@user4181242484921: sj-Kính đạp xe đổi màu quang nhạy, tự động đổi màu, chống tia UV cho hoạt động ngoài trời

yichen1
yichen1
Open In TikTok:
Region: VN
Monday 10 August 2026 10:43:38 GMT
1212
7
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @user4181242484921, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

Part - 110। দুই_পৃথিবী 🕊️ ইতালিতে রাতের প্রহর চলছে, এক নাগাড়ে সুরা পাঠ করে যাচ্ছেন কাজি। মাঝে মাঝে Yn এর নামের সঙ্গে জাংকুক এর নাম বসিয়ে খুতবা পড়ছেন। Yn এর কানে কাজির কোনো কথাই ঢুকছে না। থমকে বসে রয়েছে সে, যেনো শরীরের প্রাণটা হারিয়ে গেছে। কবুল বলার মুহূর্ত ঘনিয়ে এলো। Yn কে বারবার কবুল বলতে বলছে কাজি, কিন্তু তার কোনো হেলদোল নেই। কিছু শুনতে পারছে কিনা সন্দেহ। অধৈর্য হলো জাংকুক। Yn এর হাতটা থাবা মেরে ধরতেই সঙ্গে সঙ্গে হাত ঝাড়া দিয়ে ছাড়িয়ে নিলো Yn। চোখ বন্ধ করতেই টুপ করে অশ্রু গড়িয়ে পড়লো।  এতক্ষণে হুস এসেছে তার, ঠাহর করতে পারছে না সে এই মুহূর্তে কোন পরিস্থিতির শিকার হয়ে আছে। নিজের সামনে বৃদ্ধ একজন কাজিকে বসে থাকতে দেখে Yn ঢোক গিললো। কাজি ফের বলল কবুল বলতে। Yn তৎক্ষণাৎ চোখ ঘুরিয়ে দরজার দিকে চাইলো। আশায় রইলো এই দরজা দিয়ে তার পাপিষ্ঠ পুরুষটা আসবে, খুব দ্রুত। রাগে কিড়মিড় করতে করতে জাংকুক Yn এর বাহু ধরে টান বসালো। রাগের আভাস ফুটে উঠেছে চোখে মুখে। Yn এর উদ্দেশে হুংকার ছাড়ল, জাংকুক: কবুল বলো.. Yn জাংকুক এর দিকে চাইলো ও না, চোখ ঘুরিয়ে মাথা নিচু করে ফেললো। জাংকুক একটানে Yn এর চুলের খোপা টেনে ধরলো, ব্যথায় চোখ মুখ কুচকে নিলো Yn। কটমট করতে করতে আবারো বলল, জাংকুক: কথা কানে যায়না তোমার? কবুল বলো ফাস্ট.. Yn: আআ লাগছে.. জাংকুক: লাগুক, কবুল বল.. কান্নায় ঠোঁট ভেঙে এলো Yn এর। ঠোঁট ফুলিয়ে শব্দ উচ্চারণ করতে যাবে তার আগেই বিকট শব্দ হলো। লিভিং রুমের থাই জানালা ভেঙে একজন গার্ড ছিটকে পড়ল লিভিং রুমের মেঝেতে। Yn সহ সবাই আতকে উঠলেও জাংকুক এর চোখ জ্বলছিল। সেকেন্ডের ব্যবধানে লিভিং রুমের দরজাটা লাথি মেরে খুলে ফেললো Tae। অন্ধকারে মুখটা স্পষ্ট না হলেও, দরজায় Tae কে দেখে Yn এর চোখ জ্বলজ্বল করে উঠলো, দেহে প্রাণ ফিরে এসেছে যেনো। জাংকুক এর হাত থেকে নিজের চুল ছাড়িয়ে Tae এর কাছে যেতে চাইলে হাত আঁকড়ে ধরলো জাংকুক। Yn নিজের হাত ছাড়ানোর জন্য মুচড়াতে মুচড়াতে Tae এর উদ্দেশ্যে চিৎকার করে উঠলো, Yn: Taehyung... Yn এর মুখে নিজের নাম শুনে থমকে দাড়ালো Tae। হাতের ব/ন্দুক উঁচিয়ে জাংকুক এর বাহু টার্গেট করে গু*লি ছুড়লো। সঙ্গে সঙ্গে Yn নিজেকে ছাড়িয়ে দৌড়ে এসে জাপটে ধরলো Tae কে। একপ্রকার আছড়ে পড়ল Tae এর বুকে। এতদিন পর Yn কে কাছে পেয়ে Tae এর কাছে নিজেকে দুর্বল মনে হচ্ছে। Yn এর হঠাৎ কাছে আসায় Tae এর নিঃশ্বাস আটকে গিয়েছে! বুকের কম্পন তীব্র হয়েছে.. আচমকা জাংকুক নিজের বন্দু/ক উঁচিয়ে গু*লি ছুড়লো Tae কে টার্গেট করে। সঙ্গে সঙ্গে Yn কে বুকে জাপটে ধরে সরে গেলো Tae। এক হাতে Yn কে নিজের সঙ্গে চেপে ধরে অন্য হাতে গু*লি চালালো নীলের দিকে। পায়ে এসে গু*লি লাগতেই নীল দপ করে বসে পড়লো সোফায়। সেকেন্ডের মধ্যে কয়েকজন গার্ড উপস্থিত হলো লিভিং রুমে, তারা আটকে ফেলল জাংকুক কে। Tae ধীরে ধীরে এগিয়ে গেলো জাংকুক এর দিকে। Yn কে বুকে চেপে ধরেই বহুত আফসোস স্বরে বলল, Tae: আহারে বেচারা, বারবার পাঙ্গা নিয়েও আমার সঙ্গে পেরে উঠছিস না। তোর জন্য খুব মায়া হচ্ছেরে, কি নিষ্পাপ ওই না তুই! গার্ডের মাঝে আটকা পড়ে ধস্তাধস্তি করতে করতে জাংকুক চিৎকার করলো, জাংকুক: কোন সাহসে আমার পদ্মফুলকে ছুয়েছিস? ও তোর কেউ না.. তোদের মাঝে কোনো সম্পর্ক নেই আর! Tae: সত্যি? Tae এর হেঁয়ালি কথায় জাংকুক আরো গর্জে উঠল। আচমকা অট্ট হাসিতে ফেটে পড়ে হাসতে হাসতে বলল, জাংকুক: Yn তোকে নিজেই ডিভোর্স দিয়েছে, ওইযে ডিভোর্স পেপার টেবিলের ওপর! Yn মাথা তুলে Tae এর দিকে চাইতেই দুইজন চোখাচোখি হলো। নীলাম্বর চোখে দৃষ্টি পড়তেই Yn এর ভিতর অপরাধ বোধ জেগে উঠল। সত্যিই তো সে ডিভোর্স পেপারে টিপ'সই দিয়ে দিয়েছে, এখন কি Tae এর চোখে সে খারাপ হয়ে যাবে? হারিয়ে ফেলবে আপন মানুষটাকে? Tae মেকি হেসে আচমকা চুমু খেলো Yn এর কপালে। তারপর জাংকুক এর দিকে চেয়ে বাকা হেসে বলল, Tae: আমার সত্যি মায়া হয় তোর জন্য, তোর এত সুন্দর মাথায় ব্রেন এর অভাব রে। আগে বলবি না শালা তুই ইংরেজি পড়তে জানিস না! আমার কাছে কোচিং করতে আসিস, শিখিয়ে দিবো কীভাবে নকল আসল বুঝতে হয়! জাংকুক: মানে? Tae: মানে ডিভোর্স পেপারটা নকল ছিল, তোর হাতে আসার আগেই সেইটা পাল্টে ফেলেছিলাম! বলতে বলতে হাসতে হাসতে Yn কে নিয়ে সোফায় বসালো। Tae এর কথায় Yn থমকে গিয়েছে, ফেলফেল করে কেবল চেয়ে আছে। বিশ্বাস হচ্ছেনা Tae এর কথাটা। Tae নকল ডিভোর্স পেপারটা হাতে নিয়ে এগিয়ে এলো জাংকুক এর দিকে। একপ্রকার মুখের ওপর ছুঁড়ে মেরে বলল, Tae: একমাত্র রব ছাড়া পৃথিবীর কারোর শক্তি নেই আমাদের আলাদা করার! আমার নারী শুধু আমার আছে, আমার ওই থাকবে!  .. 200+cp lnk #foryoupage #fyp #Rimjem7
Part - 110। দুই_পৃথিবী 🕊️ ইতালিতে রাতের প্রহর চলছে, এক নাগাড়ে সুরা পাঠ করে যাচ্ছেন কাজি। মাঝে মাঝে Yn এর নামের সঙ্গে জাংকুক এর নাম বসিয়ে খুতবা পড়ছেন। Yn এর কানে কাজির কোনো কথাই ঢুকছে না। থমকে বসে রয়েছে সে, যেনো শরীরের প্রাণটা হারিয়ে গেছে। কবুল বলার মুহূর্ত ঘনিয়ে এলো। Yn কে বারবার কবুল বলতে বলছে কাজি, কিন্তু তার কোনো হেলদোল নেই। কিছু শুনতে পারছে কিনা সন্দেহ। অধৈর্য হলো জাংকুক। Yn এর হাতটা থাবা মেরে ধরতেই সঙ্গে সঙ্গে হাত ঝাড়া দিয়ে ছাড়িয়ে নিলো Yn। চোখ বন্ধ করতেই টুপ করে অশ্রু গড়িয়ে পড়লো। এতক্ষণে হুস এসেছে তার, ঠাহর করতে পারছে না সে এই মুহূর্তে কোন পরিস্থিতির শিকার হয়ে আছে। নিজের সামনে বৃদ্ধ একজন কাজিকে বসে থাকতে দেখে Yn ঢোক গিললো। কাজি ফের বলল কবুল বলতে। Yn তৎক্ষণাৎ চোখ ঘুরিয়ে দরজার দিকে চাইলো। আশায় রইলো এই দরজা দিয়ে তার পাপিষ্ঠ পুরুষটা আসবে, খুব দ্রুত। রাগে কিড়মিড় করতে করতে জাংকুক Yn এর বাহু ধরে টান বসালো। রাগের আভাস ফুটে উঠেছে চোখে মুখে। Yn এর উদ্দেশে হুংকার ছাড়ল, জাংকুক: কবুল বলো.. Yn জাংকুক এর দিকে চাইলো ও না, চোখ ঘুরিয়ে মাথা নিচু করে ফেললো। জাংকুক একটানে Yn এর চুলের খোপা টেনে ধরলো, ব্যথায় চোখ মুখ কুচকে নিলো Yn। কটমট করতে করতে আবারো বলল, জাংকুক: কথা কানে যায়না তোমার? কবুল বলো ফাস্ট.. Yn: আআ লাগছে.. জাংকুক: লাগুক, কবুল বল.. কান্নায় ঠোঁট ভেঙে এলো Yn এর। ঠোঁট ফুলিয়ে শব্দ উচ্চারণ করতে যাবে তার আগেই বিকট শব্দ হলো। লিভিং রুমের থাই জানালা ভেঙে একজন গার্ড ছিটকে পড়ল লিভিং রুমের মেঝেতে। Yn সহ সবাই আতকে উঠলেও জাংকুক এর চোখ জ্বলছিল। সেকেন্ডের ব্যবধানে লিভিং রুমের দরজাটা লাথি মেরে খুলে ফেললো Tae। অন্ধকারে মুখটা স্পষ্ট না হলেও, দরজায় Tae কে দেখে Yn এর চোখ জ্বলজ্বল করে উঠলো, দেহে প্রাণ ফিরে এসেছে যেনো। জাংকুক এর হাত থেকে নিজের চুল ছাড়িয়ে Tae এর কাছে যেতে চাইলে হাত আঁকড়ে ধরলো জাংকুক। Yn নিজের হাত ছাড়ানোর জন্য মুচড়াতে মুচড়াতে Tae এর উদ্দেশ্যে চিৎকার করে উঠলো, Yn: Taehyung... Yn এর মুখে নিজের নাম শুনে থমকে দাড়ালো Tae। হাতের ব/ন্দুক উঁচিয়ে জাংকুক এর বাহু টার্গেট করে গু*লি ছুড়লো। সঙ্গে সঙ্গে Yn নিজেকে ছাড়িয়ে দৌড়ে এসে জাপটে ধরলো Tae কে। একপ্রকার আছড়ে পড়ল Tae এর বুকে। এতদিন পর Yn কে কাছে পেয়ে Tae এর কাছে নিজেকে দুর্বল মনে হচ্ছে। Yn এর হঠাৎ কাছে আসায় Tae এর নিঃশ্বাস আটকে গিয়েছে! বুকের কম্পন তীব্র হয়েছে.. আচমকা জাংকুক নিজের বন্দু/ক উঁচিয়ে গু*লি ছুড়লো Tae কে টার্গেট করে। সঙ্গে সঙ্গে Yn কে বুকে জাপটে ধরে সরে গেলো Tae। এক হাতে Yn কে নিজের সঙ্গে চেপে ধরে অন্য হাতে গু*লি চালালো নীলের দিকে। পায়ে এসে গু*লি লাগতেই নীল দপ করে বসে পড়লো সোফায়। সেকেন্ডের মধ্যে কয়েকজন গার্ড উপস্থিত হলো লিভিং রুমে, তারা আটকে ফেলল জাংকুক কে। Tae ধীরে ধীরে এগিয়ে গেলো জাংকুক এর দিকে। Yn কে বুকে চেপে ধরেই বহুত আফসোস স্বরে বলল, Tae: আহারে বেচারা, বারবার পাঙ্গা নিয়েও আমার সঙ্গে পেরে উঠছিস না। তোর জন্য খুব মায়া হচ্ছেরে, কি নিষ্পাপ ওই না তুই! গার্ডের মাঝে আটকা পড়ে ধস্তাধস্তি করতে করতে জাংকুক চিৎকার করলো, জাংকুক: কোন সাহসে আমার পদ্মফুলকে ছুয়েছিস? ও তোর কেউ না.. তোদের মাঝে কোনো সম্পর্ক নেই আর! Tae: সত্যি? Tae এর হেঁয়ালি কথায় জাংকুক আরো গর্জে উঠল। আচমকা অট্ট হাসিতে ফেটে পড়ে হাসতে হাসতে বলল, জাংকুক: Yn তোকে নিজেই ডিভোর্স দিয়েছে, ওইযে ডিভোর্স পেপার টেবিলের ওপর! Yn মাথা তুলে Tae এর দিকে চাইতেই দুইজন চোখাচোখি হলো। নীলাম্বর চোখে দৃষ্টি পড়তেই Yn এর ভিতর অপরাধ বোধ জেগে উঠল। সত্যিই তো সে ডিভোর্স পেপারে টিপ'সই দিয়ে দিয়েছে, এখন কি Tae এর চোখে সে খারাপ হয়ে যাবে? হারিয়ে ফেলবে আপন মানুষটাকে? Tae মেকি হেসে আচমকা চুমু খেলো Yn এর কপালে। তারপর জাংকুক এর দিকে চেয়ে বাকা হেসে বলল, Tae: আমার সত্যি মায়া হয় তোর জন্য, তোর এত সুন্দর মাথায় ব্রেন এর অভাব রে। আগে বলবি না শালা তুই ইংরেজি পড়তে জানিস না! আমার কাছে কোচিং করতে আসিস, শিখিয়ে দিবো কীভাবে নকল আসল বুঝতে হয়! জাংকুক: মানে? Tae: মানে ডিভোর্স পেপারটা নকল ছিল, তোর হাতে আসার আগেই সেইটা পাল্টে ফেলেছিলাম! বলতে বলতে হাসতে হাসতে Yn কে নিয়ে সোফায় বসালো। Tae এর কথায় Yn থমকে গিয়েছে, ফেলফেল করে কেবল চেয়ে আছে। বিশ্বাস হচ্ছেনা Tae এর কথাটা। Tae নকল ডিভোর্স পেপারটা হাতে নিয়ে এগিয়ে এলো জাংকুক এর দিকে। একপ্রকার মুখের ওপর ছুঁড়ে মেরে বলল, Tae: একমাত্র রব ছাড়া পৃথিবীর কারোর শক্তি নেই আমাদের আলাদা করার! আমার নারী শুধু আমার আছে, আমার ওই থাকবে! .. 200+cp lnk #foryoupage #fyp #Rimjem7

About