@ghjautomall:

GHJ AUTO MALL
GHJ AUTO MALL
Open In TikTok:
Region: GH
Thursday 06 August 2026 07:21:41 GMT
238
8
0
1

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @ghjautomall, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

পৃথিবীর জঘন্যতম বিমানবন্দর...! ঢাকা বিমানবন্দরের নাম  হওয়া দরকার ছিলো প্রবাসীদের টর্চার সেল...🙂 নাম তার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, কিন্তু কামে মনে হয় এটা কোনো মধ্যযুগীয় ডেড জোন! দেশের সরকার বদলায়, কতকিছু বদলায়, কিন্তু এই বিমানবন্দরের ভেতরের নোংরা সিস্টেম  চিত্র বিন্দুমাত্র বদলায় না। থার্ড টার্মিনাল বানায়া ফেলা হচ্ছে, কিন্তু ভেতরের সার্ভিস এখনো সেই প্রস্তর যুগের! সম্প্রতি ওমরাহ ফেরত যাত্রী Dr. Orakatul Jannat লাইভে এসে যে ভয়ংকর অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন,  তা শুনলে যেকোনো সভ্য দেশের মানুষের লজ্জা হবে। ওমরাহ করে আসার পর ঘণ্টার পর ঘণ্টা মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে একটা ট্রলি পায় না! ট্রলির জন্য নাকি লাইনে দাঁড়াতে হয়, এই আজব সার্কাস পৃথিবীর আর কোনো দেশে আছে কি না আমার জানা নাই। এরপর আসে লাগেজ যুদ্ধ.... একটা লাগেজের জন্য তিন-চার ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকাটা এখানে ডালভাত। বয়স্ক মানুষ, ছোট বাচ্চারা ক্লান্তি নিয়ে একটু বসার মতো জায়গাটুকু পর্যন্ত পায় না ব্যাগেজ ক্লেইম জোনে।  আর সবচেয়ে বড় নোংরামিটা কোথায় জানেন? ওমরাহ যাত্রীরা যে পবিত্র জমজমের পানি সাথে নিয়ে আসেন, সেই পানি পর্যন্ত গায়েব করে ফেলা কিংবা আটকে রাখা হচ্ছে! অথচ এই ভোগান্তির জবাব দেওয়ার মতো বা সাধারণ মানুষকে সাহায্য করার জন্য কোনো কর্মকর্তার দেখা মেলে না। প্রবাসীরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে দেশে টাকা পাঠান, আর দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার সাথে সাথেই তাদের সাথে এতিম ও অভিভাবকহীন মানুষের মতো আচরণ করা হয়। ঠিক এই চরম অব্যবস্থাপনার কারণেই ওমরাহ ফেরত ফ্লাইটের লাগেজ ও জমজমের পানি না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন জামায়াত নেতা অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান। তিনি সরাসরি বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদকে আঙুল উঁচিয়ে দায়িত্ব অবহেলার দায়ে ঘাড় ধরে বের করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। অনেকে হয়তো বলবেন, আহা...! একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে এভাবে প্রকাশ্যে শাসানো তো প্রশাসনিক শিষ্টাচার বহির্ভূত! ভাইরে ভাই, সাধারণ মানুষ বিমানবন্দরে যে সীমাহীন জুলুম আর কষ্টের শিকার হচ্ছে, তাতে এ ধরনের তীব্র ক্ষোভের প্রকাশ মোটেই অস্বাভাবিক নয়। উনার ভাগ্য ভালো যে পাবলিক ওনাকে কয়েকটা কানের নিচে দেয় নাই! 😬 কয়েক ঘণ্টা জার্নি করে কাতার বা সৌদি আরব থেকে আসা রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের শুধু একটা লোহার ট্রলির জন্য যখন দেড়-দুই ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, তখন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের চামড়া কতখানি মোটা তা বোঝা যায়। জবাবদিহিতা আর সেবার মান যেখানে মাইনাসে, সেখানে এই বিমানবন্দরকে বিশ্বের অন্যতম জঘন্যতম ম্যানেজমেন্টের আখড়া বললে মোটেও ভুল হবে না। এই চেয়ার আঁকড়ে ধরে থাকা অযোগ্য কর্মকর্তাদের চরম গাফিলতি আর কতকাল সাধারণ মানুষকে সহ্য করতে হবে? নাকি এয়ারপোর্টে নামার আগে হেলমেট আর ধৈর্য্যের বিশাল বস্তা বেঁধে নামতে হবে....?🙂  কর্তৃপক্ষের এই স্বেচ্ছাচারিতা আর প্রবাসীদের ওপর হয়রানি অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত। আপনারা যারা সম্প্রতি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে যাতায়াত করেছেন, আপনাদের এই ভিআইপি টর্চার সেলের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?  কমেন্টে জানান তো দেখি! #ইসলামিক_ভিডিও_🤲🕋🤲 #tiktok #foryou #গতকালকের #ইসলামিক_ভিডিও_🤲🕋🤲
পৃথিবীর জঘন্যতম বিমানবন্দর...! ঢাকা বিমানবন্দরের নাম হওয়া দরকার ছিলো প্রবাসীদের টর্চার সেল...🙂 নাম তার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, কিন্তু কামে মনে হয় এটা কোনো মধ্যযুগীয় ডেড জোন! দেশের সরকার বদলায়, কতকিছু বদলায়, কিন্তু এই বিমানবন্দরের ভেতরের নোংরা সিস্টেম চিত্র বিন্দুমাত্র বদলায় না। থার্ড টার্মিনাল বানায়া ফেলা হচ্ছে, কিন্তু ভেতরের সার্ভিস এখনো সেই প্রস্তর যুগের! সম্প্রতি ওমরাহ ফেরত যাত্রী Dr. Orakatul Jannat লাইভে এসে যে ভয়ংকর অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন, তা শুনলে যেকোনো সভ্য দেশের মানুষের লজ্জা হবে। ওমরাহ করে আসার পর ঘণ্টার পর ঘণ্টা মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে একটা ট্রলি পায় না! ট্রলির জন্য নাকি লাইনে দাঁড়াতে হয়, এই আজব সার্কাস পৃথিবীর আর কোনো দেশে আছে কি না আমার জানা নাই। এরপর আসে লাগেজ যুদ্ধ.... একটা লাগেজের জন্য তিন-চার ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকাটা এখানে ডালভাত। বয়স্ক মানুষ, ছোট বাচ্চারা ক্লান্তি নিয়ে একটু বসার মতো জায়গাটুকু পর্যন্ত পায় না ব্যাগেজ ক্লেইম জোনে। আর সবচেয়ে বড় নোংরামিটা কোথায় জানেন? ওমরাহ যাত্রীরা যে পবিত্র জমজমের পানি সাথে নিয়ে আসেন, সেই পানি পর্যন্ত গায়েব করে ফেলা কিংবা আটকে রাখা হচ্ছে! অথচ এই ভোগান্তির জবাব দেওয়ার মতো বা সাধারণ মানুষকে সাহায্য করার জন্য কোনো কর্মকর্তার দেখা মেলে না। প্রবাসীরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে দেশে টাকা পাঠান, আর দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার সাথে সাথেই তাদের সাথে এতিম ও অভিভাবকহীন মানুষের মতো আচরণ করা হয়। ঠিক এই চরম অব্যবস্থাপনার কারণেই ওমরাহ ফেরত ফ্লাইটের লাগেজ ও জমজমের পানি না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন জামায়াত নেতা অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান। তিনি সরাসরি বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদকে আঙুল উঁচিয়ে দায়িত্ব অবহেলার দায়ে ঘাড় ধরে বের করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। অনেকে হয়তো বলবেন, আহা...! একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে এভাবে প্রকাশ্যে শাসানো তো প্রশাসনিক শিষ্টাচার বহির্ভূত! ভাইরে ভাই, সাধারণ মানুষ বিমানবন্দরে যে সীমাহীন জুলুম আর কষ্টের শিকার হচ্ছে, তাতে এ ধরনের তীব্র ক্ষোভের প্রকাশ মোটেই অস্বাভাবিক নয়। উনার ভাগ্য ভালো যে পাবলিক ওনাকে কয়েকটা কানের নিচে দেয় নাই! 😬 কয়েক ঘণ্টা জার্নি করে কাতার বা সৌদি আরব থেকে আসা রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের শুধু একটা লোহার ট্রলির জন্য যখন দেড়-দুই ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, তখন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের চামড়া কতখানি মোটা তা বোঝা যায়। জবাবদিহিতা আর সেবার মান যেখানে মাইনাসে, সেখানে এই বিমানবন্দরকে বিশ্বের অন্যতম জঘন্যতম ম্যানেজমেন্টের আখড়া বললে মোটেও ভুল হবে না। এই চেয়ার আঁকড়ে ধরে থাকা অযোগ্য কর্মকর্তাদের চরম গাফিলতি আর কতকাল সাধারণ মানুষকে সহ্য করতে হবে? নাকি এয়ারপোর্টে নামার আগে হেলমেট আর ধৈর্য্যের বিশাল বস্তা বেঁধে নামতে হবে....?🙂 কর্তৃপক্ষের এই স্বেচ্ছাচারিতা আর প্রবাসীদের ওপর হয়রানি অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত। আপনারা যারা সম্প্রতি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে যাতায়াত করেছেন, আপনাদের এই ভিআইপি টর্চার সেলের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল? কমেন্টে জানান তো দেখি! #ইসলামিক_ভিডিও_🤲🕋🤲 #tiktok #foryou #গতকালকের #ইসলামিক_ভিডিও_🤲🕋🤲

About