@minute_xassidatv: @Baay Xalima

minute_xassida
minute_xassida
Open In TikTok:
Region: IT
Monday 24 August 2026 19:54:07 GMT
7039
1822
17
21

Music

Download

Comments

cheikhouna.djoussekao
cheikhouna.djoussekao :
Serigne Touba Néna adouna bénn banéxx mofi am téé mouy beug 𝑺𝒆𝒚𝒅𝒊𝒏𝒂 Mouhamed(SWS) Thiey Borome Touba ♥️🙏
2026-08-24 20:00:25
1
khadimndiaye392
Ndiaye khassida :
khassida lay téwlou ni 🥰
2026-08-24 21:55:34
0
khadim_dabo_
𝑲𝑯𝑨𝑫𝑰𝑴 ❤️𝑫𝑨𝑩𝑶✪ :
première commentaire ❤️❤️❤️
2026-08-24 19:58:53
0
walobousso0
serigne fallou bousso :
deloma sama aboné gir yalla
2026-08-24 20:01:16
0
mar.ndom8
MAR :
❤️❤️❤️
2026-08-24 21:52:40
0
diaw.14
Kabou :
😁😁😁
2026-08-24 20:25:41
0
thiernosock38
meme thierno :
🥰🥰🥰
2026-08-24 21:26:02
0
_daame.rassoul
DAAME RASSŬL :
🥰🥰🥰
2026-08-24 21:15:10
0
mbour544
Nazir hizbou darou salam :
💚💚💚
2026-08-24 21:03:55
0
mar.ndom8
MAR :
🥰🥰🥰
2026-08-24 21:52:40
0
omar.20850
Omar @20 :
❤️❤️❤️
2026-08-24 20:11:22
0
bachire.arnold
All Bachire :
❤️❤️❤️
2026-08-24 22:18:13
0
becaye.ndiaye682
Becaye Ndiaye :
🥰🥰🥰
2026-08-24 20:00:09
0
cheikh.1998
CHEIKH 1998 :
🥰🥰🥰🥰🥰
2026-08-24 19:59:19
0
fallou123gmail.com3
fallou :
🥰🥰🥰
2026-08-24 19:58:26
0
a46137
Abdou :
❤️❤️❤️
2026-08-24 23:04:24
0
To see more videos from user @minute_xassidatv, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

১. স্বামীর প্রাথমিক করণীয়। 1.প্রমাণ সংগ্রহ: নির্যাতনের সব ধরনের প্রমাণ যেমন— স্ত্রী কর্তৃক পাঠানো কোনো হুমকিমূলক বার্তা (SMS, WhatsApp), অডিও/ভিডিও রেকর্ডিং, এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের স্ক্রিনশট সংরক্ষণ করুন। 2.চিকিৎসা ও মেডিকেল রিপোর্ট: স্ত্রী মারধর করলে অবিলম্বে সরকারি হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিন এবং হাসপাতাল থেকে মেডিকেল সার্টিফিকেট (Injury Report) সংগ্রহ করুন। এটি মামলায় সবচেয়ে বড় প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে। 3.জিডি (GD) করা: ভবিষ্যতের বড় কোনো ক্ষতি বা মিথ্যা মামলা থেকে বাঁচতে নিকটস্থ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে রাখতে পারেন। ২. কোথায় মামলা দায়ের করবেন. 1.থানায় (FIR): শারীরিক আঘাত বা মারধরের ঘটনায় সরাসরি স্থানীয় থানায় গিয়ে স্ত্রীর বিরুদ্ধে এজাহার বা মামলা দায়ের করতে পারেন। 2.আদালতে (CR Case): থানা যদি কোনো কারণে মামলা না নেয়, তবে সংগৃহীত প্রমাণ ও মেডিকেল রিপোর্ট নিয়ে একজন আইনজীবীর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সরাসরি সিআর (CR) মামলা দায়ের করা যায়। ৩. মামলার ধারা ও স্ত্রীর সাজার মেয়াদ (বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ অনুযায়ী) বাংলাদেশে পুরুষদের জন্য আলাদা কোনো
১. স্বামীর প্রাথমিক করণীয়। 1.প্রমাণ সংগ্রহ: নির্যাতনের সব ধরনের প্রমাণ যেমন— স্ত্রী কর্তৃক পাঠানো কোনো হুমকিমূলক বার্তা (SMS, WhatsApp), অডিও/ভিডিও রেকর্ডিং, এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের স্ক্রিনশট সংরক্ষণ করুন। 2.চিকিৎসা ও মেডিকেল রিপোর্ট: স্ত্রী মারধর করলে অবিলম্বে সরকারি হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিন এবং হাসপাতাল থেকে মেডিকেল সার্টিফিকেট (Injury Report) সংগ্রহ করুন। এটি মামলায় সবচেয়ে বড় প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে। 3.জিডি (GD) করা: ভবিষ্যতের বড় কোনো ক্ষতি বা মিথ্যা মামলা থেকে বাঁচতে নিকটস্থ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে রাখতে পারেন। ২. কোথায় মামলা দায়ের করবেন. 1.থানায় (FIR): শারীরিক আঘাত বা মারধরের ঘটনায় সরাসরি স্থানীয় থানায় গিয়ে স্ত্রীর বিরুদ্ধে এজাহার বা মামলা দায়ের করতে পারেন। 2.আদালতে (CR Case): থানা যদি কোনো কারণে মামলা না নেয়, তবে সংগৃহীত প্রমাণ ও মেডিকেল রিপোর্ট নিয়ে একজন আইনজীবীর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সরাসরি সিআর (CR) মামলা দায়ের করা যায়। ৩. মামলার ধারা ও স্ত্রীর সাজার মেয়াদ (বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ অনুযায়ী) বাংলাদেশে পুরুষদের জন্য আলাদা কোনো "পুরুষ নির্যাতন দমন আইন" না থাকলেও, প্রচলিত দণ্ডবিধি ১৮৬০ (Penal Code) এর অধীনে সাধারণ অপরাধ হিসেবে স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করা যায়: 1.স্বেচ্ছায় সাধারণ আঘাত বা মারধর (ধারা ৩২৩): স্ত্রী যদি স্বামীকে চড়, থাপ্পড়, লাথি বা সাধারণ মারধর করেন, তবে দণ্ডবিধির ৩২৩ ধারায় মামলা করা যাবে. 2.সাজা: অপরাধ প্রমাণিত হলে স্ত্রীর সর্বোচ্চ ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা ১ হাজার টাকা জরিমানা, কিংবা উভয় দণ্ড হতে পারে। 3.বিপজ্জনক অস্ত্র দিয়ে আঘাত (ধারা ৩২৪): স্ত্রী যদি ধারালো অস্ত্র, গরম পানি, লাঠি বা অন্য কোনো বিপজ্জনক বস্তু দিয়ে আঘাত করেন. 4.সাজা: এই ধারায় অপরাধীর সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, কিংবা উভয় দণ্ড হতে পারে। 5.স্বেচ্ছায় গুরুতর জখম করা (ধারা ৩২৫): মারধরের কারণে যদি স্বামীর হাড় ভেঙে যায়, চোখ বা কানের ক্ষতি হয়, কিংবা কোনো অঙ্গ স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়. 6.সাজা: দণ্ডবিধির ৩২৫ ধারা অনুযায়ী স্ত্রীর সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড হবে। ৪. পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০ এই আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী, পারিবারিক সম্পর্কের মধ্যে যেকোনো "মানসিক নির্যাতন" ও "মৌখিক অপমান"ও পারিবারিক সহিংসতার শামিল। 1.স্বামী আদালতের মাধ্যমে স্ত্রীর বিরুদ্ধে 'সুরক্ষা আদেশ' (Protection Order) চাইতে পারেন, যাতে স্ত্রী আর মানসিক বা শারীরিক নির্যাতন করতে না পারেন। 2.আদালত এই আদেশ দেওয়ার পর স্ত্রী যদি পুনরায় সেই আদেশ অমান্য করে নির্যাতন করেন, তবে আইনের ৩০ ধারা অনুযায়ী স্ত্রীর সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

About