@trmcauztxjw: #TikTokShop #fyppp #OOTD #fashion #coat l

trmcauztxjw
trmcauztxjw
Open In TikTok:
Region: US
Monday 24 August 2026 16:19:25 GMT
4
0
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @trmcauztxjw, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

১. জমি কেনাবেচা বা হস্তান্তরে বাধা। 1.জমি বিক্রি অসম্ভব: রেজিস্ট্রেশন আইন অনুযায়ী, উত্তরাধিকার সূত্র ছাড়া অন্য কোনোভাবে পাওয়া জমির নামজারি খতিয়ান না থাকলে সেই জমি পরবর্তীতে আর বিক্রি করা যায় না। 2.দান বা হস্তান্তর জটিলতা: নিজের নামে নামজারি না থাকলে জমিটি অন্য কারো কাছে দান (Heft/Gift) বা হেবা করার ক্ষেত্রে আইনি জটিলতা তৈরি হয়। ২. খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধে সমস্যা. 1.নিজে নামে খাজনা দেওয়া যায় না: জমি খারিজ না করলে সরকারি ভূমি অফিসে আগের মালিকের নামেই রেকর্ড থেকে যায়। ফলে নতুন মালিক নিজের নামে সরকারি খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর দিতে পারেন না। ৩. জালিয়াতি ও জমি হাতছাড়া হওয়ার ঝুঁকি. 1.দ্বিতীয়বার বিক্রির সুযোগ: আপনার নামে খারিজ না হলে পূর্বের মালিক বা বিক্রেতা অসৎ উদ্দেশ্যে সেই জমিটি অন্য কোনো পক্ষের কাছে আবার বিক্রি করে দিতে পারে। 2.অন্যের নামে নামজারি: সুযোগ বুঝে কোনো স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে আপনার আগেই জমিটি নিজের নামে খারিজ করিয়ে নিতে পারে, যার ফলে আপনাকে বড় ধরনের মালিকানা সংকটে পড়তে হবে। ৪. সরকারি ক্ষতিপূরণ থেকে বঞ্চিত হওয়া. 1.অধিগ্রহণের টাকা হাতছাড়া: সরকার যদি কোনো রাস্তা, সেতু বা উন্নয়নমূলক কাজের জন্য আপনার জমিটি অধিগ্রহণ (Acquisition) করে, তবে ক্ষতিপূরণের টাকা সরকারি খতিয়ানে যার নাম আছে (অর্থাৎ পূর্বের মালিক) তাকে দিয়ে দেওয়া হবে। নিজের নামে খারিজ না থাকলে আপনি সেই টাকা দাবি করতে পারবেন না। ৫. ব্যাংক ঋণ এবং অন্যান্য আর্থিক সুবিধা. 1.লোন বা বন্ধক রাখতে বাধা: যেকোনো বাণিজ্যিক ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে জমির বিপরীতে গৃহনির্মাণ বা ব্যবসা ঋণের (Bank Loan) আবেদন করলে তারা সবার আগে হালনাগাদ নামজারি খতিয়ান ও দাখিলা (খাজনার রশিদ) দেখতে চায়। খারিজ না থাকলে জমি বন্ধক রাখা যায় না। ৬. উত্তরাধিকার ও পারিবারিক বিরোধ. 1.উত্তরাধিকারীদের ভোগান্তি: মূল ক্রেতা বা মালিকের মৃত্যুর পর যদি জমি খারিজ করা না থাকে, তবে তার সন্তান বা ওয়ারিশদের মধ্যে জমির হিস্যা নিয়ে এবং পরবর্তীতে নিজেদের নামে রেকর্ড তৈরি করতে গিয়ে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।
১. জমি কেনাবেচা বা হস্তান্তরে বাধা। 1.জমি বিক্রি অসম্ভব: রেজিস্ট্রেশন আইন অনুযায়ী, উত্তরাধিকার সূত্র ছাড়া অন্য কোনোভাবে পাওয়া জমির নামজারি খতিয়ান না থাকলে সেই জমি পরবর্তীতে আর বিক্রি করা যায় না। 2.দান বা হস্তান্তর জটিলতা: নিজের নামে নামজারি না থাকলে জমিটি অন্য কারো কাছে দান (Heft/Gift) বা হেবা করার ক্ষেত্রে আইনি জটিলতা তৈরি হয়। ২. খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধে সমস্যা. 1.নিজে নামে খাজনা দেওয়া যায় না: জমি খারিজ না করলে সরকারি ভূমি অফিসে আগের মালিকের নামেই রেকর্ড থেকে যায়। ফলে নতুন মালিক নিজের নামে সরকারি খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর দিতে পারেন না। ৩. জালিয়াতি ও জমি হাতছাড়া হওয়ার ঝুঁকি. 1.দ্বিতীয়বার বিক্রির সুযোগ: আপনার নামে খারিজ না হলে পূর্বের মালিক বা বিক্রেতা অসৎ উদ্দেশ্যে সেই জমিটি অন্য কোনো পক্ষের কাছে আবার বিক্রি করে দিতে পারে। 2.অন্যের নামে নামজারি: সুযোগ বুঝে কোনো স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে আপনার আগেই জমিটি নিজের নামে খারিজ করিয়ে নিতে পারে, যার ফলে আপনাকে বড় ধরনের মালিকানা সংকটে পড়তে হবে। ৪. সরকারি ক্ষতিপূরণ থেকে বঞ্চিত হওয়া. 1.অধিগ্রহণের টাকা হাতছাড়া: সরকার যদি কোনো রাস্তা, সেতু বা উন্নয়নমূলক কাজের জন্য আপনার জমিটি অধিগ্রহণ (Acquisition) করে, তবে ক্ষতিপূরণের টাকা সরকারি খতিয়ানে যার নাম আছে (অর্থাৎ পূর্বের মালিক) তাকে দিয়ে দেওয়া হবে। নিজের নামে খারিজ না থাকলে আপনি সেই টাকা দাবি করতে পারবেন না। ৫. ব্যাংক ঋণ এবং অন্যান্য আর্থিক সুবিধা. 1.লোন বা বন্ধক রাখতে বাধা: যেকোনো বাণিজ্যিক ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে জমির বিপরীতে গৃহনির্মাণ বা ব্যবসা ঋণের (Bank Loan) আবেদন করলে তারা সবার আগে হালনাগাদ নামজারি খতিয়ান ও দাখিলা (খাজনার রশিদ) দেখতে চায়। খারিজ না থাকলে জমি বন্ধক রাখা যায় না। ৬. উত্তরাধিকার ও পারিবারিক বিরোধ. 1.উত্তরাধিকারীদের ভোগান্তি: মূল ক্রেতা বা মালিকের মৃত্যুর পর যদি জমি খারিজ করা না থাকে, তবে তার সন্তান বা ওয়ারিশদের মধ্যে জমির হিস্যা নিয়ে এবং পরবর্তীতে নিজেদের নামে রেকর্ড তৈরি করতে গিয়ে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।

About