছে গিয়ে কয়েকবার Taeকে ডাক দেয়! Jimin এর ডাক শুনে Tae ঘুম জরানো কন্ঠে বলে উঠে, Tae : হুম..!! Jimin : আপনি বারান্দায় ঘুমাচ্ছেন কেন? Y/n এর পেতনীটা কি ঘরে ঘুমাতে দেয়নি? Tae আস্তে আস্তে উঠে দাড়ালো এরপর ঘুম ঘুম কন্ঠে বলে উঠলো, Tae : y/n এর পেতনী নয়, y/n এর স্মৃতি ঘরে ঘুমাতে দেয়নি,মনে হচ্ছে আমাকে একা করে সে চাঁদের সঙ্গে মিশে গেছে! তাই ঘরে মন টেকে না! Jimin : চাঁদের সাথেই মিশুক কিংবা নক্ষত্রের সাথে, park Jimin তাকে ঠিকই টেনে Taehyung এর পৃথিবীতে নামাবে! Taehyung হাসলো অতঃপর আবারো বলে উঠলো, Taehyung : তার সাথে সাক্ষাতের পর আমি একটা কথা বলেছিলাম, " যদি আগের জন্মের কথা তার মনে থাকতো তাহলে হয়তো খুব সহজেই আমাদের ভালোবাসা পূর্নতা পেয়ে যেতো " কথাটা আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত ভুল ছিলো সেটা আমি আজ উপলব্ধি করতে পারছি! Jimin মুচকি হেসে নিশ্বাস ছেড়ে নিচের দিকে তাকিয়ে বলে উঠলো, Jimin : কিন্তু কথাটা আমার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য! কথাটা বলার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে y/n2 উপস্থিত হয়! Y/n2 সন্দেহের দৃষ্টিতে Jimin এর দিকে তাকে প্রশ্ন করে, Y/n2 : কোন কথা Jimin sir! আপনি কি আমার থেকে কিছু লুকানোর চেষ্টা করছেন? দেখুন, আমাকে সবকিছু বলুন নাহলে আমি এই case নিয়ে কাজ করবো না! Jimin : সবসময় দুই লাইন বেশি কথা বলো কেন? মাথার ভেতর কি মস্তিষ্ক আছে নাকি পুরোটাই ফাকা! Y/n2 : আপনি একটু ভালো করে আপনার মাথাটা পরীক্ষা করে দেখুন, হতে পারে চট্টগ্রাম থেকে এখানে আসার সময় রাস্তায় আপনার মগজটা খুলে পড়ে গিয়েছিলো! Jimin : তুমি বার বার ভুলে যাও আমি তোমার boss! Y/n2 : আপনিও বার বার ভুলে যান আমি ছাড়া এই case এক পাও এগোবে না, আপনার পাশে যে দাড়িয়ে আছেন, ছ্যাকা খাওয়া দেবদাস ! উনি তো শুধু আকাশের দিকে তাকিয়ে ব্যর্থ প্রেমের সায়েরি বলতে পারেন, আর ওই দেবদাস যদি এক লাইন সায়েরি বলে তাহলে আপনি তার দ্বিতীয় লাইন বানিয়ে দেন! আপনাদের দুজনের কাজই তো এগুলো, আর এদিকে এসে দেখে যান আমি কি করেছি! (অদ্ভুতভাবে হেসে) Y/n2 এর হাসি দেখে Tae আর Jimin একে অপরের দিকে তাকালো, দুজনের চোখেই চিন্তার ছাপ, এরপর y/n2 তাদের দুজনকে ইশারা করলে তারা y/n2 এর পেছন পেছন যায়! Y/n2 Tae আর Jimin কে সেই ঘরে নিয়ে যায় যেখানে ইরাকে বেধে রাখা হয়েছিলো! Tae Jimin ঘরটায় দিয়ে ইরাকে দেখে পুরো অবাক হয়ে যায়! কেননা ইরা কে একটা চেয়ারে বসানো হয়েছে এবং তাকে ধাতব চেইন দিয়ে বেধে রাখা হয়েছে, চেইনটির সাথে ইলেকট্রিক কানেকশন দেওয়া! ইরাকে দেখে বেশ ভালোভাবেই বোঝা যাচ্ছে বেচারিকে অনেকবার ইলেকট্রিক শক দেওয়া হয়েছে? Tae ইরারকে এভাবে দেখে y/n2 কে প্রশ্ন করে, Tae : ওর এই অবস্থা কেন? Y/n2 : রিমান্ডে নিয়েছিলাম, অবশেষে জানতেও পেরেছি আসল কাহিনী কি? এরপর y/n2 ইরার থুতনি চেপে ধরে বলে উঠে, Y/n2 : এবার সবার সামনে আরো একবার সত্যিটা বল! ইরা : বলছি বলছি, আমাকে আর ইলেকট্রিক শক দিবেন না please! Jimin :বলো! ইরা : সেদিন রাতে আমিও ওই দুর্ঘটনায় উপস্থিত ছিলাম, ওই কালো কাপড় পড়া তিনজন ব্যাক্তির মধ্যে আমি একজন, আর বাকি দুইজনের এক জন হলো আমার বাবা আর একজন তোমার বাবা Taehyung! আমরা Jihan এর কথায় এসব কাজ করেছিলাম,কিন্তু Mr. Jeon dae তোমাকে বাঁচানোর চেষ্টা করছিলো তাই সেদিন তোমাকে উনিই বাধন মুক্ত করে দিয়েছিলো! Tae : আমি এসব শুনতে চাইনা ইরা, শুধু একবার বলো আমার y/n বেঁচে আছে! ইরা ভয়ে ভয়ে বললো , ইরা: বেঁচে নেই, সেদিন যে ফায়ার ফাইটারস্ টিম তোমাকে উদ্ধার করেছিলো তার মধ্যে একজন লোক বলেছিলো তারা নাকি y/n এর লা~ শ উদ্ধার করেছে, কিন্তু সে নাকি লা~ শ নিয়ে কাজ করে তাই লোকটা y/nএর body নিজের সাথে নিয়ে গেছে, আর এই বিষয়টা Mr. Jeon গোপন রাখতে বলেছিলো, কেননা y/n এর মৃ~ ত্যুর খবরটা জানাজানি হলে আমরাই ফেসে যেতাম! কথাগুলো শুনে Tae হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে রইলো! ..

About