@tlingg_01: Kiếp vk,ck đào hoa #kdrama #byeonwooseok #kimhyeyoon #woohyecouple #lovelyrunner

Tờ Linhhh🫶🏻
Tờ Linhhh🫶🏻
Open In TikTok:
Region: VN
Thursday 13 August 2026 06:43:44 GMT
2230
261
4
6

Music

Download

Comments

veeyaa1209
✨veegoo veeyaa♍✨ :
2026-08-13 09:16:21
0
kkhhooiirruul123
HAEWA :
🥰🥰🥰🥰🥰💛💛💛💙💙💙
2026-08-13 10:15:50
0
To see more videos from user @tlingg_01, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

১৮ বছর বয়সেই বড় হয়ে যাওয়া ছেলেটার বয়স মাত্র ১৮। এই বয়সে তার হাতে থাকার কথা ছিল বই, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা আর ভবিষ্যৎ নিয়ে হাজারো স্বপ্ন। কিন্তু জীবন তাকে স্বপ্ন দেখার আগেই দায়িত্ব চিনিয়ে দিয়েছিল। বাড়িতে প্রতিদিন ঝামেলা। বাবার সঙ্গে মায়ের কথা কাটাকাটি, সংসারে টাকার অভাব, ছোট ভাইবোনের প্রয়োজন—সবকিছু যেন ধীরে ধীরে তার কাঁধে এসে পড়ছিল। একদিন বাবা রাগ করে বললেন, “তুই এখন বড় হয়েছিস। সংসারের জন্য কিছু কর।” কথাটা খুব সাধারণ ছিল, কিন্তু ছেলেটার বুকের ভেতরটা কেমন যেন ভারী হয়ে গেল। পরদিন থেকেই সে কাজ শুরু করল। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ। শরীর ক্লান্ত হয়ে গেলেও মুখে হাসি রাখত। কারণ সে জানত, সে ক্লান্ত হলে সংসারের দায়িত্বগুলো তো আর থেমে থাকবে না। কাজ শেষে যখন রাতে বাড়ি ফিরত, তখন সবাই ঘুমিয়ে পড়ত। সে চুপচাপ নিজের ঘরে বসে ফোনটা হাতে নিত। বন্ধুদের ছবি দেখত—কেউ ঘুরতে গেছে, কেউ নতুন কিছু কিনেছে, কেউ খেলছে। আর সে? সে হিসাব করত—এই মাসের টাকা দিয়ে বাসার খরচ কত হবে, মায়ের ওষুধ লাগবে কি না, ছোট ভাইয়ের পড়ার খরচ কত। এক রাতে মা তাকে জিজ্ঞেস করলেন, “তুই এত চুপচাপ থাকিস কেন?” ছেলেটা হেসে বলল, “কিছু না মা, আমি ভালো আছি।” কিন্তু সে ভালো ছিল না। তারও ইচ্ছে ছিল কেউ একদিন তাকে বলুক, “তুই একটু বিশ্রাম নে, বাকিটা আমরা দেখছি।” কিন্তু সেই কথাটা কেউ বলল না। ১৮ বছর বয়সে সে বুঝে গেল—কিছু ছেলে বয়সে ১৮ হলেও, পরিস্থিতির কাছে তারা অনেক আগেই বড় হয়ে যায়। তবুও সে হাল ছাড়ল না। কারণ তার নিজের জন্য হয়তো অনেক স্বপ্ন বাকি ছিল, কিন্তু তার মায়ের মুখে হাসি ফেরানোর স্বপ্নটা ছিল তার কাছে সবচেয়ে বড়। সে জানত, জীবন সহজ হবে না। তবুও প্রতিদিন সকালে উঠে নিজেকে বলত— “আজও একটু কষ্ট করি। একদিন এই কষ্টগুলোর একটা সুন্দর শেষ হবে।”
১৮ বছর বয়সেই বড় হয়ে যাওয়া ছেলেটার বয়স মাত্র ১৮। এই বয়সে তার হাতে থাকার কথা ছিল বই, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা আর ভবিষ্যৎ নিয়ে হাজারো স্বপ্ন। কিন্তু জীবন তাকে স্বপ্ন দেখার আগেই দায়িত্ব চিনিয়ে দিয়েছিল। বাড়িতে প্রতিদিন ঝামেলা। বাবার সঙ্গে মায়ের কথা কাটাকাটি, সংসারে টাকার অভাব, ছোট ভাইবোনের প্রয়োজন—সবকিছু যেন ধীরে ধীরে তার কাঁধে এসে পড়ছিল। একদিন বাবা রাগ করে বললেন, “তুই এখন বড় হয়েছিস। সংসারের জন্য কিছু কর।” কথাটা খুব সাধারণ ছিল, কিন্তু ছেলেটার বুকের ভেতরটা কেমন যেন ভারী হয়ে গেল। পরদিন থেকেই সে কাজ শুরু করল। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ। শরীর ক্লান্ত হয়ে গেলেও মুখে হাসি রাখত। কারণ সে জানত, সে ক্লান্ত হলে সংসারের দায়িত্বগুলো তো আর থেমে থাকবে না। কাজ শেষে যখন রাতে বাড়ি ফিরত, তখন সবাই ঘুমিয়ে পড়ত। সে চুপচাপ নিজের ঘরে বসে ফোনটা হাতে নিত। বন্ধুদের ছবি দেখত—কেউ ঘুরতে গেছে, কেউ নতুন কিছু কিনেছে, কেউ খেলছে। আর সে? সে হিসাব করত—এই মাসের টাকা দিয়ে বাসার খরচ কত হবে, মায়ের ওষুধ লাগবে কি না, ছোট ভাইয়ের পড়ার খরচ কত। এক রাতে মা তাকে জিজ্ঞেস করলেন, “তুই এত চুপচাপ থাকিস কেন?” ছেলেটা হেসে বলল, “কিছু না মা, আমি ভালো আছি।” কিন্তু সে ভালো ছিল না। তারও ইচ্ছে ছিল কেউ একদিন তাকে বলুক, “তুই একটু বিশ্রাম নে, বাকিটা আমরা দেখছি।” কিন্তু সেই কথাটা কেউ বলল না। ১৮ বছর বয়সে সে বুঝে গেল—কিছু ছেলে বয়সে ১৮ হলেও, পরিস্থিতির কাছে তারা অনেক আগেই বড় হয়ে যায়। তবুও সে হাল ছাড়ল না। কারণ তার নিজের জন্য হয়তো অনেক স্বপ্ন বাকি ছিল, কিন্তু তার মায়ের মুখে হাসি ফেরানোর স্বপ্নটা ছিল তার কাছে সবচেয়ে বড়। সে জানত, জীবন সহজ হবে না। তবুও প্রতিদিন সকালে উঠে নিজেকে বলত— “আজও একটু কষ্ট করি। একদিন এই কষ্টগুলোর একটা সুন্দর শেষ হবে।”

About