Language
English
عربي
Tiếng Việt
русский
français
español
日本語
한글
Deutsch
हिन्दी
简体中文
繁體中文
API
Home
How To Use
Language
English
عربي
Tiếng Việt
русский
français
español
日本語
한글
Deutsch
हिन्दी
简体中文
繁體中文
Home
Detail
@arabafenice87: mi colori l'estate ♥️. #mare #sunset
M. 22🔥👿♍✝️😎🔥22
Open In TikTok:
Region: IT
Tuesday 11 August 2026 14:34:58 GMT
972
165
0
0
Music
Download
No Watermark .mp4 (
3.17MB
)
No Watermark(HD) .mp4 (
3.17MB
)
Watermark .mp4 (
0MB
)
Music .mp3
Comments
There are no more comments for this video.
To see more videos from user @arabafenice87, please go to the Tikwm homepage.
Other Videos
福岡で1番バズってる炉端焼き!香ばしく焼かれた鮮魚は絶品🥰 🍚店名: すみ劇場 むさし坐 住所: 福岡市中央区渡辺通5-5-12 最寄駅:天神南駅徒歩3分 営業時間:16:00〜24:00 定休日:不定休 #福岡グルメ#Japanesefood
#martes #vegetta777 #gorda #pizza #caca
Băng đô cài tóc tiểu thư công chúa #bangdocaitoc #bangdocaitoctieuthu #bangdocaitocxinh
@Rafael Cabral @Lukinha #mjmusiccy
Chăm sóc tay
একদিন ইতিহাস জিজ্ঞেস করবে—ফিলিস্তিন যখন কাঁদছিল, তখন পৃথিবী শুধু সংবাদ দেখেছিল, নাকি মানুষ দেখেছিল? যখন একটি শিশুর ঘুম ভেঙে যায় বিস্ফোরণের শব্দে, তখন সভ্যতার প্রাসাদে বাজতে থাকা সঙ্গীত কি এক মুহূর্তের জন্য থেমেছিল? যখন একটি মা তার সন্তানের নাম ধরে ধ্বংসস্তূপের নিচে কেঁদেছিল, তখন পৃথিবীর বিবেক কি তার কান্নার ভাষা বুঝেছিল? যখন একটি ঘর ভেঙে মাটির সঙ্গে মিশে গেল, তখন কেবল ইট-পাথর ভাঙল—নাকি ভেঙে গেল মানুষের প্রতি মানুষের বিশ্বাস? হে পৃথিবী! তুমি কতদিন আর সংখ্যার হিসাব রাখবে? কত মৃত, কত আহত, কত ঘর ধ্বংস—এসব গুনতে গুনতে কি কখনো একজন মানুষের মুখ দেখবে? মৃতদেহের সংখ্যা গুনতে গুনতে কি ভুলে যাবে যে প্রতিটি সংখ্যার পেছনে ছিল একটি নাম, একটি মা, একটি বাবা, একটি শিশুর হাসি, একটি অসমাপ্ত স্বপ্ন? আমি সেই পৃথিবীর কাছে প্রশ্ন রাখি—যে পৃথিবী স্বাধীনতার জন্য পতাকা ওড়ায়, সে পৃথিবী কেন অন্যের স্বাধীনতার কান্নায় বধির? যে পৃথিবী মানবাধিকারের কথা লিখে, সে পৃথিবী কেন মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার দৃশ্য দেখে এত সহজে নীরব হয়ে যায়? না—নীরবতা নিরপেক্ষ নয়। কখনো কখনো নীরবতা অন্যায়ের দীর্ঘ ছায়া হয়ে দাঁড়ায়। তাই আজ কোনো জাতির বিরুদ্ধে নয়, কোনো নিরপরাধ মানুষের বিরুদ্ধে নয়—আমি গর্জে উঠি অন্যায়ের বিরুদ্ধে! আমি গর্জে উঠি সেই নিষ্ঠুরতার বিরুদ্ধে, যে শিশুর চোখ থেকে ভবিষ্যৎ চুরি করে। আমি গর্জে উঠি সেই উদাসীনতার বিরুদ্ধে, যে মানুষের কান্নাকে পরিসংখ্যান বানিয়ে ফেলে। আমি গর্জে উঠি সেই ভণ্ড সভ্যতার বিরুদ্ধে, যে নিজের জন্য স্বাধীনতা চায়, অথচ অন্যের স্বাধীনতাকে প্রশ্ন করে। ফিলিস্তিনের শিশুকে বলো না—“অপেক্ষা করো।” তার শৈশব অপেক্ষা করতে জানে না। তার মায়ের কান্না কোনো কূটনৈতিক বিবৃতির জন্য অপেক্ষা করে না। তার ঘর কোনো সম্মেলনের টেবিলে ফিরে আসে না। হে ইতিহাস! লিখে রেখো—একদিন মানুষ জানতে চাইবে, যখন দুর্বল মানুষের ঘর পুড়ছিল, তখন শক্তিশালী পৃথিবী কোথায় ছিল? আর যদি কোনোদিন সভ্যতার আয়নায় আমাদের মুখ দেখা যায়, তবে যেন আমরা লজ্জায় চোখ নামিয়ে না নিই। কারণ ফিলিস্তিন শুধু ফিলিস্তিনের প্রশ্ন নয়— এটি মানুষের পাশে মানুষ দাঁড়াবে কি না, সেই চূড়ান্ত প্রশ্ন। আর আমি বলি— যতদিন পৃথিবীর কোনো শিশুর চোখে ভয় থাকবে, ততদিন আমাদের সভ্যতা সম্পূর্ণ নয়। যতদিন কোনো মায়ের বুক সন্তান হারানোর শোকে ফেটে যাবে, ততদিন আমাদের বিজয়ের পতাকা অসম্পূর্ণ। আর যতদিন অন্যায়কে অন্যায় বলতে মানুষের কণ্ঠ কাঁপবে— ততদিন বিদ্রোহের আগুন নিভবে না। লেখক আরফান সাদিক হিমু #bangladesh #caption #stutas #foryou
About
Robot
API
Legal
Privacy Policy