@nepalkalam.com.on: सुरक्षित रहेको भिडियोहरू पनि आइरहेको छ।#nepalkalam #अपडेट #बागमती

Nepalkalam.com online
Nepalkalam.com online
Open In TikTok:
Region: NP
Thursday 27 August 2026 06:43:00 GMT
889742
65692
1761
2967

Music

Download

Comments

ama.passang.famil
Tashi Delek ❤️ :
It's like rebirth for them 🙏🏼🙏🏼🙏🏼 thank God
2026-08-27 09:21:17
318
ram_sharan_pudasaini
Ramu_Uncle🇳🇵 :
म तपाइहरुलाई चिन्दिन तर पनि खुसी लाग्यो ज्यान जोगाउनु भएको मा ।जय पशुपति नाथ🙏
2026-08-27 09:47:13
1172
user77613859076156
แก่แล้วไง :
Stay safe everyone. Thailand is worried about you all.
2026-08-27 17:02:30
0
antoniorazvanmihu
razvan antonio :
Jesus is great
2026-08-27 13:43:42
50
eksarthapagmail.com1
Ek sir :
ramro karma garnu vako raxa sathiharule Jay hos sabaiko
2026-08-27 08:40:26
300
tattooorg
ลาออกงานไปเนปาล🇹🇭🇳🇵 :
📍still missing
2026-08-27 17:07:09
0
sitagurung23_
sita gurung :
thank u god 🙏
2026-08-27 15:09:57
0
shela5339
MA KHAING :
thanks god
2026-08-27 17:05:27
0
elahmarkeh
i am ellah🤪 :
Prayer to nepal
2026-08-27 15:18:31
0
sajinastha4ever
SAJINA SHRESTHA 🦂 :
katti khusi lagyo tq vagwan
2026-08-27 08:49:05
301
kalpana.bhujel152
Kalpana Bhujel :
dhanybad Bhagwan 🥰Mero shiriman Pani asari nae dekhna paiyosh jaha vayni suraxit dekhna vetna pau please uhali dekhnu vayma samparka garidinu hola
2026-08-27 14:04:41
24
gcsrijana2
Srijana kanxi :
मान्छे जिउँदो शरीरमा आगो लगाउँछन् बाँच्नु कति ठूलो कुरा रैछ भन्ने यो अवस्थमा थाहा हुन्छ 🥹🥹🥹🥹🥹🥹🥹
2026-08-27 15:17:14
70
ramasubba6
Rama Subba935 :
परिवारलाई खबर पुगोस
2026-08-27 12:28:07
6
bimalakc44.4
Bimala Kc 🕉️ :
God bless you 😇❤️
2026-08-27 12:44:04
0
nayambadhakal
nayamba dhakal :
2,3 न मा देखिने ई भाईहरूको फोटो हिजो हराए भनेर देखेको आज सुरक्षित देख्दा एउटै कोख बाट जन्मिएका आफ्नै भाई भेटिएझै खुसी लाग्यो प्रभु🥰🥰
2026-08-27 14:19:55
32
theshark_xyz2025
nothingbeatshonesty :
strength to you guys,and Nepal
2026-08-27 09:37:37
3
basnet.keshab4
basnet_kaji singh :
जयवपशुपति नाथ , जय वंगालामुखि जय हनुमान🙏🙏🙏👏🏻👏🏻👏🏻👏🏻👏🏻👏🏻👏🏻👍👍👍
2026-08-27 08:26:37
125
anitamagar807
🐖🐷 :
सुरक्षा हुने हरु सक्दो आफ्नो परिवार लाई सम्प्रक गर्नु होला
2026-08-27 12:31:56
16
reeyachhantyal2
chameli Chhantyal :
God bless you 😔🙏
2026-08-27 12:50:29
14
minaadhikari325
Mina adhikari :
यसै गरि धेरै मानिसहरु सुरक्षित भयको खबर सुन्न पाईयोस भगवान
2026-08-27 12:26:18
5
myqueen_511
myqueen👑 :
जसरी भएपनि यसरी ज्यान जोगाएर आएको देख्दा कत्ति खुसी लाग्ने🥹♥️
2026-08-27 13:52:37
9
antoniorazvanmihu
razvan antonio :
Jesus saved you
2026-08-27 15:26:33
7
dejen.yosef
deju 🙏✝️⛪️ :
thanks to god 🙏🙏🙏🙏
2026-08-27 12:37:24
8
To see more videos from user @nepalkalam.com.on, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

শত শত বছর ধরে আগুন জ্বলছে অগ্নিকুণ্ড মন্দিরের কূপের পানিতে.... বহু পুরোনো জরাজীর্ণ মন্দির। মন্দিরের দেয়াল থেকে খসে পড়া আস্তরণের ওপরে উঠেছে তৃণলতাসহ বিভিন্ন ধরনের আগাছা। ভেতরে রয়েছে চতুর্ভুজ আকৃতির কুণ্ডলী। সে কুণ্ডলীতে থাকা স্বচ্ছ জলের তলা থেকে বুদ্‌বুদ শব্দে ওপরে উঠছে পানি। তার ওপর দাউ দাউ করে জ্বলছে আগুন।  চারদিকে সবুজ পাহাড়। মাঝখানে একটি টিলায় পুরোনো দ্বিতল ভবন। ভবনের ভেতরে একটি ছোট কূপ। সেই কূপের একটি অংশে পানির ওপরে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। এক–দুই দিন ধরে নয়, শত শত বছর ধরেই জ্বলছে এই আগুন। আগুন যাতে ছড়িয়ে না পড়ে, সে লক্ষ্যে ওই অংশের চারপাশে নির্মাণ করা হয়েছে পাকা দেয়াল। দেয়ালের কারণে দেখতে মনে হয়, একটি চুলায় আগুন জ্বলছে। আগুনের আঁচে এর পাশে দাঁড়ানোই কষ্টকর। পানির ওপরিভাগে আগুন জ্বললেও পানি কিন্তু ঠান্ডা। যে কূপে পানির ওপর আগুন জ্বলছে, এর নাম বাড়বানল। এটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে একটি অতি পবিত্র তীর্থস্থান, পরিচিত অগ্নিকুণ্ড মন্দির নামে। এর অবস্থান চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের বাড়বকুণ্ড পাহাড়ে। প্রতিবছর শিবচতুর্দশী উপলক্ষে লাখো পুণ্যার্থীর আগমন ঘটে এই তীর্থস্থানে।  জনশ্রুতি রয়েছে হাজার হাজার বছর ধরে অগভীর এ কুণ্ডের পানির ওপর আগুন জ্বললেও পানি একেবারে ঠান্ডা। গল্পটা চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের গহিন পাহাড়ের ভেতরে থাকা সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র তীর্থপীঠ বাড়বানল ‘অগ্নিকুণ্ড’ মন্দিরের। লৌকিক নানা ধরনের কাহিনি রয়েছি এ মন্দিরকে ঘিরে। সনাতনী ধর্মপ্রাণ মানুষের বিশ্বাস—সত্য যুগ থেকে ঐশ্বরিকভাবে এই অগ্নিকুণ্ডে জ্বলছে আগুন। যা এখনো নামেনি। অন্যদিকে ভূতত্ত্ববিদদের মতে মিথেন গ্যাসের কারণে জ্বলছে অগ্নিকুণ্ডের এই আগুন। পুণ্যার্থীদের পাশাপাশি সাধারণ পর্যটকদেরও আকৃষ্ট করছে বাড়বানল ‘অগ্নিকুণ্ড’ মন্দির। স্থানীয় ধর্মপ্রাণ সনাতনীরা জানিয়েছেন, অগ্নিকুণ্ড মন্দিরটি কত সালে নির্মাণ করা হয়েছে তার সঠিক ইতিহাস এখনো জানা যায়নি। চন্দ্রনাথ পঞ্চ ক্রোশের একটি মহা তীর্থস্থান এ অগ্নিকুণ্ড। এ অগ্নিকুণ্ডকে ঘিরেই প্রাচীনকাল থেকেই শিবের অষ্টমূর্তির প্রতীকে অষ্টলিঙ্গমূর্তি প্রতিষ্ঠিত। আর তাকে ঘিরেই এ অগ্নিকুণ্ড মন্দির প্রতিষ্ঠিত। মন্দিরটি প্রতিষ্ঠার সঠিক ইতিহাস জানা না গেলেও ১৫০১-১৫১০ সালের মধ্যে ত্রিপুরার রাজা ধন্যমাণিক্য চট্টগ্রাম পরিভ্রমণকালে এই অগ্নিকুণ্ড মন্দিরে আসেন। তখন তিনি নিজ উদ্যোগে এ মন্দিরটি সংস্কার করেন। এ সময় দেবীবিগ্রহ নিয়ে ত্রিপুরায় ত্রিপুরাসন্দুরী মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। উইকিপিডিয়ার তথ্যানুসারে, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র তীর্থপীঠ বাড়বানলের এ অগ্নিকুণ্ডের নাম অনুসারে ইউনিয়নটির নাম হয়েছে বাড়বকুণ্ড। যা জেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইটেও উল্লেখ করা রয়েছে। সবুজ বৃক্ষরাজিতে ঘেরা দুটি পাহাড়ের মাঝের একটি টিলার মধ্যে অগ্নিকুণ্ড মন্দিরটি রয়েছে। জরাজীর্ণ দ্বিতল ভবনের মন্দিরটি ওপর থেকে সিঁড়ি বয়ে গেছে নিচ অবধি। ভবনটির নিচতলার খোলা কক্ষের মাঝখানে রয়েছে চতুর্ভুজ আকৃতির ১০ বর্গফুটের একটি ছোট্ট কুণ্ড। আর সেই কুণ্ডটি দুই ভাগে বিভক্ত। দক্ষিণের অংশে দাউ দাউ করে জ্বলছে আগুন। আর উত্তরের অংশে থাকা পানির নিচ থেকে উঠছে বুদ্‌বুদ শব্দ। কুণ্ডের যে অংশে আগুন জলে সে অংশে দাঁড়ানো ভক্তদের আগুনে আঁচ থেকে রক্ষা করতে ইট–সিমেন্টের দেয়াল তুলে চুলার মতো করে দেওয়া হয়েছে। আর সেখানে আসা ভক্তরা অগ্নিকুণ্ডের পানিতে স্নান সেরে ভক্তি সহকারে পূজা-অর্চনা করছেন। অগ্নিকুণ্ড মন্দির থেকে ওপরে উঠলেই চোখে পড়ে শনিবাড়ি, বিষ্ণু মন্দির, জগন্নাথ মন্দির, ত্রিনাথ মন্দির, শিব মন্দির ও অন্নপূর্ণা মন্দির। এ ছাড়া অগ্নিকুণ্ডের পাশেই রয়েছে বাড়বকুণ্ড ও কালভৈরব মন্দির। অগ্নিকুণ্ড মন্দিরে আগত সনাতনী ভক্তরা স্নান শেষে ভক্তিভরে দর্শন করেন এসব মন্দির। স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মতে, সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষের চন্দ্রনাথ দর্শনের পরে অবশ্যই বাড়বকুণ্ড অগ্নিকুণ্ড মন্দির দর্শন ও এখানে থাকা অগ্নিকুণ্ডে স্নান করতে হয়। তা না হলে অসম্পূর্ণ রয়ে যায় তীর্থ দর্শন। তাই তাঁরা মহাদেবের সান্নিধ্য লাভে চন্দ্রনাথ দর্শন শেষে অগ্নিকুণ্ডে এসে স্নান সেরেছেন। অগ্নিকুণ্ড মন্দিরের সেবায়েত কালী নারায়ণ ভারতী জানান, তাঁরা বংশ পরম্পরায় শত শত বছর ধরে এ মন্দিরের পূজা–অর্চনা করে আসছেন। সুপ্রাচীন কাল থেকে বাড়বকুণ্ডের অগ্নিকুণ্ডে দৈব শক্তির প্রভাবে আগুন জ্বলছে। আর এ আগুনে স্বয়ং অগ্নিদেবতা বিরাজমান রয়েছে বলেই তা হাজার বছরেও নামেনি। বাড়বানল অগ্নিকুণ্ডে যেভাবে যেতে হবে #সনাতনীভিডিও🚩🚩 #froyoupage #tranding #শ্রীকৃষ্ণ #fypシ゚viral
শত শত বছর ধরে আগুন জ্বলছে অগ্নিকুণ্ড মন্দিরের কূপের পানিতে.... বহু পুরোনো জরাজীর্ণ মন্দির। মন্দিরের দেয়াল থেকে খসে পড়া আস্তরণের ওপরে উঠেছে তৃণলতাসহ বিভিন্ন ধরনের আগাছা। ভেতরে রয়েছে চতুর্ভুজ আকৃতির কুণ্ডলী। সে কুণ্ডলীতে থাকা স্বচ্ছ জলের তলা থেকে বুদ্‌বুদ শব্দে ওপরে উঠছে পানি। তার ওপর দাউ দাউ করে জ্বলছে আগুন। চারদিকে সবুজ পাহাড়। মাঝখানে একটি টিলায় পুরোনো দ্বিতল ভবন। ভবনের ভেতরে একটি ছোট কূপ। সেই কূপের একটি অংশে পানির ওপরে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। এক–দুই দিন ধরে নয়, শত শত বছর ধরেই জ্বলছে এই আগুন। আগুন যাতে ছড়িয়ে না পড়ে, সে লক্ষ্যে ওই অংশের চারপাশে নির্মাণ করা হয়েছে পাকা দেয়াল। দেয়ালের কারণে দেখতে মনে হয়, একটি চুলায় আগুন জ্বলছে। আগুনের আঁচে এর পাশে দাঁড়ানোই কষ্টকর। পানির ওপরিভাগে আগুন জ্বললেও পানি কিন্তু ঠান্ডা। যে কূপে পানির ওপর আগুন জ্বলছে, এর নাম বাড়বানল। এটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে একটি অতি পবিত্র তীর্থস্থান, পরিচিত অগ্নিকুণ্ড মন্দির নামে। এর অবস্থান চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের বাড়বকুণ্ড পাহাড়ে। প্রতিবছর শিবচতুর্দশী উপলক্ষে লাখো পুণ্যার্থীর আগমন ঘটে এই তীর্থস্থানে। জনশ্রুতি রয়েছে হাজার হাজার বছর ধরে অগভীর এ কুণ্ডের পানির ওপর আগুন জ্বললেও পানি একেবারে ঠান্ডা। গল্পটা চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের গহিন পাহাড়ের ভেতরে থাকা সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র তীর্থপীঠ বাড়বানল ‘অগ্নিকুণ্ড’ মন্দিরের। লৌকিক নানা ধরনের কাহিনি রয়েছি এ মন্দিরকে ঘিরে। সনাতনী ধর্মপ্রাণ মানুষের বিশ্বাস—সত্য যুগ থেকে ঐশ্বরিকভাবে এই অগ্নিকুণ্ডে জ্বলছে আগুন। যা এখনো নামেনি। অন্যদিকে ভূতত্ত্ববিদদের মতে মিথেন গ্যাসের কারণে জ্বলছে অগ্নিকুণ্ডের এই আগুন। পুণ্যার্থীদের পাশাপাশি সাধারণ পর্যটকদেরও আকৃষ্ট করছে বাড়বানল ‘অগ্নিকুণ্ড’ মন্দির। স্থানীয় ধর্মপ্রাণ সনাতনীরা জানিয়েছেন, অগ্নিকুণ্ড মন্দিরটি কত সালে নির্মাণ করা হয়েছে তার সঠিক ইতিহাস এখনো জানা যায়নি। চন্দ্রনাথ পঞ্চ ক্রোশের একটি মহা তীর্থস্থান এ অগ্নিকুণ্ড। এ অগ্নিকুণ্ডকে ঘিরেই প্রাচীনকাল থেকেই শিবের অষ্টমূর্তির প্রতীকে অষ্টলিঙ্গমূর্তি প্রতিষ্ঠিত। আর তাকে ঘিরেই এ অগ্নিকুণ্ড মন্দির প্রতিষ্ঠিত। মন্দিরটি প্রতিষ্ঠার সঠিক ইতিহাস জানা না গেলেও ১৫০১-১৫১০ সালের মধ্যে ত্রিপুরার রাজা ধন্যমাণিক্য চট্টগ্রাম পরিভ্রমণকালে এই অগ্নিকুণ্ড মন্দিরে আসেন। তখন তিনি নিজ উদ্যোগে এ মন্দিরটি সংস্কার করেন। এ সময় দেবীবিগ্রহ নিয়ে ত্রিপুরায় ত্রিপুরাসন্দুরী মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। উইকিপিডিয়ার তথ্যানুসারে, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র তীর্থপীঠ বাড়বানলের এ অগ্নিকুণ্ডের নাম অনুসারে ইউনিয়নটির নাম হয়েছে বাড়বকুণ্ড। যা জেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইটেও উল্লেখ করা রয়েছে। সবুজ বৃক্ষরাজিতে ঘেরা দুটি পাহাড়ের মাঝের একটি টিলার মধ্যে অগ্নিকুণ্ড মন্দিরটি রয়েছে। জরাজীর্ণ দ্বিতল ভবনের মন্দিরটি ওপর থেকে সিঁড়ি বয়ে গেছে নিচ অবধি। ভবনটির নিচতলার খোলা কক্ষের মাঝখানে রয়েছে চতুর্ভুজ আকৃতির ১০ বর্গফুটের একটি ছোট্ট কুণ্ড। আর সেই কুণ্ডটি দুই ভাগে বিভক্ত। দক্ষিণের অংশে দাউ দাউ করে জ্বলছে আগুন। আর উত্তরের অংশে থাকা পানির নিচ থেকে উঠছে বুদ্‌বুদ শব্দ। কুণ্ডের যে অংশে আগুন জলে সে অংশে দাঁড়ানো ভক্তদের আগুনে আঁচ থেকে রক্ষা করতে ইট–সিমেন্টের দেয়াল তুলে চুলার মতো করে দেওয়া হয়েছে। আর সেখানে আসা ভক্তরা অগ্নিকুণ্ডের পানিতে স্নান সেরে ভক্তি সহকারে পূজা-অর্চনা করছেন। অগ্নিকুণ্ড মন্দির থেকে ওপরে উঠলেই চোখে পড়ে শনিবাড়ি, বিষ্ণু মন্দির, জগন্নাথ মন্দির, ত্রিনাথ মন্দির, শিব মন্দির ও অন্নপূর্ণা মন্দির। এ ছাড়া অগ্নিকুণ্ডের পাশেই রয়েছে বাড়বকুণ্ড ও কালভৈরব মন্দির। অগ্নিকুণ্ড মন্দিরে আগত সনাতনী ভক্তরা স্নান শেষে ভক্তিভরে দর্শন করেন এসব মন্দির। স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মতে, সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষের চন্দ্রনাথ দর্শনের পরে অবশ্যই বাড়বকুণ্ড অগ্নিকুণ্ড মন্দির দর্শন ও এখানে থাকা অগ্নিকুণ্ডে স্নান করতে হয়। তা না হলে অসম্পূর্ণ রয়ে যায় তীর্থ দর্শন। তাই তাঁরা মহাদেবের সান্নিধ্য লাভে চন্দ্রনাথ দর্শন শেষে অগ্নিকুণ্ডে এসে স্নান সেরেছেন। অগ্নিকুণ্ড মন্দিরের সেবায়েত কালী নারায়ণ ভারতী জানান, তাঁরা বংশ পরম্পরায় শত শত বছর ধরে এ মন্দিরের পূজা–অর্চনা করে আসছেন। সুপ্রাচীন কাল থেকে বাড়বকুণ্ডের অগ্নিকুণ্ডে দৈব শক্তির প্রভাবে আগুন জ্বলছে। আর এ আগুনে স্বয়ং অগ্নিদেবতা বিরাজমান রয়েছে বলেই তা হাজার বছরেও নামেনি। বাড়বানল অগ্নিকুণ্ডে যেভাবে যেতে হবে #সনাতনীভিডিও🚩🚩 #froyoupage #tranding #শ্রীকৃষ্ণ #fypシ゚viral

About