@alamasong: да ты красивая // #музыка #футажи #песня #липсинг #lyrics

𝚇𝚍𝚡𝚖
𝚇𝚍𝚡𝚖
Open In TikTok:
Region: KZ
Friday 21 August 2026 17:10:57 GMT
27778
4351
10
66

Music

Download

Comments

ezz_7153
ezz_мегонайт :
2026-08-21 19:29:26
3
user6614662702190
❤️‍🔥❤️‍🔥❤️‍🔥 королева ❤️‍🔥 :
пр
2026-08-22 10:46:31
0
wow_cai6769
✝️ Wow_^D^ :
Первоя
2026-08-21 17:16:27
1
user6991130610545
Ник :
третий ёпта
2026-08-21 17:56:42
0
lizochka_1516
𝓛𝓲𝔃𝓪15🇺🇦🇱🇹 :
@👿саньок опер😈
2026-08-21 18:17:22
0
lera72699
lera :
🥰🥰🥰
2026-08-21 17:28:41
1
To see more videos from user @alamasong, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

𝐏𝐬𝐲𝐜𝐡𝐨 𝐌𝐚𝐟𝐢𝐚 𝐇𝐮𝐬𝐛𝐚𝐧𝐝 [𝐏𝐚𝐫𝐭:14] Jk অস্বস্তি এড়াতে বলল Jk: যাই হোক কেমন আছো দিয়া? দিয়া: এখন তোমাকে পেয়ে খুব ভালো লাগছে। মারজিয়া মেয়ের দিকে তাকিয়ে মুচকি হেঁসে বলল  - আমেরিকায় থাকলেও কিন্তু তোর কথা প্রায়ই বলত। ভুলে যায় নি তোর কথা। দিয়া লজ্জা পেল না। বরং হেসেই বলল, -সে তো ছোটবেলা থেকেই আমার favourite cousin ছিল। জিশান সঙ্গে সঙ্গে মজা করে বলল, - শুধু favourite cousin? দিয়া ভ্রু তুলে তার দিকে তাকাল। - জিশান,,, তোমার কৌতুহলটা একটু বেশিই!! জিশান হেসে কাঁধ ঝাঁকাল। Jk বিষয়টা আর বাড়াতে না দিয়ে বলল, - অনেকক্ষণ জার্নি করেছো। আগে সবাই ফ্রেশ হয়ে নাও। তারপর আরাম করে বসে গল্প করবো। দিয়া মাথা নাড়ল। সিঁড়ির দিকে হাঁটতে হাঁটতে একবার পেছন ফিরে Jk এর দিকে তাকাল। তার ঠোঁটে অজান্তেই হাসি ফুটে উঠল। মনে মনে সে বলে উঠলো, -অবশেষে তোমায় পেলাম জাংকুক!! ___ বিছানায় শুয়ে আছে Yn। মাথায় নানা রকম চিন্তা। সেদিন থেকে Sehun এর সাথে আর কথা হয় নি। বার বার কল করে, ম্যাসেজ দিয়েও কোনো লাভ হয় নি। Jk আবার Sehun এর কিছু করে বসে নি তো। চোখ বুজে ফেলল Yn। মনে মনে বলল না এমন কিছুই হয় নি, আমি খামোখা চিন্তা করছি, এখন বিয়েটা কীভাবে আটকাবে সেই চিন্তাটা করা দরকার।  হঠাৎ টুং করে ফোনে ম্যাসেজ আসলো। Yn ফোনটা হাতে নিয়ে কার নাম সেটা দেখতেই অবাক হয়ে গেল। তার দেওয়া লম্বা ম্যাসেজ পড়লো সে। ফোনটা বুকের মধ্যে চেপে ধরে ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে উঠলো তার। ___ রাতের খাবার খেয়ে চারজন ড্রইংরুমে এসে বসল। মাঝখানের টেবিলে গরম কফি আর হালকা নাস্তা সাজানো। অনেক বছর পর একসঙ্গে বসেছে তারা। মারজিয়া মুচকি হেসে বলল  -এতদিন পর সবাইকে একসঙ্গে দেখে বেশ ভালো লাগছে। জিশান হেসে উত্তর দিল, - শুধু একজনের মুখটাই আগের মতো গম্ভীর আছে। সে আড়চোখে Jk এর দিকে তাকাল। Jk কফির কাপে চুমুক দিয়ে বলল, - সবাই বদলায় না। বুঝছিস? দিয়া মৃদু হেসে বলল, -তুমি একদম আগের মতোই কম কথা বলো। Jk: আর তুমি আগের মতোই বেশি প্যাচাল পারো। Jk এর উত্তর শুনে সবাই হেসে উঠল। মারজিয়া হঠাৎ দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল -তোর আব্বা আম্মার কথা খুব মনে পড়ে, জাংকুক। পরিবেশে মুহূর্তেই নীরবতা নেমে এলো। Jk ধীরে ধীরে কাপটা নামিয়ে রাখল। তার চোখের দৃষ্টি স্থির হয়ে গেল। জিশান নিচু স্বরে বলল, - আঙ্কেল আন্টিকে সবাই খুব সম্মান করত। উনারা খুব ভালো মনের মানুষ ছিলেন। আফসোস!! যদি আজ উনারা বেঁচে থাকতেন! মারজিয়ার চোখ ভিজে উঠল। -আজও বিশ্বাস করতে পারি না, আমার বোনটি আর ভাইটি নেই আমাদের মাঝে। মনে হয় যেন উনারা আছেন। অফিসের কাজে ব্যস্ত আছেন। দিয়া ধীরে ধীরে মায়ের হাত ধরে বলল, - মা... মারজিয়া নিজেকে সামলে নিয়ে বলল  - থাক... পুরোনো কথা আর মনে করতে চাই না। মারজিয়া Jk এর দিকে তাকালো। সে কফির কাপের দিকে স্থির দৃষ্টি দিয়ে আছে। মনে মনে ক্রোধের আগুন জ্বলছে তার। মারজিয়া ঠিকই বুঝতে পারলো। সে এবার Jk এর দিকে তাকিয়ে হেসে বলল  -আচ্ছা, এবার তোর বিয়ের কথা বল। কবে? কীভাবে কি করবি? আর মেয়েটা কেমন রে?  জিশান: খালামণি, এত প্রশ্ন একসঙ্গে করলে ও উত্তর দেবে কীভাবে? মারজিয়া: আমি কিন্তু সব জানতে চাই। Jk: (শান্ত গলায়) এখনও তারিখ ঠিক হয়নি। -মেয়েটার নাম? Jk: Yn! দিয়া কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞেস করল, -কী করে? Jk: ইউনিভার্সিটিতে পড়ে। মারজিয়া আবার প্রশ্ন করলো -কার মেয়ে? এক মুহূর্ত চুপ থেকে Jk উত্তর দিল, -মিস্টার লির। কথাটা শোনা মাত্রই মারজিয়ার মুখের হাসি মিলিয়ে গেল। দিয়ার চোখও বিস্ময়ে বড় হয়ে উঠল। -কী বললে? মারজিয়া অবিশ্বাসের সুরে বলল  -মিস্টার... লির মেয়ে? Jk মাথা নাড়ল। মারজিয়া সোজা হয়ে বসলো। বলল  -না, জাংকুক। এই বিয়ে তুই কীভাবে করছিস? এতো কিছুর পরেও? দিয়া: তুমি কি ভুলে গেছ, মিস্টার লি আর খালু একই কোম্পানিতে কাজ করতেন? Jk কিছু বলল না। মারজিয়া বলল -তোর বাবার মৃত্যুর সময় কোম্পানির ভেতরের অনেক মানুষ জড়িত ছিল। মিস্টার লিও সেই কোম্পানির গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা ছিলেন। শুধু কর্মকর্তাই নয় বরং খুব কাছের বন্ধু ছিলেন। তিনি কিছু না কিছু জানতেনই। জিশান: খালামণি, শুধু একই কোম্পানিতে কাজ করলেই তো দোষী প্রমাণ হয় না। মারজিয়া তার দিকে তাকালেন। -কিন্তু সন্দেহ করার যথেষ্ট কারণ আছে। তোরা বুঝতে পারছিস না বিষয়টা! যদি তিনি নির্দোষই হন, তাহলে এত বড় ঘটনার পর তিনি কখনও সামনে এসে সত্যিটা জানালেন না কেন? কেন কোনো প্রতিবাদ করলেন না? কেন চুপ ছিলেন? কেন আমাদের নিজেরই তদন্ত করে বের করতে হচ্ছে? Jk এবার দৃঢ় কন্ঠে বলল  - সন্দেহ আর সত্য এক জিনিস নয়। আমি অনেক দিন ধরে বিষয়টা খুঁজে দেখছি। আমার বাবার মৃত্যুর পেছনে যার হাত সবচেয়ে বেশি...সে মিস্টার আদনান। জিশান মাথা নাড়ল। -আমিও যতটুকু তথ্য পেয়েছি, সেগুলো একই দিকেই ইঙ্গিত করছে। #btsff #twin_author #vairal
𝐏𝐬𝐲𝐜𝐡𝐨 𝐌𝐚𝐟𝐢𝐚 𝐇𝐮𝐬𝐛𝐚𝐧𝐝 [𝐏𝐚𝐫𝐭:14] Jk অস্বস্তি এড়াতে বলল Jk: যাই হোক কেমন আছো দিয়া? দিয়া: এখন তোমাকে পেয়ে খুব ভালো লাগছে। মারজিয়া মেয়ের দিকে তাকিয়ে মুচকি হেঁসে বলল - আমেরিকায় থাকলেও কিন্তু তোর কথা প্রায়ই বলত। ভুলে যায় নি তোর কথা। দিয়া লজ্জা পেল না। বরং হেসেই বলল, -সে তো ছোটবেলা থেকেই আমার favourite cousin ছিল। জিশান সঙ্গে সঙ্গে মজা করে বলল, - শুধু favourite cousin? দিয়া ভ্রু তুলে তার দিকে তাকাল। - জিশান,,, তোমার কৌতুহলটা একটু বেশিই!! জিশান হেসে কাঁধ ঝাঁকাল। Jk বিষয়টা আর বাড়াতে না দিয়ে বলল, - অনেকক্ষণ জার্নি করেছো। আগে সবাই ফ্রেশ হয়ে নাও। তারপর আরাম করে বসে গল্প করবো। দিয়া মাথা নাড়ল। সিঁড়ির দিকে হাঁটতে হাঁটতে একবার পেছন ফিরে Jk এর দিকে তাকাল। তার ঠোঁটে অজান্তেই হাসি ফুটে উঠল। মনে মনে সে বলে উঠলো, -অবশেষে তোমায় পেলাম জাংকুক!! ___ বিছানায় শুয়ে আছে Yn। মাথায় নানা রকম চিন্তা। সেদিন থেকে Sehun এর সাথে আর কথা হয় নি। বার বার কল করে, ম্যাসেজ দিয়েও কোনো লাভ হয় নি। Jk আবার Sehun এর কিছু করে বসে নি তো। চোখ বুজে ফেলল Yn। মনে মনে বলল না এমন কিছুই হয় নি, আমি খামোখা চিন্তা করছি, এখন বিয়েটা কীভাবে আটকাবে সেই চিন্তাটা করা দরকার। হঠাৎ টুং করে ফোনে ম্যাসেজ আসলো। Yn ফোনটা হাতে নিয়ে কার নাম সেটা দেখতেই অবাক হয়ে গেল। তার দেওয়া লম্বা ম্যাসেজ পড়লো সে। ফোনটা বুকের মধ্যে চেপে ধরে ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে উঠলো তার। ___ রাতের খাবার খেয়ে চারজন ড্রইংরুমে এসে বসল। মাঝখানের টেবিলে গরম কফি আর হালকা নাস্তা সাজানো। অনেক বছর পর একসঙ্গে বসেছে তারা। মারজিয়া মুচকি হেসে বলল -এতদিন পর সবাইকে একসঙ্গে দেখে বেশ ভালো লাগছে। জিশান হেসে উত্তর দিল, - শুধু একজনের মুখটাই আগের মতো গম্ভীর আছে। সে আড়চোখে Jk এর দিকে তাকাল। Jk কফির কাপে চুমুক দিয়ে বলল, - সবাই বদলায় না। বুঝছিস? দিয়া মৃদু হেসে বলল, -তুমি একদম আগের মতোই কম কথা বলো। Jk: আর তুমি আগের মতোই বেশি প্যাচাল পারো। Jk এর উত্তর শুনে সবাই হেসে উঠল। মারজিয়া হঠাৎ দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল -তোর আব্বা আম্মার কথা খুব মনে পড়ে, জাংকুক। পরিবেশে মুহূর্তেই নীরবতা নেমে এলো। Jk ধীরে ধীরে কাপটা নামিয়ে রাখল। তার চোখের দৃষ্টি স্থির হয়ে গেল। জিশান নিচু স্বরে বলল, - আঙ্কেল আন্টিকে সবাই খুব সম্মান করত। উনারা খুব ভালো মনের মানুষ ছিলেন। আফসোস!! যদি আজ উনারা বেঁচে থাকতেন! মারজিয়ার চোখ ভিজে উঠল। -আজও বিশ্বাস করতে পারি না, আমার বোনটি আর ভাইটি নেই আমাদের মাঝে। মনে হয় যেন উনারা আছেন। অফিসের কাজে ব্যস্ত আছেন। দিয়া ধীরে ধীরে মায়ের হাত ধরে বলল, - মা... মারজিয়া নিজেকে সামলে নিয়ে বলল - থাক... পুরোনো কথা আর মনে করতে চাই না। মারজিয়া Jk এর দিকে তাকালো। সে কফির কাপের দিকে স্থির দৃষ্টি দিয়ে আছে। মনে মনে ক্রোধের আগুন জ্বলছে তার। মারজিয়া ঠিকই বুঝতে পারলো। সে এবার Jk এর দিকে তাকিয়ে হেসে বলল -আচ্ছা, এবার তোর বিয়ের কথা বল। কবে? কীভাবে কি করবি? আর মেয়েটা কেমন রে? জিশান: খালামণি, এত প্রশ্ন একসঙ্গে করলে ও উত্তর দেবে কীভাবে? মারজিয়া: আমি কিন্তু সব জানতে চাই। Jk: (শান্ত গলায়) এখনও তারিখ ঠিক হয়নি। -মেয়েটার নাম? Jk: Yn! দিয়া কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞেস করল, -কী করে? Jk: ইউনিভার্সিটিতে পড়ে। মারজিয়া আবার প্রশ্ন করলো -কার মেয়ে? এক মুহূর্ত চুপ থেকে Jk উত্তর দিল, -মিস্টার লির। কথাটা শোনা মাত্রই মারজিয়ার মুখের হাসি মিলিয়ে গেল। দিয়ার চোখও বিস্ময়ে বড় হয়ে উঠল। -কী বললে? মারজিয়া অবিশ্বাসের সুরে বলল -মিস্টার... লির মেয়ে? Jk মাথা নাড়ল। মারজিয়া সোজা হয়ে বসলো। বলল -না, জাংকুক। এই বিয়ে তুই কীভাবে করছিস? এতো কিছুর পরেও? দিয়া: তুমি কি ভুলে গেছ, মিস্টার লি আর খালু একই কোম্পানিতে কাজ করতেন? Jk কিছু বলল না। মারজিয়া বলল -তোর বাবার মৃত্যুর সময় কোম্পানির ভেতরের অনেক মানুষ জড়িত ছিল। মিস্টার লিও সেই কোম্পানির গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা ছিলেন। শুধু কর্মকর্তাই নয় বরং খুব কাছের বন্ধু ছিলেন। তিনি কিছু না কিছু জানতেনই। জিশান: খালামণি, শুধু একই কোম্পানিতে কাজ করলেই তো দোষী প্রমাণ হয় না। মারজিয়া তার দিকে তাকালেন। -কিন্তু সন্দেহ করার যথেষ্ট কারণ আছে। তোরা বুঝতে পারছিস না বিষয়টা! যদি তিনি নির্দোষই হন, তাহলে এত বড় ঘটনার পর তিনি কখনও সামনে এসে সত্যিটা জানালেন না কেন? কেন কোনো প্রতিবাদ করলেন না? কেন চুপ ছিলেন? কেন আমাদের নিজেরই তদন্ত করে বের করতে হচ্ছে? Jk এবার দৃঢ় কন্ঠে বলল - সন্দেহ আর সত্য এক জিনিস নয়। আমি অনেক দিন ধরে বিষয়টা খুঁজে দেখছি। আমার বাবার মৃত্যুর পেছনে যার হাত সবচেয়ে বেশি...সে মিস্টার আদনান। জিশান মাথা নাড়ল। -আমিও যতটুকু তথ্য পেয়েছি, সেগুলো একই দিকেই ইঙ্গিত করছে। #btsff #twin_author #vairal

About