@ahmedsalauddin5: কি আজব তাই না ১০ বছরের একটা সাজানো সংসার শেষ হয়ে গেল শুধুমাত্র ল/ম্প/ট রেজাউল করিমের কারণে। এখানে মমতাজের দো/ষটা কোথায়। মেয়েটাকেই সবকিছু হারাতে হলো, যখন একটা মেয়ে নিজের জীবন বাজি রেখে তার সংসার গোঝাতে, সন্তানের পেটের ক্ষুধা দূর করতে ব্যস্ত। তখন তার ল/ম্প/ট স্বামী তারই অজান্তে মনের ক্ষু/ধা মেটাতে মমতাজের আপন ভাগ্নির সাথে প/র/কী/য়ায় লিপ্ত। জায়েদা এত বড় অপরাধ করলো, নিজের খালার সংসার ধ্বংস করল। তারপরেও তার পাশে তার পরিবার আছে। করিমের পাশে মমতাজ নিজের জীবন বিপন্ন করে ঢাল হয়ে দাঁড়াচ্ছে, কিন্তু বিপদের সময় মমতাজের পাশে কেউ নেই। না আছে মমতাজের মা না আছে মমতাজের বোন। সবাইতো ১৫ বছরের জায়েদাকে নিয়ে ব্যস্ত। মেয়েটার অল্প বয়স কেউ ফুষলিয়ে তার সর্বনাশ করেছে সত্যিই কি তাই এখানে কি এই মেয়েটার কোন দো/ষ নেই। যতবার মমতাজের চেহারাটা চোখের সামনে ভেসে উঠছে ততবার খুবই খারাপ লাগছে। আমাদের সমাজে এরকম অনেক মমতাজ আছে যারা স্বামীর অবহেলা সহ্য করেও সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে সংসার করে যাচ্ছে। হ্যাঁ চাইলে এরাও অন্য কোথাও সংসার করতে পারবে কিন্তু তার সন্তান আর বাবা পাবে না, বাবার ভালোবাসা পাবে না। তাই নিজের জীবনের কষ্ট মাটি চাপা দিয়ে স্বামীর অবহেলা সহ্য করে আমি কি ভালোবেসে যাচ্ছে। আর বিনিময়ে শুধু পাচ্ছে যন্ত্রণা আর অবহেলা। আজ মমতাজের ভিতরে কতটা যন্ত্রণা শুধু মমতাজ ই জানে। আর জানে সেইসব নারীরা যারা স্বামীকে জীবন দিয়ে ভালোবাসার পরেও স্বামীর অবহেলা শি/কার হয়েছে প্র/তারনার শি/কার হয়েছে। একটা কথাই বলবো এসব পুরুষদের ক্ষ/মা করা উচিত নয়।