@iosvibes94: Vintage spooky Halloween homescreen aesthetic ✨ Hand‑draw style lock screen with black cats & little ghost trick‑or‑treating. Match with potion, pumpkin widgets, get this full theme on iScreen for your s pooky season!#iScreen #HalloweenAesthetic #iPhoneHomescreen #SpookyVibes #PhoneCustomization

IOSVibes
IOSVibes
Open In TikTok:
Region: US
Tuesday 18 August 2026 14:38:36 GMT
251
0
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @iosvibes94, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

বাবাকে মেরেছিল ১৫ জন মিলে, দুই সন্তান মিলে সেই ১৫ জনের লি*ডারকে মে**রেছেন!  খুন করার পর পুলিশের হাতে ধরা পড়ে নিজেরাই দিয়েছেন জবানবন্দি। বলেছেন, “আমার বাবাকে তারা ১৫ জন মিলে মেরেছে, আর আমরা দুই ভাই মিলে তাদের একজনকে মে**রেছি।”  ঘটনাটি যেন সিনেমার গল্পকেও হার মানায়। বাংলা সিনেমা ‘শান্ত কেন মাস্তান’-এর গল্পের মতো—যেখানে বাবার খুনের প্রতিশোধ নিতে গিয়ে শান্ত হয়ে ওঠে মাস্তান। পুলিশের হাতে ধরা পড়ার পরও শান্ত বলেছিল, তার মিশন শেষ হয়নি; ফিরে এসে সে আবারও প্রতিশোধ নেবে।  অনেকটা তেমনই বক্তব্য দিয়েছেন খালেক। তাঁর ভাষ্য, “আমার মিশন এখনো শেষ হয়নি। আমি যদি জেল থেকে বেরিয়ে আসতে পারি, তাহলে বাকিদের ওপরও শনি আছে।”  সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো, এই হত্যাকাণ্ডের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ধরা পড়লেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশের অনেক মানুষ খালেককে সমর্থন করছেন। অনেকেই বলছেন, তাঁর বাবাকে হত্যার পর বাড়িঘরে আগুন দেওয়া ও লুটপাটের অভিযোগ থাকলেও পরিবারটি ন্যায়বিচার পায়নি—আর সেই ক্ষোভ থেকেই খালেক ও তাঁর ভাই নিজেরাই প্র*তিশোধের পথ বেছে নিয়েছেন।  কিন্তু এখানেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—বিচার না পাওয়ার ক্ষোভ যত গভীরই হোক, নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়া কি কোনো সমস্যার সমাধান হতে পারে? একজন হত্যার শিকার হলে তার প্রতিশোধে আরেকজনকে হত্যা করা হলে সহিংসতার এই চক্র কোথায় গিয়ে থামবে? অপরাধীর বিচার ও শাস্তি হওয়া উচিত দেশের প্রচলিত আইন ও আদালতের মাধ্যমে। ন্যায়বিচার পেতে বিলম্ব বা ব্যর্থতা থাকলে তারও জবাবদিহি দরকার, কিন্তু ব্যক্তিগত প্রতিশোধ কখনো আইনি বিচারের বিকল্প হতে পারে না।  বাবা হত্যার বিচার চাওয়া অধিকার, কিন্তু নিজের হাতে বিচার তুলে নেওয়া আইনসম্মত নয়। প্রতিশো*ধ নয়—আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারই শেষ কথা হওয়া উচিত।  #foryou #baba #viral #trending
বাবাকে মেরেছিল ১৫ জন মিলে, দুই সন্তান মিলে সেই ১৫ জনের লি*ডারকে মে**রেছেন! খুন করার পর পুলিশের হাতে ধরা পড়ে নিজেরাই দিয়েছেন জবানবন্দি। বলেছেন, “আমার বাবাকে তারা ১৫ জন মিলে মেরেছে, আর আমরা দুই ভাই মিলে তাদের একজনকে মে**রেছি।” ঘটনাটি যেন সিনেমার গল্পকেও হার মানায়। বাংলা সিনেমা ‘শান্ত কেন মাস্তান’-এর গল্পের মতো—যেখানে বাবার খুনের প্রতিশোধ নিতে গিয়ে শান্ত হয়ে ওঠে মাস্তান। পুলিশের হাতে ধরা পড়ার পরও শান্ত বলেছিল, তার মিশন শেষ হয়নি; ফিরে এসে সে আবারও প্রতিশোধ নেবে। অনেকটা তেমনই বক্তব্য দিয়েছেন খালেক। তাঁর ভাষ্য, “আমার মিশন এখনো শেষ হয়নি। আমি যদি জেল থেকে বেরিয়ে আসতে পারি, তাহলে বাকিদের ওপরও শনি আছে।” সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো, এই হত্যাকাণ্ডের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ধরা পড়লেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশের অনেক মানুষ খালেককে সমর্থন করছেন। অনেকেই বলছেন, তাঁর বাবাকে হত্যার পর বাড়িঘরে আগুন দেওয়া ও লুটপাটের অভিযোগ থাকলেও পরিবারটি ন্যায়বিচার পায়নি—আর সেই ক্ষোভ থেকেই খালেক ও তাঁর ভাই নিজেরাই প্র*তিশোধের পথ বেছে নিয়েছেন। কিন্তু এখানেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—বিচার না পাওয়ার ক্ষোভ যত গভীরই হোক, নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়া কি কোনো সমস্যার সমাধান হতে পারে? একজন হত্যার শিকার হলে তার প্রতিশোধে আরেকজনকে হত্যা করা হলে সহিংসতার এই চক্র কোথায় গিয়ে থামবে? অপরাধীর বিচার ও শাস্তি হওয়া উচিত দেশের প্রচলিত আইন ও আদালতের মাধ্যমে। ন্যায়বিচার পেতে বিলম্ব বা ব্যর্থতা থাকলে তারও জবাবদিহি দরকার, কিন্তু ব্যক্তিগত প্রতিশোধ কখনো আইনি বিচারের বিকল্প হতে পারে না। বাবা হত্যার বিচার চাওয়া অধিকার, কিন্তু নিজের হাতে বিচার তুলে নেওয়া আইনসম্মত নয়। প্রতিশো*ধ নয়—আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারই শেষ কথা হওয়া উচিত। #foryou #baba #viral #trending

About