@cutemommyfind: #TikTokshopbacktoschool #tiktokshopsummersale #summerfinds #summerwins #dealsforyoudays

Cute Mommy Finds
Cute Mommy Finds
Open In TikTok:
Region: US
Thursday 20 August 2026 09:01:24 GMT
479
4
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @cutemommyfind, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

১. ভুক্তভোগী বা তার পরিবারের প্রাথমিক করণীয়। ভুক্তভোগী নিজে বিদেশে অবস্থান করায় তার অনুপস্থিতিতে তার কোনো নিকটাত্মীয় (যেমন: বাবা, মা, ভাই, বোন বা স্ত্রী) বাংলাদেশে তার পক্ষে আইনি পদক্ষেপ নিতে পারবেন. 1.প্রমাণ সংগ্রহ করা: লেনদেনের রসিদ, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, পাসপোর্ট, ভিসা, কাজের চুক্তিপত্র, দালালের সাথে মেসেজ বা অডিও রেকর্ডিং এবং বিদেশে কাজ না পাওয়ার প্রমাণসমূহ সংগ্রহে রাখুন. 2.দূতাবাসে যোগাযোগ: ভুক্তভোগী বিদেশে যে দেশে আছেন, সেখানকার বাংলাদেশ দূতাবাসে যোগাযোগ করে কর্মসংস্থান সংক্রান্ত সমস্যার কথা জানিয়ে লিখিত অভিযোগ করতে পারেন. ২. কোথায় এবং কীভাবে মামলা বা অভিযোগ দায়ের করবেন. আপনি ৩টি প্রধান জায়গায় অভিযোগ বা মামলা দায়ের করতে পারেন: ক) বিএমইটি (BMET) বা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ 1.কোথায়: ঢাকার কাকরাইলে অবস্থিত জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (BMET) অফিসে অথবা অনলাইনে তাদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে অভিযোগ সেল-এ লিখিত আবেদন করতে হবে. 2.কীভাবে: সমস্ত প্রমাণাদিসহ দালালের বা এজেন্সির বিরুদ্ধে প্রতারণার লিখিত অভিযোগ দিতে হবে। বিএমইটি উভয় পক্ষকে ডেকে শুনানির মাধ্যমে টাকা আদায় বা লাইসেন্স বাতিলের ব্যবস্থা নেয়. খ) স্থানীয় থানায় মামলা (FIR) 1.কোথায়: যে এলাকায় বসে দালালকে টাকা দেওয়া হয়েছে বা চুক্তি করা হয়েছে, সেই এলাকার সংশ্লিষ্ট থানায়. 2.কীভাবে: থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (OC) কাছে এজাহার বা লিখিত অভিযোগ জমা দিতে হবে। অভিযোগ আমলে নিয়ে পুলিশ মামলা (FIR) হিসেবে রেকর্ড করবে. গ) আদালতে সরাসরি মামলা (সিআর মামলা) 1.কোথায়: থানা যদি মামলা নিতে অস্বীকার করে, তবে সরাসরি স্থানীয় জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করা যায়. 2.কীভাবে: একজন আইনজীবীর মাধ্যমে দণ্ডবিধি বা বৈদেশিক কর্মসংস্থান আইনের অধীনে সরাসরি আরজি বা নালিশ পেশ করতে হবে. ৩. মামলার ধারা এবং শাস্তির মেয়াদ কত. দালালের এই ধরণের প্রতারণামূলক কাজের বিরুদ্ধে মূলত ২টি আইনের অধীনে মামলা করা যায়: ১. বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩. এই আইনের অধীনে লাইসেন্সবিহীন দালালি করা এবং জালিয়াতির মাধ্যমে বিদেশে পাঠিয়ে কাজ না দেওয়া বা প্রতারণা করা বড় অপরাধ. 1.সংশ্লিষ্ট ধারা: এই আইনের ৩১ ধারা (লাইসেন্স ব্যতীত রিক্রুটমেন্ট ব্যবসার দণ্ড) এবং ৩৩ ধারা (চাহিদাপত্র বা ভিসা সংগ্রহে অবৈধ পন্থা অবলম্বন বা জালিয়াতি) 2.শাস্তি: ৩৩ ধারা অনুযায়ী অপরাধ প্রমাণিত হলে অপরাধীর অন্যূন ২ (দুই) বছর এবং অনধিক ৭ (সাত) বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অন্যূন ৩ (তিন) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড হবে. ৩১ ধারা ভঙ্গের জন্য অনধিক ৫ বছর কারাদণ্ড এবং অন্যূন ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে. ২. বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (Penal Code) অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার সাধারণ অপরাধের জন্য এই আইন প্রযোজ্য. 1.সংশ্লিষ্ট ধারা: দণ্ডবিধির ৪২০ ধারা (প্রতারণা) এবং ৪০৬ ধারা (অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ) 2.শাস্তি: ৪২০ ধারা অনুযায়ী দোষী সাব্যস্ত হলে অপরাধীর অনধিক ৭ (সাত) বছরের কারাদণ্ড এবং সাথে অর্থদণ্ড হবে.৪০৬ ধারার অধীনে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের জন্য ৩ (তিন) বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে। (বিশেষ দ্রষ্টব্য: যদি দালাল বিদেশে নিয়ে ভুক্তভোগীকে জিম্মি করে, শারীরিক নির্যাতন করে বা শ্রম শোষণে বাধ্য করে, তবে মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীনেও মামলা করা যাবে, যেখানে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে।)
১. ভুক্তভোগী বা তার পরিবারের প্রাথমিক করণীয়। ভুক্তভোগী নিজে বিদেশে অবস্থান করায় তার অনুপস্থিতিতে তার কোনো নিকটাত্মীয় (যেমন: বাবা, মা, ভাই, বোন বা স্ত্রী) বাংলাদেশে তার পক্ষে আইনি পদক্ষেপ নিতে পারবেন. 1.প্রমাণ সংগ্রহ করা: লেনদেনের রসিদ, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, পাসপোর্ট, ভিসা, কাজের চুক্তিপত্র, দালালের সাথে মেসেজ বা অডিও রেকর্ডিং এবং বিদেশে কাজ না পাওয়ার প্রমাণসমূহ সংগ্রহে রাখুন. 2.দূতাবাসে যোগাযোগ: ভুক্তভোগী বিদেশে যে দেশে আছেন, সেখানকার বাংলাদেশ দূতাবাসে যোগাযোগ করে কর্মসংস্থান সংক্রান্ত সমস্যার কথা জানিয়ে লিখিত অভিযোগ করতে পারেন. ২. কোথায় এবং কীভাবে মামলা বা অভিযোগ দায়ের করবেন. আপনি ৩টি প্রধান জায়গায় অভিযোগ বা মামলা দায়ের করতে পারেন: ক) বিএমইটি (BMET) বা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ 1.কোথায়: ঢাকার কাকরাইলে অবস্থিত জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (BMET) অফিসে অথবা অনলাইনে তাদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে অভিযোগ সেল-এ লিখিত আবেদন করতে হবে. 2.কীভাবে: সমস্ত প্রমাণাদিসহ দালালের বা এজেন্সির বিরুদ্ধে প্রতারণার লিখিত অভিযোগ দিতে হবে। বিএমইটি উভয় পক্ষকে ডেকে শুনানির মাধ্যমে টাকা আদায় বা লাইসেন্স বাতিলের ব্যবস্থা নেয়. খ) স্থানীয় থানায় মামলা (FIR) 1.কোথায়: যে এলাকায় বসে দালালকে টাকা দেওয়া হয়েছে বা চুক্তি করা হয়েছে, সেই এলাকার সংশ্লিষ্ট থানায়. 2.কীভাবে: থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (OC) কাছে এজাহার বা লিখিত অভিযোগ জমা দিতে হবে। অভিযোগ আমলে নিয়ে পুলিশ মামলা (FIR) হিসেবে রেকর্ড করবে. গ) আদালতে সরাসরি মামলা (সিআর মামলা) 1.কোথায়: থানা যদি মামলা নিতে অস্বীকার করে, তবে সরাসরি স্থানীয় জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করা যায়. 2.কীভাবে: একজন আইনজীবীর মাধ্যমে দণ্ডবিধি বা বৈদেশিক কর্মসংস্থান আইনের অধীনে সরাসরি আরজি বা নালিশ পেশ করতে হবে. ৩. মামলার ধারা এবং শাস্তির মেয়াদ কত. দালালের এই ধরণের প্রতারণামূলক কাজের বিরুদ্ধে মূলত ২টি আইনের অধীনে মামলা করা যায়: ১. বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩. এই আইনের অধীনে লাইসেন্সবিহীন দালালি করা এবং জালিয়াতির মাধ্যমে বিদেশে পাঠিয়ে কাজ না দেওয়া বা প্রতারণা করা বড় অপরাধ. 1.সংশ্লিষ্ট ধারা: এই আইনের ৩১ ধারা (লাইসেন্স ব্যতীত রিক্রুটমেন্ট ব্যবসার দণ্ড) এবং ৩৩ ধারা (চাহিদাপত্র বা ভিসা সংগ্রহে অবৈধ পন্থা অবলম্বন বা জালিয়াতি) 2.শাস্তি: ৩৩ ধারা অনুযায়ী অপরাধ প্রমাণিত হলে অপরাধীর অন্যূন ২ (দুই) বছর এবং অনধিক ৭ (সাত) বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অন্যূন ৩ (তিন) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড হবে. ৩১ ধারা ভঙ্গের জন্য অনধিক ৫ বছর কারাদণ্ড এবং অন্যূন ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে. ২. বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (Penal Code) অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার সাধারণ অপরাধের জন্য এই আইন প্রযোজ্য. 1.সংশ্লিষ্ট ধারা: দণ্ডবিধির ৪২০ ধারা (প্রতারণা) এবং ৪০৬ ধারা (অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ) 2.শাস্তি: ৪২০ ধারা অনুযায়ী দোষী সাব্যস্ত হলে অপরাধীর অনধিক ৭ (সাত) বছরের কারাদণ্ড এবং সাথে অর্থদণ্ড হবে.৪০৬ ধারার অধীনে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের জন্য ৩ (তিন) বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে। (বিশেষ দ্রষ্টব্য: যদি দালাল বিদেশে নিয়ে ভুক্তভোগীকে জিম্মি করে, শারীরিক নির্যাতন করে বা শ্রম শোষণে বাধ্য করে, তবে মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীনেও মামলা করা যাবে, যেখানে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে।)

About