@silent_.fairy: * * * #wallpaper #foryou #pfp #trwnd

Silent_.fairy
Silent_.fairy
Open In TikTok:
Region: PK
Thursday 27 August 2026 09:03:53 GMT
26790
568
14
60

Music

Download

Comments

abdullah.jaat17
Abdullah jaat :
S K PLEASE
2026-08-27 09:57:02
3
twinkle_tulip1.6
🌷ꫂ⃟𝐒𝐘𝐄𝐃𝐀ꫂ⃟🌷 :
sister TS please
2026-09-04 13:31:35
2
queenhuyar492
Queen 👑💞😚 :
please I N name
2026-09-01 23:37:17
2
naib.laghari8
Angal Queen 👑 :
IaoS Urdu mein please
2026-09-04 16:08:56
2
rabeya8184
🐾Rabeya🐾 :
H.Y
2026-09-05 06:31:50
2
malikfarhan261
Innocent Boy 🙃 :
A.F
2026-09-05 03:02:52
2
umair.qureshi475
umair qureshi :
👍👍👍😎🤩UM
2026-08-28 01:55:21
2
p.r.i.n.c.e760
々N o N a m e★ :
2026-09-09 08:22:21
0
meharsarkar045
.•❅☁█▒░❆𝐀ʀᴀɪɴ 𝐒ᴀʀᴋᴀʀ❆░▒█☁❅•. :
Mل plz 😏
2026-09-13 05:20:10
0
justblessed40
bint_e_ hawa :
KZ plz
2026-09-10 13:42:45
0
p.r.i.n.c.e760
々N o N a m e★ :
🥰🥰🥰
2026-09-09 08:22:16
0
siddiqrao789
siddiq rao :
💞💞💞
2026-09-03 19:19:37
2
h_ka_hun_yrr5
~ABURAIM¥12345 :
❤️❤️❤️
2026-09-03 08:43:04
2
To see more videos from user @silent_.fairy, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

#part_334 #villain_can_be_lover #methuburi_মিথুবুড়ি  'ব্যস্ত রাস্তার বাঁক পেরিয়ে সাপের মতো পেঁচিয়ে ছুটে চলেছে কয়েকটি মার্সিডিস। পিছনে ফেলে দিয়েছে সব গাড়িকে। দূর আকাশ থেকে দেখলে মনে হয় বিশাল এক অ্যানাকোন্ডা শহরের বুক চিরে সাঁতরে যাচ্ছে। অথচ নিচ থেকে তাদের বেগ দেখলে মনে হয় এক দল ক্ষুধার্ত হায়েনা শিকারের সন্ধানে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। ___ 'হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনে থামল তাকবীরের গাড়িটা। দরজা খুলতেই এলিজাবেথ এক নিশ্বাসে বেরিয়ে এল শূন্য হাতে। পেছনে তাকবীর নিঃশব্দে ওর লাগেজ টেনে আনল। সময় থমকে আছে। শ্বাস ভারী। এলিজাবেথ রাশিয়া ফিরে যাচ্ছে সব প্রতীক্ষার সমাপ্তি টেনে। ইমিগ্রেশন ডেস্কের সামনে নির্ভার মুখে দাঁড়িয়ে আছে এলিজাবেথ। পাশে তাকবীর এক পা এগিয়ে আবার পিছু হটে। কাল রাতের সবটুকু কেবল তার হ্যালুশিনেশন ছিল। সে আটকায়নি ওকে। হয়তো এটাই ভালো। সে চায়নি এলিজাবেথ আবার রিচার্ডের ছায়ায় ঢুকে পড়ুক। 'হঠাৎ এয়ারপোর্ট প্রাঙ্গণজুড়ে বইল গরম হাওয়া। অদ্ভুত থমথমে নীরবতা ছড়িয়ে পড়ল। পরপর কয়েকটা মার্সিডিস শাঁই করে এসে সারি সারি দাঁড়াল প্রবেশদ্বারের সামনে। গাড়ির দরজা খুলতেই কালো পোশাকধারী গার্ডরা গম্ভীর মুখে ছড়িয়ে পড়ল চারপাশে। সিকিউরিটি ইনচার্জ দ্রুত হাতে ওয়ারলেসে কিছু বলল অথচ তেমন বাধা দেওয়ার সাহস করল না। প্রথম গাড়ি থেকে নামল ন্যাসো, লুকাস। বরাবরের মতো পরণে কালো শার্ট, কালো ট্রেঞ্চ কোট। হালকা কাঁধ ঝাঁকিয়ে ব্যাকডোর খুলল লুকাস। 'গাড়ির ভিতর থেকে গম্ভীর ভারি পদক্ষেপে বেরিয়ে এল রিচার্ড। নেমেই ধীর অথচ স্থির এক রাজকীয় গতিতে হাঁটতে লাগল সে। মুখে কোনো অনুভূতি নেই, ঠোঁট কঠিনভাবে বন্ধ। চোখে সেই চিরচেনা অন্ধকার। চারপাশে কেউ দম নিতেও ভুলে গেল যেন।এয়ারপোর্টের গ্লাসের দরজা পেরিয়ে ভিতরে ঢুকল রিচার্ড। পেছনে ছায়ার মতো অনুসরণ করছে বিশালদেহী গার্ডরা। একাধিক পায়ের ভারি শব্দে এলিজাবেথ পিছন ফিরল। পিছন ঘুরতেই অবলোকন হল তীক্ষ্ণ চোয়াল। নীল আর নিকোষ কালো আঁখিদ্বয়ের চোখাচোখি হতেই এক সেকেন্ডের জন্য স্তব্ধ হয়ে গেল সময়। সামনে দাঁড়িয়ে আছে রিচার্ড। তীক্ষ্ণ চোয়াল। বরফশীতল চোখ। শ্বাসরুদ্ধকর উপস্থিতি। রিচার্ড গিয়ে দাঁড়াল এলিজাবেথের মুখোমুখি। ভ্রু নাচাল সে।
#part_334 #villain_can_be_lover #methuburi_মিথুবুড়ি 'ব্যস্ত রাস্তার বাঁক পেরিয়ে সাপের মতো পেঁচিয়ে ছুটে চলেছে কয়েকটি মার্সিডিস। পিছনে ফেলে দিয়েছে সব গাড়িকে। দূর আকাশ থেকে দেখলে মনে হয় বিশাল এক অ্যানাকোন্ডা শহরের বুক চিরে সাঁতরে যাচ্ছে। অথচ নিচ থেকে তাদের বেগ দেখলে মনে হয় এক দল ক্ষুধার্ত হায়েনা শিকারের সন্ধানে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। ___ 'হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনে থামল তাকবীরের গাড়িটা। দরজা খুলতেই এলিজাবেথ এক নিশ্বাসে বেরিয়ে এল শূন্য হাতে। পেছনে তাকবীর নিঃশব্দে ওর লাগেজ টেনে আনল। সময় থমকে আছে। শ্বাস ভারী। এলিজাবেথ রাশিয়া ফিরে যাচ্ছে সব প্রতীক্ষার সমাপ্তি টেনে। ইমিগ্রেশন ডেস্কের সামনে নির্ভার মুখে দাঁড়িয়ে আছে এলিজাবেথ। পাশে তাকবীর এক পা এগিয়ে আবার পিছু হটে। কাল রাতের সবটুকু কেবল তার হ্যালুশিনেশন ছিল। সে আটকায়নি ওকে। হয়তো এটাই ভালো। সে চায়নি এলিজাবেথ আবার রিচার্ডের ছায়ায় ঢুকে পড়ুক। 'হঠাৎ এয়ারপোর্ট প্রাঙ্গণজুড়ে বইল গরম হাওয়া। অদ্ভুত থমথমে নীরবতা ছড়িয়ে পড়ল। পরপর কয়েকটা মার্সিডিস শাঁই করে এসে সারি সারি দাঁড়াল প্রবেশদ্বারের সামনে। গাড়ির দরজা খুলতেই কালো পোশাকধারী গার্ডরা গম্ভীর মুখে ছড়িয়ে পড়ল চারপাশে। সিকিউরিটি ইনচার্জ দ্রুত হাতে ওয়ারলেসে কিছু বলল অথচ তেমন বাধা দেওয়ার সাহস করল না। প্রথম গাড়ি থেকে নামল ন্যাসো, লুকাস। বরাবরের মতো পরণে কালো শার্ট, কালো ট্রেঞ্চ কোট। হালকা কাঁধ ঝাঁকিয়ে ব্যাকডোর খুলল লুকাস। 'গাড়ির ভিতর থেকে গম্ভীর ভারি পদক্ষেপে বেরিয়ে এল রিচার্ড। নেমেই ধীর অথচ স্থির এক রাজকীয় গতিতে হাঁটতে লাগল সে। মুখে কোনো অনুভূতি নেই, ঠোঁট কঠিনভাবে বন্ধ। চোখে সেই চিরচেনা অন্ধকার। চারপাশে কেউ দম নিতেও ভুলে গেল যেন।এয়ারপোর্টের গ্লাসের দরজা পেরিয়ে ভিতরে ঢুকল রিচার্ড। পেছনে ছায়ার মতো অনুসরণ করছে বিশালদেহী গার্ডরা। একাধিক পায়ের ভারি শব্দে এলিজাবেথ পিছন ফিরল। পিছন ঘুরতেই অবলোকন হল তীক্ষ্ণ চোয়াল। নীল আর নিকোষ কালো আঁখিদ্বয়ের চোখাচোখি হতেই এক সেকেন্ডের জন্য স্তব্ধ হয়ে গেল সময়। সামনে দাঁড়িয়ে আছে রিচার্ড। তীক্ষ্ণ চোয়াল। বরফশীতল চোখ। শ্বাসরুদ্ধকর উপস্থিতি। রিচার্ড গিয়ে দাঁড়াল এলিজাবেথের মুখোমুখি। ভ্রু নাচাল সে। "এতো সোজা?" 'ঠান্ডা কণ্ঠের ওজন এমনও হতে পারে? সমস্ত কায়া কেঁপে উঠল। তার কণ্ঠে শব্দরা দলা বাঁধল অথচ চোখ তৃষ্ণায় ছটফট করছে। লোকটার এমন অবস্থা কেন? কোথায় গেল সেই কঠোর কাঠামো, সেই রাজকীয় ঔজ্জ্বল্য?রিচার্ড এলিজাবেথের বিহ্বল চোখে চেয়ে রাশভারি স্বরে বলল, "কাম অন ওয়াইফি। আমাদের এখনো একসাথে সংসার করা বাকি। তুমি কোথাও যাচ্ছো না।" পাশ থেকে তাকবীর কিছু বলতে গিয়েছিল কিন্তু রিচার্ডের কঠিন কণ্ঠ তাকে থামিয়ে দিল, "তুই আরেকবার আমার বউয়ের দিকে হাত বাড়াবি, আমি তোর কলিজার দিকে হাত বাড়াবো। খোদার কসম এক টানে ছিঁড়ে আনবো না, একটু একটু করে টেনে ছিঁড়ে আনবো।" 'এলিজাবেথ তখনও একগুঁয়ে দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল রিচার্ডের দিকে। তার চোখের তৃষ্ণা ক্রমশ গাঢ় হচ্ছে। রিচার্ড গভীর দৃষ্টিতে একবার দেখে নিল তার অবাধ্য নারীর আপাদমস্তক। দু’কদম এগোতেই তাকবীর সামনে এসে দাঁড়াল,তবে পরক্ষনেই কাঁধে তীব্র এক থাবায় ছিটকে দু'কদম পিছিয়ে গেল। "স্বামী-স্ত্রীর মাঝে আসলে গেঁড়ে দেবো।" সুনামির পূর্বাভাস যেন কণ্ঠে ধ্বনিত হলো। "এই জনমে আমাদের বিচ্ছেদ হচ্ছে না মিসেস কায়নাত।" 'এই বলে রিচার্ড এগিয়ে এল। এলিজাবেথের হাত ধরতে যাবে ঠিক তখনই এক তীব্র চড় আঁচড়ে পড়ল তার চোয়ালে। কিন্তু রিচার্ডের মুখভঙ্গিতে এক বিন্দু পরিবর্তন নেই। ঠান্ডা, নির্লিপ্ত। ধীর গতিতে গ্রীবা বাঁকিয়ে তাকাল এলিজাবেথের দিকে। "এলি জান।" 'মাত্র দুটো শব্দ অথচ এলিজাবেথের প্রতিক্রিয়া ছিল আগুনের মতো। তার তপ্ত থুতু এসে ছিটকে পড়ল রিচার্ডের গালে। "কাপুরুষ!" 'রিচার্ড স্থির। "কাপুরুষ?" 'মূহুর্তেই এলিজাবেথ ফুঁসে উঠল,"হ্যাঁ, কাপুরুষ! যে পুরুষ প্রিয়তমার দুঃখে পাশে থাকে না, সে কাপুরুষ। যে পুরুষ দুঃখের মুখোমুখি হতে ভয় পায়, সে কাপুরুষ!" 'রিচার্ডের কণ্ঠে চাপা বিস্ফোরণ, "রেড!" 'এলিজাবেথ তর্জনী তুলে কড়াভাবে বলল,"খবরদার! আমাকে এই নামে ডাকবেন না!" 'সে তাকবীরের দিকে একবার তাকাল তারপর শক্ত হাতে লাগেজ ধরে সামনে এগিয়ে গেল। পাসপোর্ট জমা দিতে গেলে দেখতে পেল অযাচিত কারণে গার্ডের পা কাঁপছে।বিস্মিত হয়ে গার্ডের ভয়ভরা দৃষ্টি অনুসরণ করে পিছনে তাকাল—রিচার্ড ঠোঁটের কোণে এক রহস্যময় বাঁকা হাসি নিয়ে দাঁড়িয়ে। "কোথায় যাচ্ছো ওয়াইফি?পুরো এয়ারপোর্ট তো সিল করা।" 'তাকবীর তীব্র গলায় বলল,"মানে? সকল যাত্রী তো এখানে!" 'রিচার্ড ঠোঁট কামড়ে হাসল। ধীর গতিতে ঘাড় উঁচিয়ে মটমট শব্দ করল। সেই মুহূর্তেই আশেপাশের যাত্রীরা তাদের ব্যাগ ফেলে দিল। তাকবীরের আর কিছুই বুঝতে বাকি রইল না। সে নিজেও প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল। ইশারা করতেই ভিতরে ঢুকে পড়ল একদল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য। continue_ #fyp #bdtiktokofficial

About