Md Ahsan :
ভিডিওতে কাবার ইমাম শেখ আব্দুর রহমান আস-সুদাইস আরবি ভাষায় যে বক্তব্য দিচ্ছেন, তার ভাবার্থ নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
* **ওমর (রা.)-এর অনুসরণের শিক্ষা:** ওমর (রা.) কাবা ঘর তওয়াফ করার সময় হাজরে আসওয়াদকে (কালো পাথর) উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, "আল্লাহর কসম! আমি জানি তুমি কেবল একটি পাথর, তুমি কারো ক্ষতি বা উপকার করার ক্ষমতা রাখো না। যদি আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তোমাকে চুম্বন করতে না দেখতাম, তবে আমিও তোমাকে চুম্বন করতাম না।"
* **বিদআত সম্পর্কে সতর্কবার্তা:** রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং সাহাবীগণ যে আমল করেননি, তা দ্বীনের নামে পালন করা থেকে সতর্ক থাকা উচিত। বিশেষ করে ঈদে মিলাদুন্নবী পালন করার কোনো প্রমাণ কুরআন, সুন্নাহ, সাহাবীদের আমল বা শ্রেষ্ঠ যুগের (সালফে সালেহীন) আলেমদের থেকে পাওয়া যায় না।
* **রসূলের প্রতি সঠিক ভালোবাসা:** রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অতিরিক্ত প্রশংসা (অতিভক্তি) করতে নিষেধ করেছেন, যেমনটা খ্রিস্টানেরা ঈসা (আ.)-এর ক্ষেত্রে করেছিল। তিনি বলেছেন— তিনি কেবল আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রসূল।
* **কবরকে মসজিদ বানানো নিষেধ:** ইহুদি ও খ্রিস্টানদের ওপর আল্লাহর লানত বা অভিশাপ, কারণ তারা তাদের নবীদের কবরগুলোকে মসজিদে পরিণত করেছিল।
* **'ওয়াহাবী' শব্দ প্রসঙ্গে:** দ্বীনের অনুসারীদের বা যারা এসব বিদআত থেকে বিরত থাকে, তাদের ‘ওয়াহাবী’ বলে আখ্যায়িত করা হয়। শেখ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহাব (রহ.) কোনো নতুন দ্বীন বা মাযহাব তৈরি করেননি; বরং তিনি চার ইমাম (আহমাদ, শাফেয়ী, মালেক, আবু হানিফা) ও সালাফদের প্রদর্শিত পথই অনুসরণ করেছেন।
2026-08-23 06:20:32