@coachdydy_business: Envoi un mp si tu veux démarrer #ecom

Coachdydy_business
Coachdydy_business
Open In TikTok:
Region: FR
Saturday 15 August 2026 14:38:51 GMT
14519
626
5
45

Music

Download

Comments

hkm1.90
Hakim🇩🇿 :
Mai exemple pour le shampoing , comment faire ses nous qui dois le faire?
2026-08-15 14:50:22
2
couleursdevie9
couleursdevie9, vivre sa vie :
Pas forcément ensuite facile de trouver des fournisseurs et où la créer et avec qui
2026-08-16 11:38:48
2
m.e.l.a.h.e.l.76
ᡕᠵ᠊ᡃ່࡚ࠢ࠘ ⸝່ࠡࠣ᠊ ᠊߯᠆ࠣ࠘ᡁࠣ࠘᠊᠊ࠢ࠘𐡏 :
oui mais on le fabrique comment
2026-08-15 20:10:18
1
gouldianfinches64
🌴Coco🌴 :
exactement. trouver un metier c'est : répondre à un besoin des gens
2026-08-16 00:19:28
3
To see more videos from user @coachdydy_business, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর দেশে ফিরে আসেন জহির রায়হান। কিন্তু দেশে ফিরেই শুনেন তার বড় ভাই কায়সার ৩ দিন আগে থেকে নিখোঁজ।  চারদিকে তখন বুদ্ধিজীবিদেরকে ধরে ধরে হ*ত্যা করা হচ্ছিল। ভাইকে প্রচন্ড ভালোবাসতেন বলে তিনিও ভাইয়ের জন্যে মুষড়ে পড়েন, পাগলের মতো এখানে ওখানে খুঁজতে থাকেন।  কিন্তু খুঁজে আর পান না। নিজের ভাইকে খুঁজতে গিয়েই জহির রায়হান গঠন করেন বেসরকারি বুদ্ধিজীবী তদন্ত কমিটি। সেই কমিটির হয়ে প্রচুর দুর্লভ এবং গোপনীয় তথ্য হাতে আসা শুরু করে তার। এরপর ১৯৭২ সালের ২৫ জানুয়ারি ঢাকার প্রেসক্লাবে এসে সবার সামনে ওপেনলি ঘোষণা দেন-  বুদ্ধিজীবী হ*ত্যাকান্ডের নীলনকশা উদঘাটনসহ মুক্তিযুদ্ধের সময়কার বহু গোপন নথিপত্র এবং দলিল আমার কাছে আছে যা প্রকাশ করলে শেখ মুজিবের মন্ত্রীসভায় ঠাঁই নেয়া অনেক আওয়ামী লীগের নেতাদের কুর্কীর্তি ফাঁস হয়ে যাবে। শুধু তাই না- দেশের গরিব জনগণরা যখন জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করছিল আওয়ামী লীগের বহু নেতারা তখন ভারতের পতিতালয়ে এবং বিলাসবহুল হোটেলে আমোদ -ফুর্তি করেছিল। সেইসব তথ্যপ্রমাণ তার কাছে ছিল।  তাছাড়া যুদ্ধের পর ভারতীয় বাহিনীরা কিভাবে এদেশ থেকে লুটপাট করে অস্ত্র, ধান, গম, টাকা-পয়সা চুরি করে নিয়ে গিয়েছিল সেগুলোর ডকুমেন্টসও তার কাছে ছিল।  এতসব প্রমাণ হাতে নিয়েই ৩০ জানুয়ারি সন্ধ্যায় প্রেসক্লাবে বড় পর্দায় ফিল্ম শো করে জনগণকে সেগুলো দেখাতে চান তিনি।  তিনি প্রমাণ করে দিতে চেয়েছিলেন কিছু কিছু বুদ্ধিজীবী হ*ত্যার সাথে ভারতীয় বাহিনী এবং ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট বাহিনীরাও জড়িত ছিল।  তার এ গোপন নথির বিষয়ে জানতে পেরে ভয় পেয়ে যায় শেখ মুজিবের মন্ত্রীসভার নেতারা। ৩০ জানুয়ারি সন্ধ্যায় সবকিছু ফাঁস করতে চেয়েছিলেন জহির রায়হান আর সেদিন সকালেই রফিক নামের অজ্ঞাত একজনের ফোন আসে তার কাছে। টেলিফোনে জহির রায়হানকে বলা হয়- আপনার বড়দা মিরপুর ১২ নাম্বারে বন্দি আছে। যদি বড়দাকে বাঁচাতে চান তাহলে এক্ষুণি মিরপুরে চলে আসুন। একমাত্র আপনি আসলেই বাঁচাতে পারবেন। বড় ভাইকে বাঁচানোর খবর শুনে হন্তদন্ত হয়ে বেরিয়ে পড়েন জহির রায়হান। এভাবে বহুদিন কেটে যায় কিন্তু  তারপর আর খুঁজে পাওয়া যায়নি তাকে। এমনকি লা*শটা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। অথচ সন্ধ্যায়ই প্রেসক্লাবে সবকিছু ফাঁস করার কথা ছিল তার। তার আগেই কৌশলে গুম করে ফেলা হয় তাকে। একদিকে বড় ভাই শহিদুল্লা কায়সার অন্যদিকে জহির রায়হানও গুম হওয়ায় পরিবারের লোকজন তখন মুষড়ে পড়ে।  পরিবারের লোকজন পত্র-পত্রিকায় লিখতে থাকে, বিভিন্ন নেতাদের দ্বারস্থ হতে থাকে। এভাবে বিষয়টা নিয়ে চারদিকে তোলপাড় শুরু হতে থাকে।  এজন্যে একদিন জহির রায়হানের বড় বোন নাসিমা কবিরকে ডেকে নিয়ে শেখ মুজিব বলে- জহিরের নিখোঁজ হওয়া নিয়ে এরকম চিৎকার করলে তুমিও কিন্তু নিখোঁজ হয়ে যাবা।  এটা নিয়ে নাসিমার সাথে শেখ মুজিবের অনেকক্ষণ যাবত বাকবিতণ্ডা হয়েছিল। কিন্তু শেখ মুজিব তখন ক্ষমতাবান হওয়ায় অসহায় নাসিমা আর কিছু বলার সাহস পায়নি। টেলিফোন করে জহির রায়হানকে যে রফিক ডেকে নিয়ে গিয়েছিল তাকে নিয়েও যখন পত্রিকায় লেখালেখি শুরু হলো তখন তাকে নাগরিকত্ব দিয়ে পুরো পরিবারসহ আমেরিকায় পাঠিয়ে দেয়া হয়েছিল যাতে মূল ঘটনাটা কেউ আর জানতে না পারে। পরে সেটা নিয়েও সারাদেশে আলোড়ন সৃষ্টি হলে আওয়ামী সরকার চাপে পড়ে জহির রায়হানের  নিখোঁজ হওয়া নিয়ে একটা তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল।  এরপর ১৯৯৯ সালে দৈনিক বাংলার বাণী পত্রিকার সাক্ষাৎকারে জহির রায়হানের মেজো ছেলে অনল রায়হান বলেছিল- বাবা নিখোঁজ হওয়ার পর আওয়ামী লীগ সরকার ভুয়া তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। ওই কমিটি কোন কাজই করেনি, কেননা কাজ করলে তারাই ধরা পড়ে যেত।  বাবাকে হারিয়ে একাই একাই বহু বছর বাবার খোঁজ করেছিল অনল রায়হান, কিন্তু পায়নি।  ওই বছরই মিরপুর ১২ নাম্বার সেকশনে একটা মসজিদ বানানোর জন্যে খননকাজের সময় মানুষের গু*লিবিদ্ধ হাড়গোড় এবং মাথার করোটি পাওয়া যায়। একবুক আশা নিয়ে অনল রায়হান দৌঁড়ে ছুটে গিয়েছিল সেগুলো তার বাবার কিনা দেখার জন্যে। কিন্তু ওই এরিয়াটা তখন ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সেনাবাহিনীদের তত্ত্বাবধানে ছিল।  ওরা কাউকেই ভেতরে ঢুকতে দেয়নি। হতভাগা অনল রায়হানও বাবার শেষচিহ্নটুকু আর পায়নি। এভাবেই শেখ মুজিব এবং ভারতের কূটকৌশলী পরিকল্পনায় ধামাচাপা পড়ে যায় সাহসী লেখক জহির রায়হানের গুম হওয়ার ইতিহাস।  জহির রায়হান লোকটা ছিলেন অসীম সাহসী এবং নিতান্তই দেশপ্রেমিক একজন।  যুদ্ধের সময়ও প্রচন্ড অর্থকষ্টে দিন কেটেছিল তার। একটু ভালোমন্দ খাওয়ার মতো টাকাপয়সা ছিল না পকেটে। কোনরকম খেয়ে না খেয়ে দিন পার করতেন।  কিন্তু তবুও তার সিনেমা
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর দেশে ফিরে আসেন জহির রায়হান। কিন্তু দেশে ফিরেই শুনেন তার বড় ভাই কায়সার ৩ দিন আগে থেকে নিখোঁজ। চারদিকে তখন বুদ্ধিজীবিদেরকে ধরে ধরে হ*ত্যা করা হচ্ছিল। ভাইকে প্রচন্ড ভালোবাসতেন বলে তিনিও ভাইয়ের জন্যে মুষড়ে পড়েন, পাগলের মতো এখানে ওখানে খুঁজতে থাকেন। কিন্তু খুঁজে আর পান না। নিজের ভাইকে খুঁজতে গিয়েই জহির রায়হান গঠন করেন বেসরকারি বুদ্ধিজীবী তদন্ত কমিটি। সেই কমিটির হয়ে প্রচুর দুর্লভ এবং গোপনীয় তথ্য হাতে আসা শুরু করে তার। এরপর ১৯৭২ সালের ২৫ জানুয়ারি ঢাকার প্রেসক্লাবে এসে সবার সামনে ওপেনলি ঘোষণা দেন- বুদ্ধিজীবী হ*ত্যাকান্ডের নীলনকশা উদঘাটনসহ মুক্তিযুদ্ধের সময়কার বহু গোপন নথিপত্র এবং দলিল আমার কাছে আছে যা প্রকাশ করলে শেখ মুজিবের মন্ত্রীসভায় ঠাঁই নেয়া অনেক আওয়ামী লীগের নেতাদের কুর্কীর্তি ফাঁস হয়ে যাবে। শুধু তাই না- দেশের গরিব জনগণরা যখন জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করছিল আওয়ামী লীগের বহু নেতারা তখন ভারতের পতিতালয়ে এবং বিলাসবহুল হোটেলে আমোদ -ফুর্তি করেছিল। সেইসব তথ্যপ্রমাণ তার কাছে ছিল। তাছাড়া যুদ্ধের পর ভারতীয় বাহিনীরা কিভাবে এদেশ থেকে লুটপাট করে অস্ত্র, ধান, গম, টাকা-পয়সা চুরি করে নিয়ে গিয়েছিল সেগুলোর ডকুমেন্টসও তার কাছে ছিল। এতসব প্রমাণ হাতে নিয়েই ৩০ জানুয়ারি সন্ধ্যায় প্রেসক্লাবে বড় পর্দায় ফিল্ম শো করে জনগণকে সেগুলো দেখাতে চান তিনি। তিনি প্রমাণ করে দিতে চেয়েছিলেন কিছু কিছু বুদ্ধিজীবী হ*ত্যার সাথে ভারতীয় বাহিনী এবং ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট বাহিনীরাও জড়িত ছিল। তার এ গোপন নথির বিষয়ে জানতে পেরে ভয় পেয়ে যায় শেখ মুজিবের মন্ত্রীসভার নেতারা। ৩০ জানুয়ারি সন্ধ্যায় সবকিছু ফাঁস করতে চেয়েছিলেন জহির রায়হান আর সেদিন সকালেই রফিক নামের অজ্ঞাত একজনের ফোন আসে তার কাছে। টেলিফোনে জহির রায়হানকে বলা হয়- আপনার বড়দা মিরপুর ১২ নাম্বারে বন্দি আছে। যদি বড়দাকে বাঁচাতে চান তাহলে এক্ষুণি মিরপুরে চলে আসুন। একমাত্র আপনি আসলেই বাঁচাতে পারবেন। বড় ভাইকে বাঁচানোর খবর শুনে হন্তদন্ত হয়ে বেরিয়ে পড়েন জহির রায়হান। এভাবে বহুদিন কেটে যায় কিন্তু তারপর আর খুঁজে পাওয়া যায়নি তাকে। এমনকি লা*শটা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। অথচ সন্ধ্যায়ই প্রেসক্লাবে সবকিছু ফাঁস করার কথা ছিল তার। তার আগেই কৌশলে গুম করে ফেলা হয় তাকে। একদিকে বড় ভাই শহিদুল্লা কায়সার অন্যদিকে জহির রায়হানও গুম হওয়ায় পরিবারের লোকজন তখন মুষড়ে পড়ে। পরিবারের লোকজন পত্র-পত্রিকায় লিখতে থাকে, বিভিন্ন নেতাদের দ্বারস্থ হতে থাকে। এভাবে বিষয়টা নিয়ে চারদিকে তোলপাড় শুরু হতে থাকে। এজন্যে একদিন জহির রায়হানের বড় বোন নাসিমা কবিরকে ডেকে নিয়ে শেখ মুজিব বলে- জহিরের নিখোঁজ হওয়া নিয়ে এরকম চিৎকার করলে তুমিও কিন্তু নিখোঁজ হয়ে যাবা। এটা নিয়ে নাসিমার সাথে শেখ মুজিবের অনেকক্ষণ যাবত বাকবিতণ্ডা হয়েছিল। কিন্তু শেখ মুজিব তখন ক্ষমতাবান হওয়ায় অসহায় নাসিমা আর কিছু বলার সাহস পায়নি। টেলিফোন করে জহির রায়হানকে যে রফিক ডেকে নিয়ে গিয়েছিল তাকে নিয়েও যখন পত্রিকায় লেখালেখি শুরু হলো তখন তাকে নাগরিকত্ব দিয়ে পুরো পরিবারসহ আমেরিকায় পাঠিয়ে দেয়া হয়েছিল যাতে মূল ঘটনাটা কেউ আর জানতে না পারে। পরে সেটা নিয়েও সারাদেশে আলোড়ন সৃষ্টি হলে আওয়ামী সরকার চাপে পড়ে জহির রায়হানের নিখোঁজ হওয়া নিয়ে একটা তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। এরপর ১৯৯৯ সালে দৈনিক বাংলার বাণী পত্রিকার সাক্ষাৎকারে জহির রায়হানের মেজো ছেলে অনল রায়হান বলেছিল- বাবা নিখোঁজ হওয়ার পর আওয়ামী লীগ সরকার ভুয়া তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। ওই কমিটি কোন কাজই করেনি, কেননা কাজ করলে তারাই ধরা পড়ে যেত। বাবাকে হারিয়ে একাই একাই বহু বছর বাবার খোঁজ করেছিল অনল রায়হান, কিন্তু পায়নি। ওই বছরই মিরপুর ১২ নাম্বার সেকশনে একটা মসজিদ বানানোর জন্যে খননকাজের সময় মানুষের গু*লিবিদ্ধ হাড়গোড় এবং মাথার করোটি পাওয়া যায়। একবুক আশা নিয়ে অনল রায়হান দৌঁড়ে ছুটে গিয়েছিল সেগুলো তার বাবার কিনা দেখার জন্যে। কিন্তু ওই এরিয়াটা তখন ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সেনাবাহিনীদের তত্ত্বাবধানে ছিল। ওরা কাউকেই ভেতরে ঢুকতে দেয়নি। হতভাগা অনল রায়হানও বাবার শেষচিহ্নটুকু আর পায়নি। এভাবেই শেখ মুজিব এবং ভারতের কূটকৌশলী পরিকল্পনায় ধামাচাপা পড়ে যায় সাহসী লেখক জহির রায়হানের গুম হওয়ার ইতিহাস। জহির রায়হান লোকটা ছিলেন অসীম সাহসী এবং নিতান্তই দেশপ্রেমিক একজন। যুদ্ধের সময়ও প্রচন্ড অর্থকষ্টে দিন কেটেছিল তার। একটু ভালোমন্দ খাওয়ার মতো টাকাপয়সা ছিল না পকেটে। কোনরকম খেয়ে না খেয়ে দিন পার করতেন। কিন্তু তবুও তার সিনেমা "জীবন থেকে নেয়া" থেকে যত টাকা আয় হয়েছিল পুরোটাই বাংলাদেশ সরকারের তহবিলে দিয়েছিলেন শুধুমাত্র মুক্তিযুদ্ধের জন্যে। এই মানুষটা এতটাই মেধাবী ছিলেন যে বুকভর্তি ক্ষুধা আর পকেটে মাত্র ৬ আনা নিয়েই দুর্দান্ত সব সিনেমা বানিয়ে ফেলতে পারতেন। বাকি অংশ কমেন্টে...... লেখা: Ibrahim Khalil Shawon লেখক

About