@unaqw0x: #LUMITY || i’ve already had edit with this song but…well,why not again though @una 𝜗𝜚˚ #luznoceda #amityblight #owlhouse #owlhouseedit

una 𝜗𝜚˚
una 𝜗𝜚˚
Open In TikTok:
Region: GB
Monday 17 August 2026 22:20:48 GMT
3270
858
20
45

Music

Download

Comments

icantnameforshit
Idk :
song right now
2026-08-18 02:53:12
4
readyto_hitthe_danceflor
⋆。˚꒰ঌ belle ໒꒱˚。⋆ :
Guys my crush said that she would be the Luz to my amity is that a sign??
2026-08-18 19:01:09
1
rancorv
RancorV🐻 :
does anyone know the name of this fandom?
2026-08-19 06:36:11
1
namgyucumsinme
namgyucumsinme :
luz is going to lose her memory and she won’t remember any of this btw 😭
2026-08-18 14:08:27
1
crazydog_kkk
crazydog :
my roman empire
2026-08-18 08:12:34
1
isa.clawthorne
ℐ𝓈𝒶🧡 :
SO GOOD
2026-08-18 08:23:17
1
swoqlik
Моши 𐙚 :
Лумити форева
2026-08-18 14:02:26
1
isa.clawthorne
ℐ𝓈𝒶🧡 :
PEAK
2026-08-18 08:23:21
1
isa.clawthorne
ℐ𝓈𝒶🧡 :
PEAKKK
2026-08-18 08:23:14
1
To see more videos from user @unaqw0x, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

টিকটকে ১৩ লাখ ফলোয়ার; যার একটি স্পর্শে নিমেষেই ভেসে আসত কোটি কোটি ভিউ। দেশের প্রায় সবার কাছে পরিচিত হওয়া স্বত্তেও শেষ মুহূর্তে কেউই ছুটে আসেনি। পাকিস্তানের অতি পরিচিত টিকটকার আয়েশা গিলমানের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ১৩ লক্ষের বেশি অনুসারী থাকার পরও এই কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের শেষযাত্রায় দেখা গেল এক করুণ চিত্র—জানাজায় হাজির ছিলেন হাতে গোনা মাত্র কয়েকজন মানুষ! অনলাইন দুনিয়ার তথাকথিত জনপ্রিয়তার অসারতা এবং বাস্তব জীবনের কঠিন সত্যকে আবারও নির্মমভাবে উন্মোচিত করল এই ঘটনা। জীবিত অবস্থায় আয়েশার প্রতিটি কন্টেন্ট সামাজিক মাধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টি করত। অনুসারীদের ডিজিটাল হাততালি আর ভার্চুয়াল ভালোবাসায় সবসময় ঘেরা থাকতেন তিনি। অথচ জীবনের চরম সত্যি অর্থাৎ শেষযাত্রায় সেই ১৩ লাখ ফলোয়ারের একজনকেও খুঁজে পাওয়া যায়নি লাশ বহনের কাঁধ দিতে কিংবা একফোঁটা চোখের জল ফেলতে। পরিবার ও গুটিকয়েক নিকটাত্মীয় ছাড়া আর কেউ ছিলেন না তাঁর চিরবিদায়ের ক্ষণে। সমাজ বিশেষজ্ঞদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনুসারীরা মূলত ক্ষণিকের বিনোদন ও কৌতুহলের খোরাক খোঁজে। স্ক্রিনের ওপারে থাকা মানুষের অনুভূতি যে কতটা যান্ত্রিক এবং লাইক-কমেন্টের হিসাব যে কতটা শূন্য, আয়েশার এই নিঃসঙ্গ বিদায় সেই সত্যকেই আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। বর্তমানে সস্তা পরিচিতি আর রাতারাতি ভাইরাল হওয়ার মোহে তরুণ প্রজন্মের অনেকেই বুঁদ হয়ে থাকছেন। সামাজিক মাধ্যমের লাইক ও ফলোয়ারের সংখ্যাকে সফলতার মাপকাঠি বানিয়ে অনেকেই জীবনের আসল মূল্যবোধ ও চারপাশের মানুষগুলোকে অবহেলা করেন। তবে আয়েশার দাফনের এই দৃশ্য পুরো সমাজকে এক বড় প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে—যে 'লাইক' বা 'ফলোয়ার' কঠিন বাস্তবে কিংবা চিরবিদায়ের সময়ে এতটুকু সহানুভূতি দিতে পারে না, তার পেছনে ছুটে চলা কতটা যৌক্তিক?
টিকটকে ১৩ লাখ ফলোয়ার; যার একটি স্পর্শে নিমেষেই ভেসে আসত কোটি কোটি ভিউ। দেশের প্রায় সবার কাছে পরিচিত হওয়া স্বত্তেও শেষ মুহূর্তে কেউই ছুটে আসেনি। পাকিস্তানের অতি পরিচিত টিকটকার আয়েশা গিলমানের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ১৩ লক্ষের বেশি অনুসারী থাকার পরও এই কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের শেষযাত্রায় দেখা গেল এক করুণ চিত্র—জানাজায় হাজির ছিলেন হাতে গোনা মাত্র কয়েকজন মানুষ! অনলাইন দুনিয়ার তথাকথিত জনপ্রিয়তার অসারতা এবং বাস্তব জীবনের কঠিন সত্যকে আবারও নির্মমভাবে উন্মোচিত করল এই ঘটনা। জীবিত অবস্থায় আয়েশার প্রতিটি কন্টেন্ট সামাজিক মাধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টি করত। অনুসারীদের ডিজিটাল হাততালি আর ভার্চুয়াল ভালোবাসায় সবসময় ঘেরা থাকতেন তিনি। অথচ জীবনের চরম সত্যি অর্থাৎ শেষযাত্রায় সেই ১৩ লাখ ফলোয়ারের একজনকেও খুঁজে পাওয়া যায়নি লাশ বহনের কাঁধ দিতে কিংবা একফোঁটা চোখের জল ফেলতে। পরিবার ও গুটিকয়েক নিকটাত্মীয় ছাড়া আর কেউ ছিলেন না তাঁর চিরবিদায়ের ক্ষণে। সমাজ বিশেষজ্ঞদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনুসারীরা মূলত ক্ষণিকের বিনোদন ও কৌতুহলের খোরাক খোঁজে। স্ক্রিনের ওপারে থাকা মানুষের অনুভূতি যে কতটা যান্ত্রিক এবং লাইক-কমেন্টের হিসাব যে কতটা শূন্য, আয়েশার এই নিঃসঙ্গ বিদায় সেই সত্যকেই আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। বর্তমানে সস্তা পরিচিতি আর রাতারাতি ভাইরাল হওয়ার মোহে তরুণ প্রজন্মের অনেকেই বুঁদ হয়ে থাকছেন। সামাজিক মাধ্যমের লাইক ও ফলোয়ারের সংখ্যাকে সফলতার মাপকাঠি বানিয়ে অনেকেই জীবনের আসল মূল্যবোধ ও চারপাশের মানুষগুলোকে অবহেলা করেন। তবে আয়েশার দাফনের এই দৃশ্য পুরো সমাজকে এক বড় প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে—যে 'লাইক' বা 'ফলোয়ার' কঠিন বাস্তবে কিংবা চিরবিদায়ের সময়ে এতটুকু সহানুভূতি দিতে পারে না, তার পেছনে ছুটে চলা কতটা যৌক্তিক? "সোশ্যাল মিডিয়ার লাইক বা কমেন্ট কেবল স্ক্রিনের ওপারেই সীমাবদ্ধ থাকে; কিন্তু চরম বাস্তবতায় এবং জীবনের শেষমুহূর্তে প্রয়োজন হয় সত্যিকারের মানুষ ও আত্মিক বন্ধনের।" আয়েশা গিলমানের এই পরিণতি কেবল একটি সংবাদ নয়, বরং ডিজিটাল দুনিয়ার মেকি মোহে অন্ধ হয়ে থাকা কোটি কোটি মানুষের চোখ খুলে দেওয়ার মতো এক করুণ ও নির্মম বার্তা।

About