@queenlashay91: Replying to @dogdadsg81

Vicki❤️
Vicki❤️
Open In TikTok:
Region: US
Thursday 06 August 2026 21:03:07 GMT
537
5
5
0

Music

Download

Comments

kris35211
*Kris352* :
I love these pads
2026-08-16 17:40:09
0
love4purifier
Purifier :
Not cheese grater 😮 ouch!
2026-08-07 11:07:30
1
To see more videos from user @queenlashay91, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

প্রিয় নবীজি ﷺ-এর রওজা মোবারকের পাশ থেকে চারজন পুলিশ এক যুবককে আটক করে। তারা কোনো কথা না বলেই সাথে সাথে যুবকটির পেছনে দড়ি দিয়ে তার দু’হাত বেঁধে ফেলে। যুবকটি পুলিশদের জিজ্ঞেস করতে লাগল, তোমাদের কী হয়েছে? আমিতো চোরও নই, ডাকাতও নই, তাহলে আমার সাথে এমন আচরণ করছ কেন?! দূর থেকে একজন বয়স্ক মুরব্বি পুরো বিষয়টি লক্ষ্য করছিলেন। তখন তিনি কাছে এসে পুলিশদের বললেন, “আমি এই যুবককে চিনি।” পুলিশরা তাকে বলল: আপনি তাকে কীভাবে চিনেন? মুরব্বি বললেন: আমি তাকে দেখি, সে সব সময় রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর রওজার সামনে দাঁড়িয়ে-দাঁড়িয়ে, বসে-বসে দরূদ পড়ে, সালাম দেয়, কান্নাকাটিও করে। তোমরা তাকে গ্রেফতার করেছ কেন? সে কি চোর? যুবকটি ছিল আলবেনিয়ার নাগরিক, বয়স ৩৫ অথবা ৩৬ হবে। তার মাথাভর্তি ঘাড় বাবরি চুলে আর মুখভর্তি হালকা দাড়িতে। পুলিশ বলল: না, সে চোর নয়। এই যুবক আলবেনিয়ার অধিবাসী। সে মদিনায় ছয় বছর ধরে বসবাস করছে, অথচ এখানে তার কোনো বসবাসের কাগজপত্র নেই। আমরা তাকে ধরে আলবেনিয়ায় পাঠিয়ে দিতে চাচ্ছি ছয় বছর যাবৎ। কিন্তু প্রতিবারই তাকে ধরার পর সে আমাদের কাছ থেকে পালিয়ে যায়। আমরা তাকে প্রতিবারই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মসজিদ থেকে ধরি। এবারও তাই হলো। তাকে এবার পাওয়ামাত্রই সাথে সাথে দড়ি দিয়ে বাঁধা ছাড়া আমাদের কোনো উপায় ছিল না! মুরব্বি পুলিশদের বললেন: এখন তোমরা তাকে নিয়ে কী করবে? তারা বলল: রাষ্ট্রীয় আইন প্রয়োগ করব। আমরা তাকে এখন ধরে নিয়ে প্লেনে উঠিয়ে দেব, তারপর সে আলবেনিয়ায়... যুবকটি তখন কাঁদছিল আর ভাবছিল, এবার মনে হয় তাকে সত্যি সত্যিই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মসজিদ ছেড়ে যেতে হবে! রাসূলের স্মৃতিবিজড়িত মদিনা শহর ছেড়ে যেতে হবে! কিছুক্ষণ ভেবে যুবকটি পুলিশদের বলতে লাগল: দেখুন ভাই, আমি এখানে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও কারও সাথে প্রতারণা করি না। আমি এখানে এসেছি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ভালোবাসার টানে। এছাড়া অন্য কোনো দুনিয়াবি উদ্দেশ্য আমার নেই। পুলিশরা বলল: না, এটা গ্রহণযোগ্য কথা নয়। আপনাকে অবশ্যই দেশে ফিরে যেতে হবে। বহিরাগতদের রাষ্ট্রীয় আইনে এখানে থাকার সুযোগ নেই। পুলিশরা যুবককে নিয়ে মসজিদে নববী থেকে বের হয়ে গেল। যুবক পথিমধ্যে তাদের বলল: আমার একটি শেষ অনুরোধ রাখবেন? পুলিশরা তার অনুরোধ শুনল এবং সুযোগ দিল। যুবকটি তখন সবুজ গম্বুজের দিকে তাকিয়ে আবেগতাড়িত কণ্ঠে বলল: هل هكذا كان الاتفاق بيننا؟! “ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাদের মধ্যে চুক্তিটা কি এমন হয়েছিল! হে রাসূল! আপনার প্রতিবেশী হব, তাই আমি আমার দোকান, ব্যবসা, মা-বাবাকে ছেড়ে এখানে এসেছি। কিন্তু তারা আমাকে আর থাকতে দিচ্ছে না।” এই কথা বলতে বলতে যুবক মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। পুলিশরা বলেছে: আমরা ভাবলাম, যুবক ইচ্ছাকৃতভাবে মাটিতে লুটিয়ে পড়ছে। সে জ্ঞান হারানোর ভান করছে, হয়তো আবার পালানোর পাঁয়তারা করছে। পুলিশ সদস্যরা কিছুক্ষণ পর যুবককে মাটি থেকে টেনে উঠাল। দেখল, সে সত্যিই অচেতন। মুখে পানি ঢেলে দিলেও যুবক আর নড়ছে না। তাদের মধ্যে একজন বলল: তার হয়তো স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। এক্ষুণি অ্যাম্বুলেন্স আনো। অ্যাম্বুলেন্স এসেছিল এবং যুবককে হাসপাতালেও নেওয়া হয়েছিল। ডাক্তার তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর বললেন: আরও দেড় ঘণ্টা আগে যুবক এই পৃথিবী থেকে চলে গেছে, সে বেঁচে নেই। পুলিশ সদস্যরা তখন কান্নায় ভেঙে পড়েছিল এবং বলছিল: আল্লাহর শপথ, আমরা আমাদের দায়িত্ব পালনকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসার নমুনা অনুভব করতে পারিনি। এরপর গোসল ও জানাযা শেষে যুবককে অ্যাম্বুলেন্সে করে জান্নাতুল বাকিতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে দাফন করা হয়। আলবেনিয়ার পথে রওনা দেওয়া যুবক, জান্নাতুল বাকিতে চলে গেলেন। রেখে গেলেন পৃথিবীবাসীর জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি ভালোবাসার অনুপম উপমা। ~ আরবি থেকে অনূদিত ক্রেডিট: Hidayat-হিদায়েত #foryourpage #islamic_video #শায়েখ_আহমাদুল্লাহ #creatorsearchinsights #TikTok
প্রিয় নবীজি ﷺ-এর রওজা মোবারকের পাশ থেকে চারজন পুলিশ এক যুবককে আটক করে। তারা কোনো কথা না বলেই সাথে সাথে যুবকটির পেছনে দড়ি দিয়ে তার দু’হাত বেঁধে ফেলে। যুবকটি পুলিশদের জিজ্ঞেস করতে লাগল, তোমাদের কী হয়েছে? আমিতো চোরও নই, ডাকাতও নই, তাহলে আমার সাথে এমন আচরণ করছ কেন?! দূর থেকে একজন বয়স্ক মুরব্বি পুরো বিষয়টি লক্ষ্য করছিলেন। তখন তিনি কাছে এসে পুলিশদের বললেন, “আমি এই যুবককে চিনি।” পুলিশরা তাকে বলল: আপনি তাকে কীভাবে চিনেন? মুরব্বি বললেন: আমি তাকে দেখি, সে সব সময় রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর রওজার সামনে দাঁড়িয়ে-দাঁড়িয়ে, বসে-বসে দরূদ পড়ে, সালাম দেয়, কান্নাকাটিও করে। তোমরা তাকে গ্রেফতার করেছ কেন? সে কি চোর? যুবকটি ছিল আলবেনিয়ার নাগরিক, বয়স ৩৫ অথবা ৩৬ হবে। তার মাথাভর্তি ঘাড় বাবরি চুলে আর মুখভর্তি হালকা দাড়িতে। পুলিশ বলল: না, সে চোর নয়। এই যুবক আলবেনিয়ার অধিবাসী। সে মদিনায় ছয় বছর ধরে বসবাস করছে, অথচ এখানে তার কোনো বসবাসের কাগজপত্র নেই। আমরা তাকে ধরে আলবেনিয়ায় পাঠিয়ে দিতে চাচ্ছি ছয় বছর যাবৎ। কিন্তু প্রতিবারই তাকে ধরার পর সে আমাদের কাছ থেকে পালিয়ে যায়। আমরা তাকে প্রতিবারই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মসজিদ থেকে ধরি। এবারও তাই হলো। তাকে এবার পাওয়ামাত্রই সাথে সাথে দড়ি দিয়ে বাঁধা ছাড়া আমাদের কোনো উপায় ছিল না! মুরব্বি পুলিশদের বললেন: এখন তোমরা তাকে নিয়ে কী করবে? তারা বলল: রাষ্ট্রীয় আইন প্রয়োগ করব। আমরা তাকে এখন ধরে নিয়ে প্লেনে উঠিয়ে দেব, তারপর সে আলবেনিয়ায়... যুবকটি তখন কাঁদছিল আর ভাবছিল, এবার মনে হয় তাকে সত্যি সত্যিই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মসজিদ ছেড়ে যেতে হবে! রাসূলের স্মৃতিবিজড়িত মদিনা শহর ছেড়ে যেতে হবে! কিছুক্ষণ ভেবে যুবকটি পুলিশদের বলতে লাগল: দেখুন ভাই, আমি এখানে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও কারও সাথে প্রতারণা করি না। আমি এখানে এসেছি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ভালোবাসার টানে। এছাড়া অন্য কোনো দুনিয়াবি উদ্দেশ্য আমার নেই। পুলিশরা বলল: না, এটা গ্রহণযোগ্য কথা নয়। আপনাকে অবশ্যই দেশে ফিরে যেতে হবে। বহিরাগতদের রাষ্ট্রীয় আইনে এখানে থাকার সুযোগ নেই। পুলিশরা যুবককে নিয়ে মসজিদে নববী থেকে বের হয়ে গেল। যুবক পথিমধ্যে তাদের বলল: আমার একটি শেষ অনুরোধ রাখবেন? পুলিশরা তার অনুরোধ শুনল এবং সুযোগ দিল। যুবকটি তখন সবুজ গম্বুজের দিকে তাকিয়ে আবেগতাড়িত কণ্ঠে বলল: هل هكذا كان الاتفاق بيننا؟! “ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাদের মধ্যে চুক্তিটা কি এমন হয়েছিল! হে রাসূল! আপনার প্রতিবেশী হব, তাই আমি আমার দোকান, ব্যবসা, মা-বাবাকে ছেড়ে এখানে এসেছি। কিন্তু তারা আমাকে আর থাকতে দিচ্ছে না।” এই কথা বলতে বলতে যুবক মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। পুলিশরা বলেছে: আমরা ভাবলাম, যুবক ইচ্ছাকৃতভাবে মাটিতে লুটিয়ে পড়ছে। সে জ্ঞান হারানোর ভান করছে, হয়তো আবার পালানোর পাঁয়তারা করছে। পুলিশ সদস্যরা কিছুক্ষণ পর যুবককে মাটি থেকে টেনে উঠাল। দেখল, সে সত্যিই অচেতন। মুখে পানি ঢেলে দিলেও যুবক আর নড়ছে না। তাদের মধ্যে একজন বলল: তার হয়তো স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। এক্ষুণি অ্যাম্বুলেন্স আনো। অ্যাম্বুলেন্স এসেছিল এবং যুবককে হাসপাতালেও নেওয়া হয়েছিল। ডাক্তার তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর বললেন: আরও দেড় ঘণ্টা আগে যুবক এই পৃথিবী থেকে চলে গেছে, সে বেঁচে নেই। পুলিশ সদস্যরা তখন কান্নায় ভেঙে পড়েছিল এবং বলছিল: আল্লাহর শপথ, আমরা আমাদের দায়িত্ব পালনকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসার নমুনা অনুভব করতে পারিনি। এরপর গোসল ও জানাযা শেষে যুবককে অ্যাম্বুলেন্সে করে জান্নাতুল বাকিতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে দাফন করা হয়। আলবেনিয়ার পথে রওনা দেওয়া যুবক, জান্নাতুল বাকিতে চলে গেলেন। রেখে গেলেন পৃথিবীবাসীর জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি ভালোবাসার অনুপম উপমা। ~ আরবি থেকে অনূদিত ক্রেডিট: Hidayat-হিদায়েত #foryourpage #islamic_video #শায়েখ_আহমাদুল্লাহ #creatorsearchinsights #TikTok

About